পারসিক জাতি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পারসিক জাতি
فارسی‌زبانان
پارسی‌زبانان
মোট জনসংখ্যা
আনু. ৫২.৫ মিলিয়ন[১]
উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যার অঞ্চলসমূহ
 ইরান৪৯,৩১২,৮৩৪ (মোট জনসংখ্যার ৬১–৬৫%)[২][৩]
 আফগানিস্তান৯,৪৫০,০০০–১১,৫৫০,০০০ (২০১৪)
 তাজিকিস্তান৬,৭৮৭,০০০ (২০১৪)
 উজবেকিস্তান১,৪২০,০০০ (২০১২)
ভাষা
ফার্সি ও এর নিকটাত্মীয় ভাষাভাসমূহ
ধর্ম
শিয়া ইসলাম (প্রধানত), সুন্নি ইসলাম, জরথুস্ত্রবাদ, খ্রিস্টধর্ম, ইহুদিধর্ম, বাহাই ধর্ম, অজ্ঞেয়বাদধর্মহীনতা
সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠী
অন্যান্য ইরানি জাতিসমূহ

পারসিক (ফার্সি: فارسی‌زبانان‎‎) হল একটি ইরানি নৃগোষ্ঠী যারা ইরানের জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি।[২][৩] তারা একটি সাধারণ সাংস্কৃতিক ব্যবস্থা ভাগাভাগি করে এবং তারা ফার্সি ও এর সাথে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত ভাষাসমূহের স্থানীয় বক্তা।[৪][৫][৬][৭]

প্রাচীন পারসিকরা ছিল মূলত একটি প্রাচীন ইরানি জাতি যারা খ্রিস্টপূর্ব নবম শতাব্দীর মধ্যে ইরানের পার্সিস অঞ্চলে, অধুনা দক্ষিণ-পশ্চিম ইরানের ফর্স প্রদেশ, প্রব্রজন করেছিল।[৮][৯] তাদের স্বদেশী মিত্রদের সাথে একত্রিত হয়ে তারা বিশ্বের কয়েকটি শক্তিশালী সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা ও শাসন করেছিল,[৯][১০] যেগুলো প্রাচীন বিশ্বের বেশিরভাগ অঞ্চল এবং জনসংখ্যা সমেত তাদের বিশাল সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক এবং সামাজিক প্রভাবের জন্য সুপরিচিত ছিল।[১১][১২][১৩] ইতিহাস জুড়ে পারসিকরা শিল্প ও বিজ্ঞানে ব্যাপক অবদান রেখেছিল।[১৪][১৫][১৬] ফার্সি সাহিত্য হল বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যধারা।[১৭]

সমসাময়িক পরিভাষায় পারসিক ঐতিহ্যের স্থানীয় লোকেদের, বিশেষ করে বর্তমান আফগানিস্তান, তাজিকিস্তান এবং উজবেকিস্তানের লোকেদের, তাজিক হিসাবে চিহ্নিত করা হয়, অন্যদিকে ককেশাসের লোকেদের (মূলত বর্তমান আজারবাইজান প্রজাতন্ত্র এবং রুশ দাগেস্তান প্রজাতন্ত্র) তাত হিসাবে চিহ্নিত করা হয়।[১৮][১৯] তবে ঐতিহাসিকভাবে তাজিক ও তাত শব্দগুলি পারসিকের সমার্থক এবং বিনিময়যোগ্য শব্দ হিসাবে ব্যবহৃত হত।[১৮] বহু প্রভাবশালী পারসিক ব্যক্তিত্ব ইরানের বর্তমান সীমান্তের বাইরে মধ্য এশিয়া এবং আফগানিস্তানের উত্তর-পূর্ব এবং ককেশাসের উত্তর-পশ্চিমের লোক ছিলেন।[২০][২১] ঐতিহাসিক পরিপ্রেক্ষিতে, বিশেষত ইংরেজি ভাষায়, “পারসিক জাতিকে” জাতিগত পটভূমি নির্বিশেষে প্রাচীন পারসিক প্রশাসনিক ব্যবস্থার সমস্ত বিষয়কে ধারণ করার জন্য আরও আলগাভাবে সংজ্ঞায়িত করা যেতে পারে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Persian, Iranian"Ethnologue। সংগ্রহের তারিখ ১১ ডিসেম্বর ২০১৮  Total Iranian Persian users in all countries.
  2. "Iran — The World Factbook"Central Intelligence Agency। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মে ২০১৩ 
  3. "Country Profile: Iran" (PDF)Library of Congress – Federal Research Division। মে ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ৩০ এপ্রিল ২০১৯ 
  4. Beck, Lois (২০১৪)। Nomads in Postrevolutionary Iran: The Qashqa'i in an Era of Change। Routledge। পৃষ্ঠা xxii। আইএসবিএন 978-1317743866(...) an ethnic Persian; adheres to cultural systems connected with other ethnic Persians (...) 
  5. Samadi, Habibeh; Perkins, Nick (২০১২)। Ball, Martin; Crystal, David; Fletcher, Paul, সম্পাদকগণ। Assessing Grammar: The Languages of Lars। Multilingual Matters। পৃষ্ঠা 169। আইএসবিএন 978-1-84769-637-3 
  6. Fyre, R. N. (২৯ মার্চ ২০১২)। "IRAN v. PEOPLES OF IRAN"Encyclopædia IranicaThe largest group of people in present-day Iran are Persians (*q.v.) who speak dialects of the language called Fārsi in Persian, since it was primarily the tongue of the people of Fārs." 
  7. Anonby, Erik J. (২০ ডিসেম্বর ২০১২)। "LORI LANGUAGE ii. Sociolinguistic Status of Lori"Encyclopædia IranicaConversely, the Nehāvand sub-province of Hamadān is home to ethnic Persians who speak NLori as a mother tongue. (...) The same is true of areas to the southwest, south, and east of the Lori language area (...): while the varieties spoken there show more structural similarity to Lori than to Persian, speakers identify themselves as ethnically Persian. 
  8. Xavier de Planhol (২৪ জানুয়ারি ২০১২)। "FĀRS i. Geography"Encyclopædia IranicaIX। পৃষ্ঠা ?–336। The name of Fārs is undoubtedly attested in Assyrian sources since the third millennium B.C.E. under the form Parahše. Originally, it was the "land of horses" of the Sumerians (Herzfeld, pp. 181-82, 184-86). The name was adopted by Iranian tribes which established themselves there in the 9th century B.C.E. in the west and southwest of Urmia lake. The Parsua (Pārsa) are mentioned there for the first time in 843 B.C.E., during the reign of Salmanassar III, and then, after they migrated to the southeast (Boehmer, pp. 193-97), the name was transferred, between 690 and 640, to a region previously called Anšan (q.v.) in Elamite sources (Herzfeld, pp. 169-71, 178-79, 186). From that moment the name acquired the connotation of an ethnic region, the land of the Persians, and the Persians soon thereafter founded the vast Achaemenid empire. A never-ending confusion thus set in between a narrow, limited, geographical usage of the term—Persia in the sense of the land where the aforesaid Persian tribes had shaped the core of their power—and a broader, more general usage of the term to designate the much larger area affected by the political and cultural radiance of the Achaemenids. The confusion between the two senses of the word was continuous, fueled by the Greeks who used the name Persai to designate the entire empire. 
  9. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; book2 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  10. Schmitt, R.। "ACHAEMENID DYNASTY"Encyclopædia IranicaI। পৃষ্ঠা 414–426। In 550 B.C. Cyrus (called "the Great" by the Greeks) overthrew the Median empire under Astyages and brought the Persians into domination over the Iranian peoples; he achieved combined rule over all Iran as the first real monarch of the Achaemenid dynasty. Within a few years he founded a multinational empire without precedent—a first world-empire of historical importance, since it embraced all previous civilized states of the ancient Near East. (...) The Persian empire was a multinational state under the leadership of the Persians; among these peoples the Medes, Iranian sister nation of the Persians, held a special position. 
  11. Farr, Edward (১৮৫০)। History of the Persians। Robert Carter। পৃষ্ঠা 124–7। 
  12. Roisman ও Worthington 2011, পৃ. 345.
  13. Durant, Will (১৯৫০)। Age of Faith। Simon and Schuster। পৃষ্ঠা 150Repaying its debt, Sasanian art exported its forms and motives eastward into India, Turkestan, and China, westward into Syria, Asia Minor, Constantinople, the Balkans, Egypt, and Spain. 
  14. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; burke নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  15. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Persian presence নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  16. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Bertold Spuler নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  17. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Persian literature নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  18. "TAJIK i. THE ETHNONYM: ORIGINS AND APPLICATION"Encyclopædia Iranica। ২০ জুলাই ২০০৯। By mid-Safavid times the usage tājik for 'Persian(s) of Iran' may be considered a literary affectation, an expression of the traditional rivalry between Men of the Sword and Men of the Pen. Pietro della Valle, writing from Isfahan in 1617, cites only Pārsi and ʿAjami as autonyms for the indigenous Persians, and Tāt and raʿiat 'peasant(ry), subject(s)' as pejorative heteronyms used by the Qezelbāš (Qizilbāš) Torkmān elite. Perhaps by about 1400, reference to actual Tajiks was directed mostly at Persian-speakers in Afghanistan and Central Asia; (...) 
  19. Ostler, Nicholas (২০১০)। The Last Lingua Franca: English Until the Return of Babel। Penguin UK। পৃষ্ঠা 1–352। আইএসবিএন 978-0141922218Tat was known to have been used at different times to designate Crimean Goths, Greeks and sedentary peoples generally, but its primary reference came to be the Persians within the Turkic domains. (...) Tat is nowadays specialized to refer to special groups with Iranian languages in the west of the Caspian Sea. 
  20. Nava'i, Ali Shir (tr. & ed. Robert Devereaux) (১৯৯৬)। Muhakamat al-lughatain। Leiden: Brill। পৃষ্ঠা 6। 
  21. Starr, S. F. (২০১৩)। Lost Enlightenment: Central Asia's Golden Age from the Arab Conquest to Tamerlane। Princeton University Press।