বিষয়বস্তুতে চলুন

নিযামুল মুলক

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
নিযামুল মুলক
সেলজুক সাম্রাজ্য
কাজের মেয়াদ
২৯ নভেম্বর ১০৬৪  ১৪ অক্টোবর ১০৯২
রাজাআল্প আরসালান,
প্রথম মালিক শাহ
পূর্বসূরীআল-কুন্দুরি
উত্তরসূরীতাজ উল মুলক
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম১০ এপ্রিল, ১০১৮
তুস, গজনবীদ সাম্রাজ্য
মৃত্যু১৪ অক্টোবর, ১০৯২ (বয়স ৭৪)
নহভন্দ , সেলজুক সাম্রাজ্য
দাম্পত্য সঙ্গীUnnamed Bagrationi princess[][]
সন্তানআহমেদ ইবনে নিযামুল মুলক
শামস আল মুলক উসমান
আবুলফাথ ফখর আল মেলিক
Mu'ayyid al-Mulk
Jamal al-Mulk
Fakhr al-Mulk
Izz al-Mulk
Imad al-Mulk Abu'l-Kasim
Safiyya

আবু আলী হাসান আল তুসি নিযাম উল-মুলক (ফার্সি: خواجه نظام‌الملک طوسی; ১০১৮-১০৯২) ছিলেন একজন পারস্যিক পণ্ডিত[][]সেলজুক সাম্রাজ্যের উজির, যিনি খাজা নিযামুল মুলক বা নিজাম-উল-মুলক নামে অধিক পরিচিত। তিনি কিছুদিনের জন্য তিনি সেলজুক সাম্রাজ্যের শাসক হিসেবেও অধিষ্ঠিত ছিলেন। নিযামুল মুলক ১০১৮ সালে ইরানের তুস নগরে জন্মগ্রহণ করেন। প্রথমদিকে তিনি গজনভি সুলতানের অধীনে চাকরি করতেন। ১০৫৯ সালে তিনি খোরাসানের প্রধান শাসক হন।

১০৬৩ সাল থেকে তিনি সেলজুকদের উজির হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আল্প আরসালান (১০৬৩-১০৭২) ও প্রথম মালিক শাহের (১০৭২-১০৯২) রাজত্বকাল পর্যন্ত তিনি এই পদে ছিলেন। সেলজুক সাম্রাজ্যের সরকারি ব্যবস্থাপনায় তিনি বেশ প্রভাব রেখে যান, যার ফলে তিনি “নিযাম-উল-মুলক” উপাধি লাভ করেন, যার অর্থ হল “রাজ্যের শৃঙ্খলা”। সাম্রাজ্যের বিরোধীদের মাঝে আব্বাসীয় এবংসেলজুকদের মধ্যকার রাজনৈতিক দূরত্ব দূর করতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এই বিরোধীদের মধ্যে ফাতেমীয়বুইয়িরা অন্তর্ভুক্ত ছিল।

উজিরের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি উচ্চশিক্ষার জন্য বেশ কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন। এগুলোর মধ্যে নিজামিয়া অন্যতম ছিল। এসবের তার নামে নামকরণ করা হয়। বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইউরোপে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলির পূর্বসূরি ও আদর্শরূপে পরিণত হয়।

রাজত্বের উপর লিখিত তার সিয়াসাতনামা গ্রন্থটির জন্যও তিনি খ্যাত। দাস্তুর আল-উজারা নামক বইটিও তিনি লেখেন। এটি তিনি তার পুত্র আবুলফাতেহ ফখর-উল-মালেকের জন্য জন্য লেখেন। বইটি বিখ্যাত গ্রন্থ কাবুস নামার মতই।

৪৮৫ হিজরির ১০ রমজান (১৪ অক্টোবর ১০৯২ খ্রিষ্টাব্দ) ইসফাহান থেকে বাগদাদ যাওয়ার পথে আততায়ীর হাতে তিনি নিহত হন। বিভিন্ন মৌলিক সূত্রমতে হাশাশিনরা তাকে হত্যা করে। ঘাতক দরবেশের ছদ্মবেশে তার দিকে অগ্রসর হয়‌[]

ছবিটিতে "নিযামুল মুলকের" ওপর ঘাতকদের হামলার একটি দৃশ্য দেখানো হয়েছে। ঘাতকদের আঘাতেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন ।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. Bosworth 1984, পৃ. 642–643।
  2. Bosworth 1968, পৃ. 62-65।
  3. Gustave E. Von Grunebaum, Katherine Watson, Classical Islam: A History, 600 A.D. to 1258 A.D., Translated by Katherine Watson Published by Aldine Transaction, 2005. page 155
  4. Holt, P. M. (১৯৭৭)। The Cambridge History of Islam Volume 1। Cambridge University Press। পৃ. ১৫০। {{বই উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার |coauthors= উপেক্ষা করা হয়েছে (|author= প্রস্তাবিত) (সাহায্য)
  5. Waterson, James, The Ismaili Assassins. A history of medieval murder (Yorkshire, 2008) 79

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]