দশমিক পদ্ধতি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান

দশমিক পদ্ধতি যেকোন সংখ্যাকে প্রকাশের জন্য ১০ ও এর ঘাতসমূহকে ব্যবহার করে অবস্থানভিত্তিক সংখ্যাপ্রকাশক পদ্ধতি[১]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

অনেক প্রাচীন সংস্কৃতিতে সংখ্যাসমূহ ১০ ঘাত অনুযায়ী গণনা করা হত, কারণ মানুষের হাতে দশটি আঙ্গুল রয়েছে।[২] খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দের মিশরীয় চিত্রলিপিতে দশমিক পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়েছে[৩] এবং অনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১৬২৫-১৫০০ অব্দের মিনোয়ান সময়ের ক্রিটান চিত্রলিপিতেও[৪] যে সংখ্যা পদ্ধতি পাওয়া গেছে তা মিশরীয় পদ্ধতির সাথে কিছুটা মিল রয়েছে।[৫] দশমিক পদ্ধতি পরবর্তী ব্রোঞ্জ যুগীয় গ্রিস সংস্কৃতিতেও দেখা যায়, বিশেষ করে লিনিয়ার এ (আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১৮শ শতাব্দী - খ্রিস্টপূর্ব ১৪৫০ অব্দ) এবং লিনিয়ার বি (অনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১৩৭৫ - ১২০০ অব্দ) সময়ে। রোমান সংখ্যাসহ ধ্রুপদী গ্রিস সময়ের সংখ্যা পদ্ধতিতেও ১০ ঘাত ব্যবহৃত হত এবং আরও ৫ ঘাত যুক্ত হত।[৬] উল্লেখ্য যে পলিম্যাথ আর্কিমিডিস (আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১৩৭৫ - ১২০০ অব্দ) তাঁর স্যান্ড রিকনার এ একটি সংখ্যা পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন যার ঘাত ছিল ১০[৬] হাইত্তিত চিত্রলিপিতে (খ্রিস্টপূর্ব ১৫শ শতাব্দী) মিশরীয় ও গ্রিকদের মতই দশমিক পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়।[৪]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. The History of Arithmetic, Louis Charles Karpinski, 200pp, Rand McNally & Company, 1925.
  2. Dantzig, Tobias (1954), Number / The Language of Science (4th ed.), The Free Press (Macmillan Publishing Co.), p. 12, ISBN 0-02-906990-4
  3. Georges Ifrah: From One to Zero. A Universal History of Numbers, Penguin Books, 1988, ISBN 0-14-009919-0, pp. 200-213 (Egyptian Numerals)
  4. Georges Ifrah: From One to Zero. A Universal History of Numbers, Penguin Books, 1988, ISBN 0-14-009919-0, pp.213-218 (Cretan numerals)
  5. Graham Flegg: Numbers: their history and meaning, Courier Dover Publications, 2002, ISBN 978-0-486-42165-0, p. 50
  6. Greek number systems