নতুন দিল্লি–মুম্বাই প্রধান রেলপথ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
দিল্লি-মুম্বাই লাইন
সংক্ষিপ্ত বিবরণ
অবস্থাকার্যক্ষম
সেবাগ্রহণকারী অঞ্চলদিল্লি, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, গুজরাটমহারাষ্ট্র
বিরতিস্থলনতুন দিল্লি
মুম্বাই সেন্ট্রাল
ক্রিয়াকলাপ
মালিকভারতীয় রেল
পরিচালনাকারীউত্তরাঞ্চলীয় রেলওয়ে, উত্তর-মধ্য রেলওয়ে, পশ্চিম মধ্য রেল, পশ্চিম রেলওয়ে
প্রযুক্তিগত
রেললাইনের মোট দৈর্ঘ্য১,৩৮৬ কিমি (৮৬১ মা)
ট্র্যাক গেজ১,৬৭৬ এমএম ব্রড গেজ
চালন গতি১৬০ কিমি/ঘণ্টা পর্যন্ত

দিল্লি-মুম্বাই রেলপথ ভারতের প্রধান রেলপথগুলির মধ্যে একটি। রেলপথটি জাতীয় রাজধানী দিল্লিকে বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাইয়ের সঙ্গে সংযুক্ত করে। এটি ভারতীয় রাজ্যে দিল্লি, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, গুজরাটমহারাষ্ট্রের মধ্য দিয়ে ১,৩৮৬ কিলোমিটার (৮৬১ মাইল) দূরত্ব অতিক্রম করে। মুম্বই রাজধানী এক্সপ্রেস যা এই রেলপথে চলাচলকারী দ্রুততম রাজধানী এক্সপ্রেস এবং দিল্লি ও মুম্বাইয়ের মধ্যে দূরত্ব ১৫ ঘণ্টা ৪০ মিনিটে অতিক্রম করে এবং এর গড় গতি ৯১ কিমি/ঘণ্টা। ২০১২ সালে, স্প্যানিশ উচ্চ গতির রেল প্রস্তুতকর্তা তালগো দিল্লি ও মুম্বাইয়ের মধ্যে উচ্চ গতির ট্রেনের কয়েকটি পরীক্ষা চালায়। ট্রেনটি ১৫০ কিলোমিটার/ঘণ্টায় সর্বাধিক গতি অর্জন করে এবং নতুন দিল্লি-মুম্বাই সেন্ট্রালের যাত্রা ১২ ঘণ্টায় সম্পন্ন করে। [১]

বিবরণ[সম্পাদনা]

দিল্লি রেল স্টেশন থেকে শুরু করে দিল্লি-মুম্বাই রেলপথের মৈতূর পর্যন্ত ১৪১ কিলোমিটার রেলপথ দিল্লি-চেন্নাই প্রধান রেলপথের সাথে ভাগাভাগি করে। এখান থেকে রেলপথটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দিকে চলেগেছে এবং মুম্বাই সেন্ট্রাল রেলওয়ে স্টেশনে শেষ হওয়ার আগে ভরতপুর, কোটা, রতলম, বড়োদরা, সুরাটসহ বেশ কিছু শহর অতিক্রম করে। মহারাষ্ট্রের মধ্যে, মুম্বই শহরতলি রেলের ওয়েস্টার্ন লাইনটি দহানু রোড থেকে চার্চগেট রেল স্টেশন পর্যন্ত দিল্লি-মুম্বই রেলপথের সঙ্গে একই ট্র্যাকগুলি ব্যবহার করে।

বৈদ্যুতীকরণ[সম্পাদনা]

দিল্লি-মুম্বাই রেলপথটি সম্পূর্ণরূপে ১৯৮৭ সালে বিদ্যুতায়িত হয়। [২]

যাত্রী চলাচল[সম্পাদনা]

এই রেলপথের দিল্লি, মথুরা, কোটা, রতলম, বড়োদরা এবং মুম্বই সেন্ট্রাল স্টেশন ভারতীয় রেলের শীর্ষস্থানীয় বুকিং স্টেশনগুলির মধ্যে রয়েছে।[৩]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Talgo completes New Delhi-Mumbai Central trial run in less than 12 hours"। Times of India। সংগ্রহের তারিখ ৬ অক্টোবর ২০১৬ 
  2. "Electric Traction — I"। IRFCA। সংগ্রহের তারিখ ৬ অক্টোবর ২০১৬ 
  3. "Indian Railways Passenger Reservation Enquiry"Availability in trains for Top 100 Booking Stations of Indian Railways। IRFCA। সংগ্রহের তারিখ ১৭ মার্চ ২০১৪ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]