মেজেন্টা লাইন (দিল্লি মেট্রো)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মেজেন্টা লাইন
मेजेन्टा लाइन (লাইন ৮)
Delhi Metro - Magenta Line.jpg
ম্যাজেন্টা লাইনে একটি হুন্ডাই রোটেম-এর ড্রাইভারহীন ট্রেন।
সংক্ষিপ্ত বিবরণ
স্থিতিপুরোপুরি কর্মক্ষম
মালিকদিল্লি মেট্রো
অঞ্চলদিল্লিনয়ডা
বিরতিস্থল
স্টেশন২৫; এলিভেটেড: ১০, ভূগর্ভস্থ: ১৫
পরিষেবা
ধরনদ্রুত গমনাগমন
সিস্টেমদিল্লি মেট্রো
পরিচালকদিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশন
রোলিং স্টকহুন্ডাই রোটেমে স্ট্যান্ডার্ড গেজ
ইতিহাস
চালু২৫ ডিসেম্বর ২০১৭ (বোটানিক্যাল গার্ডেন - কলকাজি)
২৮ মে ২০১৮ (জনকপুরী পশ্চিম-বোটানিক্যাল গার্ডেন)[১]
কারিগরি তথ্য
রেলপথের দৈর্ঘ্য৩৬.৯৮ কিলোমিটার (২২.৯৮ মা), উত্তলিত ১৪.৬ কিলোমিটার (৯.১ মা); ভূগর্ভস্থ ২২.২ কিলোমিটার (১৩.৮ মা)
বৈশিষ্ট্যভূগর্ভের এলিভেটেড
ট্র্যাক গেজ৪ ফুট   ইঞ্চি (১,৪৩৫ মিলিমিটার) standard gauge
বিদ্যুতায়ন২৫ কেভি, ৫০ হার্জ Hz হয় এসি মাধ্যমে ওভারহেড

মেজেন্টা লাইন দিল্লি মেট্রোর একটি লাইন। এটি ভারতের দিল্লি মহানগরে অবস্থিত একটি দ্রুত গণপরিবহন মাধ্যম এবং ভারতের প্রথম চালকবিহীন মেট্রো রেল ব্যবস্থা। এটি জনকপুরী পশ্চিম থেকে বোটানিক্যাল গার্ডেন পর্যন্ত ২৫ টি মেট্রো স্টেশন নিয়ে গঠিত, যার মধ্যে ১০ টি স্টেশন উত্তলিত এবং বাকি ১৫ টি ভূগর্ভস্থ। লাইনের মোট দৈর্ঘ্য ৩৬.৯৮ কিলোমিটার এবং এর মধ্যে ১০.৬৪৪ কিলোমিটার উড়ালপথে এবং ২৩.৮০৭ কিলোমিটার ভূগর্ভস্থ পথে নির্মিত। বিমানবন্দর মেট্রো এক্সপ্রেস লাইনটি সরাসরি ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল ১-এর সঙ্গে যুক্ত ও বিমানবন্দরের জন্য মেট্রো পরিষেবা পরিবেশন করবে।

২৫ শে ডিসেম্বর ২০১৭ সালে লাইনটির বোটানিক্যাল গার্ডেন থেকে কলকাকি মন্দির পর্মন্ত এবং ২৮ মে, ২০১৮ সালে লাইনটি জনকপুরী পশ্চিম ও কালকাজী মন্দিরের মধ্যবর্তী অংশে চালু করা হয়। এই লাইন এবং বর্তমান ইয়োল লাইনের হাউজ খাস স্টেশন হল দিল্লি মেট্রোর গভীরতম মেট্রো স্টেশন , যা ৩২ মিটার গভীরতায় অবস্থিত। এর আগে ২২ মিটার গভীরতায় ইয়োল লাইনের চাউরি বাজার স্টেশন দিল্লি মেট্রোর গভীরতম মেট্রো স্টেশন ছিল। [২] লাইনের জনকপুরী ওয়েস্ট মেট্রো স্টেশনটি ১৫.৬ মিটার উচ্চতার সঙ্গে ভারতের সর্ববৃহৎ এসক্লোটারি অন্তর্ভুক্ত করেছে। মেজেন্টা লাইনটি হলুদ, নীল, এবং দিল্লি মেট্রো নেটওয়ার্কের ভায়োলেট লাইনের সাথে বিনিময় ঘটায়।

এই লাইনের শঙ্কর বিহার মেট্রো স্টেশন অনন্য, কারণ এটি কেবল দিল্লি মেট্রোর একমাত্র স্টেশন যেখানে বেসামরিক নাগরিকদের মেট্রো রেলে স্বাধীন ভাবে চলাচল সামরিক বাহিনী দ্বারা সীমিত করা হয়, কারণ এটি দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় পড়ে এবং ডিএমআরসি অফিসারের মতে " ডিফেন্স জোনের ডানদিকে অবস্থিত, এটি মূলত প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধানদের জন্য কাজ করবে। "[৩]

ভারতে প্রথমবারের মতো দাব্রি মোর স্টেশনে দুটি সমান্তরাল সুড়ঙ্গ নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়। জনকপুরী পশ্চিম-বোটানিক্যাল গার্ডেন লাইনের জনকপুরী পশ্চিম, দাব্রি মোর ও দশোরথ পুরি স্টেশন এইচসিসি-স্যামসাং যৌথ উদ্যোগে কার্যকর করা হয়েছে। [৪][৫]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

মেজেন্টা লাইনের একটি মেট্রো ট্রেনের ভিতরের দৃশ্য

ফেব্রুয়ারি ২০১৮ সাল পর্যন্ত নির্মাণ কাজের অগ্রগতি ৯৯.১২% ছিল। [৬] এই লাইনটিকে প্রাথমিকভাবে ডিসেম্বর ২০১৬ সালে সমাপ্ত করার জন্য পরিকল্পনা করা হলেও, পরে নির্মাণ সময় প্রসারিত করা হয়েছিল এবং লাইনে পরীক্ষামূলক ২০১৭ সালের আগস্টে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছিল।[৭] ২৫ শে ডিসেম্বর ২০১৭ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী[৮] দ্বারা বোটানিক্যাল গার্ডেন থেকে কলকাকি মন্দির পর্যন্ত প্রথম দফায় মেট্রো লাইনটি উন্মুক্ত করা হয় এবং ২৮ শে মে ২০১৮ সালে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল দ্বিতীয় দফার উদ্বোধন করেন। ফলে লাইনের বাকি অংশ কার্যকরী হয়ে ওঠে এবং ২৯ শে মে ২০১৮ সালে সকাল ০৬:০০ থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য খোলা হয়। [৯]

সম্প্রসারণের ইতিহাস[সম্পাদনা]

২৫-১২-২০১৭ তারিখে বোটানিকাল গার্ডেন থেকে কলকাজি মন্দির পর্যন্ত ৭ টি স্টেশন সহ ৮.৬৭৯ কিলোমিটার একটি অংশ খোলা হয়েছে। লাইন অবশিষ্ট অংশ ২৮ মে ২০১৮ সালে খোলা হয়।[৯]

ফেজ ৪

কালিদি কুঞ্জ ডিপো ছাড়াও, মেজেন্টা লাইনের মঙ্গোলপুরে একটি নতুন ডিপো থাকবে।

ইতিহাস
সম্প্রসারণের তারিখ অংশ দৈর্ঘ্য স্টেশন
২৫ ডিসেম্বর ২০১৭ বোটানিক্যাল গার্ডেন- কলকজি মন্দির ১২.৬৪ কিলোমিটার (৭.৮৫ মা)
২৮ শে মে ২০১৮ কলকজি মন্দির-জনকপুরী পশ্চিম ২৪.৩৪ কিলোমিটার (১৫.১২ মা) ১৬
মোট বোটানিক্যাল গার্ডেন- জনকপুরী পশ্চিম ৩৬.৯৮ কিলোমিটার (২২.৯৮ মা) ২৫

ট্রেনের তথ্য[সম্পাদনা]

# মেজেন্টা লাইন
রেক হুন্ডাই রোটেম বিইএমএল
ট্রেনের দৈর্ঘ্য
ট্রেন গেজ ৪ ফুট ৮ ইঞ্চি (১,৪৩৫ মিলিমিটার) স্ট্যান্ডার্ড গেজ
বিদ্যুত সরবরাহ ২৫ কেভি, ৫০ হার্জ; এসি মাধ্যমে ওভারহেড ক্যাটারারি

ওএইচই

ট্রেনের সর্বাধিক গতি ১০০ কিমি/ঘ
ট্রেন পরিচালনা দিল্লি মেট্রো

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]