অমৃতসর–পাঠানকোট রেলপথ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
অমৃতসর–পাঠানকোট রেলপথ
(ডেরা বাবা নানক শাখা রেলপথ সহ)
QADIAN Batala Railway Station.JPG
বাতলা জংশনটি অমৃতসর–পাঠানকোট রেলপথের একটি গুরুত্বপূর্ণ রেল স্টেশন
সংক্ষিপ্ত বিবরণ
স্থিতিপরিচালনাগত
মালিকভারতীয় রেল
অঞ্চলপাঞ্জাব
বিরতিস্থল
পরিষেবা
সিস্টেমবিদ্যুতায়িত
পরিচালকউত্তর রেল
ইতিহাস
চালু১৮৮৪
কারিগরি তথ্য
ট্র্যাকের দৈর্ঘ্য১০৮.৯ কিমি (৬৮ মা)
ট্র্যাকসংখ্যা১ (Single line) Doubling from Amritsar to Batala going on.
ট্র্যাক গেজ১,৬৭৬ মিমি (৫ ফুট ৬ ইঞ্চি) ব্রডগেজ
বিদ্যুতায়ন২০১৮
সর্বোচ্চ উচ্চতাঅমৃতসর ২৩৬ মি (৭৭৪ ফু), পাঠানকোট জংশন ৩৫২ মি (১,১৫৫ ফু)
রুটের মানচিত্র
টেমপ্লেট:অমৃতসর–পাঠানকোট রেলপথ

অমৃতসর–পাঠানকোট রেলপথ ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের অমৃতসরপাঠানকোট জংশনকে সংযুক্ত করে। রেলপথটি প্রশাসনিকভাবে উত্তর রেলের আওতাধীন।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১১৮.৯ কিলোমিটার (৬৮ মাইল)-দীর্ঘ ১,৬৭৬ মিমি (৫ ফুট ৬ইঞ্চি) চওড়া ব্রড-গেজ অমৃতসর–পাঠানকোট রেলপথটি ১৮৮৪ সালে খোলা হয়।[১] এটি মূলত স্থানীয় সরকারের অন্তর্গত ছিল এবং ১৮৯২ সালে উত্তর পশ্চিম রেলওয়েতে স্থানান্তরিত হয়।[২] অমৃতসর–ডেরা বাবা নানক শাখা রেলপথটি বাতলা তহসিলের পশ্চিমাঞ্চলে রেল পরিষেবা পরিবেশন করে। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের আগে এই রেলপথটি ২২৫.৯ কিলোমিটার (১৪০ মাইল) দীর্ঘ ছিল এবং শিয়ালকোটের (বর্তমানে পাকিস্তানে অন্তর্ভুক্ত) সাথে যুক্ত ছিল, তবে দেশভাগের পরে ডেরা বাবা নানক স্টেশনটি টার্মিনাসে পরিণত হয়। বাতলা–কাদিয়ান সংযোগটি বাতলা তহসিলের পূর্ব অংশে কার্যক্রম পরিচালনা করে।[১] ২২৫.৯ কিমি (১৪০ মাইল) দীর্ঘ অমৃতসর–শিয়ালকোট রেলপথটি এভাবেই চালিত হয়েছিল: অমৃতসর–ডেরা বাবা নানক–নরোওয়াল–শিয়ালকোট, ১.০২৪ কিমি (১ মাইল) দীর্ঘ রবি নদীর সেতু সহ।[৩]

২০১৫ সালে গুরুদাসপুর হামলার সময় এই রেলপথে বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়, কারণ রেললাইনম্যান অশ্বানী সায়নী ট্র্যাকে একটি বোমা শনাক্ত করেন ও পরবর্তী ট্রেন আসার আগে কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেন।

গুরুত্ব[সম্পাদনা]

এই রেলপথ কৌশলগতভাবে খুব গুরুত্বপূর্ণ। এটি পাঞ্জাবের তিনটি সীমান্ত জেলাকে একে অপরের সাথে যুক্ত করে, এই জেলাগুলি হল অমৃতসর, গুরুদাসপুর ও পাঠানকোট। এই রেলপথ জলন্ধর–জম্মু রেলপথের জন্য একটি পরিবর্তন বা বিকল্প রুট সরবরাহ করে। যখনই কোনও প্রতিবাদ বা প্রযুক্তিগত/যান্ত্রিক কাজের কারণে জলন্ধর–জম্মু রেলপথের ট্র্যাকটি বাধাগ্রস্ত হয়, তখন বেশিরভাগ ট্রেনসমূহ অমৃতসর–গুরুদাসপুর হয়ে পাঠানকোট ও জম্মু পর্যন্ত চলাচল করে। এই রেলপথটি কৌশলগত ভূমিকা নিতে ও যুদ্ধের পরিস্থিতিতে সামরিক যন্ত্রপাতি ও রসদ পরিবহনে সহায়তা করতে সক্ষম। এই রেলপথের গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনসমূহ হল অমৃতসর, বাতলা, গুরুদাসপুর ও পাঠানকোট।

রেলওয়ে কর্মশালা[সম্পাদনা]

অমৃতসর রেলওয়ে কর্মশালায় ডব্লিউডিএস-৪ লোক এবং ব্রেকডাউন ক্রেন ও বোগি উৎপাদন পর্যায়ক্রমে পর্যবেক্ষণ করা হয়।[৪]

যাত্রী চলাচল[সম্পাদনা]

অমৃতসর এই লাইনের একমাত্র স্টেশন, যা ভারতীয় রেলের শীর্ষ শতাধিক বুকিং স্টেশনগুলির মধ্যে স্থান লাভ করেছে।[৫]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Chapter VII"। ১০ এপ্রিল ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ 
  2. "Digital South Asia Library"। Imperial Gazetteer of India, v. 20, p. 325.। সংগ্রহের তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ 
  3. Bhuyan, Mohan। "International Links from India"। IRFCA। সংগ্রহের তারিখ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ 
  4. "Sheds and workshops"। IRFCA। সংগ্রহের তারিখ ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ 
  5. "Indian Railways Passenger Reservation Enquiry"Availability in trains for Top 100 Booking Stations of Indian Railways। IRFCA। ১০ মে ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]