কীর্তি আজাদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
কীর্তি আজাদ
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামকীর্তিবর্ধন ভগত ঝা আজাদ
জন্ম (1959-01-02) ২ জানুয়ারি ১৯৫৯ (বয়স ৬০)
পূর্ণিয়া, বিহার, ভারত
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি অফ ব্রেক
ভূমিকাবোলার
সম্পর্কভগত ঝা আজাদ (পিতা)
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ১৫০)
২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৮১ বনাম নিউজিল্যান্ড
শেষ টেস্ট১২ নভেম্বর ১৯৮৩ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ২৯)
৬ ডিসেম্বর ১৯৮০ বনাম অস্ট্রেলিয়া
শেষ ওডিআই১৮ এপ্রিল ১৯৮৬ বনাম পাকিস্তান
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৭৬-১৯৯৪দিল্লি
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ২৫ ১৪২ ৭২
রানের সংখ্যা ১৩৫ ২৬৯ ৬,৬৩৪ ১৫২১
ব্যাটিং গড় ১১.২৫ ১৪.১৫ ৩৯.৪৮ ২৭.১৬
১০০/৫০ ০/০ -/- ২০/২৭ ০/৮
সর্বোচ্চ রান ২৪ ৩৯* ২১৫ ৯৪
বল করেছে ৭৫০ ৩৯০ ১৫৪২০ ২০৮৬
উইকেট ২৩৪ ৫০
বোলিং গড় ১২৪.৩৩ ৩৯.০০ ৩০.৭২ ২৭.৪৮
ইনিংসে ৫ উইকেট - - -
ম্যাচে ১০ উইকেট - - - -
সেরা বোলিং ২/৮৪ ২/৪৮ ৭/৬৩ ৩/১৬
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৩/- ৭/- ৯৫/- ২২/-
দ্বারভাঙ্গা লোকসভার এমপি
অফিসে
২৬ মে ২০১৪–
দলভারতীয় জনতা পার্টি থেকে বহিষ্কৃত [১]
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো, ২২ মে, ২০১৮

কীর্তিবর্ধন ভগত ঝা আজাদ (এই শব্দ সম্পর্কেউচ্চারণ ; জন্ম: ২ জানুয়ারি, ১৯৫৯) বিহারের পূর্ণিয়ায় জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা সাবেক ভারতীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও রাজনীতিবিদ। বর্তমানে তিনি লোকসভায় তৃতীয় মেয়াদে সংসদ সদস্যরূপে নির্বাচিত হয়েছেন। ২০১৪ সালে বিহারের দ্বারভাঙ্গা এলাকা থেকে নির্বাচনে জয়লাভ করেন।

ভারত ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৮০ থেকে ১৯৮৬ সময়কালে ভারতের পক্ষে ৭ টেস্ট ও ২৫টি একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশ নেয়ার সুযোগ হয় তাঁর। ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ভারতীয় ক্রিকেটে দিল্লি দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। দলে তিনি মূলতঃ বোলারের দায়িত্ব পালন করতেন। ডানহাতি অফ ব্রেক বোলিংয়ের পাশাপাশি নিচেরসারিতে ডানহাতে ব্যাটিং করতেন কীর্তি আজাদ

বিহারের সাবেক মূখ্যমন্ত্রী ভগত ঝা আজাদের সন্তান তিনি। আক্রমণাত্মক ঢংয়ে ডানহাতে ব্যাটিং করতেন ও দ্রুতগতিসম্পন্ন অফ স্পিনার হিসেবে সুনাম কুড়িয়েছেন। দিল্লির মডার্ন স্কুলে পড়াশোনা করেন। সেখানকার বিদ্যালয় ক্রিকেট দলে অংশ নেন।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

ভারত ছাড় আন্দোলনকর্মী ও মুক্তিযোদ্ধা ভগত ঝা আজাদ পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। প্রথম আটটি লোকসভার ছয়টিতেই তিনি জয়ী হয়েছিলেন। ১৯৮৮ সালে বিহারের অষ্টাদশ মূখ্যমন্ত্রী হন। তিনি ক্রিকেটের প্রতি গভীর অনুরক্ত ছিলেন। এছাড়াও ব্যাডমিন্টন ও গল্ফে সিদ্ধহস্তের অধিকারী ছিলেন ভগত ঝা আজাদ।

পূর্ণিয়ায় ভগত ও ইন্দিরা দম্পতির সন্তানরূপে জন্মগ্রহণ করেন।

সেন্ট স্টিফেন্স কলেজে ইতিহাস বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। বিদ্যালয় জীবনে শতরানের দরুণ সিকে নায়ড়ু ট্রফি লাভ করেন। ১৯৭৬-৭৭ মৌসুমে কোচবিহার ট্রফির সেমি-ফাইনালে দক্ষিণ অঞ্চল বিদ্যালয়ের বিপক্ষে ১৪৫ রান তুলে এ সম্মাননা লাভ করেন।

১৭ বছর বয়সে ইন্ডিয়ান ইউনিভার্সিটিজ ও অনূর্ধ্ব-২২ দলের সদস্যরূপে এমসিসি’র বিপক্ষে খেলায় অংশ নেন। দিলীপ বেঙ্গসরকার, রজার বিনিযোগরাজ সিংয়ের ন্যায় তারকা খেলোয়াড় ছিলেন। দলে তিনি ৪ ও ৩ রান করতে পেরেছিলেন।

ঘরোয়া ক্রিকেট[সম্পাদনা]

বিভিন্নভাবে প্রথাবিরুদ্ধবাদীরূপে অবতীর্ণ হয়েছেন কীর্তি আজাদ। দৃঢ়প্রতিজ্ঞাবদ্ধ অল-রাউন্ডার হিসেবে দিল্লি দলের পক্ষে বেশ কয়েকবছর খেলেছেন। ৯৫টি রঞ্জী ট্রফির খেলায় অংশ নিয়ে ৪৭.৭২ গড়ে ৪৮৬৭ রান ও ২৮.৯১ গড়ে ১৬২ উইকেট লাভ করেছেন। ১৯৮৫-৮৬ মৌসুমে হিমাচলপ্রদেশের বিপক্ষে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ২১৫ রান তুলেন।

১৯৮০-এর দশকের শেষার্ধ্বে দিল্লি দলকে রঞ্জী ট্রফির ফাইনালে নিয়ে যান।

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

১৯৮০-৮১ মৌসুমে বিস্ময়করভাবে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সফরের জন্য তাঁকে ভারতীয় দলে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। অস্ট্রেলিয়ায় প্রস্তুতিমূলক খেলায় দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৫৯; ভিক্টোরিয়ার বিপক্ষে ৩/৫৩ ও ২/৬০ এবং অপরাজিত ১০৩ রান তুলেন। নিউজিল্যান্ডে সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টসের বিপক্ষে অপরাজিত ১২৭ এবং ৩/৭০ ও ওতাগোর বিপক্ষে ৬/৫০ পান। ভারত দল ৬২ রানে পরাজিত হয়। ৬৭ বলে ২০ ও ৪৩ বলে ১৬ রান তুললেও খেলায় ভারতে দূর্বলমানের সংগ্রহ হিসেবে ২২৩ ও ১৯০ রান তুলে।

ওয়েলিংটনে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড দলের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেক ঘটে তাঁর। এরপর ১৯৮১-৮২ মৌসুমে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন টেস্টে অংশগ্রহণ করলেও তেমন সফলতা পাননি।

দুই দেশ সফর করে ৬টি ওডিআইয়ে অংশ নেন তিনি। তেমন কিছু করতে না পারলেও ওয়াকায় স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২৯ বলে ২৯ রান তুলেন। খেলায় ভারত দল ১৬২ রান তুললেও নাটকীয়ভাবে ৫ রানের ব্যবধানে জয় তুলে নেয়।

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সিরিজ ড্র রাখতে পারলেও ভারত দল নিউজিল্যান্ড সফরে টেস্ট ও ওডিআইয়ে পরাজিত হয়। বেনসন এন্ড হেজেস বিশ্ব সিরিজ কাপের চূড়ান্ত খেলায় ট্রেভর চ্যাপেলের আন্ডার আর্ম বলের কারণে স্মরণীয় হয়ে থাকা খেলায় অবতীর্ণ হতে পারেনি তাঁর দল।

দেশে ফেরার পথে ভারত দল ফিজিতে খেলতে যায়। সেখানে কীর্তি আজাদ আরও একটি শতরানের ইনিংস উপহার দেন।

ঘরোয়া মৌসুমে দূর্দান্ত ক্রীড়াশৈলী উপস্থাপনা এবং অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সফরে উৎসাহব্যঞ্জক খেলার কারণে কীর্তি আজাদ ইন্ডিয়ান ক্রিকেট কর্তৃক বর্ষসেরা ক্রিকেটার মনোনীত হন।

১৯৮০-৮১ মৌসুমে সফরকারী ইংল্যান্ড দলের বিপক্ষে তিন টেস্টের সিরিজে অংশগ্রহণ করেন। ঐ সিরিজটি প্রাণোচ্ছল ছিল না। চারবার ব্যাটিংয়ে নেমে তিনি ১৪, ১৭, ২৪ ও ১৬ রান তুলেছিলেন। বোম্বেতে অনুষ্ঠিত প্রথম টেস্টে জিওফ বয়কটকে আউটের মাধ্যমে প্রথম টেস্ট উইকেট লাভে সক্ষমতা দেখান। তবে, ওয়াংখেড়েতে সাড়ে তিন ঘন্টা বয়কট ও ক্রিস টাভারে উইকেটে অবস্থান করে ৯২ রান তুলে দর্শকদের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন।

দলের বাইরে কিছুদিন অবস্থানের পর ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ক্রিকেট বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ হয় তাঁর। সেমি-ফাইনালে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নিজের সেরাটি তুলে ধরার চেষ্টা চালান। তাঁর খেলোয়াড়ী জীবনের অন্যতম সেরা ঘটনা ছিল ১৯৮৩ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ। ঐ প্রতিযোগিতায় তাঁর দল শিরোপা জয় করেছিল।[২] মাঝারীসারির ব্যাটসম্যানদের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ান তিনি। বিপজ্জ্বনকভাবে অগ্রসরমান ইয়ান বোথামকে বিদায় করেন ও দলের জয়ে প্রভূতঃ ভূমিকা রাখেন।

তিনদিন পর লর্ডসে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত খেলায় অ্যান্ডি রবার্টসের বলে স্কয়ার লেগ এলাকায় জোয়েল গার্নারের হাতে শূন্য রানে বিদায় নেন।

এছাড়াও, ১৯৮৩ সালে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত দিবা-রাত্রির প্রদর্শনী খেলায় স্মরণীয় ইনিংস উপহার দেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩ উইকেট লাভ করেন। এরপর ব্যাট হাতে অপরাজিত ৭১ রান তুলে এক উইকেটের নাটকীয় বিজয়ে সহায়তা করেন। তাঁর ইনিংসে সাতটি ছক্কার মার ছিল। তন্মধ্যে, পাকিস্তানী মিডিয়াম পেসার জালালউদ্দিনের বলে উপর্যুপরী তিনটি ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন।[৩]

কিন্তু, পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন টেস্টে আর কোন সফলতা পাননি। ফলশ্রুতিতে দল থেকে চলে আসতে হয়।

রাজনীতিতে অংশগ্রহণ[সম্পাদনা]

খেলোয়াড় থাকা অবস্থাতেই সংসদ সদস্য প্রার্থী হন। ভারত জাতীয় কংগ্রেসের ব্রিজ মোহন শর্মাকে দিল্লির গোল মার্কেট আসন থেকে ৩,৮০৩ ভোটে পরাজিত করেন। ২০০৯ সালের ১৫শ লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হন ও স্বাস্থ্য এবং পরিবার কল্যাণ দপ্তরের স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য হন। এ সময় তিনি দূরদর্শনে ধারাভাষ্যকার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন।[৪] বিহারের দ্বারভাঙ্গা এলাকা থেকে ভারতীয় জনতা পার্টির সংসদ সদস্যরূপে নির্বাচিত হন। বর্তমানে তৃতীয় মেয়াদে লোকসভায় যোগ দিয়েছেন। এরপূর্বে দিল্লির গোল মার্কেট নির্বাচনী এলাকা থেকে এমএলএরূপে নির্বাচিত হয়েছিলেন।[৫] ২০১৪ সালে লোকসভা নির্বাচনে দ্বারভাঙ্গা এলাকা থেকে জয়যুক্ত হন তিনি।[৬]

বিতর্কিত ভূমিকা[সম্পাদনা]

দিল্লি ও জেলা ক্রিকেট সংস্থার সদস্য ছিলেন। ২৭ ডিসেম্বর, ২০০৯ তারিখে ভারত ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার ওডিআইয়ে বেশ সোচ্চার ছিলেন। পিচে মাত্রাতিরিক্ত বাউন্সের কারণে ও খেলায় বিপজ্জ্বনক পরিস্থিতিতে ২৩.৩ ওভার পর পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছিল। ২০১২ সালে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগের বিরুদ্ধে ছিলেন ও এ প্রতিযোগিতা নিষিদ্ধতার প্রতি সরব ছিলেন।[৭] ভারতরে টি২০ দলের বিষয়ে তিনি মন্তব্য করেন যে, খেলোয়াড়েরা দেশের তুলনায় নিজেদের জন্যে খেলেন।

২৩ ডিসেম্বর, ২০১৫ তারিখে ইউনিয়ন অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে সরাসরি দিল্লির ক্রিকেট সংস্থা দিল্লি ও জেলা ক্রিকেট সংস্থায় অনৈতিকতা ও দূর্নীতির অভিযোগের কারণে বহিষ্কৃত হন।[৮]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত কীর্তি আজাদ পুণমকে বিয়ে করেন। তাঁদের সংসারে দুই পুত্র রয়েছে।[৯] জ্যেষ্ঠ পুত্র সূর্য্যবর্ধন দিল্লির অনূর্ধ্ব-১৭, ১৯ ও ২২ ক্রিকেট দলে খেলেছেন। কনিষ্ঠ পুত্র সৌম্যবর্ধন অনূর্ধ্ব-১৫ ও অনূর্ধ্ব-১৭ দলে খেলেছেন।[১০][১১]

১৩ নভেম্বর, ২০১৬ তারিখে তাঁর স্ত্রী পুণম আম আদমি পার্টিতে যোগ দেন। ঐ দল থেকে চলে এসে ১১ এপ্রিল, ২০১৭ তারিখে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেসে চলে যান।[১২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. http://www.livemint.com/Politics/HYF6KM13rXD9PhBwqWTFNO/BJP-MP-Kirti-Azad-suspended-from-party.html
  2. "Kirti Azad"। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০১১ 
  3. "Kirti Azad"। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-০৫-২০ 
  4. http://india.gov.in/govt/loksabhampbiodata.php?mpcode=25
  5. "A veteran-newcomer fight at Gole Market"The Hindu। ৪ সেপ্টেম্বর ২০০৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০১১ 
  6. http://indianexpress.com/article/india/politics/election-live-2014-march-13/
  7. PTI (২০ মে ২০১২)। "Kirti Azad begins hunger fast against IPL"IBNLive। সংগ্রহের তারিখ ২১ মে ২০১২ 
  8. "Kirti Azad Suspended By BJP For Publicly Targeting Finance Minister Arun Jaitley"NDTV। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫ 
  9. "Detailed Profile: Shri Kirti (Jha) Azad"। National Portal of India। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০১১ 
  10. "Surya Azad"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০১১ 
  11. "Somyavardhan Azad"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টে ২০১২ 
  12. "Kirti Azad's wife Poonam Azad Jha quits AAP, joins Congress"। Economic Times। সংগ্রহের তারিখ ১১ এপ্রিল ২০১৭ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]