বিষয়বস্তুতে চলুন

রজার বিনি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
রজার বিনি
২০১৮ সালে বিনি
ভারতীয় ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের
৩৬তম সভাপতি
কাজের মেয়াদ
১৮ অক্টোবর ২০২২  ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
পূর্বসূরীসৌরভ গাঙ্গুলী
উত্তরসূরীরাজীব শুক্লা
কর্ণাটক রাজ্য ক্রিকেট সংস্থার সভাপতি
কাজের মেয়াদ
৩ অক্টোবর ২০১৯  ১৮ অক্টোবর ২০২২
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্মরজার মাইকেল হামফ্রে বিনি
(1955-07-19) ১৯ জুলাই ১৯৫৫ (বয়স ৭০)
ব্যাঙ্গালোর, ম্যাসুর রাজ্য, ভারত
সম্পর্ক
পেশাক্রিকেটার; ক্রিকেট প্রশাসক
ক্রিকেট তথ্য
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি দ্রুত-মাঝারি বোলিং
ভূমিকাঅলরাউন্ডার
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় দল
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ১৪৮)
২১ নভেম্বর ১৯৭৯ বনাম পাকিস্তান
শেষ টেস্ট১৩ মার্চ ১৯৮৭ বনাম পাকিস্তান
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ৩০)
৬ ডিসেম্বর ১৯৮০ বনাম অস্ট্রেলিয়া
শেষ ওডিআই৯ অক্টোবর ১৯৮৭ বনাম অস্ট্রেলিয়া
প্রধান কোচিং তথ্য
বছরদল
২০০০ভারত অনূর্ধ্ব-১৯
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই
ম্যাচ সংখ্যা ২৭ ৭২
রানের সংখ্যা ৮৩০ ৬২৯
ব্যাটিং গড় ২৩.০৬ ১৬.১৩
১০০/৫০ ০/৫ ০/১
সর্বোচ্চ রান ৮৩ ৫৭
বল করেছে ২,৮৭০ ২,৯৫৭
উইকেট ৪৭ ৭৭
বোলিং গড় ৩২.৬৪ ২৯.৩৫
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ৮/১০১ ৪/২৯
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১১/– ১২
পদক রেকর্ড
পুরুষদের ক্রিকেট
 ভারত-এর প্রতিনিধিত্বকারী
আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ
বিজয়ী১৯৮৩ ইংল্যান্ড ও ওয়েলস
এসিসি এশিয়া কাপ
বিজয়ী১৯৮৪ সংযুক্ত আরব আমিরাত
 ভারত কোচ হিসেবে-এর প্রতিনিধিত্বকারী
আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ
বিজয়ী২০০০ শ্রীলঙ্কা
উৎস: ESPNcricinfo, ১৩ এপ্রিল ২০২৩

রজার মাইকেল হামফ্রে বিনি (জন্ম: ১৯ জুলাই ১৯৫৫) একজন সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার। তিনি বর্তমানে ভারতীয় ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের (বিসিসিআই) ৩৬তম সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত কর্ণাটক রাজ্য ক্রিকেট সংস্থার সভাপতি ছিলেন।[]

বিনি ছিলেন সেই ভারতীয় দলের সদস্য যারা ১৯৮৩ ক্রিকেট বিশ্বকাপ১৯৮৫ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ অফ ক্রিকেট জয় করে। উভয় প্রতিযোগিতায় তিনিই ভারতের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি ছিলেন।

তিনি ২০০০ সালে ভারতীয় অনূর্ধ্ব-১৯ দলের প্রধান কোচ ছিলেন, যেই দলটি ২০০০ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয় করে। এছাড়াও তিনি জাতীয় নির্বাচক হিসেবে কাজ করেছেন এবং এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলে উন্নয়ন কর্মকর্তা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

বিনির সভাপতিত্বকালে ভারতীয় দল ২০২৪ টি২০ বিশ্বকাপ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয় করে।

খেলোয়াড়ী জীবন

[সম্পাদনা]

প্রথম অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান হিসেবে ভারতের পক্ষে ক্রিকেট খেলার মর্যাদা লাভ করেন। পুত্র স্টুয়ার্ট বিনিও পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে কর্ণাটক ক্রিকেট দলে খেলছেন। ব্যাঙ্গালোরে নিজ মাঠ হিসেবে পরিচিত স্থানীয় কেএসসিএ স্টেডিয়ামে ১৯৭৯ সালে টেস্ট ক্রিকেটের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে রজার বিনি’র। পাকিস্তান ক্রিকেট দলের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত এ টেস্টে তাকে বিখ্যাত বোলার ইমরান খানসরফরাজ নওয়াজের মুখোমুখি হতে হয়। অভিষিক্ত খেলাতেই তিনি ৪৬ রানের দায়িত্বশীল ব্যাটিং করেন। তন্মধ্যে ৫ম টেস্টে ইমরান খানের বাউন্সারে ছক্কা হাকিয়েছিলেন তিনি। কার্যকরী সুইং ও অন্যতম ফিল্ডার হিসেবে তিনি ঐ সময়ে সুনাম কুড়িয়েছিলেন।

টেস্ট ক্রিকেটে তেমন সুনাম না কুড়ালেও ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেটে তিনি জ্বলে উঠেছিলেন স্ব-মহিমায়। তার কার্যকরী মিডিয়াম-পেস বোলিং ও সতীর্থ মদন লালের সহযোগিতা এবং অধিনায়ক কপিল দেবের দিক-নির্দেশনায় ভারত প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের শিরোপা লাভ করতে সমর্থ হয়।

জাতীয় নির্বাচক

[সম্পাদনা]

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১২ তারিখে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই)-এর পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট নির্বাচকমণ্ডলীর অন্যতম সদস্য নিযুক্ত হন রজার বিনি।[]

বর্তমানে তিনি কর্ণাটক স্টেট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনে অফিস বেয়ারার পদে কর্মরত আছেন। ২০১১ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে নিউজএক্স টেলিভিশন চ্যানেলে ক্রিকেট বিশ্লেষণকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন তিনি।

ব্যক্তিগত জীবন

[সম্পাদনা]

ব্যাঙ্গালোরের বেনসন টাউনে শৈশবকাল কাটে তার। ব্যাঙ্গালোরের সেন্ট জার্মেইন স্কুলে অধ্যয়ন শেষে সেন্ট জোসেফ’স ইন্ডিয়ান হাই স্কুলে পড়াশোনা করেন। সেখানে তিনি বালকদের বিভাগে বর্শা নিক্ষেপে ভারতের জাতীয় রেকর্ড ভঙ্গ করেন। বিদ্যালয় জীবনে তিনি ফুটবল ও হকি খেলেছেন।

নিকটতম বন্ধুর বোন সিন্থিয়াকে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে লরা, লিজা এবং স্টুয়ার্ট নামীয় তিন সন্তান রয়েছে।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "নানারকম দায়িত্বে অভ্যস্ত, বিসিসিআই-এর নতুন সভাপতি রজার বিনি নতুন ইনিংসের জন্য প্রস্তুত"
  2. "Sandeep Patil named chief selector, Amarnath dropped"NDTV। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১২। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১২

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]