পাবলো আইমার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পাবলো আইমার
Aimar and Tiago Pinto.jpg
বেনফিকার হয়ে খেলছেন আইমার
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নাম পাবলো সিজার আইমার জিওর্দানো
জন্ম নভেম্বর ৩, ১৯৭৯ (1979-11-03) (বয়স ৩৩)
জন্ম স্থান রিও কিউয়ার্তো, আর্জেন্টিনা
উচ্চতা ১.৭০ মিটার (৫–৭)
মাঠে অবস্থান অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার
ক্লাবের তথ্য
বর্তমান ক্লাব বেনফিকা
জার্সি নম্বর ১০
তারূণ্যের কর্মজীবন
১৯৯৫–১৯৯৭ রিভার প্লেট
বলিষ্ঠ কর্মজীবন*
বছর দল উপস্থিতি (গোল)
১৯৯৭–২০০০ রিভার প্লেট ৮২ (২২)
২০০১–২০০৬ ভ্যালেন্সিয়া ১৬২ (৩৪)
২০০৬–২০০৮ জারাগোজা ৫৭ (৫)
২০০৮– বেনফিকা ১০০ (১২)
জাতীয় দল
১৯৯৫ আর্জেন্টিনা অনুর্ধ্ব ১৭ (২)
১৯৯৭ আর্জেন্টিনা অনুর্ধ্ব ২০ (১)
১৯৯৯–২০০৯ আর্জেন্টিনা ৫২ (৮)
* পেশাদারী ক্লাবের উপস্থিতি ও গোলসংখ্যা

শুধুমাত্র ঘরোয়া লিগের জন্য গণনা করা হয়েছে এবং তারিখ অনুযায়ী সঠিক ১৪ জানুয়ারি ২০১৩।

† উপস্থিতি(গোল সংখ্যা)।

পাবলো সিজার আইমার জিওর্দানো (জন্ম ৩ নভেম্বর ১৯৭৯) একজন আর্জেন্টিনীয় ফুটবলার যিনি অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার হিসেবে পর্তুগিজ ক্লাব বেনফিকায় খেলেন। এছাড়া আইমারের স্পেনীয় পাসপোর্টও রয়েছে।

তিনি লা লিগায় আট মৌসুম কাটিয়েছেন এবং ২১৫ খেলায় ৩২ গোল করেছেন।

আইমার ৫০ এরও বেশি খেলায় আর্জেন্টিনার হয়ে মাঠে নেমেছেন। এছাড়া তিনি আর্জেন্টিনার হয়ে দুইবার বিশ্বকাপও খেলেছেন।

ক্লাব ক্যারিয়ার [সম্পাদনা]

পাবলো আইমার আর্জেন্টিনার কর্দোবা প্রদেশের রিও কিউয়ার্তো শহরে জন্মগ্রহন করেন। ১৯৯৭–৯৮ মৌসুমে তিনি রিভার প্লেটে যোগদান করেন। সেখানে তিনি নিজেকে আর্জেন্টিনার সেরা যুব খেলোয়াড় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।

২০১১ সালের জানুয়ারিতে, ২৪ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে স্পেনীয় ক্লাব ভ্যালেন্সিয়ায় যোগ দেন আইমার। ২০০১–০২ মৌসুমে ভ্যালেন্সিয়া লা লিগা শিরোপা জেতে। এক্ষেত্র তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এর আগের মৌসূমে চ্যাম্পিয়নস লীগের ফাইনালে বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে হেরে রানার-আপ হয় ভ্যালেন্সিয়া। এছাড়া ভ্যালেন্সিয়ার হয়ে তিনি ২০০৪ সালে উয়েফা কাপ শিরোপাও জেতেন।

২০০৬ সালের ১২ এপ্রিল, তীব্র ভাইরাসজনিত মেনিনজাইটিস ধরা পরার কারনে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।[১] তবে তিনি খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন। এছাড়া ভ্যালেন্সিয়ার হয়ে খেলার সময় তিনি কয়েকবার ইনজুরিতে আক্রান্ত হন।[২][৩][৪]

তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]

  1. "Argentina's Aimar suffering from viral meningitis"। ESPN Soccernet। ১৩ এপ্রিল ২০০৬http://soccernet.espn.go.com/news/story?id=364655&cc=4716। সংগৃহীত ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩
  2. "Aimar agony for Valencia"। UEFA। ১৮ নভেম্বর ২০০২http://www.uefa.com/uefachampionsleague/news/newsid=43043.html। সংগৃহীত ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩
  3. "Aimar concern for Valencia"। UEFA। ২০ সেপ্টেম্বর ২০০৪http://www.uefa.com/uefachampionsleague/news/newsid=231610.html। সংগৃহীত ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩
  4. "Aimar absence vexes Valencia"। UEFA। ১ নভেম্বর ২০০৪http://www.uefa.com/uefachampionsleague/news/newsid=251602.html। সংগৃহীত ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩