ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনা
স্থানাঙ্ক: 41°22′51″N 2°7′22″E / 41.38083°উ 2.12278°পূ
| এফসি বার্সেলোনা | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| পূর্ণ নাম | ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনা | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ডাকনাম | বার্সা লা ব্লাউগ্রানা কিউলেস লস অ্যাজুলগ্রানাস |
||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| প্রতিষ্ঠা | নভেম্বর ২৯ ১৮৯৯ | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| মাঠ | ক্যাম্প ন্যু, বার্সেলোনা, স্পেন |
||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ধারণক্ষমতা | ৯৮,৭৮৭ [১] | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| চেয়ারম্যান | সান্দ্রো রসেল | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| প্রধান কোচ | পেপ গার্ডিওলা | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| লীগ | লা লিগা | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ২০১০-১১ | লা লিগা, ১ম ; উয়েফা চ্যাম্পিয়নশীপ , ১ম;ফিফা ক্লাব চ্যাম্পিয়নশীপ, ১ম | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
|
|||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনা, সাধারণভাবে যা বার্সা (IPA: baɾsa) নামে পরিচিত একটি ক্যাটালান ফুটবল দল, যার অবস্থান স্পেনের বার্সেলোনা শহরে। জোয়ান গ্যাম্পার নামকে ব্যক্তির নেতৃত্বে ১৮৯৯ সালে একদল সুইস, ইংরেজ ও ক্যাটালান নাগরিক দলটির প্রতিষ্ঠা করেন। দলটি একটি ক্যাটালান প্রতিষ্ঠানে পরিনত হয়েছে যার মূলমন্ত্র হলো Més que un club (দলের চেয়েও বেশি)। রিয়াল মাদ্রিদ ও এথলেটিক বিলবাও দলের সাথে একত্রে ১৯২৮ সালে তারা লা লিগা প্রতিষ্ঠা করেছে। এরপর থেকে তারা কখনো প্রিমেরা ডিভিশন বা শীর্ষ বিভাগ থেকে নীচের বিভাগে নামেনি। দলটি প্রথম লা লিগা চ্যাম্পিয়ন এবং সর্বশেষ ২০১০-১১ মৌসুমেও চ্যাম্পিয়ন।
ক্লাবের প্রধান স্টেডিয়াম ক্যাম্প ন্যু এবং বার্সেলোনার সমর্থকরা কিউলার্স বা কিউলেস নামে পরিচিত। ২০০৬ সালের সেপ্টেম্বরে ক্লাবের সদস্য (socis) সংখ্যা ছিল ১৫১,১২৭ এবং ২০০৬ সালের জুন মাসে সারা বিশ্বে ক্লাবের নিবন্ধীকৃত সমর্থক গোষ্ঠির (penyes) সংখ্যা ছিল ১৭৮২।
ক্লাবটি বিশ্রামে থাকা খেলোয়াড়দের নিয়ে ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনা বি ও আরেকটি তরুণ খেলোয়াড়ের সমন্বয়ে গঠিত ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনা সি নামে আরো দুটি ফুটবল দল পরিচালনা করে। এছাড়া দলটি আরো চারটি পেশাদার দল, উইন্টার্থার এফসিবি, এফ সি বার্সেলোনা-সিফেক, এফসি বার্সেলোনা ফুটসাল ও এফসি বার্সেলোনা সর্লি দিস্কাউ পরিচালনা করে যারা যথাক্রমে বাস্কেটবল, হ্যান্ডবল, ফুটসাল ও রিঙ্ক হকি খেলায় অংশগ্রহণ করে। এছাড়া রাগবি ইউনিয়ন, মহিলা বাস্কেটবল, মহিলা ফুটবল, ও হুইলচেয়ার বাস্কেটবল খেলার জন্য এফসি বার্সেলোনার অপেশাদার দল রয়েছে। ক্রীড়ার অন্যান্য ক্ষেত্রেও এফসি বার্সেলোনা কিছু দল পরিচালনা করে। এর মধ্যে আইস হকি, অ্যাথলেটিক্স, বেজবল, সাইক্লিং, হকি, স্কেটিং ও ভলিবল দল উল্লেখযোগ্য।
২০০৫-০৬ মৌসুমে এফসি বার্সেলোনা বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা ধনী দলে পরিনত হয়, যার মোট সম্পত্তির পরিমাণ ২৫৯.১ মিলিয়ন ইউরো।
পরিচ্ছেদসমূহ |
[সম্পাদনা] ইতিহাস
[সম্পাদনা] প্রারম্ভিক যুগ (১৮৯৯-১৯০৮)
১৮৯৯ সালের ২২ অক্টোবর তারিখে জোয়ান গ্যাম্পার নামক এক ব্যক্তি স্পেনের Los Deportes পত্রিকায় একটি বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে ফুটবল ক্লাব প্রতিষ্ঠা করতে তার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এর ফলে নভেম্বর ২৯ তারিখে জিমনাসিও সোলে একটি সভা বসে যাতে তিনি ইতিবাচক সাড়া পান। এতে এগারজন খেলোয়াড় উপস্থিত ছিলেন: গুয়ালতেরি ওয়াইল্ড, লুইস ডি'ওসো, বার্তোমেউ তেরাদাস, অটো কুঞ্জলে, অটো মায়ের, এনরিক ডুক্যাল, পেরে ক্যাবত, জোসেপ লোবেত, জন পার্সনস ও উইলিয়াম পার্সনস। এরফলে ফুট-বল ক্লাব বার্সেলোনা (Foot-Ball Club Barcelona) জন্ম নেয়। অন্যান্য অনেক স্পেনীয় ফুটবল ক্লাবও, বিশেষভাবে উল্লেখ করা যায় রিয়াল মাদ্রিদ ও এথলেটিক বিলবাও, ইংরেজ মালিকায় প্রতিষ্ঠিত হয়। ফলে তাদের নামে ইংরেজির প্রভাব রয়েছে।
এফসি বার্সেলোনা দ্রুত ক্যাটালান ও স্পেন দুজায়গাতেই শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে। ১৯০১ সালে তারা তাদের প্রথম ট্রফি কোপা ম্যাকায়া জেতে, যা ছিল একটি ক্যাটালান প্রতিযোগিতার কাপ। ১৯০২ সালে তারা প্রথম কোপা দেল রেই প্রতিযোগিতার ফাইনালে অংশ নেয়, তবে ক্লাব ভিজক্যায়ার কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে যায়।
[সম্পাদনা] গ্যাম্পার যুগ (১৯০৮-১৯২৫)
১৯০৮ সালে জোয়ান গ্যাম্পার প্রথম ক্লাব প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। তিনি যখন প্রেসিডেন্ট হন তখন ক্লাবট প্রায় বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল। ১৯০৫ সালে চ্যাম্পিয়ন্যাট ডি ক্যাটালুনা জেতার পর দলটি আর কোন শিরোপাই লাভ করতে পারেনি, ফলে আর্থিক সঙ্কটের মধ্যে পড়ে। গ্যাম্পার ১৯০৮ থেকে ১৯২৫ সাল পর্যন্ত পাঁচবার বিভিন্ন মেয়াদে প্রেসিডেন্ট ছিলেন এবং ২৫ বছর ক্লাবে কাটিয়েছেন। তার একটি প্রধান অর্জন বার্সার একটি নিজস্ব স্টেডিয়ামের ব্যবস্থা করা। ১৯০৯ সালের ১৪ মার্চ দলটি ক্যারের ইন্ডাস্ট্রিয়া স্টেডিয়ামটি নিজস্ব মাঠ হিসেবে পায়। এর ধারণক্ষমতা ছিল ৬,০০০। গ্যাম্পার ক্লাবের সদস্য বৃদ্ধিতে সচেষ্ট হন এবং ১৯২২ সাল নাগাদ ১০,০০০ এর বেশি মানুষ ক্লাবের সদস্য হয়। ফলে ক্লাবটি আবার মাঠ পরিবর্তন করে আসে লেস কোর্টেস নামের স্টেডিয়ামে, যার ধারনক্ষমতা ছিল ২০,০০০। পরবর্তীতে আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করে ৬০,০০০ আসনে উপনীত হয়।
গ্যাম্পার এছাড়া পাওলিনো আলকান্তারাকে দলভুক্ত করেন যিনি বার্সার ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৩৫৬ গোলের মালিক। ১৯১৭ সালে তিনি জ্যাক গ্রিনওয়েলকে ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ দেন। এরপর মাঠে বার্সেলোনার ভাগ্য সুপ্রসন্ন হতে শুরু করে। গ্যাম্পার যুগে বার্সা ১১টি চ্যাম্পিয়ন্যাট ডি ক্যাটালুনা, ৬টি কোপা ডেল রে এবং ৪টি কোপ ডি পাইরেনেস জেতে। এই যুগ বার্সার ইতিহাসের প্রথম সোনালী যুগ। আলকান্তারা ছাড়াও গ্রিনওয়েলের বার্সাতে ছিলেন সাগিবার্বা, রিকার্ডো জামোরা, জোসেপ সামিতিয়ের,ফেলিক্স সেসুমাগা, ও ফ্রাঞ্জ প্লাতকোর মত খেলোয়াড় ছিলেন।
[সম্পাদনা] সিএফ বার্সেলোনা (১৯৪০-১৯৭৩)
[সম্পাদনা] ক্রুইফের আগমন
[সম্পাদনা] নুনেজ যুগ (১৯৭৮-২০০০)
[সম্পাদনা] ১৯৭৮-১৯৮৮
[সম্পাদনা] স্বপ্নের দল
[সম্পাদনা] ১৯৯৬-২০০০
[সম্পাদনা] গ্যাসপার্ট যুগ (২০০৩-২০০৩)
[সম্পাদনা] বর্তমান যুগ (২০০৩-বর্তমান)
[সম্পাদনা] ২০০৭/০৮ মৌসুমের পূর্ববর্তী সময়
[সম্পাদনা] সম্মাননা
- লা লিগা চ্যাম্পিয়নস: ২১
- ১৯২৯, ১৯৪৫, ১৯৪৮, ১৯৪৯, ১৯৫২, ১৯৫৩, ১৯৫৯, ১৯৬০, ১৯৭৪, ১৯৮৫, ১৯৯১, ১৯৯২, ১৯৯৩, ১৯৯৪, ১৯৯৮, ১৯৯৯, ২০০৫, ২০০৬, ২০০৯, ২০১০, ২০১১
- কোপা দেল রে: ২৫
- ১৯১০, ১৯১২, ১৯১৩, ১৯২০, ১৯২২, ১৯২৫, ১৯২৬, ১৯২৮, ১৯৪২, ১৯৫১, ১৯৫২, ১৯৫৩, ১৯৫৭, ১৯৫৯, ১৯৬৩, ১৯৬৮, ১৯৭১, ১৯৭৮, ১৯৮১, ১৯৮৩, ১৯৮৮, ১৯৯০, ১৯৯৭, ১৯৯৮
- সুপারকোপা দি এস্পানা: ৯
- ১৯৮৩, ১৯৯১, ১৯৯২, ১৯৯৪, ১৯৯৬, ২০০৫, ২০০৬, ২০০৯, ২০১০
- উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগ: ৪
- ১৯৯২, ২০০৬, ২০০৯, ২০১১
- উয়েফা কাপ উইনার্স কাপ: ৪
- ১৯৭৯, ১৯৮২, ১৯৮৯, ১৯৯৭
- ইন্টার-সিটিস ফেয়ার্স কাপ: ৩
- ১৯৫৮, ১৯৬০, ১৯৬৬
- ইউরোপীয়ান সুপার কাপ: ৩
- ১৯৯২, ১৯৯৭, ২০০৯
- কোপা ল্যাটিনা: ২
- ১৯৪৯, ১৯৫২
- কোপা দি ওরো আর্জেন্টিনা/কোপা এভা দুয়ার্তে
- ১৯৪৫, ১৯৪৯, ১৯৫২, ১৯৫৩
- কোপা ম্যাকায়া/ক্যাটালান চ্যাম্পিয়নস: ২২
- ১৯০২, ১৯০৫, ১৯০৯, ১৯১০, ১৯১১, ১৯১৩, ১৯১৬, ১৯১৯, ১৯২০, ১৯২১, ১৯২২, ১৯২৪, ১৯২৫, ১৯২৬, ১৯২৭, ১৯২৮, ১৯৩০, ১৯৩১, ১৯৩২, ১৯৩৫, ১৯৩৬, ১৯৩৮
- কোপা মার্টিনি রসি: ২
- ১৯৫২, ১৯৫৩
- কোপ দি পাইরিনিস: ৪
- ১৯১০, ১৯১১, ১৯১২, ১৯১৩
- ভূমধ্যসাগরীয় লীগ: ১
- ১৯৩৭
- কোপা দি লা লিগা: ২
- ১৯৮২, ১৯৮৬
- কোপা বার্সেলোনা: ১
- ১৯০৩
- লিগা ক্যাটালানা: ১
- ১৯৩৭-৩৮
- কোপা ক্যাটালুনা: ৫
- ১৯৯১, ১৯৯৩, ২০০০, ২০০৪, ২০০৫
- লিটল ওয়ার্ল্ড কাপ: ১
- ১৯৫৭
- তথ্যসূত্র: উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ
<ref>ট্যাগ; অবৈধ নাম (যেমন- সংখ্যাতিরিক্ত) [২]
[সম্পাদনা] বর্তমান দল
স্পেনীয় ক্লাবে ইইউর বাইরে কেবল তিনজনকে খেলতে দেয়া হয়। এই তালিকায় খেলোয়াড়দের প্রধান জাতীয়তা দেয়া রয়েছে। অনেক অ-ইউরোপীয় খেলোয়াড়েরই দ্বৈত পাসপোর্ট থাকে।
[সম্পাদনা] বর্তমান দল
|
|
[সম্পাদনা] তরুণ খেলোয়াড়
|
|
[সম্পাদনা] ধারে অন্য দলে
|
[সম্পাদনা] সূত্র
- Morbo: The Story of Spanish Football (2003), Phil Ball.
- Barça: A People’s Passion (1998), Jimmy Burns.
[সম্পাদনা] তথ্যসূত্র
- ↑
Information. প্রকাশক: FC Barcelona. http://www.fcbarcelona.cat/web/english/club/club_avui/informacio_corporativa/barca_enxifres/barca_enxifres.html। সংগৃহীত হয়েছে: 27 November 2010.
- ↑ European club facts: FC Barcelona; uefa.com
- ↑ Los nuevos dorsales (Spanish ভাষায়). প্রকাশক: FC Barcelona. 2008-08-03. http://www.fcbarcelona.com/web/castellano/noticies/futbol/temporada08-09/08/n080803102696.html। সংগৃহীত হয়েছে: 2008-08-03.
- ↑ Players. প্রকাশক: FC Barcelona. http://www.fcbarcelona.com/web/english/futbol/temporada_08-09/plantilla/plantilla.html। সংগৃহীত হয়েছে: 2008-07-02.
- ↑ Henrique goes from Barça to Bayer Leverkusen. প্রকাশক: FC Barcelona. 2008-07-23. http://www.fcbarcelona.com/web/english/noticies/futbol/temporada08-09/07/n080723102534.html। সংগৃহীত হয়েছে: 2008-07-23.
[সম্পাদনা] বহিঃসংযোগ
| উইকিমিডিয়া কমন্সে নিচের বিষয় সংক্রান্ত মিডিয়া রয়েছে: FC Barcelona |
- FCBarcelona.cat - Official website
- Official FC Barcelona channel in Youtube
- FCBarcelonaBlog.com for Barça Fans
|
জি-১৪ সদস্যগণ
|
|---|
|
ইন্টারন্যাজিওন্যালে • জুভেন্টাস
এসি মিলান • লিওন • মার্সেই প্যারিস সেইন্ট-জার্মেইন • |