ববি চার্লটন
| ববি চার্লটন | |||
| ব্যক্তিগত তথ্য | |||
|---|---|---|---|
| পূর্ণ নাম | স্যার রবার্ট চার্লটন | ||
| জন্ম | ১১ অক্টোবর ১৯৩৭ | ||
| জন্ম স্থান | অ্যাশিংটন, ইংল্যান্ড | ||
| মাঠে অবস্থান | মিডফিল্ডার (স্ট্রাইকার হিসেবেও খেলতে পারেন) | ||
| তারূণ্যের কর্মজীবন | |||
১৯৫৩-১৯৫৪ |
পুর্ব নর্থাম্বারল্যান্ড স্কুল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড |
||
| বলিষ্ঠ কর্মজীবন* | |||
| বছর | দল | উপস্থিতি (গোল)† |
|
| ১৯৫৪-১৯৭৩ ১৯৭৩-১৯৭৫ |
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড প্রেস্টন নর্থ এন্ড ওয়াটারফোর্ড ইউনাইটেড |
৭৫৯(২৪৯) ৩৮ (১২) ৩১ (১৮) |
|
| জাতীয় দল | |||
| ১৯৫৮-১৯৭০ | ইংল্যান্ড | ১০৬ (৪৯) | |
| দলসমূহ পরিচালিত | |||
| ১৯৭৩-১৯৭৪ ১৯৭৬ |
প্রেস্টন নর্থ এন্ড (খেলোয়াড়-ম্যানেজার) উইগান অ্যাথলেটিক (তত্ত্বাবধায়ক ম্যানেজার) |
||
| * পেশাদারী ক্লাবের উপস্থিতি ও গোলসংখ্যা
শুধুমাত্র ঘরোয়া লিগের জন্য গণনা করা হয়েছে । |
|||
স্যার রবার্ট "ববি" চার্লটন, সিবিই (জন্ম ১১ অক্টোবর ১৯৩৭ অ্যাশিংটন, নর্দাম্বারল্যান্ড) একজন সাবেক ইংরেজ ফুটবল খেলোয়াড় ১৯৬৬ সালে বিশ্বকাপ জিতেছিলেন এবং ইউরোপীয় বর্ষসেরা ফুটবলার নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি তার পেশাদারী ফুটবল জীবনের প্রায় সবটুকুই কাটিয়েছেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ক্লাবে এবং এখানেই তিনি আক্রমণাত্নক স্বভাবের মিডফিল্ডার হিসেবে ও দূর-পাল্লার শটের জন্য পরিচিতি পান।
১৯৫৬ সালে ইউনাইটেডের প্রথম একাদশে তিনি খেলতে শুরু করেন এবং পরবর্তী দুইবছরে দলে পাকাপোক্ত আসন তৈরি করেন। এর মধ্যে তিনি ১৯৫৮ সালের মিউনিখ বিমান দুর্ঘটনা থেকে ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান। ১৯৬৫ সালে তিনি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে দ্য ফুটবল লীগ জিততে সাহায্য করেন। পরের বছর ১৯৬৬ সালে তিনি ইংল্যান্ড দলের হয়ে বিশ্বকাপ জেতেন। পরের বছর ইউনাইটেড ক্লাবের পক্ষে তিনি আরেকটি লীগ জেতেন। ১৯৬৮ সালে তিনি ইউরোপীয়ান কাপ জয়ী ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড দলের অধিনায়কত্ব করেন এবং ফাইনালে দুই গোল দিয়ে প্রথম ইংরেজ দল হিসেবে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে ইউরোপীয়ান কাপ শিরোপা উপহার দেন। ইংল্যান্ড ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ক্লাবের পক্ষে তিনি আজও সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডের অধিকারী। সর্বকালের সেরা খেলোয়াড়ের তালিকায় তাকে রাখা হয়।
১৯৭৩ সালে তিনি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ত্যাগ করে প্রেস্টন নর্থ এন্ড ক্লাবে খেলোয়াড়-ম্যানেজার হিসেবে যোগদান করেন,[১] কিন্তু পরবর্তীতে তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে ব্যবস্থাপনার কাজ তার জন্য নয় এবং এক মৌসুম পর কাজ ছেড়ে দেন। উইগান অ্যাথলেটিক ফুটবল ক্লাবের পরিচালক নির্বাচিত হবার পরে তিনি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পরিচালনা বোর্ডের সদস্য হিসেবে নিয়োগ পান ১৯৮৪ সালে।[২] বর্তমানেও তিনি এ পদে আসীন। ইংল্যান্ড ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ক্লাবের পক্ষে সর্বোচ্চ গোল করে তিনি যে রেকর্ড গড়েছিলেন তা আজ ৩৫ বছর পর্যন্ত অক্ষুন্ন আছে। ১৯৯৪ সালে তাকে নাইট উপাধি দেইয়া হয়।
তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |