জাপানি ভাষা
| জাপানি | |
|---|---|
| 日本語 নিহোঙ্গো | |
| [[File: |border|200px]] | |
| দেশোদ্ভব | জাপান, ব্রাজিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (বিশেষত হাওয়াই), গুয়াম, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, পালাউ, তাইওয়ান, অষ্ট্রেলিয়া |
| দেশীয় ভাষাভাষী | ১২ কোটি ৭০ লক্ষ [১] (তারিখ হারিয়ে গিয়েছে) |
| ভাষা পরিবার | |
| লিখন পদ্ধতি | জাপানি শব্দলিপি ও দললিপি |
| প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদা | |
| সরকারি ভাষা | আঙ্গাউর (পালাউ) কার্যত জাপানে |
| নিয়ন্ত্রক সংস্থা | নাই তবে জাপান সরকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে |
| ভাষা কোডসমূহ | |
| আইএসও ৬৩৯-১ | ja |
| আইএসও ৬৩৯-২ | jpn |
| আইএসও ৬৩৯-৩ | jpn |
জাপানি ভাষা (日本語,
নিহোঙ্গো (সাহায্য·তথ্য)) জাপানের প্রচলিত ভাষা। জাপানসহ বিশ্বের প্রায় ১৩ কোটি মানুষ জাপানি ভাষায় কথা বলে। জাপানি ভাষাতে তিন ধরনের লেখা ব্যবহৃত হয়: কানজি (ছবি-অক্ষর), কাতাকানা ও হিরাগানা। জাপানি যখন রোমান হরফে লেখা থাকে তাকে রোমাজি বলে।
ভাষাবিজ্ঞানীরা জাপানি ভাষার সাথে অন্যান্য ভাষা ও ভাষাপরিবারের বংশগত সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার জন্য বহুবার চেষ্টা করেছেন। এদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় তত্ত্বটি অনুসারে কোরীয় ভাষার সাথে জাপানি ভাষা আলতায়ীয় ভাষা পরিবারের সদস্য। অর্থাৎ জাপানি ও কোরীয় ভাষা অত্যন্ত দূরবর্তীভাবে একে অপরের সাথে সম্পর্কিত। তবে উত্তর জাপানে প্রচলিত আইনু ভাষাটিকে এখনও একটি বিচ্ছিন্ন ভাষা হিসেবেই গণ্য করা হয়।
জাপানি ভাষা জাপানের সরকারী ভাষা। এখানকার সমস্ত শিক্ষা, গণমাধ্যম, ব্যবসা ও সরকারী কাজকর্ম জাপানি ভাষাতে সম্পন্ন হয়। জাপানি ভাষা ছাড়াও ওলিনাওয়াতে ও পার্শ্ববর্তী রিউকিউ দ্বীপগুলিতে রিউকিউ ভাষা প্রচলিত। এগুলি জাপানি ভাষার সাথে, এমনকি নিজেদের সাথেও পারস্পরিক বোধগম্য নয়। তবে বর্তমানে অনেক ভাষাবিজ্ঞানী মনে করেন এগুলি জাপানি ভাষারই উপভাষা।
উপভাষা[সম্পাদনা]
জাপান তুলনামূলকভাবে একটি ছোট দেশ হলেও এখানে বিস্ময়করীভাবে বহু সংখ্যক উপভাষা প্রচলিত, যেগুলি উচ্চারণ, ব্যাকরণ এবং শব্দভাণ্ডারের দিক থেকে একে অপরের চেয়ে আলাদা। অনেকগুলিই পরস্পর বোধগম্য নয়। জাপানি উপভাষাগুলিকে দুইটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়:
- পূর্ব জাপানি: এর মধ্যে পড়েছে হোক্কাইদো-বেন, তোহুকু-বেন, কান্তো-বেন, তোকিও-বেন, নাগোয়া-বেন, মিকাওয়া-বেন, ইত্যাদি।
- পশ্চিম জাপানি: হোকুরিকু-বেন, তোয়াইয়ামা-বেন, ফুকুই-বেন, কানসাই-বেন, ওসাকা-বেন, কোবে-বেন, কিয়োতো-বেন, চুগোকু-বেন, হোনিচি-বেন, মিয়াজাকি-বেন, হিচিকু-বেন, হাকাতা-বেন, কাগোশিমা-বেন, ইত্যাদি।
জাপানি ভাষার দুইটি রূপ আদর্শ হিসেবে স্বীকৃত। হিয়োজুংগো বা আদর্শ জাপানি এবং কিয়োতসুগো বা সাধারণ ভাষা। স্কুল কলেজে, টেলিভিশনে ও সরকারী যোগাযোগের ক্ষেত্রে হিয়োজুংগো ব্যবহার করা হয়। আদর্শ জাপানি ভাষাটি আবার লিখিত বুংগো এবং মৌখিক কোগো ভাষায় ভাগ করা যায়। মৌখিক ও লিখিত রূপের মধ্যে ব্যাকরণ ও শব্দভাণ্ডারের পার্থক্য আছে। ১৯৪০-এর দশক পর্যন্ত বুংগো জাপানি ভাষার লিখিত রূপ ছিল। তবে বর্তমানে কোগো-ই লিখিত ভাষা হিসেবে বেশি প্রচলিত। ইতিহাসবিদ, সাহিত্যিক এবং আইনজীবীদের কাছে বুংগো এখনও গুরুত্বপূর্ণ।
আদর্শ জাপানি ভাষাটি তোকিও-র উপভাষার উপর ভিত্তি করে নির্মিত, তবে এটি পুরোপুরি তোকিও-র ভাষার মত নয়। জাপানের সর্বত্র এটি একই রূপে প্রচলিত নয়। বরং অঞ্চলভেদে আদর্শ জাপানি ভাষাটিরও কিছু বৈচিত্র্য দেখতে পাওয়া যায়। অনেক লোক আদর্শ ভাষার পাশাপাশি তাদের স্থানীয় উপভাষাতেও কথা বলেন।
আরও দেখুন[সম্পাদনা]
|
|||||||||||||||||||||||||||||||||||
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ রয়েছে, কিন্তু কোনো <references/> ট্যাগ নেই