পেলে
| পেলে | ||
| ব্যক্তিগত তথ্য | ||
|---|---|---|
| জন্মতারিখ | {{{জন্মতারিখ}}} | |
| জন্মস্থান | {{{জন্মশহর}}}, {{{জন্মদেশ}}} | |
| উচ্চতা | ১.৭৩ মি. | |
| ডাকনাম | O Rei (রাজা), Pérola Negra (কাল মানিক) |
|
| অবস্থান | স্ট্রাইকার | |
| পেশাদারী ক্লাব* | ||
| বছর | ক্লাব | উপস্থিতি (গোল) |
| ১৯৫৬–১৯৭৪ ১৯৭৫–১৯৭৭ |
সান্টোস এফসি কসমস |
{{{উপস্থিতি (গোলসংখ্যা)}}} |
| জাতীয় দল | ||
| {{{জাতীয়_বছর}}} | ব্রাজিল | {{{জাতীয়_উপস্থিতি (গোলসংখ্যা)}}} |
|
* পেশাদারী ক্লাবের উপস্থিতি ও গোলসংখ্যা |
||
পেলে ব্রাজিলের বিখ্যাত ফুটবল খেলোয়াড়। তাঁর পূর্ণ নাম এদসন আরাঁতেস দো নাসিমঁতু (Edison Arantes do Nascimento)। ব্রাজিলের হয়ে তিনি ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৬৬ ও ১৯৭০ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।
তিনি ব্রাজিলের জাতীয় দলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা ও তিনবার বিশ্বকাপজয়ী একমাত্র ফুটবলার।
[সম্পাদনা] জাতীয় দল ক্যারিয়ার
পেলে প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেন ১৯৫৭ সালের ৭ জুলাই মারাকানায়, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে। ২-১ ব্যবধানে হারা সেই ম্যাচে ১৬ বছর ৯ মাস বয়সে ব্রাজিলের পক্ষে প্রথম গোল করে পেলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনের সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতার স্থান দখল করেন।
[সম্পাদনা] ১৯৫৮ বিশ্বকাপ
সোভিয়েত ইউনিয়নের বিপক্ষে পেলে তাঁর প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলেন। ১৯৫৮ ফিফা বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডের সেই ম্যাচটা ছিল প্রতিযোগিতার তৃতীয় খেলা। সেই বিশ্বকাপের সর্বকনিষ্ঠ (এবং তখন পর্যন্ত যেকোন বিশ্বকাপ খেলা সর্বকনিষ্ঠ) খেলোয়াড় পেলের সতীর্থ ছিলেন গ্যারিঞ্চা, যিতো এবং ভাভা। ওয়েলসের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে করা গোলটি ছিল প্রতিযোগিতায় পেলের প্রথম এবং সেই ম্যাচের একমাত্র গোল, যার সাহায্যে ব্রাজিল সেমিফাইনালে উত্তীর্ণ হয়। ম্যাচের সময় পেলের বয়স ছিল ১৭ বছর ২৩৯ দিন, বিশ্বকাপের গোলদাতাদের মধ্যে সবচেয়ে কম।
[সম্পাদনা] পরিবার
পেলের অন্যতম সন্তান এডসন চলবি দো নাসিমেন্টো 'এডিনহো' একজন ফুটবলার ছিলেন। তিনি মূলত গোলরক্ষকের ভূমিকায় খেলতেন। ২০০৫ সালে মাদকদ্রব্য পাচার সংক্রান্ত অভিযোগে জড়িয়ে তিনি গ্রেফতার হন
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |