কার্লোস তেবেস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কার্লোস তেবেস
Tevez Away Kit.jpg
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নাম কার্লোস আলবের্তো তেবেস
জন্ম ফেব্রুয়ারি ৫, ১৯৮৪
জন্ম স্থান Ciudadela, বুয়েনোস আইরেস, আর্জেন্টিনা
উচ্চতা ১.৭০ মিটার (৫–৭)
মাঠে অবস্থান স্ট্রাইকার
ক্লাবের তথ্য
বর্তমান ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
জার্সি নম্বর ৩২
তারূণ্যের কর্মজীবন
১৯৯২-১৯৯৬
১৯৯৭-২০০১
অল বয়েজ
বোকা জুনিয়র্স
বলিষ্ঠ কর্মজীবন*
বছর দল উপস্থিতি
(গোল)
২০০১-২০০৪
২০০৫-২০০৬
২০০৬-২০০৭
২০০৭-
বোকা জুনিয়র্স
করিন্থিয়ান্স
ওয়েস্ট হ্যাম ইউনাইটেড
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড
৭৫ (২৫)
৩৮ (২৫)
২৬ 0(৭)
১৬ 0(৭)
জাতীয় দল
২০০৪- আর্জেন্টিনা ৩৫ 0(৭)
* পেশাদারী ক্লাবের উপস্থিতি ও গোলসংখ্যা

শুধুমাত্র ঘরোয়া লিগের জন্য গণনা করা হয়েছে এবং তারিখ অনুযায়ী সঠিক 09:55, 17 December 2007 (UTC)।
† উপস্থিতি(গোল সংখ্যা)।

‡ জাতীয় দলের হয়ে খেলার সংখ্যা এবং গোল তারিখ অনুযায়ী সঠিক 11:20, 5 July 2007 (UTC)

কার্লোস আলবের্তো তেবেস (স্পেনীয় ভাষায়: Carlos Alberto Tévez) (জন্ম ৫ই ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৪, বুয়েনোস আইরেস) একজন আর্জেন্টিনীয় ফুটবল খেলোয়াড় যিনি আর্জেন্টিনার সবচেয়ে জনপ্রিয় দল বোকা জুনিয়র্সের পক্ষে তার পেশাদারী খেলোয়াড়ী জীবন শুরু করেছিলেন। এছাড়া তিনি ব্রাজিলের করিন্থিয়ান্স ও ইংল্যান্ডের ওয়েস্ট হ্যাম ইউনাইটেড ক্লাবে খেলেছেন। বর্তমানে তিনি মিডিয়া স্পোর্টস ইনভেস্টমেন্টস থেকে দুই বছরের জন্য ধারে লীগ চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ক্লাবে খেলে থাকেন।

তিনি আর্জেন্টিনা থেকে উঠে আসা বিশ্ব ফুটবলের উদীয়মান খেলোয়াড়দের মধ্যে অন্যতম। আর্জেন্টিনার সহযোগী খেলোয়াড় মেসির মত তাকেও নতুন মারাদোনা নামে ডাকা হত। দিয়েগো মারাদোনা একসময় তাকে আর্জেন্টিনার ২১ শতকের গুরু আখ্যা দিয়েছিলেন।[১] তেবেস পর পর তিন বার বছরের সেরা দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবলার-এর খেতাবটি জিতেছেন।

পরিচ্ছেদসমূহ

জীবনী [সম্পাদনা]

তেবেসের জন্মগত নাম কার্লোস আলবের্তো মার্তিনেস। তিনি বড় হয়েছিলেন ফুয়ের্তে আপাচে নামে একটি এলাকায়। এই অঞ্চলের নামেই তার ডাক নাম হয়েছে আপাচে। যখন অল বয়েজ ও বোকা জুনিয়র্সের মধ্যে তাকে নিয়ে দ্বন্দ্ব শুরু হয় তখন তার পিতা-মাতা তার নামের শেষে মায়ের নাম যোগ করেন।[২]

তেবেসের ডান কান থেকে গলা ও তার বুক পর্যন্ত পোড়া দাগ রয়েছে। তেবেস একসময় তার মায়ের রান্না ঘরে ঢুকে অসাবধানতাবশত নিজের গায়ের ওপর গরম পানি ঢেলে দিয়েছিলেন। এই ঘটনা যখন ঘটে তখন তার বয়স ছিল মাত্র দশ মাস। এর ফলে তার দেহে তৃতীয় মাত্রার পোড়া ক্ষতের সৃষ্টি করে এবং এর ফলে তাকে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে প্রায় ২ মাস থাকতে হয়। বর্তমানে তার দেহে স্পষ্টভাবেই এই ক্ষতগুলো দেখা যায়। জুনিয়র ফুটবল ক্লাবে খেলার কারণে শুরুতে তেবেস এই ক্ষত চিহ্ন সারাননি। কিন্তু পরে যখন তিনি বোকা জুনিয়র্সে যোগদেন, তখন ক্লাবের পক্ষ থেকে তাকে প্লাস্টিক শল্য-চিকিৎসার প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে বলেন এই ক্ষতচিহ্ন তার অতীত ও বর্তমানের স্মৃতিচিহ্ন।[৩]

ক্লাব ক্যারিয়ার [সম্পাদনা]

বোকা জুনিয়র্স [সম্পাদনা]

করিন্থিয়ান্স [সম্পাদনা]

ওয়েস্ট হ্যাম ইউনাইটেড [সম্পাদনা]

২০০৭ সালের দলবদল [সম্পাদনা]

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড [সম্পাদনা]

আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার [সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]