ম্যানচেস্টার সিটি ফুটবল ক্লাব

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ম্যানচেস্টার সিটি
ম্যানচেস্টার সিটি ক্রেস্ট
পূর্ণ নাম ম্যানচেস্টার সিটি ফুটবল ক্লাব
ডাকনাম সিটি, দ্য সিটিজেনস, দ্য স্কাই ব্লুজ, দ্য ব্লুজ
প্রতিষ্ঠা ১৮৮০
ওয়েস্ট গর্টন (সেইন্ট. মার্কস) হিসেবে
মাঠ

সিটি অব ম্যানচেস্টার স্টেডিয়াম

ইতিহাদ ক্যাম্পাস
ম্যানচেস্টার
(ধারণক্ষমতা: ৪৭,৪০৫[১])
মালিক সিটি ফুটবল গ্রুপ
চেয়ারম্যান খালদুন আল মুবারাক
ম্যানেজার মানুয়েল পেল্লেগ্রিনি
লীগ প্রিমিয়ার লীগ
২০১৩–১৪ প্রিমিয়ার লীগ, ১ম
ওয়েবসাইট ক্লাবের প্রধান পাতা
হোম রং
এওয়ে রং
তৃতীয় রং

ম্যানচেস্টার সিটি ফুটবল ক্লাব (ইংরেজি: Manchester City Football Club) ইংরেজ প্রিমিয়ার লীগের একটি ফুটবল ক্লাব যার উত্‍পত্তি হয়েছে ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার শহরে। ক্লাবটি ১৮৮০ সালে সেইন্ট মার্কস (ওয়েস্ট গর্টন) নামে প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ১৮৮৭ সালে ক্লাবটির নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় আর্ডউইক এ.এফ.সি এবং ১৮৯৪ সালে পুনরায় পরিবর্তন করে রাখা হয় ম্যানচেস্টার সিটি। ১৯৬০ এর দশকের শেষের দিকে এবং ১৯৭০ এর দশকের শুরুর দিকে ক্লাবটি সবচেয়ে সফল সময় কাটায়। এসময় জো মার্সার এবং ম্যালকম অ্যালিসনের অধীনে তারা লীগ চ্যাম্পিয়নশিপ, এফএ কাপ, লীগ কাপ এবং ইউরোপীয় কাপ উইনার্স কাপ শিরোপা জিতে। ১৯৮১ সালের এফএ কাপের ফাইনালে পরাজিত হওয়ার পর ক্লাবের অধঃপতন ঘটে। এমনকি তাদের ১৯৯৮ সালে ইংরেজ ফুটবলের তৃতীয় বিভাগে অবনমন ঘটে। এরপর পুনরায় প্রিমিয়ার লীগে সুযোগ পাওয়ার পর ২০০৮ সালে ক্লাবটিকে কিনে নেয় আবু ধাবি ইউনাইটেড গ্রুপ। এতে করে ক্লাবটি বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনী ক্লাবে পরিণত হয়। ২০১১ সালে, ম্যানচেস্টার সিটি উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগে অংশগ্রহনের সুযোগ পায় এবং এফএ কাপ শিরোপা জিতে। ২০১২ সালে, তারা প্রিমিয়ার লীগ শিরোপা জিতে, যা ৪৪ বছরের মধ্যে তাদের প্রথম লীগ শিরোপা। ২০১৩-১৪ মৌসুমে তারা আবারও লীগ শিরোপা জিতে। মৌসুমের শেষ খেলায় ওয়েস্ট হ্যামকে ২-০ গোলে হারিয়ে তারা এই শিরোপা নিশ্চিত করে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৮৮৪ সালে সেইন্ট মার্কস (গর্টন) – জার্সিতে মালটিস ক্রসের কারণ এখনও অজানা।[২]

১৮৯৯ সালে ইংরেজ ফুটবলের দ্বিতীয় বিভাগ জয়ের মাধ্যমে সিটি তাদের প্রথম সম্মাননা অর্জন করে এবং এর মাধ্যমে তারা ইংরেজ ফুটবলের সর্বোচ্চ আসর প্রথম বিভাগে উঠে আসে। সিটি তাদের প্রথম কোন বড় সম্মাননা জিতে ১৯০৪ সালের ২৩ এপ্রিল। ক্রিস্টাল প্যালেসে বোল্টন ওয়ান্ডারার্সকে ১–০ গোলে পরাজিত করে তারা এফএ কাপ শিরোপা জিতে। সে বছর তারা লীগে রানার-আপ হয়। ম্যানচেস্টার সিটিই ম্যানচেস্টার শহরের প্রথম ক্লাব হিসেবে বড় কোন শিরোপা জিতে।[৩] এফএ কাপ জয়ের পরবর্তী মৌসুমে ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। যার পরিণতিস্বরূপ ১৭ জন খেলোয়াড়কে ছাটাই করা হয়। এই খেলোয়াড়দের মধ্যে দলের অধিনায়ক বিলি মেরেডিথও ছিলেন, যিনি পরবর্তীতে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে চলে যান।[৪] ১৯২০ সালে হাইড রোডের একটি অগ্নিকান্ডে প্রধান স্ট্যান্ড ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়, ফলে ১৯২৩ সালে ক্লাবটি মস সাইডে তাদের নতুন বিশেষভাবে নির্মিত স্টেডিয়াম মেইন রোডে স্থানান্তরিত হয়।[৫]

১৯০৪ সালে এফএ কাপ জিতা ম্যানচেস্টার সিটি দল।

১৯৩০ এর দশকে ম্যানচেস্টার সিটি টানা দুইটি এফএ কাপের ফাইনালে পৌছায়। ১৯৩৩ সালে এভারটনের বিপক্ষে তারা পরাজিত হয় এবং ১৯৩৪ সালে পোর্টসমাউকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়।[৬] ১৯৩৪ সালের এফএ কাপের ৬ষ্ঠ পর্বে স্টোক সিটির বিপক্ষে খেলায় মেইন রোডে ইংরেজ ফুটবলের ইতিহাসে কোন ক্লাবের নিজেদের মাঠে সর্বোচ্চ সংখ্যক দর্শক উপস্থিতির রেকর্ড গঠিত হয়। ঐ খেলার সময় মেইন রোডে ৮৪,৫৬৯ জন দর্শক উপস্থিত ছিলেন। এবং এই রেকর্ডটি এখন পর্যন্ত টিকে আছে।[৭] সিটি ১৯৩৭ সালে প্রথমবারের মত প্রথম বিভাগের শিরোপা জিতে, কিন্তু পরবর্তী মৌসুমেই তাদের দ্বিতীয় বিভাগে অবনমন ঘটে, যদিও তারা ঐ মৌসুমে লীগের অন্য যেকোন দলের চেয়ে অধিক সংখ্যক গোল করেছিল।[৮] ২০ বছর পর, রিভি প্ল্যান নামক একটি নতুন কৌশলে পরিকল্পিত ম্যানচেস্টার সিটি দল পুনরায় টানা দুইটি এফএ কাপের ফাইনালে পৌছায়। ১৯৩০ এর দশকের মত এবারও তারা প্রথমটিতে ১৯৫৫ সালে নিউকাসল ইউনাইটেডের বিপক্ষে পরাজিত হয় এবং পরের বছর ১৯৫৬ সালে বার্মিংহাম সিটিকে ৩–১ গোলে হারিয়ে শিরোপা জিতে। এই ফাইনালটি সর্বকালের সেরা ফাইনালগুলোর মধ্যে অন্যতম। খেলায় ম্যানচেস্টার সিটির গোলরক্ষক বার্ট টাউটমানের ঘাড় ভেঙ্গে গেলেও, তিনি অজ্ঞাতসারে খেলতে থাকেন, যার ফলে খেলাটির কথা এখনও স্মরণ করা হয়[৯]

১৯৬৩ সালে দ্বিতীয় বিভাগে অবনমনের পর, সিটির বিবর্ণ ভবিষ্যতের শঙ্কা দেখা দেয়। ১৯৬৫ সালের জানুয়ারিতে সুইনডাউন টাউনের বিপক্ষে খেলায় মাঠে মাত্র ৮,০১৫ জন দর্শক উপস্থিত ছিলেন, যা সিটির নিজেদের মাঠে সর্বনিম্ন দর্শক উপস্থিতির রেকর্ড।[১০] ১৯৬৫ সালের গ্রীষ্মে, জো মার্সার এবং ম্যালকম অ্যালিসনের ব্যবস্থাপনা দলকে নিযুক্ত করা হয়। মার্সারের অধীনে প্রথম মৌসুমেই সিটি দ্বিতীয় বিভাগের শিরোপা জিতে এবং তারা মাইক সামারবিকলিন বেলের মত গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের দলে ভিড়ায়।[১১] দুই মৌসুম পর, ১৯৬৭–৬৮ তে, ম্যানচেস্টার সিটি দ্বিতীয়বারের মত লীগ শিরোপা জিতে। তাদের শিরোপা নির্ধারিত হয় লীগের একদম শেষ খেলায়। তারা ঐ খেলায় নিউকাসল ইউনাইটেডের বিপক্ষে ৪–৩ গোলে জয় লাভ করে।[১২] তাদের জিতা পরবর্তী শিরোপাগুলোর মধ্যে রয়েছে ১৯৬৯ সালের এফএ কাপ, ১৯৭০ সালের ইউরোপীয় কাপ উইনার্স কাপ[১৩] ঐ মৌসুমে সিটি লীগ কাপ শিরোপাও জিতে। এর মাধ্যমে তারা দ্বিতীয় ইংরেজ ক্লাব হিসেবে একই মৌসুমে একটি ইউরোপীয় শিরোপা ও একটি ঘরোয়া শিরোপা জিতার গৌরব অর্জন করে।

ক্লাবটির ১৯৭০ এর দশক ভালোই কাটে। তারা দুইটি মৌসুমে লীগ চ্যাম্পিয়নদের থেকে মাত্র এক পয়েন্ট পেছনে থেকে লীগ শেষ করে এবং ১৯৭৪ সালে লীগ কাপের ফাইনালে পৌছায়।[১৪] এছাড়া এসময় সিটি সমর্থকদের কাছে অতি স্মরণীয় একটা খেলাও অনুষ্ঠিত হয়: ১৯৭৩–৭৪ মৌসুমের শেষ খেলায় ওল্ড ট্রাফোর্ডে ম্যানচেস্টার সিটি তাদের ঘোর প্রতিদ্বন্দী ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মুখোমুখী হয়। অবনমন ঠেকানোর জন্য ইউনাইটেডের কাছে জয়ের কোন বিকল্প ছিল না। কিন্তু তাদেরকে হতাশায় ডুবায় তাদেরই প্রাক্তন খেলোয়াড় ডেনিস ল। তার একমাত্র গোলেই সিটি ১–০ গোলে জয় লাভ করে এবং এতে ইউনাইটেডের অবনমন নিশ্চিত হয়।[১৫][১৬] ক্লাবটির সবচেয়ে সফল সময়ের শেষ শিরোপা ছিল ১৯৭৬ সালের লীগ কাপ। তারা নিউকাসল ইউনাইটেডকে হারিয়ে ঐ শিরোপা জিতেছিল।

১৯৬০ ও ৭০ এর দশকের সফলতার পর ক্লাবটির দীর্ঘকালীন অধঃপতন ঘটে। ১৯৭৯ সালে ম্যালকম অ্যালিসন দ্বিতীয়বারের মত ক্লাবের ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহন করেন। তবে তিনি স্টিভ ড্যালের মত অসফল খেলোয়াড়দের দলে ভিড়িয়ে মোটা অংকের অর্থ নষ্ট করেন। এরপর কয়েক বছর ঘন ঘন ম্যানেজার পরিবর্তন করা হয়। ১৯৮০’র দশকেই সাত জন ম্যানেজারকে পরিবর্তন করা হয়। ১৯৮১ সালে জন বন্ডের অধীনে এফএ কাপের ফাইনালে পৌছায় সিটি, তবে ফাইনালের রিপ্লে খেলায় টটেনহামের বিপক্ষে পরাজিত হয় তারা। ১৯৮০’র দশকে ক্লাবটির দুইবার দ্বিতীয় বিভাগে অবনমন ঘটে (১৯৮৩ ও ১৯৮৭ সালে)। তবে তারা ১৯৮৯ সালে পুনরায় প্রথম বিভাগে ফিরে আসে এবং ১৯৯১ ও ১৯৯২ সালে পিটার রেইডের অধীনে পঞ্চম স্থানে থেকে লীগ শেষ করে।[১৭] অবশ্য, এটি কেবলমাত্র একটি অস্থায়ী অবকাশ ছিল। রেইড চলে যাওয়ার পর সিটি পুনরায় নিষ্প্রভ হয়ে পড়ে। ১৯৯২ সালে প্রিমিয়ার লীগের প্রতিষ্ঠা হলে তারা তাতে অংশগ্রহন করে, অর্থাত্‍, তারা প্রিমিয়ার লীগের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ক্লাব ছিল। প্রিমিয়ার লীগের প্রথম মৌসুমে নবম হওয়ার পর তিনটি মৌসুমে তাদেরকে অনেক প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে যেতে হয়, এবং এরপর ১৯৯৬ সালে তাদের দ্বিতীয় বিভাগে অবনমন ঘটে। ইংরেজ ফুটবলের সে সময়কার দ্বিতীয় বিভাগ অর্থাত্‍ ফুটবল লীগ প্রথম বিভাগে দুই মৌসুম কাটানোর পর তাদের তৃতীয় বিভাগে অবনমন ঘটে। ম্যানচেস্টার সিটির ইউরোপীয় শিরোপা বিজয়ী দ্বিতীয় ক্লাব হিসেবে নিজ দেশের ঘরোয়া লীগের তৃতীয় বিভাগে অবনমন ঘটে।

অবনমনের পর, নতুন চেয়ারম্যান ডেভিড বার্নস্টাইন নতুন ধরণের আর্থনৈতিক শৃঙ্খলা প্রবর্তন করেন।[১৮] ম্যানেজার জো রয়লির অধীনে প্রথম মৌসুমেই প্রথম বিভাগে উঠে আসে ম্যানচেস্টার সিটি। গিলিংহ্যামের বিপক্ষে প্লে-অফে নাটকীয় জয় পায় তারা। তবে ২০০১ সালে তাদের পুনরায় দ্বিতীয় বিভাগে অবনমন ঘটে। রয়লির স্থলাভিষিক্ত হন কেভিন কিগান এবং সিটি ২০০১–০২ ডিভিশন এক চ্যাম্পিয়নশিপ জিতার মাধ্যমে পুনরায় প্রথম বিভাগে উঠে আসে। এছাড়া ঐ মৌসুমে ক্লাবটির ইতিহাসে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ পয়েন্ট অর্জন এবং সর্বোচ্চ গোল করার রেকর্ডও প্রতিষ্ঠিত হয়।[১৯] ২০০২–০৩ মৌসুমে মেইন রোডে সিটির শেষ মৌসুম ছিল। এ মৌসুমে তারা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে একটি খেলায় ৩–১ গোলে জয় লাভ করে। এবং এর মাধ্যমে ডার্বি খেলায় তাদের টানা ১৩ বছরের জয় ক্ষরার অবসান ঘটে।[২০] এছাড়া সিটি ২৫ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মত কোন ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনের সুযোগ পায়। ২০০৩ সালের ক্লোজ সিজনে ক্লাবটি সিটি অফ ম্যানচেস্টার স্টেডিয়ামে চলে আসে। নতুন স্টেডিয়ামে আসার পর সিটির প্রথম চার মৌসুমে কাটে লীগ টেবিলের মাঝামাঝি অবস্থানে থেকে। ইংল্যান্ড জাতীয় দলের প্রাক্তন কোচ স্ভেন-ইয়োরান ইয়েরিকসন ২০০৭ সালে ম্যানচেস্টার সিটির ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহন করেন। তিনি ক্লাবটির প্রথম বিদেশী কোচ।[২১] মৌসুমের প্রথমার্ধ খুব ভালোভাবে কাটালেও শেষার্ধে গিয়ে দলের ছন্দপতন ঘটে এবং ২০০৮ সালের জুনে ইয়েরিকসনকে পদচ্যুত করা হয়।[২২] দুই দিন পরের নতুন ম্যানেজার হিসেবে যোগ দেন মার্ক হিউজস[২৩]

২০০৮ সালের দিকে ক্লাবটি অর্থনৈতিক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিল। এর এক বছর আগে ক্লাবের নিয়ন্ত্রন নিয়েছিলেন থাসকিন সিনাওয়াত্রা। তবে রাজনৈতিক কারণে তিনিও ক্লাবের ভাগ্য বদলাতে পারেননি।[২৪] এরপর ২০০৮ সালের আগস্টে, ক্লাবটিকে কিনে নেয় আবু ধাবি ইউনাইটেড গ্রুপ। এই অধিগ্রহণের পর বড় মাপের খেলোয়াড়দের জন্য প্রস্তাবের ফুলঝুড়ি ছুটতে থাকে। রিয়াল মাদ্রিদ থেকে ৩২.৫ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে রবিনিয়োকে ক্রয় করার মাধ্যমে ব্রিটিশ ফুটবলে তারা নতুন রেকর্ড গড়ে।[২৫] এত অর্থ ব্যয়ের পরও সফলতা অধরাই রয়ে যায় এবং লীগে তারা ১০ম স্থানে থেকে মৌসুম শেষ করে। অবশ্য, উয়েফা কাপে তারা কোয়ার্টার-ফাইনাল পর্যন্ত পৌছায়। ২০০৯ সালে গ্রীষ্মে, গ্যারেথ ব্যারি, রোকে সান্তা ক্রুজ, কোলো টোরে, এমানুয়েল আদাবায়ের, কার্লোস তেবেস এবং জোলিয়ন লেসকটের মত খেলোয়াড়দের ক্রয় করতে ১০০ মিলিয়নেরও অধিক ইউরো খরচ করে ক্লাবটি।[২৬] ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে মার্ক হিউজস কে সরিয়ে দলের ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় রবের্তো মানচিনিকে।[২৭][২৮] ঐ মৌসুমে সিটি পঞ্চম স্থানে থেকে লীগ শেষ করে এবং অল্পের জন্য পরের মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লীগে অংশগ্রহণের সুযোগ হাতছাড়া করে, তবে তারা ২০১০–১১ মৌসুমে ইউরোপা লীগে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়।

২০১১ চ্যাম্পিয়নস লীগে ম্যানচেস্টার সিটি এবং বায়ার্ন মিউনিখের মধ্যকার খেলার একটি মুহূর্ত।

পরের মৌসুমেও নতুন খেলোয়াড়দের জন্য বিনিয়োগ অব্যহত থাকে। নগর প্রতিদ্বন্দী ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে হারিয়ে সিটি ২০১১ এফএ কাপের ফাইনালে পৌছায়। ৩০ বছরের মধ্যে এই প্রথম তারা কোন বড় প্রতিযোগিতার ফাইনালে পৌছায়।[২৯] ফাইনালে তারা স্টোক সিটিকে ১–০ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করে পঞ্চমবারের মত এফএ কাপ শিরোপা জিতে। ১৯৭৬ সালে লীগ কাপ জিতার পর এটিই তাদের প্রথম বড় কোন শিরোপা। একই সপ্তাহে প্রিমিয়ার লীগে টটেনহাম হটস্পারকে হারিয়ে তারা পরবর্তী মৌসুমের চ্যাম্পিয়নস লীগেও জায়গা করে নেয়।[৩০] ২০১০–১১ মৌসুমের শেষ দিনে তারা আর্সেনালকে ছাড়িয়ে লীগ টেবিলের তৃতীয় স্থানে চলে আসে এবং সরাসরি চ্যাম্পিয়নস লীগের গ্রুপ পর্ব নিশ্চিত করে। ২০১১–১২ মৌসুমেও ক্লাবের সফলতার ধারা অব্যহত থাকে। তারা হোয়াইট হার্ট লেনে টটেনহাম হটস্পারকে ৫–১ গোলে পরাজিত করে এবং ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে তাদের নিজেদের স্টেডিয়ামেই ৬–১ গোলে বিধ্বস্ত করে। তবে ক্লাবের এই দূর্দান্ত ফর্ম মৌসুমের মাঝামাঝি সময়ে এসে হ্রাস পেয়ে যায় এবং লীগের মাত্র ছয়টি খেলা বাকি থাকতে সিটি তাদের প্রতিদ্বন্দীর থেকে আট পয়েন্ট পিছিয়ে যায়। তবে লীগের দুইটি খেলা বাকি থাকতে তারা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাথে পয়েন্ট সমতায় চলে আসে। এমনকি লীগের শেষ দিন পর্যন্ত তাদের পয়েন্ট সমান ছিল। সিটির শুধু প্রয়োজন ছিল অবনমন শঙ্কায় ভূগতে থাকা কুইন্স পার্ক রেঞ্জার্সের বিপক্ষে বিজয়। কিন্তু সেই খেলায় তারা ৯০ মিনিট শেষ হওয়ার পরও ২–১ গোলে পিছিয়ে ছিল। অন্যদিকে ইউনাইটেডের কিছু খেলোয়াড় খেলা শেষে লীগ শিরোপা জয়ের কথা ভেবে উল্লাস করছিল। তবে ইনজুরি সময়ে জেকো ও আগুয়েরোর গোলে এগিয়ে যায় সিটি। এর মধ্যে আগুয়েরোর গোলটি ছিল খেলার একদম শেষ মিনিটে। এবং এই শেষ মিনিটের জয়ে ৪৪ বছরের মধ্যে প্রথম লীগ শিরোপা জিতে সিটি। ১৯৯২ সালে প্রিমিয়ার লীগ প্রতিষ্ঠার পর তারা পঞ্চম দল হিসেবে এই শিরোপা জিতে। যুক্তরাজ্য এবং সেই সাথে সারা বিশ্বের কিছু সংবাদ মাধ্যম এটিকে প্রিমিয়ার লীগের ইতিহাসের সেরা মুহূর্ত হিসেবে অভিহিত করে।[৩১][৩২] খেলাটি আরও স্মরণীয় হয়ে ওঠে সিটির প্রাক্তন খেলোয়াড় জোই বার্টনের কারণে। খেলায় তিনি মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানেই তিন জন আলাদা খেলোয়াড়কে ট্যাকল করেন যার সবগুলোই ছিল লাল কার্ড পাওয়ার মত। এরপর তাকে ১২টি খেলার জন্য নিষিদ্ধ করা হয়।[৩৩]

খেলোয়াড়গন[সম্পাদনা]

বর্তমান দল[সম্পাদনা]

২০১৩ সালে ম্যানচেস্টার সিটি।

নোট: পতাকা জাতীয় দল নির্দেশ করে যা ফিফা যোগ্যতার নিয়ম অধীন নির্ধারিত হয়েছে। খেলোয়াড়দের একাধিক জাতীয়তা থাকতে পারে যা ফিফা ভুক্ত নয়।

নং অবস্থান খেলোয়াড়
ইংল্যান্ড গো জো হার্ট
ইংল্যান্ড মাইকা রিচার্ডস
বেলজিয়াম ভিনসেন্ট কোম্পানি (অধিনায়ক)
আর্জেন্টিনা পাবলো জাবালেতা
ইংল্যান্ড জোলিয়ন লেসকট
ইংল্যান্ড জেমস মিলনার
ফ্রান্স সামির নাসরি
স্পেন আলবারো নেগ্রেদো
১০ বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা এডিন জেকো
১৩ সার্বিয়া আলেকজান্দার কোলারোভ
১৪ স্পেন জাবি গার্সিয়া
১৫ স্পেন হেসুস নাবাস
১৬ আর্জেন্টিনা গো সার্হিও আগুয়েরো
নং অবস্থান খেলোয়াড়
১৭ ইংল্যান্ড জ্যাক রোডওয়েল
২১ স্পেন দাবিদ সিলবা
২২ ফ্রান্স গায়েল ক্লিশি
২৫ ব্রাজিল ফেরনান্দিনিয়ো
২৬ আর্জেন্টিনা মার্তিন দেমিচেলিস
২৯ ইংল্যান্ড রিচার্ড রাইট
৩০ রোমানিয়া কস্তেল পান্তিলিমন
৩৩ সার্বিয়া মাতিয়া নাস্তাসিচ
৩৫ মন্টিনিগ্রো স্তেভান ইয়ভেতিচ
৩৮ বেলজিয়াম দেদহিক বোয়াতা
৪২ কোত দিভোয়ার ইয়াইয়া তুরে (সহ-অধিনায়ক)
৬৪ পর্তুগাল গো মাহকোস লোপেস

ধারে অন্য দলে[সম্পাদনা]

নোট: পতাকা জাতীয় দল নির্দেশ করে যা ফিফা যোগ্যতার নিয়ম অধীন নির্ধারিত হয়েছে। খেলোয়াড়দের একাধিক জাতীয়তা থাকতে পারে যা ফিফা ভুক্ত নয়।

নং অবস্থান খেলোয়াড়
১১ ইংল্যান্ড স্কট সিনক্লেয়ার (ওয়েস্ট ব্রমউইচ অ্যালবিয়নে ৩১ মে ২০১৪ পর্যন্ত)
১৮ ইংল্যান্ড গ্যারেথ ব্যারি (এভারটনে ৩১ মে ২০১৪ পর্যন্ত)
নং অবস্থান খেলোয়াড়
৬০ সুইডেন ইয়ন গুইদেত্তি (স্টোক সিটিতে ৩১ মে ২০১৪ পর্যন্ত)

বর্তমান কর্মকর্তাগণ[সম্পাদনা]

পরিচালনা পরিষদ[সম্পাদনা]

অবস্থান নাম
চেয়ারম্যান সংযুক্ত আরব আমিরাত খালদুন আল মুবারাক
অ-নির্বাহী পরিচালক ইংল্যান্ড সাইমন পিয়ার্স
অ-নির্বাহী পরিচালক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মার্টি এডেলম্যান
অ-নির্বাহী পরিচালক সংযুক্ত আরব আমিরাত মোহাম্মাদ আল মাজরুয়া
অ-নির্বাহী পরিচালক ইংল্যান্ড জন ম্যাকবিথ
অ-নির্বাহী পরিচালক ইতালি আলবের্তো গালাস্সি

যৌথ পরিচালন[সম্পাদনা]

অবস্থান নাম
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্পেন ফেরান সরিয়ানো
প্রধান পরিচালন ও বাণিজ্যিক কর্মকর্তা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র টম গ্লিক
ফুটবল পরিচালক স্পেন তিকি বেগিরিস্তাইন
ফুটবল প্রশাসন কর্মকর্তা ইংল্যান্ড জন উইলিয়ামস
সিটি ফুটবল গ্রুপের বৈশ্বিক প্রযুক্তিগত পরিচালক ইতালি রোদলফো বোরেল
সিটি ফুটবল অ্যাকাডেমির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইংল্যান্ড ব্রায়ান মারউড

দল ব্যবস্থাপনা[সম্পাদনা]

মানুয়েল পেল্লেগ্রিনি, ম্যানচেস্টার সিটির বর্তমান ম্যানেজার।
অবস্থান নাম
ম্যনেজার চিলি মানুয়েল পেল্লেগ্রিনি
যুগ্ম সহকারী ম্যানেজার আর্জেন্টিনা রুবেন কুসিয়াস
যুগ্ম সহকারী ম্যানেজার ইংল্যান্ড ব্রায়ান কিড
গোলরক্ষক কোচ স্পেন জাবিয়ের মানসিসিদর
ফিটনেস কোচ স্পেন হোসে কাবেয়ো
প্ল্যাট লেন অ্যাকাডেমির প্রধান ইংল্যান্ড মার্ক অ্যালেন
অনূর্ধ্ব-২১ এলিট ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার ফ্রান্স পাত্রিক ভিয়েইরা
অ্যাকাডেমি দলের ম্যানেজার ইংল্যান্ড জেসন উইলকক্স

উল্লেখযোগ্য ম্যানেজার[সম্পাদনা]

৭ মে ২০১৪ অনুসারে[৩৪][৩৫]
নাম কার্যকাল শুরু কার্যকাল শেষ খেলা জয় ড্র পরাজয় জয় % সম্মাননা/টীকা
স্কটল্যান্ড টম ম্যালে
১৯০২ ১৯০৬ 7002150000000000000১৫০ 7001890000000000000৮৯ 7001220000000000000২২ 7001390000000000000৩৯ 7001593300000000000৫৯.৩৩ ১৯০৪ এফএ কাপ
ইংল্যান্ড উইল্ফ ওয়াইল্ড
১৯৩২ ১৯৪৬ 7002352000000000000৩৫২ 7002158000000000000১৫৮ 7001710000000000000৭১ 7002123000000000000১২৩ 7001448900000000000৪৪.৮৯ ১৯৩৪ এফএ কাপ
১৯৩৬–৩৭ প্রথম বিভাগ
১৯৩৭ চ্যারিটি শিল্ড
স্কটল্যান্ড লেস ম্যাকডোয়াল
১৯৫০ ১৯৬৩ 7002592000000000000৫৯২ 7002220000000000000২২০ 7002127000000000000১২৭ 7002245000000000000২৪৫ 7001371609999999999৩৭.১৬ ১৯৫৬ এফএ কাপ
ইংল্যান্ড জো মার্সার
১৯৬৫ ১৯৭১ 7002340000000000000৩৪০ 7002149000000000000১৪৯ 7001940000000000000৯৪ 7001970000000000000৯৭ 7001438200000000000৪৩.৮২ ১৯৬৫–৬৬ দ্বিতীয় বিভাগ
১৯৬৭–৬৮ প্রথম বিভাগ
১৯৬৮ চ্যারিটি শিল্ড
১৯৬৯ এফএ কাপ
১৯৭০ ইউরোপীয় কাপ উইনার্স কাপ
১৯৭০ লীগ কাপ
ইংল্যান্ড টনি বুক
১৯৭৩ ১৯৮০ 7002269000000000000২৬৯ 7002114000000000000১১৪ 7001750000000000000৭৫ 7001800000000000000৮০ 7001423800000000000৪২.৩৮ ১৯৭৬ লীগ কাপ
ইতালি রবের্তো মানচিনি
২০০৯ ২০১৩ 7002191000000000000১৯১ 7002113000000000000১১৩ 7001380000000000000৩৮ 7001400000000000000৪০ 7001591600000000000৫৯.১৬ ২০১১ এফএ কাপ
২০১১-১২ প্রিমিয়ার লীগ
২০১২ কমিউনিটি শিল্ড
চিলি মানুয়েল পেল্লেগ্রিনি
২০১৩ বর্তমান* 7001560000000000000৫৬ 7001400000000000000৪০ 7000600000000000000 7001100000000000000১০ 7001714300000000000৭১.৪৩ ২০১৪ লীগ কাপ
২০১৩-১৪ প্রিমিয়ার লীগ

সম্মাননা[সম্পাদনা]

ঘরোয়া[সম্পাদনা]

লীগ[সম্পাদনা]

২০১১-১২ মৌসুমে প্রিমিয়ার লীগ শিরোপা জিতার পর শিরোপা হাতে অধিনায়ক ভিন্সেন্ট কোম্পানি।

কাপ[সম্পাদনা]

  • এফএ কাপ
    • বিজয়ী (৫): ১৯০৪, ১৯৩৪, ১৯৫৬, ১৯৬৯, ২০১১

ইউরোপ[সম্পাদনা]

ক্লাব রেকর্ড[সম্পাদনা]

সংসৃষ্ট ক্লাবসমূহ[সম্পাদনা]

সহ-মালিকানা[সম্পাদনা]

২০১৩ সালের ২১ মে ঘোষণা করা হয় যে ম্যানচেস্টার সিটি মার্কিন বেসবল ফ্রাঞ্চাইজ নিউ ইয়র্ক ইয়াঙ্কিসের সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে মেজর লীগ সকারের ২০তম দল হিসেবে নিউ ইয়র্ক সিটি ফুটবল ক্লাব চালু করতে যাচ্ছে।
২০১৪ সালের ২৩ জানুয়ারী ঘোষণা করা হয় যে ম্যানচেস্টার সিটি অস্ট্রেলিয়ান এ-লীগের দল মেলবোর্ন হার্ট ফুটবল ক্লাবকে অধিগ্রহণ করার জন্য অস্ট্রেলিয়ান রাগবি লীগের ফ্রাঞ্চাইজ মেলবোর্ন স্টোর্মের অংশীদারিত্ব গ্রহণ করেছে। ক্লাবটির নতুন নাম হতে পারে মেলবোর্ন সিটি ফুটবল ক্লাব।

সুযোগসুবিধার অংশীদারিত্ব[সম্পাদনা]

প্রশিক্ষণ/স্কাউটিং অংশীদার[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Premier League Handbook Season 2013/14" (পিডিএফ)। প্রিমিয়ার লীগ। সংগৃহীত ১৭ আগস্ট ২০১৩ 
  2. "Club History – The Club – Manchester City FC"। ম্যানচেস্টার সিটি। সংগৃহীত ১৩ এপ্রিল ২০১৪ 
  3. James, Manchester City – The Complete Record, p32
  4. James, Manchester:The Greatest City, pp 59–65.
  5. Bevan, Chris (১১ মে ২০০৩)। "Maine Road through the ages"বিবিসি স্পোর্ট। সংগৃহীত ১৩ এপ্রিল ২০১৪ 
  6. Ward, The Manchester City Story, pp. 31–33
  7. James, Gary (২২ এপ্রিল ২০১১)। "FA Cup special: Thrills, spills and a cast of thousands at Maine Road"। menmedia.co.uk। সংগৃহীত ১৪ এপ্রিল ২০১৪ 
  8. "England 1937/38"আরএসএসএসএফ। সংগৃহীত ১৪ এপ্রিল ২০১৪ 
  9. Rowlands, Trautmann – The Biography, pp. 178–184
  10. Ward, The Manchester City Story, p. 57
  11. Penney, Manchester City – The Mercer-Allison Years, pp. 27–36
  12. Penney, Manchester City – The Mercer-Allison Years, pp. 37–56
  13. Gardner, The Manchester City Football Book No. 2, pp. 13–22
  14. James, Manchester City – The Complete Record, pp. 410–420
  15. Ward, The Manchester City Story, p. 70
  16. "Manchester United 0-1 Manchester City It’s Backheel Hell For United As ‘Old Boy’ Law Sends Them Hurtling Towards The Drop"। মিরর ফুটবল। আসল থেকে ১৫ এপ্রিল ২০১৪-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ১৫ এপ্রিল ২০১৪ 
  17. James, Manchester City – The Complete Record, p. 68
  18. Buckley, Andy; Burgess, Richard (2000)। Blue Moon Rising: The Fall and Rise of Manchester City। Bury: Milo। আইএসবিএন 0–9530847–4–4  |coauthors= প্যারামিটার অজানা, উপেক্ষা করুন (সাহায্য)
  19. Manchester City – The Complete Record, p. 265
  20. "Goater double gives City derby win"। RTÉ। আসল থেকে ১৯ ডিসেম্বর ২০০৭-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ১৯ এপ্রিল ২০১৪ 
  21. "Eriksson named Man City manager"বিবিসি স্পোর্ট। ৬ জুলাই ২০০৭। আসল থেকে ১৯ এপ্রিল ২০১৪-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ১৯ এপ্রিল ২০১৪ 
  22. [Eriksson's reign at Man City ends "http://news.bbc.co.uk/sport1/hi/football/teams/m/man_city/7430827.stm"] |url= স্কিম পরীক্ষা করুন (সাহায্য)। বিবিসি স্পোর্ট। ২ জুন ২০০৮। সংগৃহীত ১৯ এপ্রিল ২০১৪ 
  23. "Manchester City appoint Mark Hughes"। ম্যানচেস্টার সিটি। ৪ জুন ২০০৮। সংগৃহীত ১৯ এপ্রিল ২০১৪ 
  24. Winrow, Ian (১২ আগস্ট ২০০৮)। "Thaksin Shinawatra's crisis ends Manchester City's European dream"দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ। সংগৃহীত ২১ এপ্রিল ২০১৪ 
  25. "Man City beat Chelsea to Robinho"। বিবিসি স্পোর্ট। ১ সেপ্টেম্বর ২০০৮। সংগৃহীত ২১ এপ্রিল ২০১৪ 
  26. "Lescott completes Man City move"। বিবিসি স্পোর্ট। ২৫ আগস্ট ২০০৯। সংগৃহীত ২১ এপ্রিল ২০১৪ 
  27. "Mark Hughes sacked as Man City appoint Mancini manager"। বিবিসি স্পোর্ট। ১৯ ডিসেম্বর ২০০৯। সংগৃহীত ২১ এপ্রিল ২০১৪ 
  28. Wilson, Steve (১৯ ডিসেম্বর ২০০৯)। "Manchester City sack Mark Hughes and appoint Roberto Mancini as manager"। দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ। সংগৃহীত ২১ এপ্রিল ২০১৪ 
  29. "Man City 1 – 0 Man Utd"। বিবিসি স্পোর্ট। ১৬ এপ্রিল ২০১১। সংগৃহীত ২১ এপ্রিল ২০১৪ 
  30. "Man City 1 – 0 Tottenham"। বিবিসি স্পোর্ট। ১০ মে ২০১১। সংগৃহীত ২১ এপ্রিল ২০১৪ 
  31. "Is Man City's title win really the best Premier League moment ever? See the Top 50 here.. and then tell us yours"। দ্য মিরর। ৯ আগস্ট ২০১২। সংগৃহীত ২২ এপ্রিল ২০১৪ 
  32. "Reconstructing The Most Exciting Day In The History Of Soccer (And Maybe Sports, Period)"। deadspin.com। ১৬ মে ২০১২। সংগৃহীত ২২ এপ্রিল ২০১৪ 
  33. "Barton blow as bad boy is told he must serve ban at new club Marseille"দ্য ডেইলি মেইল। ৬ সেপ্টেম্বর ২০১২। সংগৃহীত ২২ এপ্রিল ২০১৪ 
  34. নিচের ম্যানেজারদের সকলেই ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে অন্তত একটি প্রধান শিরোপা জিতেছেন। (কমিউনিটি শিল্ড শিরোপা ছাড়া) (শুধু প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক খেলার হিসাব করা হয়েছে)
  35. "Managers"mcfcstats.com। সংগৃহীত ১৫ এপ্রিল ২০১৪ 
  36. ৩৬.০ ৩৬.১ ১৯৯২ সাল পর্যন্ত, ইংরেজ ফুটবলের সর্বোচ্চ বিভাগ ছিল ফুটবল লীগ প্রথম বিভাগ; এরপর এর নাম পরিবর্তন করে দেওয়া হয় এফএ প্রিমিয়ার লীগ। সেই সাথে, দ্বিতীয় বিভাগের নাম দেওয়া হয় প্রথম বিভাগের নামে এবং তৃতীয় বিভাগের নাম দেওয়া হয় দ্বিতীয় বিভাগের নামে।
  37. ৩৭.০ ৩৭.১ James, Manchester City – The Complete Record, p. 509
  38. ৩৮.০ ৩৮.১ James, Manchester City – The Complete Record, p. 511
  39. James, Manchester City – The Complete Record, p524
  40. ৪০.০ ৪০.১ James, Manchester City – The Complete Record, p. 155
  41. James, The Official Manchester City Hall of Fame, p. 48. Some sources state 178 goals, as Brook scored a goal in the abandoned 1939–40 season, the matches of which are generally excluded from statistical records
  42. Clayton, Everything Under the Blue Moon, p. 112.
  43. "Manchester City complete Sergio Aguero signing"বিবিসি (লন্ডন)। ২৮ জুলাই ২০১১। সংগৃহীত ১৬ এপ্রিল ২০১৪ 
  44. James, Manchester City – The Complete Record, p. 521
  45. "New Soccer Team Introduces a Director of Operations"দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস। ২২ মে ২০১৩। সংগৃহীত ১৯ এপ্রিল ২০১৪ 
  46. "The resources and power of Sheikh Mansoor makes this deal a seismic moment for the A-League"। Herald Sun। ২৩ জানুয়ারী ২০১৪। সংগৃহীত ১৯ এপ্রিল ২০১৪ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]