হেলিকোব্যাক্টার পাইলোরি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
হেলিকোব্যাক্টার পাইলোরি সংক্রমণ
প্রতিশব্দH. pylori সংক্রমণ
Immunohistochemical detection of Helicobacter pylori histopathology.jpg
পাকস্থলীর বায়োপসি নিয়ে ইমিউনোহিস্টোকেমিক্যাল স্টেইনিং করে হেলিকোব্যাক্টার পাইলোরি শনাক্তকরণ
উচ্চারণ
বিশেষত্বসংক্রামক ব্যাধি, পাকান্ত্রবিজ্ঞান
লক্ষণহেমাটেমেসিস, মেলেনা, পেটে ব্যথা, বমি বমি ভাব[৩][৪]
জটিলতাগ্যাস্ট্রাইটিস, পেটের আলসার, পেটের ক্যান্সার
কারণ"হেলিকোব্যাক্টর পাইলোরি" মৌখিক-মৌখিক এবং মল মৌখিক পথ দ্বারা ছড়িয়ে পড়ে[৪]
রোগনির্ণয়ের পদ্ধতিইউরিয়া ব্রিদ পরীক্ষা, ফকল অ্যান্টিজেন অ্যাসে, টিস্যু বায়োপসি[৪]
ঔষধপ্রোটন পাম্প ইনহিবিটর, ক্লারিথ্রোমাইসিন, অ্যামোক্সিসিলিন, মেট্রোনিডাজল[৪][৫]
সংঘটনের হার>৫০% (২০১৫)[৬]
H. pylori এর ইলেকট্রন মাইক্রোগ্রাফ
ছকের মাধ্যমে দেখানো হয়েছে কিভাবে H. pylori পাকস্থলীর আবরণী কলায় পৌছায়
H. pylori colonized on the surface of regenerative epithelium (image from ভার্দিন-স্ট্যারি সিলভার স্টেইন)

হেলিকোব্যাক্টার পাইলোরি, (বৈজ্ঞানিক নাম: Helicobacter pylori) যা পূর্বে ক্যাম্পাইলোব্যাক্টার পাইলোরি নামে পরিচিত ছিলো, একটি গ্রাম-নেগেটিভ মাইক্রো-এরোফিলিক ব্যাক্টেরিয়াম। এটা সাধারণত পাকস্থলীতে পাওয়া যায়। এই ব্যাক্টেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত ৮০ শতাংশ লোক কোনো উপসর্গ ছাড়ায় স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে। এটি পেপটিক আলসার ও পাকস্থলীর ক্যান্সার করতে পারে।[৭]

সারা বিশ্বে ৫০ শতাংশের বেশি ব্যক্তির পাকস্থলীতে এই ব্যাক্টেরিয়ার উপস্থিতি রয়েছে। উন্নত দেশগুলোর তুলনায় উন্নয়নশীল দেশে এর প্রাদুর্ভাব বেশি।[৮][৯]

১৯৮২ সালে অস্ট্রেলিয়া-র ডাক্তার ব্যারি মার্শাল ও রবিন ওয়ারেন গ্যাস্ট্রাইটিস ও আলসারে আক্রান্ত রোগীর পাকস্থলী-তে হেলিকোব্যাক্টার পাইলোরি শনাক্ত করেন, এজন্য ২০০৫ সালে তাদের নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়। সেসময় একটা সাধারণ ধারণা প্রচলিত ছিলো যে পাকস্থলীর অম্লীয় পরিবেশে কোনো ব্যাক্টেরিয়া বাঁচতে পারবে না।[১০]

লক্ষণ ও উপসর্গ[সম্পাদনা]

অণুজীববিজ্ঞান[সম্পাদনা]

হেলিকোব্যাক্টার পাইলোরি
EMpylori.jpg
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
ক্ষেত্র: Bacteria
পর্ব: Proteobacteria
শ্রেণী: Epsilonproteobacteria
বর্গ: Campylobacterales
পরিবার: Helicobacteraceae
গণ: Helicobacter
প্রজাতি: H. pylori
দ্বিপদী নাম
Helicobacter pylori
(Marshall et al. 1985) Goodwin et al., 1989

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Helicobacter"মেরিয়াম-ওয়েবস্টের ডিকশনারি (ইংরেজি ভাষায়)। , "pylori"মেরিয়াম-ওয়েবস্টের ডিকশনারি (ইংরেজি ভাষায়)। .
  2. "pylori"ডিকশনারী.কম। র‍্যান্ডম হাউজ। 
  3. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; But2003 নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  4. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; CDC2015Tr নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  5. উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; Possible Role নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  6. Hooi JK, Lai WY, Ng WK, Suen MM, Underwood FE, Tanyingoh D, ও অন্যান্য (আগস্ট ২০১৭)। "Global Prevalence of Helicobacter pylori Infection: Systematic Review and Meta-Analysis"। Gastroenterology153 (2): 420–429। ডিওআই:10.1053/j.gastro.2017.04.022অবাধে প্রবেশযোগ্যপিএমআইডি 28456631 
  7. Blaser MJ (২০০৬)। "Who are we? Indigenous microbes and the ecology of human diseases" (PDF)EMBO Reports7 (10): 956–60। ডিওআই:10.1038/sj.embor.7400812পিএমআইডি 17016449পিএমসি 1618379অবাধে প্রবেশযোগ্য 
  8. Yamaoka, Yoshio (২০০৮)। Helicobacter pylori: Molecular Genetics and Cellular Biology। Caister Academic Pr। আইএসবিএন 1-904455-31-X 
  9. Brown LM (২০০০)। "Helicobacter pylori: epidemiology and routes of transmission" (PDF)Epidemiol Rev22 (2): 283–97। ডিওআই:10.1093/oxfordjournals.epirev.a018040পিএমআইডি 11218379 
  10. "The Nobel Prize in Physiology or Medicine 2005"। সংগ্রহের তারিখ ২ আগস্ট ২০০৮ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]