সারে কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাব

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
সারে কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাব
সারে কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাব.svg
কর্মীবৃন্দ
অধিনায়কগ্যারেথ বেটি
কোচমাইকেল ডি ভেনুতো
প্রধান নির্বাহীরিচার্ড গোল্ড
দলীয় তথ্য
রঙপ্রথম-শ্রেণী:         
লিস্ট এ ও টি২০:         
প্রতিষ্ঠাকাল১৮৪৫
স্বাগতিক ভেন্যুদি ওভাল, কেনিংটন
ধারণক্ষমতা২৬,০০০
ইতিহাস
চ্যাম্পিয়নশীপ জয়১৯ (তন্মধ্যে ১টি যৌথভাবে)
দ্বিতীয় বিভাগ চ্যাম্পিয়নশীপ জয়
সিবি৪০/প্রো৪০/সানডে লীগ জয়
এফপি ট্রফি/ন্যাটওয়েস্ট ট্রফি জয়
টুয়েন্টি২০ কাপ জয়
বেনসন এন্ড হেজেস কাপ জয়
অফিসিয়াল ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট
সারের নিজস্ব মাঠ দি ওভাল

সারে কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাব ১৮টি পেশাদার প্রথম-শ্রেণীর কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাবের মধ্যে অন্যতম। ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের ঘরোয়া ক্রিকেট অবকাঠামোয় এ ক্লাবটি গড়ে উঠে। এটি ঐতিহাসিক কাউন্টি সারের প্রতিনিধিত্বকারী দল। ১৮৪৫ সালে ক্লাবটি প্রতিষ্ঠিত হয়। দক্ষিণ লন্ডনের লাম্বেথের কেনিংটন এলাকায় অবস্থিত ওভাল মাঠে ক্লাবটি তাদের প্রধান অনুশীলনী মাঠ হিসেবে ব্যবহার করে। এছাড়াও ক্লাবের আরও দুইটি অতিরিক্ত মাঠ রয়েছে। ক্রয়ডনের হুইটগিফট ও গিল্ডফোর্ডের উডব্রিজ রোডে প্রত্যেক মৌসুমেই খেলে থাকে। গ্যারেথ বেটি দলের অধিনায়ক ও গ্রাহাম ফোর্ড কোচের দায়িত্ব পালন করছেন।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

সারে ক্লাব তাদের ইতিহাসে তিনটি উল্লেখযোগ্য সময় সফলতার সাথে অতিবাহিত করেছে। ১৮৫০-এর দশকে অনানুষ্ঠানিকভাবে তারা সাতবার চ্যাম্পিয়ন কাউন্টির মর্যাদা পায়। ১৮৮৭ থেকে ১৮৯৫ সালের মাঝে আটবার শিরোপা জয় করে। তন্মধ্যে, কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপের ইতিহাসের প্রথম আসরেও তারা চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। ১৯৫২ থেকে ১৯৫৮ সময়কালে ধারাবাহিকভাবে সাতবার জয় পায়। এরপূর্বে ১৯৫০ সালে ল্যাঙ্কাশায়ারের সাথে যৌথভাবে বিজয়ী হয়। ১৯৫৫ সালে সারে দল ২৮টি খেলার মধ্যে ২৩টিতে জয় পায় যা রেকর্ডরূপে চিহ্নিত হয়ে আছে। ১৯৯৩ সালের পূর্বে অন্য কোন দলই কোন মৌসুমেই ২৩ খেলায় জয় পায়নি।[১] অদ্যাবধি সারে দল আনুষ্ঠানিক কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপে ১৮বার শিরোপা জয় করতে সক্ষম হয়। তাদের এ সাফল্যে কেবলমাত্র ইয়র্কশায়ার অগ্রগামী।

ক্লাবের চিরায়ত ব্যাজ হচ্ছে প্রিন্স অব ওয়েলসের পালকলর্ড রোজবেরি এ প্রতীক ব্যবহারে প্রিন্স অব ওয়েলসের কাছ থেকে অনুমতি নেন। উত্তরাধিকারী সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তিতে ১৯১৫ সালে ওভাল স্ট্যান্ড নির্মিত হয়।[২]

ব্যাপকভাবে বিশ্বাস করা হয় যে, ক্রিকেট স্যাক্সন বা নরম্যান সময়কালে ওয়েল্ডে শিশুদের আড্ডাস্থলে উৎপত্তি হয়। অল্পকিছুদিন পরই প্রতিবেশী সারে এলাকায় পৌঁছে যায়। এ ক্রীড়ার উৎপত্তিস্থান না হলেও সারে মুদ্রণশিল্পের কল্যাণে প্রথম নির্দিষ্ট স্থান হিসেবে মর্যাদা লাভ করে। ১৫৯৮ সালের আইন আদেশ বলে নিশ্চিত করা হয় যে, ১৫৫০ সালে গিল্ডফোর্ডের এক টুকরো জমিতে বিদ্যালয়ের ছাত্ররা সর্বপ্রথম ক্রিকেট খেলেছিল।[৩] ১৬১১ সালে রাজা প্রথম জেমস তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্র প্রিন্স অব ওয়েলস হেনরিকে কেনিংটন ও ভক্সহলের ভূ-স্বামীরূপে ঘোষণা করেন। এখানেই সারের প্রধান অনুশীলনী মাঠ বর্তমানের ওভাল রয়েছে। অদ্যাবধি, প্রিন্স অব ওয়েলসের পালক ক্রিকেট ক্লাবের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।[৪]

ব্যবহৃত মাঠ[সম্পাদনা]

নিজ মাঠের খেলাগুলোয় অংশ নিতে সারে দল তাদের সূচনালগ্ন থেকে এ পর্যন্ত পনেরটি পৃথক মাঠ ব্যবহার করেছে। নীচের ছকে প্রত্যেক মাঠে প্রথম-শ্রেণী, লিস্ট এ বা টুয়েন্টি২০-এর নিজস্ব খেলাগুলোর বিবরণ তুলে ধরা হলো।

মাঠের নাম অবস্থান বছর এফসি
খেলা
এলএ
খেলা
টি২০
খেলা
সর্বমোট
উডব্রিজ রোড গিল্ডফোর্ড ১৯৩৮–বর্তমান ৮৯ ৩৬ ১২৫
হুইটগিফট স্কুল ক্রয়ডন ২০০০–২০১১ ১৩ ২৩
ব্রিটিশ অ্যারোস্পেস কোম্পানি গ্রাউন্ড বাইফ্লিট ১৯৭০–১৯৭৯ ১০ ১০
কেনটন কোর্ট মিডো সানবারি-অন-টেমস ১৯৭২–১৯৭৪
হকার্স স্পোর্টস গ্রাউন্ড কিংস্টন-আপন-টেমস ১৯৪৬
সেন্ট জন্স স্কুল লিদারহেড ১৯৬৯–১৯৭২
মেট্রোপলিটন পুলিশ স্পোর্টস ক্লাব গ্রাউন্ড পূর্ব মোলসে ২০০৩
ব্রডওয়াটার পার্ক গোডালমিং ১৮৫৪
রেইগেট প্রাইয়রি ক্রিকেট ক্লাব গ্রাউন্ড রেইগেট ১৯০৯
চিম রোড সাটন ১৯৬৯
চার্টারহাউস স্কুল গোডেলমিং ১৯৭২
ডেকা স্পোর্টস গ্রাউন্ড টোওয়ার্থ ১৯৭৩
হার্স্ট পার্ক ক্লাব গ্রাউন্ড পূর্ব মোলসে ১৯৮৩
রিক্রিয়েশন গ্রাউন্ড ব্যানস্টিড ১৯৮৪
উৎস: ক্রিকেটআর্কাইভ
হালনাগাদ: ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১১

খেলোয়াড়[সম্পাদনা]

বর্তমান দলীয় সদস্য[সম্পাদনা]

২৭ এপ্রিল, ২০১৭ পর্যন্ত হালনাগাদকৃত।[৫]
  • নম্বরের মাধ্যমে খেলোয়াড়ের শার্টের পিছনে ব্যবহৃত দলীয় নম্বরকে তুলে ধরছে।
  • double-dagger মাধ্যমে আন্তর্জাতিক খেলায় খেলোয়াড়ের ক্যাপকে চিহ্নিত করা হয়েছে।
  •  *  এর মাধ্যমে খেলোয়াড়ের কাউন্টি ক্যাপ প্রাপ্তিকে তুলে ধরা হয়েছে।
নম্বর নাম জাতীয়তা জন্ম তারিখ ব্যাটিং বোলিং মন্তব্য
ব্যাটসম্যান
১০ অরুণ হরিনাথ*  ইংল্যান্ড (1987-04-03) ৩ এপ্রিল ১৯৮৭ (বয়স ৩২) বামহাতি ডানহাতি অফ ব্রেক
১১ কুমার সাঙ্গাকারাdouble-dagger  শ্রীলঙ্কা (1977-10-27) ২৭ অক্টোবর ১৯৭৭ (বয়স ৪১) বামহাতি ডানহাতি অফ ব্রেক বিদেশী খেলোয়াড়
১৭ রোরি বার্নস*  ইংল্যান্ড (1990-08-26) ২৬ আগস্ট ১৯৯০ (বয়স ২৯) বামহাতি ডানহাতি মিডিয়াম সহঃ অধিনায়ক
২০ জেসন রয়double-dagger  ইংল্যান্ড (1990-07-21) ২১ জুলাই ১৯৯০ (বয়স ২৯) ডানহাতি ডানহাতি মিডিয়াম ইংল্যান্ডের সাথে সাদা বলের চুক্তি
২১ অ্যারন ফিঞ্চ double-dagger  অস্ট্রেলিয়া (1986-11-17) ১৭ নভেম্বর ১৯৮৬ (বয়স ৩২) ডানহাতি স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বিদেশী খেলোয়াড়
২৩ মার্ক স্টোনম্যান  ইংল্যান্ড (1987-06-27) ২৭ জুন ১৯৮৭ (বয়স ৩২) বামহাতি ডানহাতি অফ ব্রেক
২৪ কেভিন পিটারসন double-dagger  ইংল্যান্ড (1980-06-27) ২৭ জুন ১৯৮০ (বয়স ৩৯) ডানহাতি ডানহাতি অফ ব্রেক কেবলমাত্র টি২০
৪৫ ডমিনিক সিবলি  ইংল্যান্ড (1995-09-05) ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৯৫ (বয়স ২৪) ডানহাতি ডানহাতি লেগ ব্রেক
অল-রাউন্ডার
স্কট বর্থউইক double-dagger  ইংল্যান্ড (1990-04-19) ১৯ এপ্রিল ১৯৯০ (বয়স ২৯) বামহাতি ডানহাতি লেগ ব্রেক
জেমস বার্ক  ইংল্যান্ড (1991-01-25) ২৫ জানুয়ারি ১৯৯১ (বয়স ২৮) ডানহাতি ডানহাতি মিডিয়াম-ফাস্ট লিচেস্টারশায়ার থেকে ধারকৃত
১৩ গ্যারেথ বেটিdouble-dagger  ইংল্যান্ড (1977-10-13) ১৩ অক্টোবর ১৯৭৭ (বয়স ৪১) ডানহাতি ডানহাতি অফ ব্রেক ক্লাব অধিনায়ক
৫৮ স্যাম কারেন  ইংল্যান্ড (1998-06-03) ৩ জুন ১৯৯৮ (বয়স ২১) বামহাতি বামহাতি ফাস্ট মিডিয়াম
মইসেস হেনরিকুইস double-dagger  অস্ট্রেলিয়া (1987-02-01) ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৭ (বয়স ৩২) ডানহাতি ডানহাতি ফাস্ট মিডিয়াম বিদেশী খেলোয়াড় (কেবলমাত্র টি২০)
উইকেট-রক্ষক
বেন ফোকস*  ইংল্যান্ড (1993-02-15) ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৩ (বয়স ২৬) ডানহাতি
৩২ অলি পোপ  ইংল্যান্ড (1998-01-02) ২ জানুয়ারি ১৯৯৮ (বয়স ২১) ডানহাতি
বোলার
ম্যাট ডান  ইংল্যান্ড (1992-05-05) ৫ মে ১৯৯২ (বয়স ২৭) বামহাতি ডানহাতি ফাস্ট
ফ্রেডি ফন দেন বার্গ  ইংল্যান্ড (1992-06-14) ১৪ জুন ১৯৯২ (বয়স ২৭) ডানহাতি স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স
মার্ক ফুটিট  ইংল্যান্ড (1985-11-25) ২৫ নভেম্বর ১৯৮৫ (বয়স ৩৩) ডানহাতি বামহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম
১৬ জেড ডানবাকdouble-dagger  ইংল্যান্ড (1986-03-03) ৩ মার্চ ১৯৮৬ (বয়স ৩৩) ডানহাতি ডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম
১৮ স্টুয়ার্ট মিকারdouble-dagger  ইংল্যান্ড (1989-01-21) ২১ জানুয়ারি ১৯৮৯ (বয়স ৩০) ডানহাতি ডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম
১৯ অমর বির্দি  ইংল্যান্ড (1998-07-19) ১৯ জুলাই ১৯৯৮ (বয়স ২১) ডানহাতি ডানহাতি অফ ব্রেক
৩৩ ম্যাথু পিলান্স  দক্ষিণ আফ্রিকা (1991-07-04) ৪ জুলাই ১৯৯১ (বয়স ২৮) ডানহাতি ডানহাতি ফাস্ট ব্রিটিশ ভিসা
৫৯ টম কারেন*  ইংল্যান্ড (1995-03-12) ১২ মার্চ ১৯৯৫ (বয়স ২৪) ডানহাতি ডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম
৭৭ রবি রামপাল double-dagger  ওয়েস্ট ইন্ডিজ (1984-10-15) ১৫ অক্টোবর ১৯৮৪ (বয়স ৩৪) বামহাতি ডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম কোলপ্যাক খেলোয়াড়
৮৩ কনর ম্যাককার  দক্ষিণ আফ্রিকা (1998-01-19) ১৯ জানুয়ারি ১৯৯৮ (বয়স ২১) ডানহাতি ডানহাতি ফাস্ট ব্রিটিশ পাসপোর্ট

উল্লেখযোগ্য সাবেক খেলোয়াড়[সম্পাদনা]

সারে কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাবের পক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট, লিস্ট এ ক্রিকেটটুয়েন্টি২০ ক্রিকেটে সম্মিলিতভাবে ২০০ বা ততোধিক খেলায় অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দেরকে নীচে দেখানো হয়েছে।

কোচিং কর্মকর্তা[সম্পাদনা]

১৭ জুন, ২০১৩ তারিখে ক্রিস অ্যাডামসকে পদচ্যুত করা হলে ক্লাব ক্রিকেট ম্যানেজারের পদ শূন্য হয়। প্রথম একাদশের কোচ ইয়ান সল্‌স্‌বারিকেও একই সঙ্গে পদচ্যুত করা হয়। অ্যাডামস ২০০৮ সাল থেকে এ পদে নিযুক্ত হয়েছিলেন। এরপূর্বে ২০০৬ সালে সহকারী কোচ থেকে উপনীত হওয়া কোচ অ্যালান বুচার এ দায়িত্বে ছিলেন। এ সময়ে তাঁর সন্তান মার্ক বুচার ক্লাবের অধিনায়কের দায়িত্বে ছিলেন। ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৬ সময়কালে মিকি স্টুয়ার্ট ক্রিকেট ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেন। একসময় তিনি ক্লাবের পক্ষেও খেলেছিলেন।

অ্যাডামসকে বিতাড়নের পর ঘোষণা করা হয় যে, অ্যালেক স্টুয়ার্ট প্রথম একাদশের দীর্ঘস্থায়ী উত্তরাধিকার না পাওয়া পর্যন্ত দলের দায়িত্ব পালন করবেন। এ সময় বোলিং কোচ স্টুয়ার্ট বার্নসকে তাঁর সহকারী হিসেবে মনোনয়ন দেয়া হয়।[৬] অক্টোবর, ২০১৩ সালে ক্লাব কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করে যে, ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ সাল থেকে গ্রাহাম ফোর্ড ক্লাবের প্রধান কোচ এবং নতুন পদ হিসেবে ক্রিকেট পরিচালক হিসেবে স্টুয়ার্ট দায়িত্ব পালন করবেন।[৭] ২০১৬ সালের শুরুর দিকে গ্রাহাম ফোর্ড প্রধান কোচের পদ থেকে ইস্তফা দেন ও মাইকেল ডি ভেনুতোকে মনোনয়ন দেয়া হয়।[৮]

অর্জনসমূহ[সম্পাদনা]

প্রথম একাদশ[সম্পাদনা]

দ্বিতীয় একাদশ[সম্পাদনা]

পাদটীকা[সম্পাদনা]

  1. An unofficial seasonal title sometimes proclaimed by consensus of media and historians prior to December ১৮৮৯ when the official County Championship was constituted. Although there are ante-dated claims prior to ১৮৭৩, when residence qualifications were introduced, it is only since that ruling that any quasi-official status can be ascribed.
  2. পূর্বে জিলেট কাপ (১৯৬৩–১৯৮০), ন্যাটওয়েস্ট ট্রফি (১৯৮১–২০০০) ও সিএন্ডজি ট্রফি (২০০১–২০০৬) নামে পরিচিত ছিল
  3. পূর্বে সানডে লীগ (১৯৬৯–১৯৯৮) নামে পরিচিত ছিল

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Wisden Cricketers' Almanack, 1993 edition, obituary of Stuart Surridge.
  2. Williamson, Martin। "A brief history of Surrey"Cricinfo (ইংরেজি ভাষায়)। cricinfo.com। সংগ্রহের তারিখ ৮ আগস্ট ২০১১ 
  3. Altham (1962), ch. 1.
  4. "The History of Surrey County Cricket Club" (PDF)Surrey CCC (ইংরেজি ভাষায়)। kiaoval.com। সংগ্রহের তারিখ ৮ আগস্ট ২০১১ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  5. "Squad"Surrey CCC (ইংরেজি ভাষায়)। kiaoval.com। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ 
  6. "Surrey sack team director Chris Adams and coach Ian Salisbury with Alec Stewart taking over" (ইংরেজি ভাষায়)। telegraph.co.uk। 
  7. "Graham Ford Appointed Head Coach" (ইংরেজি ভাষায়)। ckiaoval.com। ১৯ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০১৩ 
  8. "Michael di Venuto: Surrey appoint Australian as head coach" (ইংরেজি ভাষায়)। bbc.co.uk। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

স্বাধীন ওয়েবসাইট[সম্পাদনা]

গ্রন্থপঞ্জী[সম্পাদনা]