হ্যাডলি হাওয়ার্থ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
হ্যাডলি হাওয়ার্থ
হ্যাডলি হাওয়ার্থ.jpg
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামহ্যাডলি জন হাওয়ার্থ
জন্ম(১৯৪৩-১২-২৫)২৫ ডিসেম্বর ১৯৪৩
গ্রে লিন, নিউজিল্যান্ড
মৃত্যু৭ নভেম্বর ২০০৮(2008-11-07) (বয়স ৬৪)
অকল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড
ব্যাটিংয়ের ধরনবামহাতি
বোলিংয়ের ধরনস্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স
ভূমিকাবোলার
সম্পর্কজিওফ হাওয়ার্থ (ভ্রাতা)
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ১২০)
২৪ জুলাই ১৯৬৯ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ টেস্ট২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৭ বনাম অস্ট্রেলিয়া
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ )
১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৩ বনাম পাকিস্তান
শেষ ওডিআই১৮ জন ১৯৭৫ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৬৩–১৯৭৯অকল্যান্ড
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ৩০ ১৪৫ ৩০
রানের সংখ্যা ২৯১ ১৮ ১,৬৬৮ ১০৬
ব্যাটিং গড় ১২.১২ ৬.০০ ১৩.৭৮ ১০.৬০
১০০/৫০ ০/১ ০/০ ০/৩ ০/০
সর্বোচ্চ রান ৬১ ১১ ৬১ ২৯
বল করেছে ৮,৮৩৩ ৪৯২ ৩৭,৪২১ ১,৬১৭
উইকেট ৮৬ ১১ ৫৪১ ৪৬
বোলিং গড় ৩৬.৯৫ ২৫.৪৫ ২৫.২৭ ২০.৩৬
ইনিংসে ৫ উইকেট ৩১
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ৫/৩৪ ৩/২৯ ৮/৭৫ ৫/২২
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৩৩/– ৩/– ১৩৭/– ৯/–
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ১০ মে ২০১০

হ্যাডলি জন হাওয়ার্থ (ইংরেজি: Hedley Howarth; জন্ম: ২৫ ডিসেম্বর, ১৯৪৩ - মৃত্যু: ৭ নভেম্বর, ২০০৮) গ্রে লিন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা নিউজিল্যান্ডীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন।[১] নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৬৯ থেকে ১৯৭৭ সময়কালে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে অকল্যান্ড দলের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। দলে তিনি মূলতঃ স্লো লেফট-আর্ম অর্থোডক্স বোলার হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে বামহাতে ব্যাটিং করতেন হ্যাডলি হাওয়ার্থ

শৈশবকাল[সম্পাদনা]

১৯৪৩ সালের বড়দিনে হ্যাডলি হাওয়ার্থের জন্ম। ইয়র্কশায়ার থেকে আগত পিতা অকল্যান্ডে বসতি গড়েন। বলা হয়ে থাকে যে, ইয়র্কশায়ারের বিখ্যাত বামহাতি স্পিনার হেডলি ভেরিটি’র সম্মানার্থে তাঁর নাম রাখা হয়েছে।

অকল্যান্ড গ্রামার স্কুলে অধ্যয়ন করেছিলেন হ্যাডলি হাওয়ার্থ। সেখানে থাকাকালে পেস বোলার হিসেবে খেলতেন। বিদ্যালয়ের ক্রিকেট একাদশ দলকে দুই বছর নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিদ্যালয় ত্যাগ করার পর পিঠের ব্যথায় আক্রান্ত হন। নিউজিল্যান্ডীয় সাবেক অধিনায়ক ও কোচ মার্ভ ওয়ালেসের পরামর্শক্রমে স্পিন বোলিংয়ের দিকে ধাবিত হন।[২]

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

অর্থোডক্স বামহাতি বোলার হিসেবে মার্চ, ১৯৬৩ সালে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তাঁর। এ পর্যায়ে তিনি নিউজিল্যান্ড অনূর্ধ্ব-২৩ দলের সদস্যরূপে নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টসের বিপক্ষে খেলেন। ঐ বছর শেষে প্লাঙ্কেট শীল্ডে প্রথমবারের মতো খেলতে নামেন। ক্রাইস্টচার্চ থেকে ভ্রমণ শেষে অকল্যান্ডের পক্ষে খেলেন। সময়োপযোগী অপরাজিত ১৬ রানের বদৌলতে তাঁর দল ক্যান্টারবারির বিপক্ষে নাটকীয়ভাবে এক উইকেটের জয় পায়।

১৯৬৩-৬৪ মৌসুমে তাঁর বোলিংয়ের কল্যাণে অকল্যান্ড দল প্লাঙ্কেট শীল্ডের শিরোপা পায়। খেলায় তিনি ৫/৩২ পান। তন্মধ্যে, নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টসের খ্যাতনামা ক্রিকেটার বার্ট সাটক্লিফও তাঁর শিকারে পরিণত হয়েছিলেন। ১৯৬২ সালের শেষদিক থেকে মার্চ, ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডে সীমিত পর্যায়ের খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এ সময়ে হ্যাডলি হাওয়ার্থ মাত্র ২৬টি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়েছিলেন। অবশ্য এ সময়ে তিনি পারিবারিক মৎস্য ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন। অকল্যান্ডের ইডেন পার্ক গ্রাউন্ডে সকাল ১১টায় আসার পূর্বে প্রায়শঃই ছয় ঘন্টা কাজ করতেন।

১৯৬৮-৬৯ মৌসুমে ১৬.০৫ গড়ে ৩৬ উইকেট লাভ করে টেস্ট দলের দাবীদার করে তোলেন। এ পর্যায়ে অকল্যান্ডের প্লাঙ্কেট শীল্ডের শিরোপা বিজয়ে বিরাট ভূমিকা রাখেন।

১৯৭৯ সাল পর্যন্ত অকল্যান্ডের পক্ষে খেলতে থাকেন। ১৯৭৭-৭৮ মৌসুমে আবারও দলকে প্লাঙ্কেট শীল্ডের শিরোপা লাভে সহায়তা করেন। ১৪৫টি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়ে ৫৪১ উইকেট লাভ করেন। ঐ সময়ে এ সংগ্রহটি জাতীয় রেকর্ডের স্বীকৃতি পায়। উইকেট লাভে তিনি ২৫.২৭ গড়ে রান দেন। ব্যাট হাতে ১৩.৭৮ গড়ে ১,৬৬৮ রান তুলেন।

সংগৃহীত ৫৪১টি প্রথম-শ্রেণীর উইকেটের ৪৯টিই ছিল কট এন্ড বোল্ড। মৃত্যুকালীন তাঁর সংগৃহীত ৫৪১টি প্রথম-শ্রেণীর উইকেট স্যার রিচার্ড হ্যাডলি’র ১,৪৯০ উইকেটের পিছনে দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছিল। সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে অকল্যান্ডের পক্ষে ৩৩২ উইকেট পেয়েছেন। এ সংগ্রহটি দলের সর্বোচ্চ।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে ৩০ টেস্ট ও ৯টি একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি। ২৪ জুলাই, ১৯৬৯ তারিখে লর্ডসে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে হ্যাডলি হাওয়ার্থের। ১৯৬৯ থেকে ১৯৭৭ সময়কালে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে ৩০ টেস্টে অংশগ্রহণ করার সুযোগ হয় হ্যাডলি হাওয়ার্থের। ৩৬.৯৫ গড়ে ৮৬ উইকেট দখল করেছিলেন তিনি। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের প্রধান নির্বাহী জাস্টিন ভন নিউজিল্যান্ডের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ইতিহাসকে সমৃদ্ধকরণে হ্যাডলি হাওয়ার্থের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।

ইংল্যান্ড গমন, ১৯৬৯[সম্পাদনা]

ঘরোয়া ক্রিকেটে সুন্দর ক্রীড়াশৈলী প্রদর্শনের স্বীকৃতিস্বরূপ নিজ দেশে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বাদশ খেলোয়াড়ের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। এরপর ১৯৬৯ সালে দলের সাথে ইংল্যান্ড গমন করেন। বিদেশের মাটিতে নিজস্ব তৃতীয় খেলায় এসেক্সের দ্বিতীয় ইনিংসে ৭/৪৩ পান। মিডলসেক্সের বিপক্ষে ৬/৯৯ বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড় করান।

এ সময়ে তিনি নিউজিল্যান্ডের প্রধান স্পিনার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। এ সফরে ১২ খেলায় অংশ নিয়ে ১৯.৭৫ গড়ে ৫৭ উইকেট দখল করেন।

১৯৬৯ সালে ভারত গমন করেন। অক্টোবর, ১৯৬৯ সালে নাগপুরে অনুষ্ঠিত টেস্টে স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে চার উইকেট পান। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে তাঁর পাঁচ-উইকেট লাভের ফলে উপমহাদেশের মাটিতে প্রথম টেস্ট জয়লাভে সক্ষম হয়েছিল।[৩] ভারত দল চতুর্থ ইনিংসে মাত্র ২৭৭ রানের জয়ের লক্ষ্যমাত্রায় ধাবিত হয়। কিন্তু, তিনি ৫/৩৪ নিয়ে নিউজিল্যান্ডের জয়ে প্রভূতঃ ভূমিকা রাখেন। তন্মধ্যে, নিজের বলেই দর্শনীয় ক্যাচ নিয়েছিলেন তিনি। এরফলে তাঁর দল ১৬৭ রানে জয় পায়।

তিন সপ্তাহ পর পাকিস্তানের বিপক্ষে অপর পাঁচ-উইকেট পান। করাচীতে স্বাগতিক দলের বিপক্ষে ৫/৮০ পান।[১]

প্রথম নয় টেস্ট ইংল্যান্ড, ভারত ও পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলেন। দলগুলোর বিপক্ষে ৪৩৪ ওভার বোলিং করেন যা নিউজিল্যান্ড দলের মোট ওভারের প্রায় ৩০ শতাংশ ছিল। তুলনান্তে ইংরেজ ক্রিকেটার মন্টি পানেসার সাত টেস্টে করেছেন ২৬০ ওভার।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ গমন, ১৯৭২[সম্পাদনা]

১৯৭২ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ গমন করেন। ব্যাটিং উপযোগী পিচে গ্যারি সোবার্স, আলভিন কালীচরণ, লরেন্স রো, রয় ফ্রেডেরিক্সক্লাইভ লয়েডের ন্যায় প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের মুখোমুখি হয়েছিলেন। ৫-টেস্টে গড়া ঐ সিরিজে নিউজিল্যান্ড দল ১,০৪৮ ওভার বোলিং করে। তন্মধ্যে, তিনি একাকীই করেন ৩৩৮ ওভার। তবে, ৫০.২১ গড়ে মাত্র ১৪ উইকেট লাভ করেছিলেন। কিন্তু, প্রতিভাধর ব্যাটসম্যানদেরকে তিনি ওভার প্রতি মাত্র ২.০৮ গড়ে রান দিয়েছিলেন।

১৯৭৩ সালে দ্বিতীয়বারের মতো ইংল্যান্ড গমন করেন। তবে, তুলনামূলকভাবে কম সফলতার স্বাক্ষর রাখেন। লর্ডস টেস্টে ইংল্যান্ড দলকে পরাজিত করার সূবর্ণ সুযোগ আসে। লর্ডস টেস্টে প্রথম ইনিংসে ২৯৮ রানে এগিয়ে থাকলেও জয়ের সন্ধান পায়নি। ইংল্যান্ড ৪৬৩/৯ তুলে। দ্বিতীয় ইনিংসে ৭০ ওভার বোলিং করে ৪/১৪৪ পান।

১৯৭৪ সালে ক্রাইস্টচার্চে সফরকারী অস্ট্রেলিয়াকে প্রথমবারের মতো পরাজিত করে নিউজিল্যান্ড দল। ঐ দলে তিনি অংশ নিলেও খুব কমই ভূমিকা রাখেন। পরের বছর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নিজস্ব শেষ দুই টেস্ট খেলেন। ক্রাইস্টচার্চে প্রথমটিতে ব্যাট হাতে নিয়ে ৬১ রান তুলেন। এটিই প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে তাঁর সর্বোচ্চ সংগ্রহ ছিল। এ পর্যায়ে ডেনিস লিলি, গ্যারি গিলমোর, ম্যাক্স ওয়াকারকেরি ও’কিফের ন্যায় বোলারের মুখোমুখি হতে হয়েছিল হ্যাডলি হাওয়ার্থকে।

ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ১৯৭৫ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের উদ্বোধনী আসরে নিউজিল্যান্ড দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ঐ প্রতিযোগিতায় তাঁর দল সেমি-ফাইনাল পর্যন্ত অগ্রসর হতে পেরেছিল। এরপর থেকে টেস্ট পর্যায়ে উইকেট লাভের ক্ষেত্রে বেশ রান খরচ করতে থাকেন। ফলশ্রুতিতে, ১৯৭৬ সালের পর জাতীয় দলের বাইরে চলে আসতে হয় তাঁকে।

খেলার ধরন[সম্পাদনা]

ছয় ফুটেরও অধিক উচ্চতার অধিকারী ছিলেন তিনি। বলের উপর চমৎকার নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারতেন। একসময় তিনি নিউজিল্যান্ডের শীর্ষস্থানীয় স্লো বোলারের মর্যাদা পেয়েছিলেন। প্রায়শঃই রানের গতিকে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্যে দীর্ঘসময় ধরে বোলিং করে যেতেন। চাপের মধ্যে থেকেও নিজেকে সংযত রাখতেন।

মাত্র দুইবার ইনিংসে পাঁচ-উইকেট পেয়েছেন। ১৯৬৯-৭০ মৌসুমে উভয়ক্ষেত্রেই উপমহাদেশের মাটিকে বেঁছে নিয়েছেন। ব্যাট হাতে নিয়েও সফলতা দেখিয়েছেন। তবে, দলের প্রয়োজনে বেশ বাঁধার প্রাচীর গড়ে তুলতেও তাঁর জুড়ি মেলা ভার ছিল। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৬১ রানের উল্লেখযোগ্য ইনিংসটি বাদে টেস্টে ১২.১২ গড়ে মাত্র ২৯২ রান তুলতে পেরেছেন।

অংশগ্রহণকৃত ৩০ টেস্টে ৩৬.৯৫ গড়ে ৮৬ উইকেট পান। ওভার প্রতি তিনি মাত্র ২.১৫ গড়ে রান দিয়েছিলেন। তুলনান্তে, হ্যাডলি হাওয়ার্থের আধুনিককালের উত্তরাধিকারী হিসেবে নিউজিল্যান্ডীয় বামহাতি স্পিনার ড্যানিয়েল ভেট্টোরি টেস্টে ওভারে ২.৬৪ গড়ে রান দিয়েছেন।

অবসর[সম্পাদনা]

১৯৭৭ সালে টেস্ট ক্রিকেটকে বিদায় জানান তিনি।[৪] ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর পারিবারিক মৎস্য আড়ৎ কিয়া ওরা ফিশারিজ যা পরবর্তীতে কিয়া ওরা সীফুডস প্রতিষ্ঠানে সময় ব্যয় করেন।[৫][৬] তাঁর ব্যবস্থাপনায় ঐ প্রতিষ্ঠানটি এশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসায়িক প্রসার লাভ করে।

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

তাঁর কনিষ্ঠ ভ্রাতা জিওফ হাওয়ার্থ নিউজিল্যান্ডের পক্ষে অংশগ্রহণ করেছিলেন। দুই ভাই জাতীয় দলের পক্ষে একত্রে চারবার টেস্ট ক্রিকেট খেলেছেন। কিন্তু অধিকাংশ সময়ই তিনি জিওফ হাওয়ার্থের তুলনায় এগিয়ে ছিলেন। কনিষ্ঠ ভ্রাতার সাথে একত্রে খেলে নিউজিল্যান্ডের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে দ্বিতীয় ঘটনার সৃষ্টি করেন।[৭]

ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত ছিলেন। লুইস রেইন্ডলার নাম্নী এক রমণীর পাণিগ্রহণ করেন। এ দম্পতির দুই কন্যা ছিল।[৮] ৭ নভেম্বর, ২০০৮ তারিখে ৬৪ বছর বয়সে অকল্যান্ডে হ্যাডলি হাওয়ার্থের দেহাবসান ঘটে। শুরুতে তাঁর মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি।[৪] পরে জানা যায় যে, তিনি কিছুদিন যাবৎ ক্যান্সারের সাথে লড়াই করছিলেন।[৫]

টেস্টে ৫-উইকেট প্রাপ্তি[সম্পাদনা]

# পরিসংখ্যান খেলা প্রতিপক্ষ মাঠ শহর দেশ সাল
৫/৩৪  ভারত বিদর্ভ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন গ্রাউন্ড নাগপুর ভারত ১৯৬৯
৫/৮০  পাকিস্তান করাচী জাতীয় স্টেডিয়াম করাচী পাকিস্তান ১৯৬৯

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Hedley Howarth dies at 64"। Cricinfo। ৮ নভেম্বর ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-১১-০৮ 
  2. Nigel Smith, Kiwis Declare: Players Tell the Story of New Zealand Cricket, Random House, Auckland, 1994, p. 187.
  3. via Reuters. "Former New Zealand spinner Hedley Howarth dies", International Herald Tribune, 8 November 2008. Accessed 9 November 2008.
  4. Staff. "Former New Zealand cricketer dies", Television New Zealand, 8 November 2008. Accessed 9 November 2008.
  5. Cleaver, Dylan. "Balanced spinner with a lot of guts", The New Zealand Herald, 9 November 2008. Accessed 9 November 2008.
  6. Obituary in Dominion Post, 13 November 2008 page B3
  7. biography of Hedley Howarth in britannica, accessed 10 May 2019
  8. Hedley Howarth, New Zealand bowler whose accuracy was matched by his competitiveness and determination in telegraph, accessed 10 May 2019

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]