ছত্তিশগড়

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(ছত্তিসগড় থেকে পুনর্নির্দেশিত)
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ছত্তিশগড়
Chhattisgarh
{{{official_name}}} অফিসিয়াল সীলমোহর
সীলমোহর
ভারতে ছত্তিশগড়ের অবস্থান(লাল রঙে চিহ্নিত)
ভারতে ছত্তিশগড়ের অবস্থান(লাল রঙে চিহ্নিত)
ছত্তিশগড়ের মানচিত্র
ছত্তিশগড়ের মানচিত্র
স্থানাঙ্ক (Raipur): ২১°১৬′ উত্তর ৮১°৩৬′ পূর্ব / ২১.২৭° উত্তর ৮১.৬০° পূর্ব / 21.27; 81.60স্থানাঙ্ক: ২১°১৬′ উত্তর ৮১°৩৬′ পূর্ব / ২১.২৭° উত্তর ৮১.৬০° পূর্ব / 21.27; 81.60
দেশ India
এলাকার ক্রম১০ম
জনসংখ্যা
 • মোট২,০৭,৯৫,৯৫৬
 • ক্রম১৭তম
ওয়েবসাইটhttps://www.chhattisgarh.nic.in
ছত্তিসগড় প্রতীক
ভাষাছত্তিশগড়ি হিন্দির) স্থানীয়/কথ্য ভাষা
প্রাণীবন্য জলমহিষ
পাখিপাহাড়ি ময়না
বৃক্ষসাল অথবা সরাই

ছত্তিশগড় (ছত্তিশগড়ি/হিন্দি: छत्तीसगढ़, উচ্চারিত [tʃʰəˈtːiːsɡəɽʱ] (এই শব্দ সম্পর্কেশুনুন); বাংলায় ছত্তিসগড়, ছত্তীসগড় বা ছত্তীশগড় বানানও প্রচলিত) মধ্য ভারতের একটি রাজ্য। ২০০১ সালের ১ নভেম্বর মধ্যপ্রদেশ রাজ্যের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে স্থিত ষোলোটি ছত্তিশগড়ি-ভাষী জেলা নিয়ে এই রাজ্য স্থাপন করা হয়। রায়পুর এই রাজ্যের রাজধানী। ৫২,১৯৯ বর্গমাইল (১৩৫,১৯৪ বর্গকিলোমিটার) আয়তন বিশিষ্ট এই রাজ্য ভারতের দশম বৃহত্তম রাজ্য।

ছত্তিশগড় রাজ্যের উত্তর-পশ্চিমে মধ্যপ্রদেশ, পশ্চিমে মহারাষ্ট্র, দক্ষিণে অন্ধ্রপ্রদেশ, পূর্বে ওড়িশা, উত্তর-পূর্বে ঝাড়খণ্ড এবং উত্তরে উত্তরপ্রদেশ রাজ্য অবস্থিত।

পূর্ব হিন্দি ভাষার এক বিশিষ্ট উপভাষা ছত্তিশগড়ি ভাষা এই রাজ্যের প্রধান ভাষা এবং হিন্দির সঙ্গেই রাজ্যের সরকারি ভাষা রূপে স্বীকৃত। এছাড়াও ছত্তিশগড়ে বিভিন্ন উপজাতীয় ও দ্রাবিড়-প্রভাবিত ভাষা ও উপভাষারও চল আছে।

রাজনীতি[সম্পাদনা]

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

ছত্তিশগড়ের জনসংখ্যার ২৩.৪% (২০১১ সালে প্রায় ৫.১ মিলিয়ন মানুষ) শহরাঞ্চলে অঞ্চলে বাস করে। ভারত সরকারের একটি প্রতিবেদন অনুসারে,[১] কমপক্ষে ৩৪% তফসিলি উপজাতি, ১২% তপশিলী জাতি এবং ৫০% এরও বেশি অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি সরকারী তালিকার অন্তর্ভুক্ত। সমভূমিগুলি সাংখ্যিকভাবে তেলি, সাতনামি এবং কুর্মির মতো বর্ণের প্রাধান্য রয়েছে; অপরদিকে বনভূমিগুলি সাধারণত গন্ড, হালবা, কামার/বুজিয়া এবং ওরাওনের মতো উপজাতিদের প্রাধান্য রয়েছে। এছাড়া বৃহৎ ওড়িয়াভাষী জনসংখ্যা রয়েছে। ব্রিটিশ রাজ আমল থেকেই বড় শহরগুলিতে বাঙালিদের একটি বিশাল জনগোষ্ঠী বিদ্যমান ছিল। তারা শিক্ষা, শিল্প এবং পরিষেবার সাথে যুক্ত।

ধর্ম[সম্পাদনা]

২০১১ সালের আদমশুমারি অনুসারে, ছত্তিশগড়ের ৯৩.২৫% জনগণ হিন্দু ধর্ম অনুশীলন করেন, যেখানে ২.০২% ইসলাম অনুসরণ করেন, ১.৯২% খ্রিস্টান ধর্ম অনুসরণ করেন এবং অল্প সংখ্যক মানুষ বৌদ্ধ, শিখ, জৈন ও অন্যান্য ধর্ম অনুসরণ করেন।[২]

ভাষা[সম্পাদনা]

২০১১ অনুযায়ী ছত্তিশগঢ়ের ভাষাসমূহ [৩]

  ছত্তিশগড়ি (৬২.১০%)
  হিন্দি (১০.৮৩%)
  সরগুজিয়া (৬.৮০%)
  গোণ্ডি (৪.১৯%)
  ওড়িয়া (৩.৫৮%)
  হালবি (২.৭৭%)
  কুরুখ (২.০২%)
  বাংলা (০.৯৫%)
  তেলুগু (০.৬০%)
  মারাঠি (০.৫৬%)
  অন্যান্য (৩.০৭%)

রাজ্যের সরকারী ভাষা হ'ল ছত্তিশগড়ি এবং হিন্দি। এই রাজ্যে ছত্তিশগড়ি হল সংখ্যাগরিষ্ঠ লোকের দ্বারা কথিত এবং বুঝতে পারা ভাষা। অন্যান্য ভাষার মধ্যে ওড়িয়া ভাষা রাজ্যের পূর্ব অংশে বহুল ব্যবহৃত হয়। সাদ্রি ঝাড়খণ্ডের নিকটবর্তী উত্তর-পূর্বে কথিত হয়। ছত্তিশগড়িকে আদিবাসীদের দ্বারা খলতাহী বলা হয় ও ওড়িয়ায় লরিয়া বলা হয়।

ছত্তিশগড়ি ছাড়াও হালবি, গোণ্ডি এবং ভাতরির মতো বাস্তার অঞ্চলের উপজাতির লোকদের দ্বারা কথিত আরও বেশ কয়েকটি ভাষা রয়েছে। তেলেঙ্গানা এবং মহারাষ্ট্রের সীমান্তে যথাক্রমে তেলেগু এবং মারাঠি ভাষাগুলির ছোট্ট সম্প্রদায় রয়েছে।[৪][৫][৬][৭][৮]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "NCW Report, page 4" (PDF)। National Commission of Women, Government of India। ১৯ জুন ২০০৯ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২২ আগস্ট ২০১০ 
  2. "Population by religion community – 2011"Census of India, 2011। The Registrar General & Census Commissioner, India। ২৫ আগস্ট ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  3. http://www.censusindia.gov.in/2011census/C-16.html
  4. Gajrani, S. (১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭)। History, Religion and Culture of India। Gyan Publishing House। আইএসবিএন 9788182050648। সংগ্রহের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭ 
  5. http://kanker.gov.in/art.html[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  6. "District-Bastar, Chhattishgarh"। bastar.gov.in। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭ 
  7. "Language in India"। languageinindia.com। ২ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭ 
  8. "BASTAR REGION"cmijag.in। ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]