অ্যান্ডি বিকেল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
অ্যান্ডি বিকেল
Andy Bichel.jpg
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামঅ্যান্ড্রু জন বিকেল
জন্ম (1970-08-27) ২৭ আগস্ট ১৯৭০ (বয়স ৪৯)
লেডলি, অস্ট্রেলিয়া
ডাকনামবিক
উচ্চতা১.৮২
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম ফাস্ট
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ৩৭১)
২৫ জানুয়ারি ১৯৯৭ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
শেষ টেস্ট১২ ডিসেম্বর ২০০৩ বনাম ভারত
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ১৩০)
৫ জানুয়ারি ১৯৯৭ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
শেষ ওডিআই১ ফেব্রুয়ারি ২০০৪ বনাম ভারত
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৯২–২০০৭কুইন্সল্যান্ড
২০০১–২০০৪ওরচেস্টারশায়ার
২০০৫হ্যাম্পশায়ার
২০০৬–২০০৭এসেক্স
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ১৯ ৬৭ ১৮৬ ২৩৫
রানের সংখ্যা ৩৫৫ ৪৭১ ৫,৮৬০ ২,৪৯১
ব্যাটিং গড় ১৬.৯০ ২০.৪৭ ২৬.৫১ ২০.৫৮
১০০/৫০ ০/১ ০/১ ৯/২৩ ১/৫
সর্বোচ্চ রান ৭১ ৬৪ ১৪৮ ১০০
বল করেছে ৫৫৬ ৫৪২.৫ ৩৭,১৯৭ ১১,৪৩৩
উইকেট ৫৮ ৭৮ ৭৬৯ ৩২০
বোলিং গড় ৩২.২৪ ৩১.৫৭ ২৫.৯৮ ২৬.১৩
ইনিংসে ৫ উইকেট ৩৬
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং ৫/৬০ ৭/২০ ৯/৯৩ ৭/২০
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১৬/০ ১৯/০ ৯১/– ৭৩/–
উৎস: ক্রিকইনফো, ১৬ জানুয়ারি ২০১৭

অ্যান্ডি জন বিকেল (ইংরেজি: Andy Bichel; জন্ম: ২৭ আগস্ট, ১৯৭০) কুইন্সল্যান্ডের লেডলি এলাকায় জন্মগ্রহণকারী অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ক্রিকেটারঅস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলে তিনি মূলতঃ সিম বোলার হিসেবে ডানহাতি মিডিয়াম ফাস্ট বোলিং করতেন। ডানহাতে নিচের সারিতে ব্যাটিং করলেও তিনি তেমন সফলকাম ছিলেন না। ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় কুইন্সল্যান্ডের রাজ্য দলের পক্ষে খেলেন। পাশাপাশি ইংল্যান্ডের কাউন্টি ক্রিকেটে এসেক্স, হ্যাম্পশায়ার এবং ওরচেস্টারশায়ারের খেলেছেন। প্রচণ্ড বাতাসের মধ্যেও তিনি অনেকগুলো ওভার বোলিংয়ে দক্ষ ছিলেন। এছাড়াও তিনি ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগে চেন্নাই সুপার কিংসের বোলিং কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন।

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

১৯৯৬ সালে অ্যাডিলেডে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তার টেস্ট অভিষেক ঘটে। একই দলের বিপক্ষে ব্রিসবেনে একদিনের আন্তর্জাতিকে অভিষেক ঘটে তার। দূর্ভাগ্যবশতঃ তার সময়কালে তরুণ ও উদীয়মান ব্রেট লি'র উত্থান ঘটে। এরফলে গ্লেন ম্যাকগ্রাজেসন গিলেস্পির সাথে তৃতীয় ফাস্ট-বোলার হিসেবে দল নির্বাচকদের হিমশিম খেতে হয়েছে। প্রায়শঃই লি তৃতীয় ফাস্ট-বোলারের মর্যাদা পেয়েছেন। এরফলে বিকেলকে অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে ১৯বার দ্বাদশ ব্যক্তির মর্যাদা পেতে হয়েছে। এ প্রসঙ্গে বিকেল মন্তব্য করেছেন যে, ঐ সময়ে তার বোলিং ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।

২০০৩ ক্রিকেট বিশ্বকাপ[সম্পাদনা]

২০০৩ সালের বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার শিরোপা জয়ী দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। মূলতঃ জেসন গিলেস্পি, ব্রেট লি এবং গ্লেন ম্যাকগ্রাকে সহায়তাকারী ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হয়। বিকেল নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে প্রথম খেলেন। কিন্তু গিলেস্পি আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ায় বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়েন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৭/২০ ও মাইকেল বেভানের সাথে নবম উইকেটে অপরাজিত ৭৩ রান সংগ্রহে দলকে সহজ জয়ে সহায়তা করেন। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সুপার সিক্স পর্যায়ের খেলায় দলীয় সংগ্রহ ৮৪/৭ হলে মাইকেল বেভানের সাথে তিনি পুণরায় অস্ট্রেলিয়া দলকে রক্ষা করেন। তন্মধ্যে তিনি তার সর্বোচ্চ ৬৪ করে দলকে জয় এনে দেন। সেমি-ফাইনালে ১০ ওভারে ১৮ রান দিয়ে কোন উইকেটে না পেলেও অরবিন্দ ডি সিলভা'র রান-আউটে অংশীদার হন। চূড়ান্ত খেলায় ভারতের বিপক্ষে রাহুল দ্রাবিড়ের একমাত্র উইকেটের সন্ধান পান ও দলকে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন করার গৌরবের ভাগীদার হন।

অবসর[সম্পাদনা]

২০০৪-০৫ মৌসুমে অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট বোর্ডের সাথে চুক্তিবদ্ধ হননি। এরফলে বোর্ড কর্তৃপক্ষ ঐ মৌসুমে তার খেলার বিষয়ে সন্দিহান ছিল। কিন্তু ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় উচ্চ মানদণ্ডের ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ার প্রেক্ষিতে পরিষ্কার হয়ে যায় যে তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে খেলতে ইচ্ছুক।

২০০৪-০৫ মৌসুমে রাজ্য পর্যায়ে বিকেলের অবিশ্বাস্য ফলাফলে তাকে ২০০৫ সালের বর্ষসেরা অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট পুরস্কারে ভূষিত হন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার অনুপস্থিতি সমর্থকদের কাছে প্রতীকিতে পরিণত হন ও প্রায়শঃই স্টেডিয়ামে বিকেলকে ফিরিয়ে আনো স্লোগানে মুখরিত থাকতো। ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ তারিখে বিকেল তার অবসরের ঘোষণা দেন। এর জন্য তিনি কাঁধের আঘাতকে দায়ী করেন।[১]

কোচিং[সম্পাদনা]

২০১০ সালের আইপিএল চ্যাম্পিয়ন দল চেন্নাই সুপার কিংস কর্তৃপক্ষ ২০১১ সালের আইপিএলে দলের খেলোয়াড়দের বোলিং কোচ হিসেবে তার সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়। এরপর তিনি পাপুয়া নিউগিনির কোচের দায়িত্ব পালন করেন। ১১ নভেম্বর, ২০১১ তারিখে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার দল নির্বাচক হিসেবে তার অন্তর্ভুক্তির কথা ঘোষণা করে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Smiling assassin Bichel calls it a day"ABC online। ৯ ফেব্রুয়ারি ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ৯ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]