শাহরুখ খান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
শাহরুখ খান

খান TAG Heuer প্রেস কনফারেন্স-এ ২০১১
জন্ম নভেম্বর ২, ১৯৬৫ (1965-11-02) (বয়স ৪৬)
অন্যান্য নাম কিং খান, বাদশাহ খান
পেশা অভিনেতা, প্রযোজক, টিভি উপস্থাপক, গায়ক
কার্যকাল ১৯৮৮ – বর্তমান
উচ্চতা –৮ (১.৭৩ মিটার)
দাম্পত্য সঙ্গী গৌরী খান (১৯৯১ – বর্তমান)
সন্তানাদি আরিয়ান খান
সুহানা খান

শাহরুখ খান শাহ রুখ খান (হিন্দি: शाहरुख़ ख़ान, উর্দু: شاه رخ خان শাহ্‌রুখ়্‌ খ়ান্‌, আ-ধ্ব-ব: /ʃɑːhrux xɑːn/), জন্ম নভেম্বর ২, ১৯৬৫, নয়া দিল্লী, ভারত, একজন জনপ্রিয় ভারতীয় অভিনেতা। ১৯৮০ এর শেষের দিকে বেশ কিছু টেলিভিশন সিরিয়ালে অভিনয়ের মাধ্যমে তাঁর অভিনয় জীবন শুরু করেন। ১৯৯২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত দিওয়ানা চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ করেন। এরপর তিনি অসংখ্য বাণিজ্যিকভাবে সফল চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন এবং খ্যাতি অর্জন করেন। শাহরুখ খান তেরবার ফিল্মফেয়ার পুরস্কার লাভ করেন। এর মধ্যে আটটিই সেরা অভিনেতার পুরস্কার। তিনি বলিউডের অন্যতম সফল অভিনেতা। হিন্দি চলচ্চিত্রে অসাধারণ অবদানের জন্য ২০০৫ সালে ভারত সরকার শাহরুখ খানকে পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত করে।

বর্তমানে শাহরুখ খান পৃথিবীর সফল চলচ্চিত্র তারকা।[১] তাঁর প্রায় কয়েক বিলিয়ন ভক্ত এবং তাঁর মোট অর্থসম্পদের পরিমাণ ২৩০০ কোটি রুপি-এরও বেশি।[২] ২০০৯ সালে নিউজউইক তাঁকে বিশ্বের ৭১তম ক্ষমতাশীল ব্যক্তির খেতাব দেয়।[১]

পরিচ্ছেদসমূহ

[সম্পাদনা] ব্যক্তি জীবনী

গৌরী খান (বামে) শাহরুখ খান এবং তাদের বাচ্চারা।

খান ১৯৬৫ সালে একটি মুসলিম[৩] পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন পিতা নিউ দিল্লি, ভারতের পাঠান বংশদ্ভুত।[৪] তাঁর পিতা তাজ মোহাম্মদ খান তিনি একজন ভারতীয় স্বাধীনতা কর্মী ছিলেন পেশাওয়ার ব্রিটিশ ভারত থাকতে। খানের মতে, তার পৈতৃক দাদা ছিল প্রকৃতভাবে একজন আফগানিস্তান নাগরিক।[৫] তাঁর মা, লতিফ ফাতিমা, ছিল মেজর জেনারেল শাহ নওয়াজ খান জানজুয়া রাজপুত জাতি, ভারতীয় আজাদ হিন্দ ফৌজ সুবাস চন্দ্র বোস এর দত্তক মেয়ে।[৬] খানের পিতা ভারত বিভাগ হওয়ার আগে কিসা খাওয়ানি বাজার, পেশাওয়ার থেকে নয়া দিল্লি চলে আসেন।[৭] যখন তার মায়ের পরিবার রাওয়ালপিন্ডি, ব্রিটিশ ভারত থেকে এসেছিলেন।[৮] খানের শেহনাজ নামে একজন বড় বোন আছে।[৯] তাঁর জন্ম নাম শাহরুখ (অর্থ "রাজ মুখ") ছিল নির্দিষ্ট, কিন্তু পছন্দ করে তার নাম শাহ রুখ খান লিখিত হয়, এছাড়াও সাধারণত এসআরকে হিসাবে উল্লেখ করা হয়।[১০]

বেড়ে ওঠা রাজেন্দ্র নগর এলাকার মধ্যে,[১১]

[সম্পাদনা] অভিনয় জীবন

[সম্পাদনা] অভিনেতা

১৯৮৮ সালে ফৌজী টেলিভিশন সিরিয়ালে কমান্ডো অভিমন্যু রাই চরিত্রের মাধ্যমে অভিনেতা হিসেবে তিনি আত্মপ্রকাশ করেন।[১২] এরপর ১৯৮৯ সালে সার্কাস সিরিয়ালে তিনি কেন্দ্রীয় ভূমিকায় অভিনয় করেন,[১৩] যেটি ছিল একজন সাধারণ সার্কাস অভিনেতার জীবন নিয়ে রচিত। একই বছর তিনি অরুন্ধতী রায়ের In Which Annie Gives it Those Ones টেলি-চলচ্চিত্রে গৌণ চরিত্রে অভিনয় করেন। তার পিতা-মাতার মৃত্যুর পর নতুন জীবন শুরু করার লক্ষ্যে শাহরুখ নয়াদিল্লী ছেড়ে মুম্বাই পাড়ি জমান।[১৪]

ফৌজীতে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি হেমা মালিনীর চোখে পড়েন যিনি শাহ রুখ খানকে তার অভিষেক ছবি দিল আশনা হ্যায়তে অভিনয়ের সুযোগ দেন। দিওয়ানা (১৯৯২) ছবির মাধ্যমে তিনি চলচ্চিত্রের জগতে যাত্রা শুরু করেন। এ ছবিতে তার বিপরীতে ছিলেন দিব্যা ভারতী। ছবিটি ব্যবসাসফল হয় এবং তিনি বলিউডে আসন গাড়তে সক্ষম হন।[১৫] আসলে তার প্রথম ছবি হওয়ার কথা ছিল দিল আশনা হ্যায় কিন্তু দিওয়ানা প্রথমে মুক্তি পায়। একই বছরে তিনি আরও কিছু ছবি যেমন চমৎকার, বিতর্কিত আর্ট ফিল্ম মায়া মেমসাবে অভিনয় করেন।

১৯৯৩ সালে বাজীগরডর ছবিতে খলচরিত্রে অভিনয় করে তিনি বিপুল খ্যাতি পান। ডর ছবিতে শাহরুখ একজন অপ্রকৃতস্থ প্রেমিক এর ভূমিকায় অভিনয় করেন, ছবিটি খুব সাফল্য লাভ করে এবং তিনি তারকা খ্যাতি পান। বাজিগর ছবির জন্য তিনি তার ক্যারিয়ারের প্রথম ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া তিনি কাভি হাঁ কাভি না ছবিতে একজন ব্যর্থ যুবক ও প্রেমিকের চরিত্রে অভিনয় করেন যার কারনে তিনি সমালোচকদের রায়ে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা নির্বাচিত হন।

১৯৯৪ সালে তিনি আঞ্জাম ছবিতে অভিনয় করেন যেটি ব্যবসাসফল হয়নি। তবে সাইকোপ্যাথ হিসেবে তার অভিনয় সমাদৃত হয় এবং তিনি ১৯৯৫ সালে ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ ভিলেন পুরস্কার লাভ করেন।

১৯৯৫ ছিল তার জন্য খুব সাফল্যের বছর। দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে বক্স অফিস রেকর্ড ভাঙ্গে[১৬] এবং এর সব কৃতিত্ব পান তিনি। ছবিটি ৫২০ সপ্তাহের বেশি প্রদর্শিত হয়। ভারতের সর্বাধিকবার প্রচারিত ছবি হিসেবে যাকে তুলনা করা যায় শোলের সাথে যা ২৬০ সপ্তাহ চলেছিল। ছবিটি বর্তমানে বারো বছর ধরে প্রদর্শিত হচ্ছে এবং প্রায় ১২ বিলিয়ন রুপির চেয়েও বেশি অর্থ আয় করেছে।[১৭]

খান স্বদেশ ছবির চিত্রায়নের জন্য নাসায় ২০০৪

দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গের পর তিনি বেশ কটি ছবিতে সাফল্য পান, যার অধিকাংশই ছিল প্রেম-কাহিনী। যশ চোপড়া এবং করন জোহরের সাথে মিলে তিনি বলিউডে সফলতা পেতে থাকেন। এসব চলচ্চিত্রের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেঃ পরদেশ, দিল তো পাগল হ্যায় (১৯৯৭), কুছ কুছ হোতা হ্যায় (১৯৯৮), মোহাব্বতে (২০০০), কাভি খুশি কাভি গাম... (২০০১), কাল হো না হো (২০০৩) এবং বীর-জারা(২০০৪)।[১৮] এছাড়া অন্যান্য পরিচালক যেমন, আজিজ মির্জার ইয়েস বস (১৯৯৭), মনসুর খানের জোশ (২০০০) এবং সঞ্জয় লীলা বনসালির দেবদাস (২০০২) ব্যবসা সফল হয়।

আঞ্জাম (১৯৯৪), দিল সে (১৯৯৮), স্বদেশ (২০০৪) ও পহেলি (২০০৫) ছবির জন্য শাহ রুখ খান সমালোচকদের দৃষ্টি আকর্ষন করেন।[১৯]

২০০৬ সালে করন জোহরের কভি আলবিদা না কেহনা (২০০৬) ছবিটি ভারতে মোটামুটি ব্যবসা করলেও বিদেশে ব্যবসাসফল হয়।[২০] একই বছরে ডন ছবিতে অভিনয় করেন যেটিও ব্যবসাসফল হয়েছিল।[২১]

২০০৭ সালে শাহরুখের প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ছিল চাক দে! ইন্ডিয়া। বাণিজ্য সফল এই ছবিতে অভিনয়ের জন্য শাহরুখ সপ্তমবারের জন্য ফিল্মফেয়ার সেরা অভিনেতার পুরস্কার পান। তাঁর অন্য মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ওম শান্তি ওম ২০০৭ সালের সবচেয়ে বাণিজ্য সফল ছবি।[২২]

২০০৮ সালে শাহরুখের রব নে বানা দি জোড়ি ছবিটি খুব ভাল ব্যবসা করে ।

বর্তমানে সারা বিশ্বে বলিউডের জনপ্রিয়তম ব্যাক্তিত্বদের মধ্যে শাহরুখ খান অন্যতম। তাঁর অভিনীত হে রাম,দেবদাস এওং পহেলি ভারত থেকে অস্কার এ পাঠানো হয়েছিল। শাহরুখ-কাজল জুটি বলিউডের অন্যতম সেরা জুটি হিসেবে স্বীকৃত। কাজলের সাথে তাঁর অভিনীত বাজীগর,দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে, করন অর্জুন, কুছ কুছ হোতা হ্যায়, কাভি খুশি কাভি গাম...। এই ৫টি ছবিই ব্যবসা-সফল হয়। ১৫ বছরের অভিনয়জীবনে তিনি ভারতের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ও জনপ্রিয়দের কাতারে অমিতাভ বচ্চন-এর পরবর্তীস্থান এর শক্ত দাবিদার।

খান, কারিনা কাপুর ও অর্জুন রামপাল রা.ওয়ান ছবির প্রিমিয়ারে লন্ডন ২০১১।

[সম্পাদনা] প্রযোজক

শাহরুখ খান বিভিন্ন ছবি প্রযোজনাতেও হাত দিয়েছেন। তবে এখানে তার সাফল্য মিশ্র প্রকৃতির। ১৯৯৯ সালে তিনি পরিচালক আজিজ মির্জা ও অভিনেত্রী জুহি চাওলার সাথে তিনি ড্রিমজ আনলিমিটেড নামে একটি চলচ্চিত্র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন। এই প্রতিষ্ঠানের প্রথম দুটি ছবি ফির ভি দিল হ্যায় হিন্দুস্তানি (২০০০) এবং অশোকা (২০০১) ব্যবসাসফল হয়নি।[২৩][২৪].

তার প্রযোজিত তৃতীয় ছবি চলতে চলতে (২০০৩) ব্যবসাসফল হয়,[২৫] ২০০৪ সালে তিনি আরেকটি প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন রেড চিলিস এন্টারটেনমেন্ট নাম দিয়ে এবং এখান থেকে ম্যায় হুঁ না (২০০৪) চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেন যা বলিউডে দারুন ব্যবসা করে।[২৬] ২০০৫ সালে তিনি কল্পকাহিনী নিয়ে পহেলি চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন যা অ্যাকাডেমি পুরস্কারের জন্য ভারত থেকে মনোনয়ন পায়, তবে পুরস্কার জিততে পারেনি। ভারতের চলচ্চিত্র জগতে পহেলি তেমন সফলতা পায়নি।[২৭] একই বছর তিনি কাল নামে একটি চলচ্চিত্র সহ-প্রযোজনা করেন। এ ছবিতে তিনি অভিনয় না করলেও একটি আইটেম গানের দৃশ্যে মালাইকা অরোরা খানের সাথে অভিনয় করেন। কাল মোটামুটি সফলতা পায়।[২৮]

রেড চিলিস এন্টারটেনমেন্ট থেকে নির্মিত পরের ছবি ওম শান্তি ওম ২০০৭ সালের সবচেয়ে সফল ছবি। এইছবিতে ৩০ জনের বেশি নামী অভিনেতা একটি গানের দৃশ্যে অভিনয় করেছেন।

[সম্পাদনা] টেলিভিশন উপস্থাপক

খান জি কার্নিভাল সান সিটি, সিঙ্গাপুর ২০০৮.

জনপ্রিয় ব্রিটিশ গেম শো হু ওয়ান্টস টু বি আ মিলিয়নিয়ার? এর হিন্দি সংস্করন কৌন বনেগা ক্রোড়পতি এ তিনি সঞ্চালকের ভূমিকা পালন করেছেন।[২৯] এক্ষেত্রে তিনি সাবেক উপস্থাপক অমিতাভ বচ্চনের কাছ থেকে দায়িত্ব নেন যিনি ২০০০ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত এটি উপস্থাপনা করে জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন। ভারতের টেলিভিশনের ইতিহাসে এটি অন্যতম জনপ্রিয় অনুষ্ঠান। ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারি সোমবার শাহরুখ খান কেবিসি এর তৃতীয় মরশুম শুরু করেন। এই মরশুম শেষ হয় ২০০৭ সালের ১৯ এপ্রিলে।[৩০] ২৫ এপ্রিল ২০০৮ থেকে শাহরুখ আর ইউ স্মার্টার দ্যান আ ফিফথ গ্রেডার? এর হিন্দি সংস্করণ ক্যা আপ পাঁচবি পাস সে তেজ হ্যায়? এর সঞ্চালকের ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। [৩১]

[সম্পাদনা] কলকাতা নাইট রাইডার্স

খানের সাথে সাবেক KKR-এর অধিনায়ক সৌরভ গাঙ্গুলীগৌরী খান

শাহরুখ খান, তাঁর রেড চিলিস এন্টারটেনমেন্ট এর মাধ্যমে, ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ এর দল কলকাতা নাইট রাইডার্সের অন্যতম মালিক। তিনি এবং তাঁর বন্ধু ও সহ-অভিনেত্রী জুহি চাওলার স্বামী জয় মেহতা এই দলটিকে কিনে নেন।[৩২] প্রসংগত উল্লেখ্য যে শাহরুখ, কলকাতা ছাড়াও দিল্লী, মুম্বাই, চন্ডীগড় এবং জয়পুরের জন্য দরপত্র দিয়েছিলেন।[৩৩]

[সম্পাদনা] মঞ্চ অনুষ্ঠান

খান আর্মি স্টেগিয়ামে ঢাকা, বাংলাদেশ ২০১০।

[সম্পাদনা] মানবিক কর্মক্ষেত্রে

[সম্পাদনা] সম্মাননা

[সম্পাদনা] আন্তর্জাতিক সম্মাননা

  • ২০০৭ - ফরাসি সরকার কর্তৃক Ordre des Arts et des Lettres (শিল্পকলা ও সাহিত্যে অবদানের স্বীকৃতি) উপাধি লাভ
  • ২০০৬ - দুবাইয়ের গভর্নর প্রদত্ত সম্মাননা
  • ২০০৬ - মাদাম তুসোর মোমের জাদুঘরে স্থাপনা মুর্তি

[সম্পাদনা] ফিল্মফেয়ার পুরস্কার

বিশেষ পুরস্কার

  • ২০০২ - ফিল্মফেয়ার বিশেষ পুরস্কার সুইস কনস্যুলেট ট্রফি
  • ২০০৩ - ফিল্মফেয়ার শক্তি পুরস্কার (যৌথভাবে - অমিতাভ বচ্চনের সাথে)
  • ২০০৪ - ফিল্মফেয়ার শক্তি পুরস্কার

[সম্পাদনা] অন্যান্য চলচ্চিত্র পুরস্কার

  • স্টার স্ক্রীন অ্যাওয়ার্ডস - ৭
  • ইন্টারন্যাশনাল ইন্ডিয়ান ফিল্ম অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডস - ২
  • জি সিনে পুরস্কার - ৬
  • বলিউড মুভি অ্যাওয়ার্ডস - ৪
  • গ্লোবাল ইন্ডিয়ান ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডস - ২
  • রুপা সিনেগোয়ার পুরস্কার - ১০
  • সানসুই ভিউয়ার'স চয়েস মুভি পুরস্কার - ৬
  • আফজা পুরস্কার - ২
  • আশীর্বাদ পুরস্কার - ১
  • ডিজনি কিডস চ্যানেল পুরস্কার - ১
  • এম.টি.ভি. পুরস্কার - ১
  • স্পোর্টস ওয়ার্ল্ড পুরস্কার - ১
  • সাহারা ওয়ান সঙ্গীত পুরস্কার - ১ (আপুন বোলা গানের জন্য শ্রেষ্ঠ নায়ক ও গায়ক)

[সম্পাদনা] জাতীয় সম্মাননা

  • ১৯৯৭ - শ্রেষ্ঠ ভারতীয় নাগরিক
  • ২০০২ - রাজীব গান্ধী পুরস্কার
  • ২০০৫ - পদ্মশ্রী পুরস্কার, ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ সরকারী সম্মান
  • ২০০৭ - আওয়াদে আহমেদ ফারাহ

[সম্পাদনা] অন্যান্য

  • ২০০১ - জেড ম্যাগাজিন (Jade Magazine) পুরস্কার এশিয়ার সবচেয়ে যৌনাবেদনময়ী পুরুষ
  • ২০০৪ - এশিয়ান গিল্ড (Asian Guild) পুরস্কার বলিউডের যুগের শ্রেষ্ঠ তারকা
  • ২০০৪ - পেপসি সবচেয়ে প্রিয় তারকা পুরস্কার
  • ২০০৪ - 'এফ-পুরস্কার' ভারতীয় ফ্যাশন তারকা মডেল
  • ২০০৪ - ছোট কা ফুন্ডা পুরস্কার
  • ২০০৪ - টাইম ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদ
  • ২০০৪ - সবচেয়ে তেজ বছরের শ্রেষ্ঠ পারসোনালিটি
  • ২০০৪ - এম.এস.এন. বছরের শ্রেষ্ঠ সার্চ পারসোনালিটি পুরস্কার
  • ২০০৫ - ন্যাশনাল জিওগ্রাফি ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদ
  • ২০০৬ - "হামীর-ই-হিন্দ" খেতাব, "দেশভক্ত" সংবাদপত্র থেকে

[সম্পাদনা] অভিনয়কৃত চরিত্রের নাম

তিনি সর্বাধিক রাহুল নামবিশিষ্ট চরিত্রে অভিনয় করেছেন। এখানে কিছু অভিনীত চরিত্রের নাম ও সিনেমার নাম দেওয়া হল।

  • রাহুল - ডর, জামানা দিওয়ানা, ইয়েস বস, দিল তো পাগল হ্যায়, কুছ কুছ হোতা হ্যায়, হর দিল যো পেয়ার করেগা, কাভি খুশি কাভি গাম
  • রাজ - দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে, বাদশা, মোহাব্বতে, চলতে চলতে, "রব নে বনা দি জোড়ি"
  • বিজয় - আনজাম, করন অর্জুন, ডন ,নায়ক রাজ ।

[সম্পাদনা] চলচ্চিত্রের তালিকা

বছর চলচ্চিত্রের নাম চরিত্র টুকিটাকি
২০১২ চেন্নাই এক্সপ্রেস
কুছি কুছি হোতা হ্যায় রকি(কথা) তোলা শেষ
২০১১ ডন ২ ডন শাহরুখ খানের ২য় ৩ডি মুভি ।
রা.ওয়ান জি.ওয়ান ও শেখর সুব্রোমনিউম
২০১০ মাই নেম ইজ খান রিজওয়ান খান বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার, অস্কার প্রতিযোগিতায় ভারতের ছবি
দুলহা মিল গ্যায়া অতিথি চরিত্র
শাহরুখ বোলা "খুবসুরাত হ্যায় তু" নিজ অতিথি চরিত্র
২০০৯ লাক বাই চান্স নিজ় বিশেষ উপস্থিতি
বিল্লু শাহির খান
২০০৮ রব নে বানা দি জোড়ি সুরিন্দর সানি/রাজ মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার
কিস্মত কানেকশন ভাষ্য
ক্রেজি ৪ বিশেষ উপস্থিতি "ব্রেক ফ্রি" গানে
ভুতনাথ আদিত্য শর্মা
২০০৭ চাক দে! ইন্ডিয়া কবির খান বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার সেরা অভিনেতা [৩৪]
হেই বেবি বিশেষ উপস্থিতি "মস্ত কলন্দর" গানে
ওম শান্তি ওম ওমপ্রকাশ মাখিজা/ওম কাপুর ২০০৭ এর সেরা বাণিজ্য সফল ছবি
২০০৬ আলাগ বিশেষ উপস্থিতি, সবসে আলগ গানে
কভি আলবিদা না কেহনা দেব সারন মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার
ডন ডন/বিজয় মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার
আই সি ইউ বিশেষ উপস্থিতি, সুবাহ সুবাহ হানে
২০০৫ দ্য ইনার এ্যান্ড আউটার ওয়ার্ল্ড অফ শাহ রুখ খান নিজ (আত্মজীবনী) নাসরিন মুন্নি কবির এর পরিচালনায় আত্মজীবন
পহেলি কিষেণলাল/ভুত ভারতের অস্কার মনোনয়ন
সিলসিলে সূত্রধর, বিশেষ উপস্থিতি
কাল বিশেষ উপস্থিতি, কাল ধামাল গানে
কুছ মিঠা হো যায়ে নিজ, বিশেষ উপস্থিতি
২০০৪ স্বদেশ মোহন ভার্গভ বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার
হাম হ্যায় লাজওয়াব মি. লাজওয়াব "The Incredibles" এর হিন্দি ডাবিং
বীর-জারা বীর প্রতাপ সিং মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার
ম্যায় হুঁ না মেজর রাম প্রসাদ শর্মা মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার
ইয়ে লমহে জুদাই কে দুশন্ত এই ছবি বানাতে প্রায় ১০ বছর লেগেছে
২০০৩ কাল হো না হো আমন মাথুর মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার
চলতে চলতে রাজ মাথুর
২০০৩ সাথিয়া যশবন্ত রাও, বিশেষ উপস্থিতি
শক্তি: দ্য পাওয়ার জয় সিং, বিশেষ উপস্থিতি
হাম তুমহারে হ্যায় সনম গোপাল
২০০২ দেবদাস দেবদাস মুখার্জি বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার, অস্কার প্রতিযোগিতায় ভারতের ছবি
২০০১ কাভি খুশি কাভি গাম... রাহুল রায়চাদ মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার
অশোকা অশোকা
ওয়ান টু কা ফোর অরুন ভার্মা
২০০০ গজ গামিনী শাহরুখ, বিশেষ উপস্থিতি
মোহাব্বতে রাজ আরিয়ান মেলহোত্রা বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার সমালোচকের রায়ে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার
মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার
হার দিল যো পেয়ার কারেগা রাহুল, বিশেষ উপস্থিতি
জোশ ম্যাক্স
হে রাম আমজাদ আলি খান ভারতের অস্কার মনোনয়ন
ফির ভি দিল হ্যায় হিন্দুস্তানি অজয় বকশি শাহরুখের প্রথম প্রযোজনা
১৯৯৯ বাদশা রাজ 'বাদশা' মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ কমেডিয়ান পুরস্কার
১৯৯৮ কুছ কুছ হোতা হ্যায় রাহুল খান্না বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার
দিল সে অমরকান্ত ভার্মা
আচানক বিশেষ উপস্থিতি
ডুপ্লিকেট বাবলু চৌধুরি/মনু দাদা মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ ভিলেন পুরস্কার
১৯৯৭ দিল তো পাগল হ্যায় রাহুল বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার
পরদেশ অর্জুন সাগর
ইয়েস বস রাহুল জোসি মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার
কয়লা শঙ্কর
গুদগুদি বিশেষ উপস্থিতি
১৯৯৬ দুশমন দুনিয়া কা বাদ্রু, বিশেষ উপস্থিত
আর্মি অর্জুন, বিশেষ উপস্থিতি
চাহত রূপ রাঠোর
ইংলিশ বাবু দেশি মেম বিক্রম/হ্যারি/গোপাল মায়ুর
১৯৯৫ ত্রিমুর্তি রমি সিং/ভোলে
রাম জানে রাম জানে
দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে যায়েঙ্গে রাজ মেলহোত্রা বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার
ওহ ডার্লিং! ইয়ে হ্যায় ইন্ডিয়া হিরো
গুড্ডু গুড্ডু বাহাদুর
জমানা দিওয়ানা রাহুল মেলহোত্রা
করন অর্জুন অর্জুন সিং/ভিজয়
১৯৯৪ আঞ্জাম বিজয় অগ্নিহোত্রী বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ ভিলেন পুরস্কার
১৯৯৩ কাভি হা কাভি না সুনীল বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার সমালোচকদের রায়ে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার
ডর রাহুল মেহরা মনোনীত, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ ভিলেন পুরস্কার
বাজীগর অজয় শর্মা/ভিকি মেলহোত্রা বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরস্কার
কিং আঙ্কেল অনিল
১৯৯২ দিওয়ানা রাজা সাহাই বিজয়ী, ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিষেক পুরস্কার
মায়া মেমসাব ললিত
দিল আশনা হ্যায় করন
রাজু বান গেয়া জেন্টলম্যান রাজু (রাজ মাথুর)
চমৎকার সুন্দর শ্রীনিবাস্তব
১৯৮৮ In Which Annie Gives it Those Ones

[সম্পাদনা] শিরোনাম লেখ

[সম্পাদনা] প্রযোজক

  • ওম শান্তি ওম (২০০৭)
  • মাই নেম ইজ অ্যান্থনি গঞ্জালভেজ (২০০৭)
  • কাল (২০০৫)
  • পেহেলি (২০০৫)
  • ম্যায় হু না (২০০৪)
  • চলতে চলতে (২০০৩)
  • আশোকা (২০০১)
  • ফির ভি দিল হ্যায় হিন্দুস্তানি (২০০০)

[সম্পাদনা] টিভি ক্যারিয়ার

  • দিল দরিয়া(১৯৮৭)
  • ফৌজী (১৯৮৮) - অভিমন্যু রাই
  • সার্কাস (১৯৮৯)
  • In Which Annie Gives It Those Ones (১৯৮৯)
  • দুসরা কেওয়াল
  • ইডিয়ট (১৯৯১) - পবন রঘুজান
  • কারিনা কারিনা (২০০৪) - বিশেষ উপস্থিতি
  • কৌন বনেগা ক্রোড়পতি (২০০৭) - সঞ্চালক
  • আন্তাক্ষরী দ্য গ্রেট চ্যালেঞ্জ (২০০৭) - বিশেষ অতিথি
  • ক্যা আপ পাঁচবী পাস সে তেজ হ্যায়? (২০০৮) - সঞ্চালক

[সম্পাদনা] তথ্যসূত্র

  1. ১.০ ১.১

    The Global Elite – 41: Shahrukh Khan. Newsweek. 20 December 2008. http://www.newsweek.com/id/176325। সংগৃহীত হয়েছে: 24 December 2008. 

  2. Shah Rukh Khan's net worth is 2500 crore. Times of India. 21 October 2009. http://timesofindia.indiatimes.com/videos/celebs/Shah-Rukh-Khans-net-worth-is-2500-crore/videoshow/5146155.cms। সংগৃহীত হয়েছে: 2010-02-12. 
  3. Bollywood Gets Political. প্রকাশক: Foreign Policy In Focus. 24 October 2008. http://www.fpif.org/articles/bollywood_gets_political. 
  4. The Rediff Interview / Shah Rukh Khan. প্রকাশক: Rediff. http://www.rediff.com/movies/2007/mar/16srk.htm। সংগৃহীত হয়েছে: 5 July 2006. 
  5. 2009 interview with an Afghan movie director on Afghan TV channel, Shahrukh Khan states that his father's father (grandfather) is from Afghanistan.
  6. Badshah at durbar and dinner. The Telegraph. (Kolkota, India). http://www.telegraphindia.com/1040531/asp/frontpage/story_3313328.asp। সংগৃহীত হয়েছে: 12 March 2007. 
  7. Rediff News Gallery: The Shahrukh Connection. http://specials.rediff.com/news/2004/may/31sl02.htm. 
  8. A Hundred Horizons by Sugata Bose, 2006 USA, p136
  9. Shahrukh Khan – Journey. প্রকাশক: Movies.indiatimes.com. 11 September 2003. http://movies.indiatimes.com/cms.dll/articleshow?artid=177008&right=1&fright=1&botlink=1। সংগৃহীত হয়েছে: 10 September 2010. 
  10. James, Randy (2009-08-18). 2-Min. Bio: Bollywood Star Shah Rukh Khan. প্রকাশক: TIME. http://www.time.com/time/world/article/0,8599,1917090,00.html। সংগৃহীত হয়েছে: 2011-12-15. 
  11. SRK to run for Delhi TNN, The Times of India, 30 September 2009. "I was born here, in Talwar Nursing Home. I lived here for more than two decades in Rajinder Nagar"
  12. The camera chose Shah Rukh Khan
  13. http://news.bbc.co.uk/2/hi/entertainment/2204900.stm Shahrukh goes global]
  14. Asia's Heroes
  15. BoxOfficeIndia.Com
  16. http://www.boxofficeindia.com/alltime.htm
  17. ´DDLJ´ Enters The Twelfth Year At The Theaters!. planetbollywood.com. http://www.planetbollywood.com/displayArticle.php?id=011307064804। সংগৃহীত হয়েছে: 14 January. 
  18. http://www.boxofficeindia.com/shahrukhkhan.htm
  19. http://www.boxofficeindia.com/shahrukhkhan.htm
  20. http://www.boxofficeindia.com/2006.htm]
  21. http://www.boxofficeindia.com/2006.htm
  22. http://www.boxofficeindia.com/showProd.php?itemCat=214&catName=MjAwMA BOI 2007
  23. http://www.boxofficeindia.com/2001.htm.
  24. http://www.boxofficeindia.com/2001.htm
  25. http://www.boxofficeindia.com/2003.htm
  26. http://www.boxofficeindia.com/2004.htm
  27. http://www.boxofficeindia.com/2005.htm
  28. http://www.boxofficeindia.com/2005.htm
  29. http://www.iht.com/articles/ap/2007/01/18/arts/AS-A-E-TV-India-Millionaire-Show.php
  30. http://www.businessofcinema.com/2007/22jan/shahrukh_kbc.htm
  31. http://www.tvnext.in/news/151/ARTICLE/1429/2008-05-29.html TVNext
  32. http://www.hindu.com/2008/03/12/stories/2008031259452300.htm IPL:Unveiling of KKR
  33. http://economictimes.indiatimes.com/Shah_Rukh_Khan_bids_for_5_IPL_teams/articleshow/2722426.cms SRK bids for 5 teams
  34. http://www.imdb.com/name/nm0451321/awards

[সম্পাদনা] বহিঃসংযোগ

নিজস্ব হাতিয়ারসমূহ
নামস্থান

বিকল্পসমূহ
কার্যক্রম
পরিভ্রমন
মুদ্রণ/এক্সপোর্ট
সরঞ্জাম
অন্যান্য ভাষাসমূহ