টম ক্রুজ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
টম ক্রুজ

ডিসেম্বর, ২০০৮ সালে কানাডার এমটিভি লাইভে টম ক্রুজ
জন্ম থমাস ক্রুইজ ম্যাপোথার ফোর
জুলাই ৩, ১৯৬২ (1962-07-03) (বয়স ৪৯)
সাইর‍েকিউজ, নিউইয়র্ক, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
পেশা অভিনেতা, চলচ্চিত্র নির্মাতা, লেখক, পরিচালক
কার্যকাল ১৯৮১ থেকে বর্তমান
দাম্পত্য সঙ্গী মিমি রজার্স (১৯৮৭-১৯৯০)
নিকোল কিডম্যান (১৯৯০ - ২০০১)
কেটি হোমস (২০০৬ থেকে বর্তমান)
সন্তান ইসাবেলা, কনর ক্রুজ এবং সুরি ক্রুজ
ওয়েবসাইট
টমক্রুজ.কম

টম ক্রুজ play /ˈtɒməs ˈkrz ˈmpɒθər/ (জন্মঃ জুলাই ৩, ১৯৬২) আমেরিকান চলচ্চিত্র অভিনেতা ও পরিচালক হিসেবে বিশ্বের সর্বত্র অত্যন্ত জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব। তার পুরো নাম ৪র্থ থমাস ক্রুইজ ম্যাপোথার। তিনি তিনবার একাডেমী পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন লাভ করেছিলেন এবং তিনবার গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার জয় করেছেন।

পরিচ্ছেদসমূহ

[সম্পাদনা] শৈশবকাল

ক্রুজ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের সাইরেকিউজে জন্মগ্রহণ করেন।[১] তার মা মেরি লি একজন শিক্ষাবিদ ছিলেন।[২] ১৯৮৪ সালে মৃত্যুবরণকারী বাবা ৩য় থমাস ক্রুজ ম্যাপোথার ছিলেন একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার।[৩]

টম ক্রুজের পূর্বপুরুষগণ ছিলেন - জার্মান, আইরিশ এবং ইংরেজ গোত্রের।[৪] দারিদ্র্যের মধ্যে ক্যাথলিক পরিবারে রাগী ও কটুভাষী পিতার কঠোর শাসনে তিনি বড় হন। এরফলে তিনি পিতাকে অভিহিত করেন একজন বিশৃঙ্খল ব্যবসায়ী হিসেবে।[৫]

[সম্পাদনা] অভিনয় জীবন

১৯৮১ সালে ক্রুজ এন্ডলেস লাভ এবং ট্যাপস্ চলচ্চিত্রে সহকারী চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্র জীবন শুরু করেন। এরপর তিনি একটি সামরিক বিদ্যালয়ের মাথা পাগল ছাত্রের চরিত্রেও অভিনয় করেছিলেন।

১৯৮৩ সালে লসইন' ইট শীর্ষক কমেডি ধাঁচের চলচ্চিত্রের কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেন। ঐ একই বছরে অল দ্য রাইট মুভস্ এবং রিস্কি বিজনেস চলচ্চিত্রের মাধ্যমে টম ক্রুজের বর্ণাঢ্য অভিনয় জীবনে সাফল্য গাঁথা শুরু হয়।[৬] এরপর ১৯৮৬ সালের টপ গান চলচ্চিত্র তাকে পুরোপুরি তারকা খ্যাতির মর্যাদা এনে দেয়। এরপর দ্য কালার অব মানি ঐ বছরই মুক্তি পায়। অসাধারণ অভিনয়শৈলীর জন্য তিনি পল নিউম্যানের সাথে যৌথভাবে একাডেমী পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৮৮ সালে তাকে ককটেল ছবিতে অভিনয়ের জন্য 'র‍েজি এ্যাওয়ার্ড ফর ওর্স এ্যাক্টর' হিসেবে মনোনীত করে।

[সম্পাদনা] জনপ্রিয়তা

পিপিল ম্যাগাজিন পত্রিকায় তিনি বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর ব্যক্তির মর্যাদা ভোগ করেন। ১৯৯০, ১৯৯১ এবং ১৯৯৭ সালে তিনি ৫০ জন ব্যক্তির একজন হিসেবে নির্বাচিত হন। ১৯৯৫ সালে এম্পায়ার ম্যাগাজিন তাকে চলচ্চিত্রের ইতিহাসে ১০০ জন আবেদনময় পুরুষ তারকা হিসেবে তাদের তালিকায় স্থান দেয়। এর দু'বছর পর পত্রিকাটি সর্বকালের সেরা পাঁচ জনের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করে। ২০০২ এবং ২০০৩ সালে তিনি প্রিমিয়ার ম্যাগাজিন কর্তৃক বার্ষিক আকারে প্রকাশিত পাওয়ার হান্ড্রেড তালিকায় শীর্ষ ২০-এ স্থান পান।[৭]

২০০৬ সালে প্রিমিয়ার ম্যাগাজিন টম ক্রুজকে হলিউডের সবচেয়ে ক্ষমতাধর অভিনেতা হিসেবে মনোনীত করে; এতে তিনি ম্যাগাজিনের পাওয়ার হান্ড্রেড তালিকায় ত্রয়োদশ স্থান দখল করেন।[৮][৯] একই বছর ফোর্বস সাময়িকী তাকে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর চিত্রতারকার আসনে অভিষিক্ত করে।[১০]

[সম্পাদনা] বৈবাহিক সম্পর্ক

রিস্কি বিজনেস চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সময় সহ-তারকা রেবেকা ডি মোর্নের সাথে টম ক্রুজের শারীরিক সম্পর্ক ছিল বলে জানা যায়। নিউইয়র্কে তারা ১৯৮৩-১৯৮৫ সাল পর্যন্ত একত্রে স্বামী-স্ত্রীর ন্যায় বসবাস করতেন।[১১][১২][১৩][১৪]

৯ মে, ১৯৮৭ সালে বিশিষ্ট চলচ্চিত্র অভিনেত্রী মিমি রজার্সকে বিয়ে করেন তিনি। পরবর্তীতে ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯০ সালে তাদের মধ্যে বিবাহ-বিচ্ছেদ ঘটে।[৭] ডেজ অব থান্ডার চলচ্চিত্রের সেটে নিকোল কিডম্যানের সাথে প্রণয়াসক্ত হন ক্রুজ। পরবর্তীতে কিডম্যানকে ২য় স্ত্রী হিসেবে ২৪ ডিসেম্বর, ১৯৯০ সালে গ্রহণ করেন। এ সংসারে ইসাবেলা জেন (জন্মঃ ডিসেম্বর, ১৯৯২) এবং কনর এন্টনী (জন্মঃ জানুয়ারি, ১৯৯৫) নামীয় দুই সন্তান রয়েছে।[৭]

[সম্পাদনা] টম ক্রুজ ডে

১০ অক্টোবর, ২০০৬ সালে জাপানে টম ক্রুজ ডে হিসেবে পালন করা হয়। জাপান মেমোরিয়াল ডে এসোসিয়েশন বিশেষ দিবস হিসেবে তার এ অর্জনের জন্য বলেছে যে, টম ক্রুজ অন্য যে কোন হলিউড তারকার তুলনায় তিনি জাপানে অধিকবার ভ্রমণ করেন।[১৫]

[সম্পাদনা] তথ্যসূত্র

  1. Cruise's Family Tree Treat. January 13, 2004. http://www.imdb.com/news/wenn/2004-01-13#celeb7। সংগৃহীত হয়েছে: October 17, 2007. 
  2. Being Tom Cruise. TIME. http://www.time.com/time/europe/magazine/2002/0701/cruise/story2.html। সংগৃহীত হয়েছে: June 5, 2011. 
  3. Tom Cruise Biography. http://www.filmreference.com/film/26/Tom-Cruise.html। সংগৃহীত হয়েছে: October 17, 2007. 
  4. Ancestry of Tom Cruise. প্রকাশক: Wargs.com. http://www.wargs.com/other/mapother.html। সংগৃহীত হয়েছে: August 8, 2009. 
  5. I Can Create Who I Am. Parade. April 9, 2006. http://www.parade.com/articles/editions/2006/edition_04-09-2006/Tom_Cruise_cover। সংগৃহীত হয়েছে: February 18, 2011. 
  6. Risky Business  Rotten Tomatoes. http://www.rottentomatoes.com/m/1017641-risky_business/. 
  7. ৭.০ ৭.১ ৭.২ Tom Cruiseইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজ
  8. The Power LIst 2006. Premiere. June 2006. http://www.premiere.com/best/2816/the-power-list-2006.html। সংগৃহীত হয়েছে: July 29, 2008. 
  9. The Power List 2006  13) Tom Cruise. Premiere. June 2006. http://www.premiere.com/newsletter/2851/the-power-list-2006-page13.html. 
  10. Tom Cruise ranked 1 among The Top 100 Celebrities In 2006. Forbes. May 1, 2007. http://www.forbes.com/lists/2006/53/6YG2.html। সংগৃহীত হয়েছে: May 1, 2007. 
  11. TCM biography of De Mornay
  12. Yahoo biography of De Mornay. প্রকাশক: Sg.movies.yahoo.com. http://sg.movies.yahoo.com/Rebecca+DeMornay/biography/62182/। সংগৃহীত হয়েছে: June 5, 2011. 
  13. Cruise Control. Vh1. May 27, 2005. http://www.vh1.com/news/articles/1502989/20050527/index.jhtml। সংগৃহীত হয়েছে: June 5, 2011. 
  14. MovieMotel biography of De Mornay. প্রকাশক: Moviemotel.com. http://www.moviemotel.com/people/0018545/Rebecca-de-Mornay। সংগৃহীত হয়েছে: June 5, 2011. 
  15. Tom Cruise Day. প্রকাশক: Hollywood.com. http://www.hollywood.com/news/Cruise_Day_Declared_in_Japan/3563377। সংগৃহীত হয়েছে: August 8, 2009. 

[সম্পাদনা] বহিঃসংযোগ

নিজস্ব হাতিয়ারসমূহ
নামস্থান

বিকল্পসমূহ
কার্যক্রম
পরিভ্রমন
মুদ্রণ/এক্সপোর্ট
সরঞ্জাম
অন্যান্য ভাষাসমূহ