দিলীপ কুমার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
দিলীপ কুমার
Dilip Kumar 2006.jpg
দিলীপ কুমার ২০০৬ সালে
জন্ম মুহাম্মদ ইউসুফ খান
(১৯২২-১২-১১) ১১ ডিসেম্বর ১৯২২ (বয়স ৯২)
পেশোয়ার, ব্রিটিশ ভারত
(এখন খাইবার পাখতুনখা, পাকিস্তান)
বাসস্থান মুম্বাই, ভারত
জাতীয়তা ভারতীয়
বংশোদ্ভূত হিন্দকো-ভাষাভাষী "আয়ান"[১]
পেশা চিত্রাভিনেতা
প্রযোজক
রাজনীতিবিদ
কার্যকাল ১৯৪৪–১৯৯৮
ধর্ম ইসলাম
দম্পতি সায়রা বানু (১৯৬৬ - বর্তমান)
আসমা (১৯৮২)
স্বাক্ষর Dilip Kumar signature

দিলীপ কুমার (ইংরেজি: Dilip Kumar) (জন্মঃ ১১ ডিসেম্বর; ১৯২২, জন্ম নাম মুহাম্মদ ইউসুফ খান) হলেন একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা, যিনি "ট্রাজেডি কিং" নামে সুপরিচিত,[২] এবং সত্যজিৎ রায় এর মতে সর্বশেষ রচনাশৈলী একজন গুনী অভিনেতা।[৩] তিনি ১৯৪৪ সালে "বােম্বে টকিজের" ব্যানারে "জোয়ার ভাটা" চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্র শিল্পে পদার্পন করেন। তিনি চলচ্চিত্র শিল্প ছয় দশকের অধিক সময় ধরে বিচরণ করেছেন এবং অভিনয় করেছেন ৬০টির বেশী ছায়াছবিতে। তিনি বিভিন্ন ধরনের বৈচিত্রয় ভূমিকায় অভিনয় করেছেন, যেমন- যেমন রোমান্টিক ধাচের চলচ্চিত্র হিসেবে ১৯৪৯ সালের আন্দাজ, ১৯৫২ সালের বেপরোয়া বা হঠকারী এবং চালবাজ চরিত্রে আন, ১৯৫৫ সালে নাটকীয় চলচ্চিত্র দেবদাস, ১৯৫৫ সালের হাস্যরসাত্মক চলচ্চিত্র আজাদ, ১৯৬০ সালে ঐতিহাসিক চলচ্চিত্র মুঘল-ই-আজম, এবং ১৯৬১ সালের সামাজিক ঘরানার চলচ্চিত্র গঙ্গা যমুনা

১৯৭৬ সালে, দিলীপ কুমার ছবিতে অভিনয় থেকে পাঁচ বছর বিরতি নেন এবং ছায়াছবি ক্রান্তি প্রধান চরিত্রে অভিয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রে নিয়মিত হন এবং প্রধান চরিত্রে নিয়মিত অভিনয় চালিয়ে যান। যেমনঃ "শক্তি" (১৯৮২), "কর্ম" (১৯৮৬) এবং "সওদাগর" (১৯৯১)। তার সর্বশেষ অভিনীত চলচ্চিত্র ছিল "কিলা" (১৯৯৮)। দিলীপ কুমার অভিনেত্রী "জয়ন্তীমালার" সাথে সবচেয়ে বেশী সংখ্যক চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন, যেখানে তারা উভয়েই একসাথে নিজেদের প্রযোজিত প্রতিষ্ঠান থেকে "গঙ্গা যমুনা" সহ সাতটি ছায়াছবিতে অভিনয় করেন। তাদের দুজনের মধ্যে সবসময়ের জন্য বোঝাপড়া খুবই ভাল ছিল।[৪][৫]

ভারত সরকার ১৯৯১ সালে তাকে পদ্মভূষণ পুরস্কারে পদক দিয়ে সম্মানিত করেন এবং ১৯৯৪ সালে ভারতীয় চলচ্চিত্রের প্রতি তার অবদানসমূহের জন্য দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার পদকে ভূষিত করেন এবং রাজ্যসভায় তাকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ভারতীয় পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ মনোনীত করা হয়। তিনি ১৯৫৪ সালে ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার প্রথম পদক গ্রহণ করা ব্যক্তি এবং এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বেশিবার ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পাওয়ার ইতিহাস তার ঝুলিতে যিনি এখনও পর্যন্ত মোট আটটি বিভাগে পুরষ্কার জিতেছেন।[৬] সমালোচকরা হিন্দি চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে তাকে প্রশংসিত করেন।[৭][৮][৯] একটি ব্লগ পোস্টে অমিতাভ বচ্চন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে দিলীপ কুমার বেছে নিয়ে বিবৃতি প্রদান করেন।[১০]

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

দিলীপ কুমার পাকিস্তানের খাইবারে মুহাম্মদ ইউসুফ খান নাম নিয়ে ১১ ডিসেম্বর ১৯২২ সালে একটি মুসলিম সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।[১] তাঁর পিতা লালা গোলাম সারওয়ার একজন ফলের ব্যবসায়ী ছিলেন যিনি (মহারাষ্ট্র, ভারত) পেশোয়ার ও দেওলালীর মধ্যে ফলের বাগানের মালিক। দিলীপ কুমার নাসিকের কাছাকাছি মর্যাদাপূর্ণ দেওলিয়ার বার্নস স্কুল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা জীবন শুরু করেন।[১১] ১৯৩০ সালে শেষ সময়ে, ১২ সদস্যর পরিবার নিয়ে মুম্বাইে পাড়ি জমান। ১৯৪০ সালে দিলীপ কুমার পুনে বাড়ি ছাড়েন যেখানে তিনি একজন ক্যান্টিন মালিক এবং একজন শুষ্ক ফল সরবরাহকারী হিসাবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৪৩ সালে, "বম্বে টকিজ" এর মালিকানাধীন অভিনেত্রী দেবিকা রানী ও তার স্বামী হিমাংশু রাই পুনের অন্ধ সামরিক ক্যান্টিনে দিলীপ কুমারের সাথে সমঝোতার প্রচেষ্টা করেন।[১২] এবং ১৯৪৪ সালের "জোয়ার ভাটা" চলচ্চিত্রটির জন্য দিলীপকে প্রধান চরিত্রে অন্তর্ভূক্ত করেন এবং এই চলচ্চিত্রটিতে অভিনয়ের মাধ্যমে বলিউড শিল্পে প্রবেশ করেন। তার প্রকৃত নাম মুহাম্মদ ইউসুফ খান হলেও হিন্দি লেখক ভগবতি চরণ বর্মা তাকে স্ক্রীননেম দিলীপ কুমার দেন।[১৩] এটা বিশ্বাস করা হয় যে দিলীপ কুমার বিভিন্ন ভাষায় কথা বলতে পারেন; যেমনঃ ইংরেজি, হিন্দি, উর্দু এবং পুশতু ভাষা।[১৪]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

দিলীপ কুমার এর প্রথম চলচ্চিত্র "জোয়ার ভাটা" (১৯৪৪) অলক্ষিত ছিল যা তাকে খ্যাতির চূড়ায় না পৌছাতে সাহায্য না করলেও পরবর্তীতে ১৯৪৭ সালে "নুর জাহানের" বিপরীতে "জঙ্গু" বক্স অফিসে তার প্রথম ব্যাবসা সফল চলচ্চিত্রসহ ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেন। তাঁর পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ ব্যাবসাসফল চলচ্চিত্র ছিল "শহীদ" (১৯৪৮)। তিনি বলেন, তিনি একটি ত্রিকোণ প্রেমের গল্পে রাজ কাপুরনার্গিস পাশাপাশি অভিনয় করেন যা মেহবুব খানের ১৯৪৯ সালের আন্দাজ সঙ্গে তার যুগান্তকারী ভূমিকা পেয়েছিলেন। তিনি ১৯৫০ সালের ব্যাবসাসফল বিয়োগান্তক ভূমিকায় অভিনয় করেন; জোগান (১৯৫০), দীদার (১৯৫১), দাগ (১৯৫২), দেবদাস (১৯৫৫), ইহুদী (১৯৫৮) ও মধুমতি (১৯৫৮)। তিনি মেহবুব খানের "অমর" (১৯৫৪) সালের একটি চলচ্চিত্রে খলনায়কের চরিত্রে অভিনয় করেন। এই ছায়াছবিটি তাকে "ট্রাজেডি রাজা" হিসাবে পর্দায় প্রতিষ্ঠিত করেন। তিনি "দাগ" চলচ্চিত্রটির জন্য ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার জিতে নেওয়া প্রথম অভিনেতা ছিলেন এবং দেবদাস চলচ্চিত্রটির জন্য আবারও পুরষ্কার প্রাপ্তির সামনে হাজির হন।[১৫] তিনি নার্গিস, কামিনী কুশল, মিনা কুমারী, মধুবালা এবং জয়ন্তীমালা সহ সময়ের শীর্ষ অনেক জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের সঙ্গে জুটি গড়ে তোলেন।

সামাজিক অবস্থা[সম্পাদনা]

কুমারের সঙ্গে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সায়রা বানু

দিলীপ কুমার ভারত ও পাকিস্তানের মানুষদের কাছাকাছি একসাথে আনার প্রচেষ্টায় সক্রিয় রয়েছেন। তিনি রাজ্যসভার একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ভারতীয় পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ সদস্য মনোনীত হয়েছিলেন।[১২]

তাকে ১৯৯৪ সালে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার প্রদান করা হয়। ১৯৯৮ সালে তাকে পাকিস্তানের সরকার দ্বারা প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার নিশান-ই-ইমতিয়াজ প্রদান করা হয়। তিনি দ্বিতীয় ভারতীয় হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন। কারগিল যুদ্ধের সময়, শিব সেনা প্রধান বাল ঠাকরে বলেন, "ভারতীয় মাটির উপর যে দেশের ভয়ানক আগ্রাসন উদ্ধৃত" তাই দিলীপ কুমার তাঁর নিশান-ই-ইমতিয়াজ পুরষ্কার ফেরত দেওয়ার দাবি করেন।[১৬] দিলীপ কুমার এটির প্রত্যাখ্যান করে বলেন:

এই পুরস্কার মানবিক কার্যক্রম জন্য আমাকে দেওয়া হয়েছে, যা আমার নিজের জন্য নিবেদিত। আমি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সাংস্কৃতিক ও সাম্প্রদায়িক ফাঁক দুর করে বহু বছর ধরে সেতুবন্ধনের জন্য কাজ করেছি, দরিদ্রের সাহয্যর জন্য কাজ করেছি। রাজনীতি এবং ধর্ম এই গণ্ডি তৈরি করেছে। আমি দুই দেশকে একত্রিত করার জন্য সংগ্রাম করছি যাই হোক না কেন আমি করতে পারি। আমাকে বলুন, কারগিল সংঘাতের সাথে এর কোন সম্পর্ক আছে?

[১৭]

দিলীপ কুমার তার টুইটার একাউন্ট চালু করেন এবং তার প্রথম টুইট ২০১১ সালে তাঁর ৮৯তম জন্মদিনে ছিল।[১৮][১৯]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

দিলীপ কুমার, অভিনেত্রী কামিনী কৌশলের সাথে প্রথম প্রেমে পড়েন, কিন্তু তারা বিয়ে করতে পারেননি।[২০] পরবর্তীকালে তিনি রোমাঞ্চকরভাবে অভিনেত্রী মধুবালা সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন, কিন্তু তাদের পরিবার এই বিয়েতে বিরোধিতা করে।[২১][২২] তিনি ১৯৬৬ সালে তার চেয়ে ২২ বছর কম বয়সী সৌন্দর্য রাণী অভিনেত্রী সায়রা বানুকে বিয়ে করেন। তিনি ১৯৮০ সালে দ্বিতীয়বারের মত আসমা নামের একজন মেয়েকে বিয়ে করেন কিন্তু বিয়ের কিছুদিন পরেই তাদের সংসার শেষ হয়ে যায়।[২৩]

দিলীপ কুমার তার জীবনে প্রথমবার তার স্ত্রী সায়রা বানুর সাথে ২০১৩ সালে মক্কা ওমরাহ পালন করেন।[২৪]

পুরস্কার এবং জনপ্রিয়তা[সম্পাদনা]

দিলীপ কুমারকে ব্যাপকভাবে হিন্দি চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ অভিনেতাদের একজন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।[৭][৮][৯] তিনি একজন ভারতীয় অভিনেতা হিসেবে সর্বোচ্চ সংখ্যক পুরষ্কার বিজয়ী হওয়ার জন্য গিনেস বিশ্ব রেকর্ড ঝুলিতে নিজের জায়গা দখল করে নেন।[১০][২৫] তিনি তার অভিনয় জীবন জুড়ে অনেক পুরষ্কার পেয়েছেন ৮ বার ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পুরষ্কার সহ ১৯ বার ফিল্মফেয়ার মনোনয়ন পেয়েছেন।[২৬] তিনি ১৯৯৩ সাল থেকে ফিল্মফেয়ার আজীবন সম্মাননা পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত হন।[২৭]

চলচ্চিত্রের তালিকা[সম্পাদনা]

বছর চলচ্চিত্র ভূমিকা পুরস্কার
১৯৪৪ জোয়ার ভাটা জগদীশ
১৯৪৫ প্রতীমা
১৯৪৭ মিলন রমেশ
জুগনু সুরাজ
১৯৪৮ শহীদ রাম
নাদিয়া কে পার
মেলা মোহান
ঘার কি ইজ্জাত ছন্দা
আনোখা প্যায়ার অশোক
১৯৪৯ শবনম মনোজ
আনদাজ দিলীপ
১৯৫০ জোগান বিজয়
বাবুল অশোক
আরজু বাদল
১৯৫১ তারানা মতিলাল
হালচাল কিশোর
দিদার শামু
১৯৫২ সাঙ্গদিল শঙ্কর
দাগ শঙ্কর বিজয়ী: ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার
আন জয় তিলক
১৯৫৩ শিকাস্ট ড. রাম সিং
ফুটপাথ নশু
১৯৫৪ অমর অমরনাথ
১৯৫৫ উদান খাতোলা
ইনসানিয়াত মঙ্গল
দেবদাস দেবদাস বিজয়ী: ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার
আজাদ বিজয়ী ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার
১৯৫৭ নয়া ডর শঙ্কর বিজয়ী: ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার
মুসাফির
১৯৫৮ ইহুদী প্রিন্স মার্কাস
মধুমতি আনান্দ/দিবেন মনোনীত: ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার'
১৯৫৯ পাইগাম রতন লাল মনোনীত: ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার'
১৯৬০ কোহিনুর যুবরাজ রানা দেবেন্দ্র বাহাদুর বিজয়ীঃ ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার
মুঘল-ই-আযম প্রিন্স সেলিম
১৯৬১ গঙ্গা যমুনা গঙ্গা মনোনীত: ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার'
১৯৬৪ লিডার বিজয় খান্না বিজয়ী: ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার
১৯৬৬ দিল দিয়া দার্দ লিয়া শঙ্কর/রাজা সাহেব মনোনীত: ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার'
১৯৬৭ রাম অর শ্যাম রাম/শ্যাম (দ্বৈত ভূমিকা) বিজয়ী: ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার
১৯৬৮ সংঘর্ষ মনোনীত: ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার'
আদমী রাজেশ/রাজা সাহেব মনোনীত: ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার'
১৯৭০ সাজিনা মাহাতো সাজিনা
গোপি গোপি মনোনীত: ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার'
১৯৭২ দাস্তান অনিল/সুনীল(দ্বৈত ভূমিকা)
আনোখা মিলন
১৯৭৪ সাগিনা মনোনীত: ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার'
ফির কাব মিলোগী
১৯৭৬ বৈরাগ কৈলাশ/ভোলানাথ/সঞ্জয় (ট্রিপল ভূমিকা) মনোনীত: ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার'
১৯৮১ ক্রান্তি সানগা/ক্রান্তি
১৯৮২ বিধাতা শসসের সিং
শক্তি অশবিনী কুমার মনোনীত: ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার'
১৯৮৩ মাজদোর দিনানাথ সাক্সিনা
১৯৮৪ দুনিয়া মোহন কুমার
মশাল বিনোদ কুমার মনোনীত: ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার'
১৯৮৬ ধরম অধিকারী
কর্মা বিশ্বনাথ প্রতাপ সিং, ইলিয়াস রানা
১৯৮৯ কানুন আপনা আপনা কালেক্টার জগত প্রতাপ সিং
১৯৯০ ইজ্জতদার ব্রহ্মা দত্ত
আগ কা দরিয়া
১৯৯১ সওদাগর ঠাকুর বীর সিং মনোনীত: ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার'
১৯৯৮ কিলা জগন্নাথ / অমরনাথ সিং (দ্বৈত ভূমিকা)

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ "Peshawar’s contribution to subcontinent’s cinema highlighted"The News International। সংগৃহীত 12 January 2014 
  2. "Tragedy king Dilip Kumar turns 88"Indian Express। 11 December 2010। সংগৃহীত 21 June 2012 
  3. "Unmatched innings"The Hindu। 28 August 28। সংগৃহীত 21 June 2012 
  4. Suresh Kohli (8 January 2004)। "Celebrating The Tragedy King"The Hindu (Delhi, India)। সংগৃহীত 2012-01-30 
  5. Coomi Kapoor (8 October 2007)। "Personalised fiction, anyone?"The Star (Malaysia) (Malaysia)। সংগৃহীত 2012-01-30 
  6. "Dilip Kumar turns 86"The Hindu (Chennai, India)। 11 December 2008। সংগৃহীত 14 December 2010 
  7. ৭.০ ৭.১ Sharma, Vishwamitra (2007)। Famous Indians of the 21st CenturyPustak Mahal। পৃ: 196। আইএসবিএন 81-223-0829-5 
  8. ৮.০ ৮.১ Dawar, Ramesh (2006)। Bollywood: yesterday, today, tomorrow। Star Publications। পৃ: 8। আইএসবিএন 1-905863-01-2 
  9. ৯.০ ৯.১ A documentary on the life of Dilip Kumar. Bollywood Hungama. Retrieved 7 August 2011.
  10. ১০.০ ১০.১ "Dilip Kumar is my idol and inspiration: Amitabh Bachchan - The Times of India"। Timesofindia.indiatimes.com। 11 December 2011। সংগৃহীত 2012-08-06 
  11. Renuka Vyavahare, TNN Dec 28, 2011, 08.13PM IST (2011-12-28)। "Here’s why Dilip Kumar speaks Marathi fluently! – Times Of India"। Articles.timesofindia.indiatimes.com। সংগৃহীত 2013-09-28 
  12. ১২.০ ১২.১ Meghnad Desai, Baron Desai (2004), Nehru's hero Dilip Kumar in the life of India, Lotus Collection, Roli Books, ISBN 978-81-7436-311-4.
  13. Nihalani, Govind; Chatterjee, Saibal (2003)। Encyclopaedia of Hindi cinema। India: Popular Prakashan Pvt ltd। পৃ: 470–473। আইএসবিএন 978-81-7991-066-5। সংগৃহীত 21 June 2012 
  14. "Leading News Resource of Pakistan"। Daily Times। সংগৃহীত 2013-09-28 
  15. "rediff.com, Movies: Tragedy King Dilip Kumar"। Rediff.com। সংগৃহীত 2012-08-06 
  16. The Rediff Interview/ Dilip Kumar. Rediff. Retrieved 31 July 2011.
  17. ANALYSIS: Dilip Kumar turns 88. Daily Times. Retrieved 31 July 2011.
  18. "Dilip Kumar joins Twitter on 89th birthday"Hindustan Times। 13 December 2011। সংগৃহীত 18 September 2013 
  19. "Dilip Kumar reconnects with fans on Twitter"Indian Express। 14 December 2011। সংগৃহীত 18 September 2013 
  20. "'Excerpt from Dilip Kumar's Biography'"Tribune। Dec 2008। সংগৃহীত 3 January 2014 
  21. "'She loved Dilipsaab till the day she died'"Rediff.com। March 2008। সংগৃহীত 16 September 2013 
  22. Kumar, Anuj (6 January 2010)। "Capturing Madhubala’s pain"The Hindu। সংগৃহীত 16 September 2013 
  23. Bhatia, Ritu (2 September 2012)। "Don't mind the (age) gap"India Today। সংগৃহীত 16 September 2013 
  24. http://www.arabnews.com/spiritually-thrilled-after-umrah-dilip-kumar-extends-makkah-stay
  25. Kumar-Guinness-World-Records-TV-show.htm Dilip Kumar on TV show?
  26. "Things that u don't know about Filmfare Awards...(Part IV)"Sify Movies। 27 February 2007। সংগৃহীত 14 December 2010 
  27. "Lifetime Achievement (Popular)"। Filmfare Awards। সংগৃহীত 14 December 2010 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]