ক্যাটরিনা কাইফ
| ক্যাটরিনা কাইফ | |
|---|---|
জুলাই, ২০১২ সালে এক থা টাইগার ছবির একটি প্রচারণায় ক্যাটরিনা কাইফ |
|
| জন্ম | ১৬ জুলাই ১৯৮৪ হংকং |
| বাসস্থান | মুম্বাই, মহারাষ্ট্র, ভারত |
| জাতীয়তা | ব্রিটিশ[১] |
| বংশোদ্ভূত | ব্রিটিশ ভারতীয় |
| পেশা | মডেল, অভিনেত্রী |
| কার্যকাল | ২০০৩ - বর্তমান |
| পিতা-মাতা | মোহাম্মদ কাইফ |
| আত্মীয় | ১ ভাই ও ৭ বোন (বোন: ইসাবেল কাইফ) |
ক্যাটরিনা কাইফ (ইংরেজি: Katrina Kaif; (জন্ম: ১৬ জুলাই, ১৯৮৪[২]) বৃটিশ বংশোদ্ভূত ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী ও সাবেক মডেল তারকা যিনি হিন্দি ভাষার চলচ্চিত্র শিল্প হিসেবে খ্যাত বলিউডে অভিনয় করছেন।[৩][৪] এছাড়াও তিনি তেলেগু, মালয়ালম ভাষার ছায়াছবিতেও অংশগ্রহণ করছেন। ইস্টার্ণ আই সাময়িকীর পাঠকদের ভোটে বিশ্বে সবচেয়ে যৌনাবেদনময়ী এশীয় নারী হিসেবে ২০০৮ থেকে ২০১০ পর্যন্ত পরপর তিন বছর চিহ্নিত হয়েছেন।[৫][৬] ব্রিটিশ নাগরিক ক্যাটরিনা কর্ম ভিসা নিয়ে ভারতে কাজ করছেন।[১] তার প্রকৃত নাম ক্যাটরিনা টার্কুট।
পরিচ্ছেদসমূহ |
প্রাথমিক জীবন [সম্পাদনা]
ব্রিটিশ নাগরিকত্ব নিয়ে ভারতীয় পিতা "মোহাম্মদ কাইফ"[৭][৮][৯] এবং ইংরেজ মা "সুজানা টার্কুট" দম্পত্তির সন্তান হিসেবে ক্যাটরিনা কাইফের জন্ম হংকংয়ে।[১০] কাইফের ১ ভাই ও ৬ বোন রয়েছে।[১১] তাঁর ছোট বোনের নাম ইসাবেল কাইফ।[১২] শৈশবেই তার পিতা-মাতার মধ্যে ছাড়াছাড়ি হয়। কাইফ একবার বলেছেন যে,
| “ | দুঃখজনকভাবে বাবার ধর্ম, সমাজ কিংবা নৈতিকতা আমার উপর প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি। | ” |
কাইফের পরিবার হংকং থেকে চীনে স্থানান্তরিত হন। যখন তার বয়স ৮, তখন তারা জাহাজে চড়ে জাপান থেকে ফ্রান্সে যান। এরপর সুইজারল্যান্ড, ক্রাকোউ, বার্লিন, বেলজিয়ামসহ পূর্ব ইউরোপের অনেক দেশে গমন করেন। এ সময় ঐ দেশগুলোর প্রতিটিতে মাত্র কয়েক মাস অবস্থান করতে পেরেছেন ক্যাটরিনা।[১৩] হাওয়াই থেকে শেষ পর্যন্ত তার মায়ের জন্মভূমি ইংল্যান্ডে অবস্থান করেন। ব্যাপকভাবে লোকেরা যখন জানতে পারেন কাইফ লন্ডনের মেয়ে, চূড়ান্তভাবে তখন তিনি বছর তিনেক পূর্ব থেকেই মুম্বাইয়ে অবস্থান করছেন।[১৩]
চলচ্চিত্র ভুবনে [সম্পাদনা]
১৪ বছর বয়সে জুয়েলারীর বিজ্ঞাপনচিত্রে মডেল হন ক্যাটরিনা। মডেলস্ ওয়ান এজেন্সী'র সাথে চুক্তিতে আবদ্ধ হয়ে লন্ডনে মডেলিং কার্যক্রম চালিয়ে যান। এছাড়াও তিনি লন্ডন ফ্যাশন উইকে কাজ করেছেন।[১০] লন্ডনভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মাতা কাঈজাদ গুস্তাদ লন্ডনে মডেলিং কাজে নিয়োজিত কাইফকে চলচ্চিত্রের রূপালী পর্দায় নিয়ে আসেন।
২০০৩ সালে বুম ছবিতে কাইফকে তিনি অংশগ্রহণের সুযোগ দেন। মুম্বাইয়ে অবস্থানকালীন অনেকগুলো বিজ্ঞাপনচিত্রের প্রস্তাব পান। কিন্তু, চলচ্চিত্র পরিচালকেরা হিন্দি ভাষায় কথা বলতে না পারায় ক্যাটরিনা'র সাথে চুক্তিতে আবদ্ধ হতে দ্বিধাগ্রস্থ ছিলেন।[১৪][১৫]
২০০৫ সালে সরকার ছবিতে প্রাথমিক সাফল্য পান। ছবিতে অভিষেক বচ্চনের গার্লফ্রেণ্ড বা মেয়েবন্ধুর ভূমিকা নেন কাইফ। ঐ বছরেই ম্যায়নে পেয়ার কিউ কিয়া ছবিতে সালমান খানের সঙ্গে জুটি বাঁধেন তিনি।
২০০৬ সালে অক্ষয় কুমারের সাথে অভিনীত হামকো দিওয়ানা কর গায়ে ছবিটি ব্যবসায়িকভাবে অসফল হয়। ২০০৭ সালে কাইফের প্রধান সাফল্য আসে ব্যবসা সফল নমস্তে লন্ডন চলচ্চিত্রে অংশ নিয়ে। সেখানে তিনি একজন ব্রিটিশ-ভারতীয় মেয়ে হিসেবে অক্ষয় কুমারের সঙ্গে ২য় বারের মতো অভিনয় করেন। তারপর আপনে ছবিটি মোটামুটি সফল হলেও পার্টনার (২০০৭) এবং ওয়েলকাম ছবি দু'টি বিরাটভাবে বাণিজ্যিক সফলতা লাভ করে। উভয় ছবিই ব্লকবাস্টারের মর্যাদা পায়।[১৬]
২০০৮ সালে তিনি আব্বাস-মুশতানের সাংঘর্ষিক ও আদি-ভৌতিক চলচ্চিত্র রেস ছবিতে প্রথমবারের মতো খলনায়িকার চরিত্রে অভিনয় করেন। ছবিতে সাঈফ আলী খানের ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে গোপনে বৈমাত্রেয় ভাই অক্ষয় খান্না'র সাথে প্রেমে পড়েন ক্যাটরিনা। এ বছরে তার দ্বিতীয় মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি হিসেবে এ্যানিজ বাজমিজের প্রযোজনায় সিং ইজ কিং ছবিতে অক্ষয় কুমারের সাথে অভিনয় করেন। ছবিটি ব্যবসায়িক দিক দিয়ে অনেক বেশী সফলকাম হয়। কিন্তু বছরের শেষ ছবি হিসেবে সুভাষ ঘাইয়ের যুবরাজ ছবিটি বাণিজ্যিকভাবে ব্যর্থ হয়।[১৭] কিন্তু ছবির শিল্পমান, স্বাভাবিক দৃশ্যাবলীর কারণে একাডেমী অব মোশন পিকচার আর্টস্ এণ্ড সায়েন্সেস কর্তৃক ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়।[১৮][১৯]
২০০৯ সালে নিউইয়র্ক ছবিতে জন আব্রাহামের সাথে অভিনয় করেন। ছবিটি ব্যাপকভাবে আলোড়ন সৃষ্টি করে ও বাণিজ্যিক দৃষ্টিকোণে সফলতা লাভ করে।[২০] কাইফের অভিনয়শৈলী অতি উচ্চমাত্রায় প্রশংসিত হয়েছিল। চলচ্চিত্র সমালোচক তরণ আদর্শ বলেন, "ক্যাটরিনা সবচেয়ে বড় আশ্চর্যান্বিত করেছে। চলচ্চিত্র জগতে তার ভূমিকা ব্যাপকভাবে পরিচিতি পেয়েছে। ক্যাটরিনা প্রমাণ করেছেন যে তিনি পরিচালক এবং চিত্রনাট্যকারের খাতিরে যে-কোন চলচ্চিত্রেই অভিনয় করতে সক্ষম। তিনি অসাধারণ। এছাড়াও, দর্শকেরা নতুন ও আলাদা ক্যাটরিনাকে এ সময়ে দেখছে।"[২১] পরবর্তীতে তিনি অনেক নায়ক-নায়িকা সমৃদ্ধ ব্লু ছবিতে অভিনয় করেন। ছবিটিতে ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতে দর্শকেরা প্রথমবারের মতো পানির নীচে ভৌতিক দৃশ্য দেখতে পান। কিন্তু সন্তোষজনকভাবে বক্স অফিসে সফলতা নিয়ে আসতে পারেনি।[২২][২৩] বছরের শেষ দিকে তিনি রণবীর কাপুরের সাথে আজব প্রেম কি গজব কাহানী ও অক্ষয় কুমারের সাথে দে দনা ডন ছবিতে অভিনয় করেন। দু'টো ছবিই বাণিজ্যিকভাবে সফলতার মুখ দেখে।
২০১০ সালে রণবীর কাপুরের বিপরীতে রাজনীতি ছবিতে নায়িকা হিসেবে অবতীর্ণ হন। ছবিটি প্রকৃত অর্থেই বক্স অফিস হিট করে এবং ব্লকবাস্টার খেতাব অর্জন করে।[২৪] এছাড়াও ফারাহ খানের পরিচালনায় টিজ মার খান ছবিতে অক্ষয় কুমারের সাথে অভিনয় করেন। ছবিটি ২৪ ডিসেম্বর মুক্তি পেয়েছিল।[২৫] কিন্তু ছবিটি তেমন সাফল্য না পেলেও, কাঈফের মুখে শীলা কি জবানী গানটি সকলের মুখে মুখে গাইতে দেখা যায়।
চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি ক্যাটরিনা কাইফ বিপুলসংখ্যক বিজ্ঞাপন চিত্রে নিয়মিতভাবে অংশগ্রহণ করছেন। ফলে বলিউড অভিনেত্রী হিসেবে শীর্ষ করদাতা হিসেবেও তিনি নিজেকে স্থান করে নেন।[২৬]
কণ্ঠস্বর [সম্পাদনা]
প্রথম দিকে হিন্দি ভাষাসহ ভারতীয় অন্যান্য ভাষায় তার জ্ঞান কম থাকায় ক্যাটরিনা কাইফের কণ্ঠস্বরকে পরিত্যাগ করে অনেকগুলো ছবিতে অন্য অভিনেত্রীর মাধ্যমে ভাষাকে নির্দিষ্ট মানদণ্ডে আনতে হয়। ব্যতিক্রম হিসেবে রয়েছে দে দনা ডন। এছাড়াও, সূচনালগ্নের সিং ইজ কিং, নমস্তে লন্ডন এবং বুম - ছবিগুলোয় তার প্রকৃত কণ্ঠস্বর শুনতে পাওয়া যায়।
চলচ্চিত্রে অংশগ্রহণ [সম্পাদনা]
| ক্রমিক নং | সাল | চলচ্চিত্রের নাম | ভূমিকা | মন্তব্য |
|---|---|---|---|---|
| ১ | ২০০৩ | বুম | রিনা কাইফ/পপদী চিঞ্চপোকলী | |
| ২ | ২০০৪ | মালিশ্বরী | প্রিন্সেস মালিশ্বরী | তেলেগু ছবি |
| ৩ | ২০০৫ | সরকার | পুজা | |
| ৪ | ২০০৫ | ম্যায়নে পেয়ার কিও কিয়া | সোনিয়া | |
| ৫ | ২০০৫ | অলারী পিদুগু | শ্বেতা | তেলেগু ছবি |
| ৬ | ২০০৬ | হাম কো দিওয়ানা কর গায়ে | জিয়া এ. যশবর্ধন | |
| ৭ | ২০০৬ | বলরাম ভার্সাস তারাদাস | সুপ্রিয়া | মালয়ালম ছবি |
| ৮ | ২০০৭ | নমস্তে লন্ডন | জসমিৎ মালহোত্রা (জজ) | |
| ৯ | ২০০৭ | আপনে | নন্দীনি | |
| ১০ | ২০০৭ | পার্টনার | প্রিয়া জয়সিং | |
| ১১ | ২০০৭ | ওয়েলকাম | সঞ্জনা শেঠী | |
| ১২ | ২০০৮ | রেস | সোফি | |
| ১৩ | ২০০৮ | সিং ইজ কিং | সোনিয়া | |
| ১৪ | ২০০৮ | হ্যালো | দ্য স্টোরীটেলার/গড | ক্যামিও |
| ১৫ | ২০০৮ | যুবরাজ | অনুস্কা বান্তন | |
| ১৬ | ২০০৯ | নিউইয়র্ক | মায়া | ফিল্মফেয়ার সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার |
| ১৭ | ২০০৯ | বুম | নিক্কি | ক্যামিও |
| ১৮ | ২০০৯ | আজব প্রেম কি গজব কাহানী | জেনিফার (জেনি) | |
| ১৯ | ২০০৯ | দে দনা ডন | অঞ্জলী কক্কদ | |
| ২০ | ২০১০ | রাজনীতি | ইন্দু প্রতাপ[২৭] | |
| ২১ | ২০১০ | টিস মার খান | এনিয়া/শীলা | |
| ২২ | ২০১১ | জিন্দেগী না মিলেগী দোবারা | লায়লা | |
| ২৩ | ২০১১ | মেরে ব্রাদার কি দুলহান | ডিম্পল দীক্ষিত | ফিল্মিং |
| ২৪ | ২০১১ | বডিগার্ড | নিজ | আইটেম গান |
| ২৫ | ২০১১ | ম্যা কৃষ্না হু | রাধা | |
| ২৬ | ২০১২ | এক থা টাইগার | জয়া | |
| ২৭ | ২০১২ | যাব তাক হ্যায় জান | মীরা | |
| ২৮ | ২০১৩ | ধুম ৩ |
পুরস্কার প্রাপ্তি [সম্পাদনা]
| ক্রমিক নং | সাল | পুরস্কারের নাম ও বিভাগ | ছবির নাম |
|---|---|---|---|
| ১ | ২০০৬ | স্টারডাস্ট ব্রেকথ্রো পারফরম্যান্স এ্যাওয়ার্ড (মহিলা) | ম্যায়নে পেয়ার কিও কিয়া |
| ২ | ২০০৬ | আইডিয়া জি এফ এ্যাওয়ার্ডস: ফ্যাশন ডিবা অব দি ইয়ার[২৮] | |
| ৩ | ২০০৮ | জি সিনে এ্যাওয়ার্ডস্: ব্রিটিশ ইন্ডিয়ান এ্যাক্টর এ্যাওয়ার্ড | |
| ৪ | ২০০৮ | আইআইএফএ এ্যাওয়ার্ডস্: স্টাইল ডিবা অব দি ইয়ার | |
| ৫ | ২০০৮ | সবসে ফেভারিট কৌন এ্যাওয়ার্ডস্: সবসে জনপ্রিয় নায়িকা সিং ইজ কিং | |
| ৬ | ২০০৮ | অপ্সরা ফিল্ম প্রোডিওসার গিল্ড অব ইন্ডিয়া এ্যাওয়ার্ডস্: স্টাইল ডিবা অব দি ইয়ার | |
| ৭ | ২০০৯ | রাজীব গান্ধী এ্যাওয়ার্ড[২৯] | |
| ৮ | ২০০৯ | স্টার স্ক্রিণ এ্যাওয়ার্ডস্: বছরের সেরা বিনোদনকারী[৩০] | |
| ৯ | ২০১০ | স্টারডাস্ট এ্যাওয়ার্ড: সেরা অভিনেত্রী (পপুলার এ্যাওয়ার্ড) | নিউইয়র্ক ও আজব প্রেম কি গজব কাহানী[৩১] |
| ১০ | ২০১১ | স্টার স্ক্রিণ এ্যাওয়ার্ড: সেরা অভিনেত্রী (পপুলার চয়েজ) | |
| ১১ | ২০১১ | অপ্সরা এ্যাওয়ার্ডস্: হিন্দুস্তান টাইমসের পাঠকদের দৃষ্টি বছরের সেরা (অভিনেত্রী)[৩২] |
তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]
- ↑ ১.০ ১.১ "Working in Bollywood for years, but shy of citizenship?"। The Times of India। Aug 30, 2010। http://timesofindia.indiatimes.com/india/Working-in-Bollywood-for-years-but-shy-of-citizenship/articleshow/6458769.cms।
- ↑ "Katrina changes birthday plans for Zoya's film"। NDTV - via - Indo-Asian News Service। July 15, 2010। সংগৃহীত December 15, 2010।
- ↑ "UK-Indian actress lands role in Bollywood film 'Veer'"। The Indian Express। 28 April 2009। সংগৃহীত 2010-09-16।
- ↑ Dhingra, Deepali (18 August 2009)। "The Kat's out of the bag!"। The Times of India। http://timesofindia.indiatimes.com/entertainment/bollywood/news-interviews/The-Kats-out-of-the-bag/articleshow/4901960.cms। সংগৃহীত 2010-09-18।
- ↑ "Katrina Kaif voted 'Sexiest Woman in the World' again"। Eastern Eye। India Today। সংগৃহীত 2010-12-12।
- ↑ "Sexy List"। EasternEye.eu। সংগৃহীত 2011-03-11।
- ↑ Cine blitz, Volume 29, Issue 2. Blitz Publications. http://books.google.com/books?id=AUkqAAAAYAAJ&q=katrina+kaif+indian+name+kashmiri&dq=katrina+kaif+indian+name+kashmiri&hl=en&ei=OMqvTPTSNsP48Aau1aGeCQ&sa=X&oi=book_result&ct=result&resnum=1&ved=0CDMQ6AEwAA। সংগৃহীত 2007–03–25. "Katrina Kaif is my real name. Kaif is my father's surname, he is Kashmiri," she bristled. "When I joined films I decided to take his surname, since I felt people would be able to associate better with an Indian surname."
- ↑ Parvéz Dewân's Jammû, Kashmîr, and Ladâkh: Kashmîr. Manas Publications. http://books.google.com/books?id=fF0wAQAAIAAJ&q=katrina+kaif+kashmiri&dq=katrina+kaif+kashmiri&hl=en&ei=MK-qTIDbHcH38AawsJWwCA&sa=X&oi=book_result&ct=result&resnum=1&ved=0CCkQ6AEwAA। সংগৃহীত 2007–03–25. "Today if a person has even a drop of Kashmiri blood in his veins he proclaims it proudly. From novelist Salman Rushdie to writer MJ Akbar and actress-fashion model Katrina Kaif, people everywhere are celebrating their Kashmiri roots."
- ↑ India today, Volume 27. Thomson Living Media India Ltd.. http://books.google.com/books?id=FFJDAAAAYAAJ&q=katrina+kaif+kashmiri&dq=katrina+kaif+kashmiri&hl=en&ei=MK-qTIDbHcH38AawsJWwCA&sa=X&oi=book_result&ct=result&resnum=3&ved=0CDEQ6AEwAg। সংগৃহীত 2007–03–25. "Half-Kashmiri. half-Brit. Kaif is one of three leading ladies (besides Madhu Sapre and Salman Rushdie's muse Padma ..."
- ↑ ১০.০ ১০.১ Pathiyan, Priya (2003-03-16)। "'I'm not involved with Salman Khan'"। Times of India। http://timesofindia.indiatimes.com/articleshow/40363538.cms। সংগৃহীত 2003-03-16।
- ↑ "Home of the Daily and Sunday Express | Film :: Tees Maar Khan: A British Bollywood Barbie!"। Express.co.uk। 2011-01-23। সংগৃহীত 2011-08-24।
- ↑ http://www.dw-world.de/dw/article/0,,5269439,00.html
- ↑ ১৩.০ ১৩.১ "I'm not dumb: Katrina"। The Time's of India - via - Indo-Asian News Service। December 26, 2010। http://timesofindia.indiatimes.com/entertainment/bollywood/news-interviews/Im-not-dumb-Katrina/articleshow/7162203.cms। সংগৃহীত January 31, 2011।
- ↑ Krishna, Kaavya। "Katrina Kaif Profile - Sify.com"। Sify। সংগৃহীত 2009-07-07।
- ↑ "Katrina kaif new and promotion of 'Raajneeti' pics."।
- ↑ "Box Office 2007"। BoxOffice India.com।
- ↑ "Box Office 2008"। BoxOfficeIndia.com।
- ↑ "'Yuvvraaj' finds its way to the Oscar Library"। IndiaGlitz। সংগৃহীত 2010-12-23।
- ↑ Script error
- ↑ "Katrina Kaif"। timescontent.com। সংগৃহীত 2009-07-01।
- ↑ Adarsh, Taran। "Bollywood Hungama Review: New York"। Bollywood Hungama। সংগৃহীত 2009-06-26।
- ↑ IANS। "Gear up for India’s first underwater thriller in ‘Blue’"। Thaindian News। সংগৃহীত 2009-10-15।
- ↑ "Blue Has Good First Week All The Best Steady"। Boxofficeindia.Com। সংগৃহীত 2009-10-24।
- ↑ "Raajneeti : Complete Cast and Crew details"। Bollywoodhungama.com। 2010-06-04। সংগৃহীত 2010-12-23।
- ↑ "Makers of Tees Maar Khan build Jumbo Jet for Akki's deadly intro sequence"। Bollywoodhungama.com। 2010-02-15। সংগৃহীত 2010-12-23।
- ↑ Times News Network (2011-03-13)। "Ad-vantage B-Town bombshells"। The Times of India। http://articles.timesofindia.indiatimes.com/2011-03-13/news-interviews/28685915_1_ad-revenue-ad-vantage-endorsement। সংগৃহীত 2011-03-20।
- ↑ Retrieved 05 Mar. 2010
- ↑ "Amitabh, Rekha win Idea Zee F awards : Bollywood News"। ApunKaChoice.Com। 2006-05-14। সংগৃহীত 2010-12-23।
- ↑ "Shahid Kapoor, Katrina Kaif among Rajiv Gandhi Awards winners"। New Kerala। সংগৃহীত 2009-08-19।
- ↑ "Winners of Nokia 16th Annual Star Screen Awards 2009"। Bollywoodhungama.com। 2010-01-09। সংগৃহীত 2010-12-23।
- ↑ "Winners of Max Stardust Awards 2010"। Bollywoodhungama.com। 2010-01-18। সংগৃহীত 2010-12-23।
- ↑ [১]
বহিঃসংযোগ [সম্পাদনা]
| উইকিমিডিয়া কমন্সে নিচের বিষয় সংক্রান্ত মিডিয়া রয়েছে: ক্যাটরিনা কাইফ |