মোহাব্বত জান চৌধুরী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মোহাব্বত জান চৌধুরী
আনুগত্যবাংলাদেশ
সার্ভিস/শাখাবাংলাদেশ সামরিক বাহিনী
পদমর্যাদালেফটেন্যান্ট জেনারেল
নেতৃত্বসমূহ
  • সাবেক মহাপরিচালক- প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) (১৯৮০-১৯৮২)।

মোহাব্বত জান চৌধুরী একজন বাংলাদেশী সাবেক মেজর জেনারেলরাজনীতিবিদ ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি ডিজিএফআই মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। [১][২]

জন্ম ও বংশ[সম্পাদনা]

মোহাব্বত জান চৌধুরী তৎকালীন ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার একটি সম্ভ্রান্ত বাঙ্গালী মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন​, যারা খাঁনপুরের জমিদার হিসাবে পরিচিত। তাঁর বাবা সাঈদ জান চৌধুরী ছিলেন একজন সরকারী কর্মচারী যিনি ১৯৮৪ সালে মারা যান এবং তাঁর দাদা রহমত জান চৌধুরী ছিলেন খানপুর জমিদারীর প্রতিষ্ঠাতা। মোহাব্বত জান চৌধুরীর পরদাদা আহমদ জান চৌধুরী ছিলেন পাবনা জেলার দুলাই ও পার্শ্ববর্তী এলাকার বিখ্যাত জমিদার আজিম চৌধুরীর বড় ছেলে। তাঁদের পূর্বপুরুষ শরফুদ্দীন সরকার তুর্কেস্তানের সমরকন্দ শহর থেকে বাংলায় এসে দুলাই গাঁওয়ে বসতি স্থাপন করেছিলেন।[৩] পরদাদা আহমদ জান চৌধুরীর অকাল মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রী পুত্র রহমত জান চৌধুরীকে সাথে নিয়ে নিজের বাবার বাড়ি খানপুরে ফিরে যান। মোহাব্বত জান চৌধুরীর মা উলানিয়া জমিদার বাড়ির অন্যতম সাহেবজাদী।[৪]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

মোহাব্বত জান চৌধুরী পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমিতে প্রশিক্ষিত। ১৯৫৫ সালের সেপ্টেম্বরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে দ্বিতীয় লেফটেন্যান্ট হিসেবে যোগ দেন। তিনি স্টাফ সদর দফতর, মিলিটারি ট্রেনিং স্কুলসহ কয়েকটি পদে চাকরি করেন এবং ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্সে কাজ করেন। স্বাধীনতার পর তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। বাংলাদেশ রাইফেলসে ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। সেনাবাহিনীর সিগন্যাল কর্পসের পরিচালক এবং তারপর মহাপরিচালক ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ও জন প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। [৫]

অবসর গ্রহণের পর মোহাব্বত জান চৌধুরী রাজনীতিতে যোগ দিলেন। ফরিদপুর থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, ত্রাণ ও পুনর্বাসনের মন্ত্রী, সংস্থাপন মন্ত্রী ও খাদ্য মন্ত্রী ছিলেন। তিনি দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ডাইনামিক কমিউনিকেশনস এবং ট্রাস্ট নিটওয়্যার নিটওয়্যারের চেয়ারম্যান । তিনি মাইক্রো ইন্ডাস্ট্রিজ ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যান্ড সার্ভিসেস (MIDAS) এর পরিচালক। [৫]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Drama over enquiry"The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। ২৮ এপ্রিল ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১২ ডিসেম্বর ২০১৭ 
  2. "Trial targeted freedom fighter officers"The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। ২৯ এপ্রিল ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১২ ডিসেম্বর ২০১৭ 
  3. পিণ্টু, ডাঃ আশরফ (২২ জানুয়ারি ২০২১)। "জমিদার আজিম চৌধুরী জেগে থাকে স্মৃতিরা"দৈনিক নয়া দিগন্ত 
  4. আলতব হোসেন (১৩ আগস্ট ২০২১)। "জমিদার আজিম চৌধুরী (২য় পর্ব)"আমাদের সুজানগর 
  5. "Maj. Gen. (Retd.) Mahabbat Jan Chowdhury"MIDAS। ১২ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ ডিসেম্বর ২০১৭