নাইজার নদী
| নাইজার নদী Fleuve Niger (Joliba, Orimiri, Isa Ber, Oya, gher n gheren) | |
| আদি নাম: Unknown. Likely From Berber for River gher | |
| দেশসমূহ | Guinea, Mali, Niger, Benin, Nigeria |
|---|---|
| উপনদী | |
| - বাঁদিকে | Sokoto River, Kaduna River, Benue River |
| - ডানদিকে | Bani River |
| নগরসমূহ | Tembakounda, Bamako, Timbuktu, Niamey, Lokoja, Onitsha |
| উৎস | Guinea Highlands |
| মোহনা | Atlantic Ocean |
| - অবস্থান | Gulf of Guinea, Nigeria |
| দৈর্ঘ্য | ৪,১৮০ কিলোমিটার (২,৫৯৭ মাইল) |
| অববাহিকা | ২১,১৭,৭০০ বর্গকিলোমিটার (৮,১৭,৬৪৯ বর্গমাইল) |
| প্রবাহ | for Niger Delta |
| - গড় | ৫,৫৮৯ m³/s (১,৯৭,৩৭৪ ft³/s) [১] |
| - সর্বোচ্চ | ২৭,৬০০ m³/s (৯,৭৪,৬৮৫ ft³/s) [২] |
| - সর্বোনিম্ন | ৫০০ m³/s (১৭,৬৫৭ ft³/s) |
নাইজার নদী (/ˈnaɪdʒər/ NY-jər; ফরাসি: (le) fleuve Niger, উচ্চারণ: [(lə) flœv niʒɛʁ]) পশ্চিম আফ্রিকার প্রধান নদী যা দৈর্ঘ্যে প্রায় ৪,১৮০ কিমি (২,৬০০ মা)। এর অববাহিকার আয়তন ২১,১৭,৭০০ কিমি২ (৮,১৭,৬০০ মা২)।[৩] নদীটির উৎস গিনির দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত গিনি হাইল্যান্ডস। এটি মালি, নাইজারের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বেনিনের সীমান্ত ঘেঁসে নাইজেরিয়াতে প্রবেশ করে। এরপর নাইজেরিয়ায় একটি বিশাল ব-দ্বীপের সৃষ্টি করে, যা নাইজার ব-দ্বীপ নামে পরিচিত, নদীটি গিনি উপসাগরের মাধ্যমে আটলান্টিক মহাসাগরে পতিত হয়।
ভূগোল
[সম্পাদনা]নাইজার নদী তুলনামূলকভাবে একটি "পরিষ্কার" নদী, যা নীল নদের এক-দশমাংশের পলি বহন করে, কারণ নাইজারের উৎস নালাটি প্রাচীন পাথরে অবস্থিত, যা সামান্য পলি সরবরাহ করে।[৪] নীল নদের মতো, প্রতি বছর নাইজারে বন্যা হয়; এটি সেপ্টেম্বরে শুরু হয়, নভেম্বর মাসে প্রবল আকার ধারণ করে এবং মে মাসে শেষ হয়।[৪]
নদীর একটি অস্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য হ'ল আভ্যন্তরীণ নাইজার বদ্বীপ, এটি গঠন করে যেখানে এর নতিমাত্রা বা ভূমির ঢাল হঠাৎ হ্রাস পেয়েছে।[৪] ফলস্বরূপ বেলজিয়ামের আকারের তীরযুক্ত স্রোত, জলাভূমি এবং হ্রদ অঞ্চল গঠিত হয়েছে; এই অঞ্চলের বন্যা বদ্বীপে মাছ ধরা এবং কৃষিকাজ উভয়ের জন্যই অত্যন্ত উৎপাদনশীল করে তোলে।[৫]
সাগু এবং তিম্বুক্টুর মধ্যবর্তী অভ্যন্তরীণ বদ্বীপে নদীর জলস্রোত ও বাষ্পীভবনের জন্য নদীটি তার সম্ভাব্য প্রবাহের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ হারায়। বনি নদীর সমস্ত জল, যা মোপ্তির বদ্বীপে প্রবাহিত হয়, তা 'ক্ষতির' ক্ষতিপূরণ সম্পূর্ণ করতে পারে না। অনুমান করা হয় গড় 'ক্ষতি' প্রায় ৩১ ঘন কিমি/বছর, তবে বছরের মধ্যে যথেষ্ট পরিবর্তিত হয়।[৬] এরপরে এই নদীটি বিভিন্ন শাখা-প্রশাখারীর সাথে যুক্ত হয়, তবে বাষ্পীভবনের জন্য আরও জল হারাতে থাকে। ১৯৮০- এর দশকের আগে ইওলায় নাইজেরিয়ায় পরিমাপিত জলের পরিমাণ ২৫ ঘন কিমি/বছর ছিল এবং ১৯৮০-এর দশকে ১৩.৫ ঘন কিমি/বছর অনুমান করা হয়। নাইজেরিয়ার নাইজারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপনদীটি বেনু নদী, যা নাইজেরিয়ার লোকোজায় নদীর সাথে মিশে গেছে। ১৯৮০-এর দশকের আগে নদীর মোহনার নিকটে জলের প্রবাহ ১৭৭.০ ঘন কিমি/বছর এবং ১৯৭০- এর দশকে ১৪৭.৩ ঘন কিমি/বছর দাঁড়িয়ে ছিল, নাইজেরিয়ার মোট উপনদীগুলির জলের প্রবাহের আয়তন নাইজেরিয়ার প্রবাহের চেয়ে ছয়গুণ বেশি।[৬]
অস্বাভাবিক প্রবাহ পথ
[সম্পাদনা]নাইজার যেকোন বড় নদীগুলির মধ্যে সবচেয়ে অস্বাভাবিক প্রবাহ পথে প্রবাহিত হয়, এটি একটি বুমেরাং (অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীদের অস্ত্রবিশেষ) আকার, যা দুটি শতাব্দী ধরে ভৌগোলিকদেরকে বিস্মিত করে। এর উৎস আটলান্টিক মহাসাগর থেকে মাত্র ২৪০ কিলোমিটার (১৫০ মাইল) অভ্যন্তরে, তবে নদীটি সমুদ্র থেকে সরাসরি সাহারা মরুভূমিতে চলে যায়, তারপরে প্রাচীন শহর টিমবুক্টু (টম্বাক্টু) এর নিকটে একটি ডানদিকে বাঁক নিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয় এবং গিনি উপসাগরে মিলিত হয়।
স্পষ্টতই এই অদ্ভুত ভূগোলটি ঘটেছিল কারণ নাইজার নদী হ'ল দুটি প্রাচীন নদী মিলিত প্রবাহ। উচ্চ অংশের নাইজারটি তিম্বুক্টুর পশ্চিমে উৎপন্ন হয়ে তিম্বুক্টুর নিকটবর্তী বর্তমান নদীর বাঁক পর্যন্ত প্রবাহিত হয়ে তিম্বুক্টুর পূর্ব-উত্তর দিকে এখন একটি শুকনো হ্রদে পরিণত হয়েছিল, যখন নিম্নাংশের নাইজারটি টিমবুক্টুর দক্ষিণে শুরু হয়ে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে গিনি উপসাগরে মিলিত হয়, সময়ের সাথে সাথে নিম্ন নাইজের দ্বারা উজানের ক্ষয়ের ফলে উচ্চ অংশের নাইজার নিন্ম নাইজারে মিলিত হয় এবং একই সঙ্গে প্রবাহিত হতে শুরু করে।[৭]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Accessed 2010-10-22.
- ↑ "Accessed 2010-10-22."। ১ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ মে ২০১৬।
- ↑ Gleick, Peter H. (২০০০), The World's Water, 2000-2001: The Biennial Report on Freshwater, Island Press, পৃ. ৩৩, আইএসবিএন ১-৫৫৯৬৩-৭৯২-৭; online at Google Books
- 1 2 3 Reader 2001, পৃ. 191।
- ↑ Reader 2001, পৃ. 191–192।
- 1 2 FAO:Irrigation potential in Africa: A basin approach, The Niger Basin ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ তারিখে, 1997
- ↑ Tom L. McKnight; Darrel Hess (২০০৫)। "16, "The Fluvial Processes""। Physical Geography: A Landscape Appreciation (8th সংস্করণ)। Upper Saddle River, New Jersey: Pearson, Prentice Hall। পৃ. ৪৬২। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৩-১৪৫১৩৯-১।
উৎস
[সম্পাদনা]- Reader, John (২০০১), Africa, Washington, D.C.: National Geographic Society, আইএসবিএন ৯৭৮-০-৬২০-২৫৫০৬-৬
- Thomson, J. Oliver (১৯৪৮), History of Ancient Geography, Biblo & Tannen Publishers, আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮১৯৬-০১৪৩-৮
{{citation}}: আইএসবিএন / তারিখের অসামঞ্জস্যতা (সাহায্য) - Welcomme, R.L. (১৯৮৬), "The Niger River System", Davies, Bryan Robert; Walker, Keith F. (সম্পাদকগণ), The Ecology of River Systems, Springer, পৃ. ৯–৬০, আইএসবিএন ৯৭৮-৯০-৬১৯৩-৫৪০-৭
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- Information and a map of the Niger's watershed http://www.wri.org/resources
- Map of the Niger River basin at Water Resources eAtlas (link broken)
- Niger Currents: Exploring life and technology along the Niger River
- Pierre Maas and Geert Mommersteeg, Fishing in the Pondo, 1990, Saudi Aramco World ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৮ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে
আন্তর্জাতিক আইন এবং নাইজার নদী
[সম্পাদনা]- Bibliography on Water Resources and International Law Peace Palace Library
- Fabio Spadi, "The ICJ Judgment in the Benin-Niger Border Dispute: the interplay of titles and ‘effectivités’ under the uti possidetis juris principle", Leiden Journal of International Law ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৯ সেপ্টেম্বর ২০০৬ তারিখে https://openaccess.leidenuniv.nl/handle/1887/13541(2005) 4, pp. 777–794.

