টম এমেট

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
টম এমেট
Tom Emmett 001.jpg
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামটমাস এমেট
জন্ম(১৮৪১-০৯-০৩)৩ সেপ্টেম্বর ১৮৪১
হালিফ্যাক্স, ইয়র্কশায়ার, ইংল্যান্ড
মৃত্যু২৯ জুন ১৯০৪(1904-06-29) (বয়স ৬২)
লিচেস্টার, ইংল্যান্ড
ব্যাটিংয়ের ধরনবামহাতি
বোলিংয়ের ধরনবামহাতি ফাস্ট (রাউন্ডআর্ম)
সম্পর্কআর্থার এমেট (পুত্র)
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ )
১৫ মার্চ ১৮৭৭ বনাম অস্ট্রেলিয়া
শেষ টেস্ট১৪ মার্চ ১৮৮২ বনাম অস্ট্রেলিয়া
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৮৬৬–১৮৮৮ইয়র্কশায়ার
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ৪২৬
রানের সংখ্যা ১৬০ ৯,০৫৩
ব্যাটিং গড় ১৩.৩৩ ১৪.৮৪
১০০/৫০ ০/০ ১/২৪
সর্বোচ্চ রান ৪৮ ১০৪
বল করেছে ৭২৮ ৬০,১৩৫
উইকেট ১,৫৭২
বোলিং গড় ৩১.৫৫ ১৩.৫৫
ইনিংসে ৫ উইকেট ১২২
ম্যাচে ১০ উইকেট ২৯
সেরা বোলিং ৭/৬৮ ৯/২৩
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৯/– ২৭৬/–
উৎস: ক্রিকেইনফো, ১৩ আগস্ট ২০১৭

টমাস (টম) এমেট (ইংরেজি: Tom Emmett; জন্ম: ৩ সেপ্টেম্বর, ১৮৪১ - মৃত্যু: ২৯ জুন, ১৯০৪) পশ্চিম ইয়র্কশায়ারের হালিফ্যাক্স এলাকায় জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিলেন।[১] ১৮৬০-এর দশকের শেষার্ধ্ব থেকে শুরু করে ১৮৮০-এর দশকের সূচনালগ্ন পর্যন্ত ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন টম এমেট। ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ইয়র্কশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। দলে তিনি মূলতঃ অল-রাউন্ডার ছিলেন। বামহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বামহাতে ফাস্ট বোলিং করতেন।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

২৫ বছর বয়সে ইয়র্কশায়ারের পক্ষে প্রথম যোগ দেন। পেশাদার ফাস্ট বামহাতি বোলার হিসেবে রাউন্ডআর্ম ভঙ্গীমার কাছাকাছি তার বোলিং ছিল। তবে খেলোয়াড়ী জীবনের শেষদিকে তার বোলিং স্লো-মিডিয়াম ছিল। খেলোয়াড়ী জীবনে প্রবেশ করেই নিজেকে বিকশিত করেন ও ক্রিকেটের প্রায় সর্বোচ্চ চূড়ায় আরোহণ করেন। ১৮৬৭ সালের নিজস্ব দ্বিতীয় মৌসুমে ওভালে ইংল্যান্ডের সদস্যরূপে সারেটম লকিয়ারের আর্থিক সুবিধাভোগের খেলায় অংশ নেন। তৎকালীন সেরা বোলার জর্জ ফ্রিম্যানের সাথে একই সময়ে নিজস্ব সেরা বোলিংয়ে অগ্রসর হন। তারা উভয়েই ১৮৬৭ থেকে ১৮৭১ সালের শেষদিক পর্যন্ত ইংরেজ বোলিংয়ে একচ্ছত্র প্রাধান্য বিস্তার করতে থাকেন। তবে, ব্যবসায়িক দায়বদ্ধতার কারণে, ফ্রিম্যানকে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট থেকে সরে আসতে হলেও এমেট খেলা চালিয়ে যান ও দলীয় সঙ্গী অ্যালেন হিলের সাথে নিজের ছন্দ বজায় রাখেন। শেষের দিনগুলোয় ইয়র্কশায়ারের বোলিং আক্রমণে জর্জ ইউলিট, বিলি বেটস, টেড পিটববি পিলের সাথে সহজাত খেলা উপহার দেন। ‘সস্টেনাটার’ নামের নিজস্ব বোলিং ডেলিভারিটি তার অসামান্য অবদান। পিচের লেগের দিকে বল স্পর্শ করে বেশ দূরত্ব অতিক্রম করে অফ-স্ট্যাম্পের দিকে বল চলে যেতো।

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

এমেট তিনবার অস্ট্রেলিয়া সফরে যান ও একবার উত্তর আমেরিকা গমন করেন। সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে সাত টেস্টে অংশগ্রহণ করেন। তন্মধ্যে টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসের প্রথম টেস্ট খেলাটি ছিল অন্যতম। ১৮৭৮-৭৯ মৌসুমে লর্ড হ্যারিস একাদশ দলের প্রধান বোলিং মেরুদণ্ড ছিলেন তিনি। ১৮৭৮ থেকে ১৮৮২ সময়কালে ইয়র্কশায়ারকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এমেট। ১৯৬০ সালে ভিক উইলসনের দায়িত্ব নেয়ার পূর্বে তিনিই সর্বশেষ পেশাদার ইয়র্কশায়ার অধিনায়ক ছিলেন।

ইতিহাসের প্রথম টেস্টে ইংল্যান্ড দল টসে পরাজিত হয়ে ফিল্ডিংয়ে নামে। ইংরেজ অধিনায়ক জেমস লিলিহোয়াইট মেলবোর্নের পিচে টম এমেটসহ দলকে মাঠে নামান। ৩৫ বছর ১৯৩ দিন বয়সে টম এমেট মাঠে নামলে হ্যারি জাপের চেয়ে ৭৭ দিন বয়সে বড় হন।

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

গ্রেস নাম্নী তিন বছরের ছোট এক রমণীর পাণিগ্রহণ করেন তিনি। তাদের সংসারে ক্লারা, ফ্রান্সেস, এভলিন ও এডিথ নাম্নী চার কন্যা এবং আর্থার ও আলবার্ট নামীয় দুই পুত্র সন্তান ছিল। তন্মধ্যে, আর্থার ১৯০২ সালে লিচেস্টারশায়ারের পক্ষে খেলেন। ২৯ জুন, ১৯০৪ তারিখে ৬২ বছর বয়সে লিচেস্টারে তার দেহাবসান ঘটে; যদিও ৩০ জুন তারিখকে সর্বত্র প্রচার করা হয়েছিল।[১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Warner, David (২০১১)। The Yorkshire County Cricket Club: 2011 Yearbook (ইংরেজি ভাষায়) (113th সংস্করণ)। Ilkley, Yorkshire: Great Northern Books। পৃষ্ঠা 87। আইএসবিএন 978-1-905080-85-4 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

পূর্বসূরী
নেড গ্রিগরি
বয়োঃজ্যেষ্ঠ জীবিত ক্রিকেটার
২২ এপ্রিল, ১৮৯৯ - ৩০ জুন, ১৯০৪
উত্তরসূরী
ই. এম. গ্রেস