এই পাতাটি অর্ধ-সুরক্ষিত। শুধুমাত্র নিবন্ধিত ব্যবহারকারীরাই সম্পাদনা করতে পারবেন।

উইকিপিডিয়া:নির্বাচিত নিবন্ধ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search

বাংলা উইকিপিডিয়ার নির্বাচিত নিবন্ধসমূহ

This star symbolizes the featured content on Wikipedia.

নির্বাচিত নিবন্ধ হল সেইসব নিবন্ধ, যা উইকিপিডিয়ার সম্পাদক ও ব্যবহারকারীদের মতে এখানকার সেরা নিবন্ধের মধ্যে পড়ে। এই পাতায় যুক্ত হওয়ার পূর্বে প্রস্তাবনা ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে এসব নিবন্ধের মান, নির্ভরযোগ্যতা, নিরপেক্ষতা, পরিপূর্ণতা, এবং লিখনরীতি যাচাই করা হয়। এই সংক্রান্ত নীতিমালা রয়েছে নির্বাচিত নিবন্ধের গুণাবলী পাতায়।

বর্তমানে বাংলা উইকিপিডিয়ার মোট ৬২,২০৯টি নিবন্ধের মধ্যে টি নির্বাচিত নিবন্ধ রয়েছে

নির্বাচিত নিবন্ধগুলি ঐসব নিবন্ধের পাতার উপরে ডান অংশে একটি ক্ষুদ্র তারকা চিহ্ন (LinkFA-star.png) দ্বারা নির্দেশিত হয়।

উইকিপিডিয়ার ফিচার নিবন্ধে নিচের বৈশিষ্ট্যগুলো থাকবে:

  1. নিবন্ধটি আমাদের (অর্থাৎ উইকিপিডিয়ার সম্পাদকদের) সেরা কাজের একটি উদাহরণ।
  2. নিবন্ধটি "সুলিখিত", "সুসমন্বিত", "তথ্যগতভাবে সঠিক", "নিরপেক্ষ", ও "স্থায়ী"। ফিচার নিবন্ধের মান কতটা উঁচু হওয়া উচিৎ তা জানার জন্য আরও পড়ুন কী করে ভালো নিবন্ধ লিখবেন এবং নিখুঁত নিবন্ধ। এখানে:
    • (a) "সুলিখিত" বলতে বোঝায় লেখাটির ভাষা মনোগ্রাহী;
    • (b) "সুসমন্বিত" বলতে বোঝায় লেখাটিতে বিষয়বস্তু সম্বন্ধে সবকিছু আলোচনা করা হয়েছে, এবং কোন প্রধান তথ্য বাদ পড়েনি;
    • (c) "তথ্যগতভাবে সঠিক" বলতে বোঝায় নিবন্ধটিতে উল্লিখিত তথ্যগুলো যথাযথ প্রমাণ ও উদ্ধৃতির সাহায্যে সমর্থন করা হয়েছে (উইকিপিডিয়া:যাচাইযোগ্যতা দেখুন); নিবন্ধটিতে একটি “উৎসপঞ্জি” অনুচ্ছেদ রয়েছে, যেখানে তথ্য-উৎসগুলো ধারাবাহিকভাবে দেয়া; এছাড়া দরকার হলে নিবন্ধের মধ্যেও সরাসরি উৎসের উল্লেখ থাকতে পারে (উইকিপিডিয়া:তথ্য উদ্ধৃতি দেখুন)। পাদটীকা ও নিবন্ধের শেষের উৎসপঞ্জির জন্য meta:cite-এ উল্লিখিত ধরন অনুসরণযোগ্য;
    • (d) "নিরপেক্ষ" বলতে বোঝায় নিবন্ধটির নিরপেক্ষতা ও তথ্যগত সঠিকতা নিয়ে কোন বিতর্ক নেই (উইকিপিডিয়া:নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি দেখুন); এবং
    • (e) "স্থায়ী" বলতে বোঝায় নিবন্ধটিতে প্রতিদিন বড় ধরনের কোন পরিবর্তন সাধন করা হয় না, এবং নিবন্ধটি কোন সম্পাদনা যুদ্ধের শিকার নয়।

নির্বাচিত সূচীপত্র:

আজকের নির্বাচিত নিবন্ধ (আনিনি):

নির্বাচিত নিবন্ধের সরঞ্জাম:


নির্বাচিত নিবন্ধের তালিকা

নির্বাচিত নিবন্ধ

বাংলাদেশের পতাকা

বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি রাষ্ট্র। দেশটির উত্তর, পূর্ব ও পশ্চিম সীমানায় ভারত ও দক্ষিণ-পূর্ব সীমানায় মায়ানমার; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর। সাবেক “বঙ্গ” বা “বাংলা” নামক ভূখন্ডের পূর্ব অংশ যা পূর্ব বাংলা নামে পরিচিত ছিল সেটি বর্তমান বাংলাদেশ রাষ্ট্র। সুপ্রাচীন কালে বাংলাদেশে প্রথম মানব বসতি গড়ে উঠে। পর্যায়ক্রমে বৌদ্ধ, হিন্দু ও মুসলিম শাসনের পর বাংলা ব্রিটিশ উপনিবেশে পরিণত হয়। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৪৭ সালের ভারত বিভাগের সময় পাকিস্তানের পূর্ব অংশ (পূর্ব পাকিস্তান) হিসেবে বাংলাদেশের সীমানা নির্ধারিত হয়। পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি বৈষম্যের কারণে দীর্ঘ আন্দোলনের এক পর্যায়ে ১৯৭১ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। সংবিধান অনুসারে বাংলাদেশে সংসদীয় পদ্ধতিতে পরিচালিত সরকার প্রতিষ্ঠিত। পদ্মা, মেঘনা, যমুনা দেশের প্রধান নদী। বাংলা ভাষা বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা। দেশের অধিকাংশ মানুষ মুসলিম। অন্যান্য ধর্মের মধ্যে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্ট ধর্ম রয়েছে। চট্টগ্রামমংলা বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর। (বাকি অংশ পড়ুন...)

এককালিক তাত্ত্বিক ভাষাবিজ্ঞানের শাখাগুলির সম্পর্ক

ভাষাবিজ্ঞান বলতে একটি সংশ্রয় হিসেবে ভাষার প্রকৃতি, গঠন, ঔপাদানিক একক ও এর যেকোনো ধরনের পরিবর্তন নিয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণাকে বোঝায়। যাঁরা এই গবেষণায় রত, তাঁদেরকে বলা হয় ভাষাবিজ্ঞানী।ভাষাবিজ্ঞানীরা নৈর্ব্যক্তিক বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে ভাষাকে বিশ্লেষণ ও বর্ণনা করেন; ভাষার সঠিক ব্যবহারের কঠোর বিধিবিধান প্রণয়নে তাঁরা আগ্রহী নন। তাঁরা বিভিন্ন ভাষার মধ্যে তুলনা করে এদের সাধারণ উপাদানগুলো বের করার চেষ্টা করেন এবং এগুলিকে এমন একটি তাত্ত্বিক কাঠামোয় দাঁড় করাতে চেষ্টা করেন, যে কাঠামো সমস্ত ভাষার বিবরণ দিতে এবং ভাষাতে কোন্‌ ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা নেই, সে ব্যাপারেও ভবিষ্যৎবাণী করতে সক্ষম। ভাষা নিয়ে গবেষণা একটি অতি প্রাচীন শাস্ত্র হলেও কেবল ১৯শ শতকে এসেই এটি বিজ্ঞানভিত্তিক ‘ভাষাবিজ্ঞান’ নামের শাস্ত্রের রূপ নেয়। ভাষাবিজ্ঞানের তাত্ত্বিক দিক ও ব্যবহারিক দিক দুই-ই বিদ্যমান। তাত্ত্বিক ভাষাবিজ্ঞানে ভাষার ধ্বনিসম্ভার (ধ্বনিতত্ত্বও ধ্বনিবিজ্ঞান), ব্যাকরণ (বাক্যতত্ত্বরূপমূলতত্ত্ব) এবং শব্দার্থ (অর্থবিজ্ঞান) নিয়ে আলোচনা করা হয়। (বাকি অংশ পড়ুন...)

সত্যজিৎ রায়ের প্রতিকৃতি

সত্যজিৎ রায় একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র নির্মাতা ও বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক। কলকাতা শহরে সাহিত্য ও শিল্পের জগতে খ্যাতনামা এক বাঙালি পরিবারে তাঁর জন্ম হয়। তিনি কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজশান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিষ্ঠিত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। সত্যজিতের কর্মজীবন একজন বাণিজ্যিক চিত্রকর হিসেবে শুরু হলেও প্রথমে কলকাতায় ফরাসী চলচ্চিত্র নির্মাতা জঁ রনোয়ারের সাথে সাক্ষাৎ ও পরে লন্ডন শহরে সফররত অবস্থায় ইতালীয় নব্য বাস্তবতাবাদী ছবি লাদ্রি দি বিচিক্লেত্তে দেখার পর তিনি চলচ্চিত্র নির্মাণে উদ্বুদ্ধ হন। চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে সত্যজিৎ ছিলেন বহুমুখী এবং তাঁর কাজের পরিমাণ বিপুল। তিনি ৩৭টি পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনীচিত্র, প্রামাণ্যচিত্রস্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। তাঁর নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র পথের পাঁচালী ১১টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করে, যাদের মধ্যে অন্যতম ছিল কান চলচ্চিত্র উৎসবে পাওয়া “শ্রেষ্ঠ মানব দলিল” পুরস্কারটি। (বাকি অংশ পড়ুন...)

ভারতের পতাকা

ভারত দক্ষিণ এশিয়ার একটি রাষ্ট্র। ভৌগোলিক আয়তনের বিচারে এটি দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম এবং বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম রাষ্ট্র। অন্যদিকে জনসংখ্যার বিচারে এটি বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বাধিক জনবহুল তথা বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। সুপ্রাচীন কাল থেকেই ভারতীয় উপমহাদেশ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের জন্য সুপরিচিত। ইতিহাসের বিভিন্ন পর্বে এখানেই স্থাপিত হয়েছিল একাধিক বিশালাকার সাম্রাজ্য। নানা ইতিহাস-প্রসিদ্ধ বাণিজ্যপথ এই অঞ্চলের সঙ্গে বিশ্বের অন্যান্য সভ্যতার বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রক্ষা করত। হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন, ও শিখ — এই চার বিশ্বধর্মের উৎসভূমি ভারত। খ্রিষ্টীয় প্রথম সহস্রাব্দে জরথুষ্ট্রীয় ধর্ম (পারসি ধর্ম), ইহুদি ধর্ম, খ্রিষ্টধর্ম, ও ইসলাম এদেশে প্রবেশ করে ভারতীয় সংস্কৃতিতে বিশেষ প্রভাব বিস্তার করে। অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথমার্ধ থেকে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ধীরে ধীরে ভারতীয় ভূখণ্ডের অধিকাংশ অঞ্চল নিজেদের শাসনাধীনে আনতে সক্ষম হয়। অতঃপর এক সুদীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রামের মাধ্যমে ১৯৪৭ সালে ভারত একটি স্বতন্ত্র রাষ্ট্ররূপে আত্মপ্রকাশ করে। (বাকি অংশ পড়ুন...)

অ্যাঞ্জেলিনা জোলি

অ্যাঞ্জেলিনা জোলি একজন জনপ্রিয় মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেত্রীযুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি সংস্কৃতিমনা পরিবারে এই অস্কারজয়ী অভিনেত্রীর জন্ম। তাঁর বাবা জন ভইট নিজেও একজন অস্কারজয়ী অভিনেতা। ১৯৮২ সালে লুকিন’ টু গেট আউট ‌ছবিতে একটি শিশু চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে রূপালী পর্দায় জোলির আবির্ভাব হয়। তবে পেশাদার চলচ্চিত্র অভিনেত্রী হিসেবে তাঁর অভিষেক ঘটে স্বল্প বাজেটের ছবি সাইবর্গ ২ (১৯৯৩)-এ অভিনয়ের মাধ্যমে, এবং চলচ্চিত্র জগতে তাঁর উত্থান শুরু হয় হ্যাকারস (১৯৯৫) ছবিটির মধ্য দিয়ে। নব্বইয়ের দশকে শুরু হওয়া তাঁর এই জনপ্রিয়তা আজও সমান তালে বিদ্যমান। ১৯৯২ সালে গার্ল, ইন্টারাপ্টেড চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য লাভ করেন চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি অ্যাকাডেমি পুরস্কার। এছাড়াও তাঁর প্রাপ্ত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য পুরস্কারের মধ্যে আছে তিনটি গোল্ডেন গ্লোব ও দুইটি স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ডসহ আরও বহু পুরস্কার। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের সাথেও যুক্ত। (বাকি অংশ পড়ুন...)

ভাষা আন্দোলনে শহীদদের স্মৃতিতে ঢাকায় নির্মিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার।

বাংলা ভাষা আন্দোলন তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) সংঘটিত একটি সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলন। মৌলিক অধিকার রক্ষাকল্পে বাংলা ভাষাকে ঘিরে সৃষ্ট এ আন্দোলনের মাধ্যমে তৎকালীন পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গণদাবীর যথাযথ প্রতিফলন ঘটে। ১৯৪৮ সালে পাকিস্তান সরকার ঘোষণা করে যে, উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা। এ ঘোষণার প্রেক্ষাপটে পূর্ব পাকিস্তানে অবস্থানকারী বাংলাভাষী সাধারণ জনগণের মনে গভীর ক্ষোভের জন্ম হয় ও বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। ফলস্বরূপ, উর্দুর পাশাপাশি বাংলা ভাষারও সম-মর্যাদার দাবিতে পূর্ব পাকিস্তানে আন্দোলন দ্রুত দানা বেধে ওঠে। আন্দোলন দমনকল্পে পুলিশ ১৪৪ ধারা জারি করে ঢাকা শহরে সমাবেশ-মিছিল ইত্যাদি বে-আইনী ও নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি (৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮) এ আদেশ অমান্য করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বহুসংখ্যক ছাত্র ও প্রগতিশীল কয়েকজন রাজনৈতিক কর্মী মিলে মিছিল শুরু করেন। মিছিলটি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের কাছাকাছি এলে পুলিশ ১৪৪ ধারা অবমাননার অজুহাতে আন্দোলনকারীদের ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে। (বাকি অংশ পড়ুন...)

চর্যাপদ পুঁথির একটি পৃষ্ঠা

চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম কাব্য তথা সাহিত্য নিদর্শন। নব্য ভারতীয় আর্যভাষারও প্রাচীনতম রচনা এটি। খ্রিস্টীয় দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত এই গীতিপদাবলির রচয়িতারা ছিলেন সহজিয়া বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যগণ। চর্যার রচনার সঠিক সময়কাল নিয়ে ইতিহাস গবেষকদের মধ্যে মতবিরোধ আছে। বৌদ্ধ ধর্মের গূঢ় অর্থ সাংকেতিক রূপের আশ্রয়ে ব্যাখ্যার উদ্দেশ্যেই তাঁরা পদগুলি রচনা করেছিলেন। বাংলা সাধন সংগীতের শাখাটির সূত্রপাতও এই চর্যাপদ থেকেই হয়। এই বিবেচনায় এটি ধর্মগ্রন্থজাতীয় রচনা। একই সঙ্গে সমকালীন বাংলার সামাজিক ও প্রাকৃতিক চিত্রাবলি এই পদগুলিতে উজ্জ্বল। এর সাহিত্যগুণ আজও চিত্তাকর্ষক। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থশালা থেকে চর্যার একটি খণ্ডিত পুঁথি উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে চর্যাপদের সঙ্গে বাংলা ভাষার অনস্বীকার্য যোগসূত্র বৈজ্ঞানিক যুক্তিসহ প্রতিষ্ঠিত করেন। চর্যার প্রধান কবিগণ হলেন লুইপাদ, কাহ্নপাদ, ভুসুকুপাদ, শবরপাদ প্রমুখ। (বাকি অংশ পড়ুন...)