মেরি, যিশুর মাতা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মেরি
Glenbeigh St. James' Church Nave Triple Window Immaculata 2012 09 09.jpg
স্টেইন্ড গ্লাসে মেরির প্রতিকৃতি, সেন্ট জেমস চার্চ, আয়ারল্যান্ড
জন্ম ৮ সেপ্টেম্বর (traditional; Nativity of Mary) c. 18 BC[১]
আদি শহর জিপ্পরি
নাযারেথ
গ্যালিলি
দাম্পত্য সঙ্গী যোসেফ
সন্তান যিশু (বাইবেল অনুসারে)
জেমস, যোসেফ, জুডা, সিমন, Daughters ( হেলভিদিয়াস অনুসারে)
পিতা-মাতা(গণ) Joachim and Anne (according to apocryphal gospels)

মেরি (গ্রিক: Μαριάμ; আরামীয়: ܡܪܝܡ‎; হিব্রু ভাষায়: מִרְיָם‎) ১ম শতকের একজন গ্যালিলিয়ান ইহুদি নারী, যিনি ইসরায়েল এর নাযারেথ শহরের বাসিন্দা ছিলেন।[২] নিউ টেস্টামেন্টকুরআন অনুযায়ী তিনি যিশুর মাতা।[৩][৪]

ঢাকার খ্রিস্টান কবরস্থানে একটি সমাধিতে মেরির মূর্তি

সাধু মথি লিখিত সুসমাচারলুক এর সুসমাচার এ মেরি একজন কুমারীরূপে বর্ণিত হয়েছেন।[৫] খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন যে মেরি পবিত্র আধ্যাত্মিক শক্তি দ্বারা কুমারী অবস্থাতেই সন্তানের জন্ম দেন। এই অলৌকিক জন্ম যখন ঘটে তখন মেরি যোসেফ এর বাগদত্তা ছিলেন এবং বিবাহের আনুষ্ঠানিক গৃহপ্রবেশের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। যোসেফকে বিয়ে করে মেরি বেথেলহাম চলে আসেন যেখানে যিশুর জন্ম হয়।[৬][৭] লুক এর সুসমাচার এ বলা হয়েছে দেবদূত জিবরাঈল মেরির সম্মুখে আবির্ভূত হন এবং যিশুর মা হওয়ার জন্য মেরি দৈবভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বলে জানান। ক্যানোনিক্যাল সুসমাচার অনুযায়ী মেরি যিশুর ক্রুশবিদ্ধকরণ এর সময় উপস্থিত ছিলেন এবং জেরুসালেম এর প্রাথমিক খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সদস্য ছিলেন।ক্যাথলিক ও অর্থোডক্স ভাষ্যমতে জীবনাবসানের পর মেরির দেহ সরাসরি স্বর্গে নিয়ে যাওয়া হয় যা ‘এসাম্পশন অফ মেরি’ নামে পরিচিত।[৮][৯]

প্রথম থেকেই মেরি খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের নিকট অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন একজন নারী[১০][১১] ও খ্রিস্টধর্মের সর্বাধিক প্রতিভাবতী ও পবিত্রা সত্তারূপে বিবেচিতা হন। শতাব্দী ধরে বিশ্বাসীরা মেরির দিব্যরূপ সম্পর্কে দাবি করে এসেছেন। অর্থোডক্স, ক্যাথলিক চার্চ, এংলিক্যান, লুথেরান প্রভৃতি যিশুর জননী মেরিকে “প্রভুর মাতা” বা “ঈশ্বরের মাতা” বলে বিশ্বাস করেন। বিভিন্ন খ্রিস্টীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে মেরিকে নিয়ে বিশ্বাস ও ভক্তিগত বিষয়ে বৈচিত্র্য বিদ্যমান। রোমান ক্যাথলিক চার্চ মেরির বিবিধ পাঠ, ‘ঈশ্বরের মাতা’ অভিধা, পবিত্রতা ও শুচিতা, চির-কুমারীত্ব, সশরীর স্বর্গারোহণ প্রভৃতি বিষয়ে আলোকপাত করে থাকে।[১২] বহু প্রোটিস্ট্যান্ট বাইবেলের তথ্যসূত্রে খ্রিস্টধর্মে মেরির ভূমিকা কিছুটা কম মনে করেন। ইসলাম ধর্মেও মেরির বেশ গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ রয়েছে। ইসলাম ধর্মগ্রন্থ কুরআন এ মেরিকে নিয়ে একটি বৃহৎ সূরা বিদ্যমান যার নাম সূরা মারইয়াম

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Pevehouse, James (২০১০)। Spiritual Truths (1st সংস্করণ)। Pittsburgh: Dorrance Publishing Company। পৃ: ১১০। আইএসবিএন 9781434903044 
  2. Mary in the New Testament, Raymond Edward Brown, Joseph A. Fitzmyer, Karl Paul Donfried, A Collaborative statement by Protestant, Anglican and Roman Catholic scholars, (NJ 1978), page 140
  3. Matthew 1:16 {{{3}}}; টেমপ্লেট:Bibleverse-nb
  4. Luke 1:26-56 {{{3}}}; টেমপ্লেট:Bibleverse-nb
  5. Matthew 1:23 9 uses Greek parthénos virgin, whereas only the Hebrew of Isaiah 7:14 HE, from which the New Testament ostensibly quotes, as Almah young maiden. See article on parthénos in Bauercc/(Arndt)/Gingrich/Danker, "A Greek-English Lexicon of the New Testament and Other Early Christian Literature", Second Edition, University of Chicago Press, 1979, p. 627.
  6. Browning, W. R. F. A dictionary of the Bible. 2004 ISBN 0-19-860890-X page 246
  7. Ruiz, Jean-Pierre. "Between the Crèche and the Cross: Another Look at the Mother of Jesus in the New Testament." New Theology Review; Aug2010, Vol. 23 Issue 3, pp3-4
  8. Munificentissimus Deus: Dogma of the Assumption by Pius XII, 1950, 17
  9. Holweck, Frederick (১৯০৭)। The Feast of the Assumption,(The Catholic Encyclopedia) 2। New York: Robert Appleton Company। , access date April 18, 2015
  10. Burke, Raymond L.; et al. (2008). Mariology: A Guide for Priests, Deacons, Seminarians, and Consecrated Persons ISBN 978-1-57918-355-4 page 178
  11. Mary for evangelicals by Tim S. Perry, William J. Abraham 2006 ISBN 0-8308-2569-X page 142
  12. "Mary, the mother of Jesus." The New Dictionary of Cultural Literacy, Houghton Mifflin. Boston: Houghton Mifflin, 2002. Credo Reference. Web. September 28, 2010.
  • Kugeares, Sophia Manoulian. Images Of The Annunciation Of The Virgin Mary Of The 13Th, 14Th And 15Th Century. n.p.: 1991., 1991. University of South Florida Libraries Catalog. Web. April 8, 2016.

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]