দায়ূদ
| দায়ূদ דָּוִד দাবীদ | |
|---|---|
জেরার্ড ফন হন্টর্স্টের আঁকা বীণা বাজানোরত রাজা দায়ূদ (১৬২২) | |
| ইস্রায়েলের রাজা | |
| রাজত্ব | আনু. ১০১০–৯৭০ খ্রী.পূ.[১][ক] |
| পূর্বসূরি | ঈশ্বোশৎ[৪][৫] |
| উত্তরসূরি | শলোমন |
| সঙ্গী | |
| বংশধর | |
| প্রাসাদ | দায়ূদের কুল |
| পিতা | যিশয় |
| মাতা | নীসেবৎ (তলমূদানুসারে) |
দায়ূদ[খ][গ] (হিব্রু ভাষায়: דָּוִד, Dāwīḏ, “প্রিয়ভাজন”)[৭] ছিলেন ইব্রীয় ধর্মপুস্তক তথা পুরাতন নিয়ম অনুসারে যিহূদার বংশের নেতা, যিনি পরবর্তীতে সংযুক্ত ইস্রায়েল রাজ্যের প্রথম রাজা হয়েছিলেন।[৮][৯]
দায়ূদের শাসনকাল সম্ভবত খ্রীষ্টপূর্বপূর্ব ৯ম শতাব্দীর দিকে সংঘটিত হয়েছিল, যদিও তাঁর শাসনকাল ও রাজ্যের ভৌগোলিক সীমানা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। দায়ূদ সম্পর্কে অধিকাংশ তথ্য বিব্লীয় সাহিত্য থেকে জানা যায়, যার ঐতিহাসিকতা ব্যাপকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ[১০] এবং দায়ূদ সম্পর্কে নিশ্চিত ও বিতর্কহীন তথ্য অল্পই রয়েছে।[১১]
বিভিন্ন বিতর্কিত বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে: এই কাহিনী কি প্রজাপীড়ন, খুন ও রাজহত্যার অভিযোগের বিরুদ্ধে দায়ূদের রাজবংশের রাজনৈতিক প্রতিরক্ষা হিসেবে রচিত; দায়ূদ ও যোনাথনের মধ্যকার সমপ্রেমমূলক সম্পর্কের প্রকৃতি; পাঠ্যটি কি হোমার-সদৃশ বীরগাথা, যা প্রাচীন নিকটপ্রাচ্যের সমান্তরাল কাহিনির উপাদান গ্রহণ করেছে; অথবা এর কিছু অংশ কি হশমোনীয় যুগ পর্যন্ত দেরিতে রচিত।
বিব্লীয় বর্ণনায়, বিশেষত শমূয়েলের পুস্তকসমূহে, দায়ূদকে একজন তরুণ মেষপালক ও কীন্নোরবাদক হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, যার হৃদয় একমাত্র সত্য ঈশ্বর ইয়াহওয়েহের প্রতি নিবেদিত ছিল। তিনি গলিয়াৎকে বধ করে খ্যাতি অর্জন করেন এবং বীর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন। তিনি ইস্রায়েলের প্রথম রাজা শৌলের প্রিয়পাত্র হন, কিন্তু শৌল সন্দেহ করেন যে দায়ূদ তাঁর সিংহাসন দখলের ষড়যন্ত্র করছেন, ফলে দায়ূদকে আত্মগোপনে যেতে হয়। শৌল ও তাঁর পুত্র যোনাথন যুদ্ধে নিহত হওয়ার পর, দায়ূদকে প্রথমে যিহূদার বংশ এবং পরে ইস্রায়েলের সকল বংশ রাজা হিসেবে অভিষিক্ত করে। তিনি যিরূশালেম জয় করে সেটিকে সংযুক্ত ইস্রায়েল রাজ্যের রাজধানী করেন এবং সেখানে সাক্ষ্য সিন্দুক নিয়ে আসেন।
তিনি বৎশেবার সঙ্গে ব্যভিচার করেন এবং তাঁর স্বামী হিত্তীয় ঊরিয়ের মৃত্যুর ব্যবস্থা করেন। পরবর্তীতে দায়ূদের পুত্র অবশালোম তাঁকে উৎখাত করার চেষ্টা করেন, কিন্তু অবশালোমের মৃত্যুর পর দায়ূদ পুনরায় যিরূশালেমে ফিরে এসে শাসন অব্যাহত রাখেন। দায়ূদ ইয়াহওয়েহের জন্য একটি মন্দির নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তাঁর শাসনামলের রক্তপাতের কারণে তা তাঁকে অনুমতি দেওয়া হয়নি। তিনি ৭০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন এবং তাঁর জ্যেষ্ঠ জীবিত পুত্র আদোনিয়ের পরিবর্তে বৎশেবার গর্ভজাত পুত্র শলোমনকে স্থলাভিষিক্ত মনোনীত করেন। ইহুদি ভাববাদী সাহিত্যে দায়ূদকে আদর্শ রাজা ও ভবিষ্যৎ ইব্রীয় মশীহের পূর্বপুরুষ হিসেবে সম্মানিত করা হয়েছে এবং বহু গীতসংহিতা তাঁর নামে সমর্পিত।
দায়ূদ বিব্লোত্তর ইহুদি লিখিত ও মৌখিক ঐতিহ্যেও গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে আছেন এবং নতুন নিয়মে তাঁর উল্লেখ রয়েছে। আদি খ্রীষ্টানেরা নাসরতীয় যীশুর জীবনকে ইব্রীয় মশীহ ও দায়ূদ-সংক্রান্ত উল্লেখের আলোকে ব্যাখ্যা করেন; সাধু মথি ও সাধু লূক লিখিত সুসমাচারে যীশুকে সরাসরি দায়ূদের বংশধর বলে বর্ণনা করা হয়েছে। কুরআন ও হাদিসে তাঁকে বনী ইস্রাঈলের রাজা এবং একই সঙ্গে আল্লাহের নবী দাউদ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।[১২][১৩] বিব্লীয় দায়ূদ শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে শিল্প ও সাহিত্যে অসংখ্য ব্যাখ্যার অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন।
কুরআনে উল্লেখ
[সম্পাদনা]আল্লাহ তা'আলা পবিত্র কুরআনে বলেন, "তারপর ইমানদাররা আল্লাহর হুকুমে জালুতের বাহিনীকে পরাজিত করে দিল এবং দাউদ জালুতকে হত্যা করল। আর আল্লাহ দাউদকে দান করলেন রাজ্য ও অভিজ্ঞতা। আর তাকে যা চাইলেন শিখালেন। আল্লাহ যদি একজনকে অপরজনের দ্বারা প্রতিহত না করতেন, তাহলে গোটা দুনিয়া বিধ্বস্ত হয়ে যেতো। কিন্তু বিশ্ববাসীর প্রতি আল্লাহ একান্তই দয়ালু, করুণাময়৷" (সুরা বাকারা-২৫১)
"আমি পর্বতমালাকে তার অনুগামী করে দিয়েছিলাম, তারা সকাল-সন্ধ্যায় তার সাথে পবিত্রতা ঘোষণা করত। আর পক্ষীকুলকেও, যারা তার কাছে সমবেত হত। সবাই ছিল তাঁর প্রতি প্রত্যাবর্তনশীল।" (সুরা সোয়াদ-১৮,১৯)
"তারা যা বলে তাতে আপনি (মুহাম্মাদ সা.) সবর করুন এবং আমার শক্তিশালী বান্দা দাউদকে স্মরণ করুন। সে ছিল আমার প্রতি প্রত্যাবর্তনশীল"। (সুরা সোয়াদ ১৭)
"আমি দাউদের প্রতি অনুগ্রহ করেছিলাম এই আদেশ মর্মে যে, হে পর্বতমালা, তোমরা দাউদের সাথে আমার পবিত্রতা ঘোষণা কর এবং হে পক্ষী সকল, তোমরাও। আমি তাঁর জন্য লৌহকে নরম করে ছিলাম। এবং তাকে আমি বলে ছিলাম: প্রশস্ত বর্ম তৈরী কর, কড়াসমূহ যথাযথভাবে সংযুক্ত কর এবং সৎকর্ম সম্পাদন কর। তোমরা যা কিছু কর, আমি তা দেখি।" (সুরা সাবা-১০-১১)
| “ | আল্লাহ দাউদকে বাদশাহী এবং নবুয়ত দান করলেন এবং তিনি যা চেয়েছেন তা শিক্ষা দিয়েছেন। (সূরা বাকারা) | ” |
| “ | হে দাউদ ! আমি আপনাকে পৃথিবীর বুকে খলিফা নির্ধারণ করেছি। (সূরা সোয়াদ) | ” |
| “ | আমি [দাউদ ও সুলায়মান] প্রত্যেককে রাজত্ব ও জ্ঞান দান করেছি। (সূরা আম্বিয়া) | ” |
বিশেষ গুণাবলী
[সম্পাদনা]- বোখারী শরীফে আছে যাবুর কিতাব জনাব দাউদ অতিদ্রুত তেলাওয়াত বা আবৃত্তি করতে পারতেন। এমনকি তিনি ঘোড়ার পিঠের গদী বাঁধতে যতটুকু সময় লাগতো, এসময়ের মধ্যেই যাবুর আবৃত্তি করে শেষ করতে পারতেন।
- সূরা আম্বিয়া: ৭১ নম্বর আয়াতে আল্লাহ এই বর্ণনা দিয়েছেন,
“ আল্লাহপাক পাহাড়-পর্বত ও পশু-পাখিকে জনাব দাউদের অনুগত করে দিয়েছিলেন। তারা তাঁর সাথে তসবিহ পাঠ করতো বা ঈশ্বরের স্মরণসূচক আবৃত্তি করতো। বৃক্ষ, পাথর ও শিলাখন্ড থেকেও তাসবিহ ধ্বনিত হতো। ”
"বুখারী ও মুসলিমের হাদীসে মুহাম্মাদ বলেন:মহান আল্লাহর নিকটে সর্বাধিক পছন্দনীয় হল দাউদের সালাত এবং সর্বাধিক পছন্দনীয় সিয়াম ছিল দাউদের সিয়াম। তিনি অর্ধরাত্রি পর্যন্ত ঘুমাতেন। অতঃপর এক তৃতীয়াংশ সালাতে কাটাতেন এবং শেষ ষষ্টাংশে নিদ্রা যেতেন। তিনি একদিন অন্তর একদিন সিয়াম রাখতেন। শত্রুর মোকাবিলায় তিনি কখনও পশ্চাদপসরণ করতেন না"।
- সূরা সাবায় বর্ণনা করা হয়,
“ এবং আমি দাউদকে আমার তরফ থেকে মর্যাদা দিয়েছি। আর আমি আদেশ করেছি যে, হে পাহাড় ও পক্ষীকূল! তোমরা দাউদের সাথে মিলে তাসবিহ পাঠ ও পবিত্রতা বর্ণনা কর। ”
পাদটীকা
[সম্পাদনা]- ↑ কিছু পণ্ডিত মনে করেন যে, দায়ূদের “চল্লিশ বছর” রাজত্বের বিব্লীয় বর্ণনা—ঠিক শলোমনের মতো—সূত্রগত এবং ঐতিহাসিক হিসেবে অভিপ্রেত নয়, যা দায়ূদের রাজত্বের সঠিক দৈর্ঘ্য এবং এটি কত বছর অতিক্রম করেছে সে সম্পর্কে আমাদের ধারণাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।[২] কোনো কোনো পণ্ডিতদের মতে দায়ূদ খ্রীষ্টপূর্ব ১০ম শতাব্দীর মধ্য তৃতীয়াংশে রাজত্ব করেছিলেন।[৩]
- ↑ হিব্রু ভাষায়: דָּוִד, Dāwīḏ, “প্রিয়ভাজন”; আরবি: داود বা داوود, Dāwūd; গ্রিক: Δαυίδ, Dauíd; লাতিন: Davidus; Ge'ez: ዳዊት, Dawit; টেমপ্লেট লুপ সনাক্ত হয়েছে: টেমপ্লেট:Lang-xcl, Dawitʿ; টেমপ্লেট:Lang-cu, Davidŭ; ইংরেজি: David, /ˈdeɪ.vɪd/; বাংলা: দাবীদ, দায়ূদ বা দাঊদ; সম্ভাব্য অর্থ “প্রিয়ভাজন”।[৬]
- ↑ এই বিব্লীয় ইব্রীয় নামটির বাংলা প্রতিবর্ণীকরণে উইলিয়াম কেরীয় বিব্লীয় বানানরীতি অনুসরণ করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Frevel, Christian (২০২৩)। History of Ancient Israel। Atlanta: SBL Press। পৃ. ১৭৬, ১৯০। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৬২৮৩৭-৫১৪-৫।
The geographical extent of David's—even extrabiblically probable—rule as well as its precise date remain controversial in research. Yet, divorced from the biblical findings, there is nothing to suggest it should be dated around 1000 BCE. (p. 176) …the local ruler David, whenever—tenth or ninth century BCE—he is to be dated. (p. 190)
- ↑ Nadav Na'aman, "Was Khirbet Qeiyafa a Judahite City?: The Case against It", JHS (2017), pp. 15-16.
- ↑ H.M. Niemann, "Comments and Questions about the Interpretation of Khirbet Qeiyafa: Talking with Yosef Garfinkel", Journal of Ancient Near Eastern and Biblical Law (2017), p. 255.
- ↑ Garfinkel, Yosef; Ganor, Saar; Hasel, Michael G. (২০১৮)। In the Footsteps of King David: Revelations from an Ancient Biblical City। Thames & Hudson। পৃ. ১৮২। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৫০০৭৭৪২৮-১। ১১ অক্টোবর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ অক্টোবর ২০২০।
- ↑ Avioz, Michael (২০১৫)। Josephus' Interpretation of the Books of Samuel। Bloomsbury। পৃ. ৯৯। আইএসবিএন ৯৭৮০৫৬৭৪৫৮৫৭৫। ১১ অক্টোবর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ অক্টোবর ২০২০।
- ↑ Botterweck, G. Johannes; Ringgren, Helmer (১৯৭৭)। Theological Dictionary of the Old Testament। Wm. B. Eerdmans। পৃ. ১৫৮। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮০২৮-২৩২৭-৪।
- ↑ "Strong's Hebrew: 1732. דָּוִיד (David) -- perhaps "beloved one," a son of Jesse"। biblehub.com।
- ↑ Carr, David M. (২০১১)। An Introduction to the Old Testament: Sacred Texts and Imperial Contexts of the Hebrew Bible। John Wiley & Sons। পৃ. ৫৮। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪৪৪৩৫৬২৩-৬।
- ↑ Falk, Avner (১৯৯৬)। A Psychoanalytic History of the Jews। Fairleigh Dickinson University Press। পৃ. ১১৫। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮৩৮৬৩৬৬০-২।
- ↑ Writing and Rewriting the Story of Solomon in Ancient Israel; by Isaac Kalimi; page 32; Cambridge University Press, 2018; আইএসবিএন ৯৭৮১১০৮৪৭১২৬৮
- ↑ Moore ও Kelle 2011, পৃ. 232–233।
- ↑ "David"। Oxford Islamic Studies। Oxford। ১৯ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ মার্চ ২০২১।
- ↑ Manouchehri, Faramarz Haj; Khodaverdian, Shahram (২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭)। "David (Dāwūd)"। Encyclopaedia Islamica। Brill। সংগ্রহের তারিখ ১০ মার্চ ২০২১।
অধিকতর পাঠ
[সম্পাদনা]- Alexander, David; Alexander, Pat, সম্পাদকগণ (১৯৮৩)। Eerdmans' handbook to the Bible ([New, rev.]. সংস্করণ)। Grand Rapids, Mich.: Eerdmans। আইএসবিএন ০-৮০২৮-৩৪৮৬-৮।
- Bright, John (১৯৮১)। A history of Israel (3rd সংস্করণ)। Philadelphia: Westminster Press। আইএসবিএন ০-৬৬৪-২১৩৮১-২।
- Bruce, F. F. (১৯৬৩)। Israel and the Nations। Grand Rapids, MI: Eerdmans।
- Harrison, R.K. (১৯৬৯)। An Introduction to the Old Testament। Grand Rapids, MI: Eerdmans।
- Kidner, Derek (১৯৭৩)। The Psalms। Downers Grove, IL: Inter-Varsity Press। আইএসবিএন ০-৮৭৭৮৪-৮৬৮-৮।
- Noll, K. L. (১৯৯৭)। The faces of David। Sheffield: Sheffield Acad. Press। আইএসবিএন ১-৮৫০৭৫-৬৫৯-৭।
- Thompson, J.A. (১৯৮৬)। Handbook of life in Bible times। Leicester, England: Inter-Varsity Press। আইএসবিএন ০-৮৭৭৮৪-৯৪৯-৮।
- Green, Adam (২০০৭)। King Saul, The True History of the First Messiah। Cambridge, UK: Lutterworth Press। আইএসবিএন ০৭১৮৮৩০৭৪১।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- Complete Bible Genealogy David's family tree
- Double Identity: Orpheus as David. Orpheus as Christ? Biblical Archaeology Review
- David engravings from the De Verda collection
- King David at the Christian Iconography web site
- The History of David, by William Caxton
David of the United Kingdom of Israel & Judah Tribe of Judah এর ক্যাডেট শাখা | ||
| শাসনতান্ত্রিক খেতাব | ||
|---|---|---|
| নতুন পদবী Rebellion from Israel under Ish-bosheth |
King of Judah 1010 BC–1003 BC |
উত্তরসূরী সুলায়মান |
| পূর্বসূরী Saul |
King of the United Israel and Judah 1003 BC–970 BC | |