সিরিয়া (অঞ্চল)
| সিরিয়া (শাম) ٱلشَّام আশ-শাম[১] বৃহত্তর সিরিয়া[১] সিরিয়া-প্যালেস্টাইন[২] | |
|---|---|
ওসমানীয় সিরিয়া-র ১৮৫১ সালের মানচিত্র, হেনরি ওয়ারেন কর্তৃক প্রণীত | |
| স্থানাঙ্ক: ৩৩° উত্তর ৩৬° পূর্ব / ৩৩° উত্তর ৩৬° পূর্ব | |
| দেশসমূহ | |
সিরিয়া অঞ্চল (আরবি: ٱلشَّام, Ash-Shām; চিত্রলিপীয় লুওয়াইন: Sura/i; গ্রিক: Συρία) হল ভূমধ্যসাগরের পূর্ব দিকে অবস্থিত একটি অঞ্চল। আধুনিক সাহিত্যে এই অঞ্চলটি বৃহত্তর সিরিয়া (سُوْرِيَّة ٱلْكُبْرَىٰ, Sūrīyah al-Kubrā),[১] "সিরিয়া-প্যালেস্টাইন",[২] বা লেভান্ট[৩] নামে পরিচিত। প্রাচীন কাল থেকে অঞ্চলটি শাসন করেছে বিভিন্ন জাতি ও সাম্রাজ্য। যেমন প্রাচীন মিশরীয়, কনানীয়, ইজরায়েলীয়, আসিরীয়, ব্যাবিলোনিয়া, আখমেনিদ সাম্রাজ্য, প্রাচীন ম্যাসিডনিয়া, আর্মেনীয়, রোমান সাম্রাজ্য, বাইজান্টাইন সাম্রাজ্য, রাশিদুন খিলাফত, উমায়াদ খিলাফত, আব্বাসিদ খিলাফত, ফাতিমীয় খিলাফত, ক্রুসেডারগণ, আয়ুবিদ রাজবংশ, মামলুক সালতানাত, উসমানীয় খিলাফত, যুক্তরাজ্য ও ফরাসি তৃতীয় প্রজাতন্ত্র।
ভূগোল
[সম্পাদনা]
| ক্রম | শহরের নাম | দেশ | মহানগরীর মোট জনসংখ্যা |
শহরের মোট জনসংখ্যা |
ছবি |
|---|---|---|---|---|---|
| ১ | আম্মান | জর্ডান | ৪৬,৪২,০০০ | ৪০,৬১,১৫০ | |
| ২ | তেল আবিব | ইসরায়েল | ৩৯,৫৪,৫০০ | ৪,৩৮,৮১৮ | |
| ৩ | দামেস্ক | সিরিয়া | ২৯,০০,০০০ | ২০,৭৮,০০০ | |
| ৪ | বৈরুত | লেবানন | ২২,০০,০০০ | ৩,৬১,৩৬৬ | |
| ৫ | আলেপ্পো | সিরিয়া | ২০,৯৮,২১০ | ২০,৯৮,২১০ | |
| ৬ | গাজা | ফিলিস্তিন | ২০,৪৭,৯৬৯ | ৫,৯০,৪৮১ | |
ধর্মীয় গুরুত্ব
[সম্পাদনা]এই অঞ্চলে ইব্রাহিমীয় ধর্মের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি স্থান রয়েছে:[১][৪][৫]
| স্থান | বিবরণ | চিত্র |
|---|---|---|
| আক্কা | আক্কা হল বাহাউল্লাহর মাজারের অবস্থানস্থল, যা বাহাই ধর্ম এর জন্য সর্বাপেক্ষা পবিত্র স্থান।[৬][৭] | |
| আলেপ্পো | আলেপ্পোতে অবস্থিত বড় মসজিদ, যা যাকারিয়া-র দেহাবশেষ ধারণ করে। যাকারিয়া খ্রিস্টধর্ম[৮] এবং ইসলাম উভয় ধর্মেই অত্যন্ত সম্মানিত।[৯][১০][১১] | |
| বেথলেহেম | বেথলেহেম এমন কিছু স্থানের আবাসস্থল যা মুসলিম, খ্রিস্টান এবং ইহুদিদের কাছে গভীরভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি স্থান হলো র্যাচেলের সমাধি, যা তিন ধর্মের অনুসারীদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র। এছাড়াও রয়েছে নেটিভিটির গীর্জা,[১২] যা খ্রিস্টানদের কাছে অত্যন্ত সম্মানিত এবং এর পাশেই অবস্থিত ওমর মসজিদ, যা মুসলিমদের নিকট পবিত্র।[১৩] | |
| দামেস্ক | পুরাতন শহরে অবস্থিত উমাইয়া মসজিদ[১৪][১৫][১৬] উমাইয়া খিলাফত এর অন্যতম বৃহৎ এবং সংরক্ষিত মসজিদ হিসেবে স্বীকৃত। এটি এমন এক স্থান যা বাপ্তিস্মদাতা যোহন[১৭][১৮] এর পবিত্র দেহাবশেষের স্থান হিসেবে বিবেচিত। বাপ্তিস্মদাতা যোহন, তাঁর পিতা যাকারিয়া-র মতো, খ্রিস্টধর্ম[৮] এবং ইসলাম উভয় ধর্মেই গভীরভাবে সম্মানিত।[১১] শহরে আরও রয়েছে সায়্যিদা জাইনাব মসজিদ, যা ইসলামের নবীর নাতনী জয়নব বিনতে আলী-র সমাধি, এবং সাইয়্যিদা রুকাইয়া মসজিদ, যা হুসাইনের কন্যা রুকাইয়াহ-র সমাধি। এই উভয় স্থান শিয়া মুসলিমদের কাছে গভীরভাবে পবিত্র।[১৯] | |
| হাইফা | হাইফায় বাবের পবিত্র সমাধি অবস্থিত, যা বাহাই ধর্মের জন্য অত্যন্ত পবিত্র স্থান হিসেবে বিবেচিত।[৪][২০] এছাড়া, কাছেই রয়েছে কারমেল পর্বত, যা বাইবেলের নবী এলিয় এর সাথে সম্পর্কিত। এই স্থানটি মুসলিম, দ্রুজ, খ্রিস্টান এবং ইহুদি সম্প্রদায়ের জন্য গভীর ধর্মীয় তাৎপর্যপূর্ণ।[২১] | |
| হেবরন | পুরাতন হেবরন শহর ইব্রাহিমী মসজিদ এর অবস্থানস্থল। এখানে ইব্রাহিম (আব্রাহাম), তাঁর স্ত্রী সারা, তাঁদের পুত্র ইসহাক (আইজাক), তাঁর স্ত্রী রেবেকা, তাঁদের পুত্র ইয়াকুব (জ্যাকব) এবং তাঁর স্ত্রী লিয়া এর সমাধিস্থল বলে বিশ্বাস করা হয়। এই স্থানটি ইসলাম, ইহুদি ধর্ম এবং অন্যান্য আব্রাহামীয় ধর্মের অনুসারীদের কাছে পবিত্র ও সম্মানিত।[২২][২৩] | |
| হিত্তিন | নবী শু‘আইব (সম্ভবত ইয়েত্রো)-এর মাজার, যা হিত্তিনের নিকট অবস্থিত বলে বিশ্বাস করা হয়। এটি দ্রুজ ও মুসলিমদের জন্য একটি পবিত্র স্থান।[২৪][২৫] | |
| জেরিকো / আন-নবী মুসা | পশ্চিম তীরের জেরিকো শহরের নিকটে অবস্থিত নবী মুসা এর মাজার, যা মুসলমানদের কাছে মুসা এর সমাধি হিসেবে বিবেচিত।[৫][২৬][২৭] | |
| জেরুসালেম | জেরুসালেমের পুরনো শহর তিনটি প্রধান আব্রাহামীয় ধর্ম—ইহুদিধর্ম, খ্রিস্টধর্ম এবং ইসলাম—এর জন্য অসাধারণ ধর্মীয় গুরুত্ব বহন করে। এখানে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে হারাম আল-শরিফ,[২৮][২৯] পবিত্র সমাধি গির্জা,[৩০][৩১] আল-আকসা মসজিদ এবং পশ্চিম প্রাচীর।[৩২] এটি ইহুদিদের কাছে সর্বাপেক্ষা পবিত্র শহর,[৩৩] এবং এটি সুন্নি ইসলামের দৃষ্টিতে তৃতীয় পবিত্রতম শহর।[৩৪] | |
| মাউন্ট গেরিজিম | শমরীয়বাদ অনুসারে, মাউন্ট গেরিজিম পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র স্থান এবং এটি সেই স্থান যেখানে ঈশ্বর একটি মন্দির নির্মাণের জন্য নির্বাচিত করেছিলেন। তাদের ঐতিহ্য অনুযায়ী, এটি পৃথিবীর সবচেয়ে পুরনো এবং কেন্দ্রীয় পর্বত, যা মহাপ্লাবন এর উপর উঁচু হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে এবং নূহ এর জাহাজে প্রথম অবতরণস্থল হিসেবে ভূমি প্রদান করেছে।[৩৫] তাদের বিশ্বাস অনুযায়ী, এটি সেই স্থান যেখানে আব্রাহাম তার পুত্র ইসাককে বলি দিতে প্রায় প্রস্তুত হয়েছিলেন।[৩৬] |
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]পাদটীকা
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 Mustafa Abu Sway। "The Holy Land, Jerusalem and Al-Aqsa Mosque in the Qur'an, Sunnah and other Islamic Literary Source" (পিডিএফ)। Central Conference of American Rabbis। ২৮ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত।
- 1 2 Pfoh, Emanuel (২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬)। Syria-Palestine in The Late Bronze Age: An Anthropology of Politics and Power। Routledge। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৩১৭৩-৯২৩০-৯।
- ↑ Killebrew, A. E.; Steiner, M. L. (২০১৪)। The Oxford Handbook of the Archaeology of the Levant: C. 8000-332 BCE। OUP Oxford। পৃ. ২। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-৯২১২৯৭-২।
The western coastline and the eastern deserts set the boundaries for the Levant ... The Euphrates and the area around Jebel el-Bishrī mark the eastern boundary of the northern Levant, as does the Syrian Desert beyond the Anti-Lebanon range's eastern hinterland and Mount Hermon. This boundary continues south in the form of the highlands and eastern desert regions of Transjordan.
- 1 2 World Heritage Committee (২ জুলাই ২০০৭)। "Convention concerning the protection of the world cultural and natural heritage" (পিডিএফ)। পৃ. ৩৪। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুলাই ২০০৮।
- 1 2 O'Connor, J. M. (১৯৯৮)। The Holy Land: An Oxford Archaeological Guide from Earliest Times to 1700। Oxford University Press। পৃ. ৩৬৯। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯১৫-২৮৬৭-৫।
- ↑ National Spiritual Assembly of the United States (জানুয়ারি ১৯৬৬)। "Shrine of Bahá'u'lláh"। Baháʼí News (418): ৪। ২৬ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০০৬।
- ↑ UNESCO World Heritage Centre (৮ জুলাই ২০০৮)। "Baháʼí Holy Places in Haifa and the Western Galilee"। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুলাই ২০০৮।
- 1 2 লূক-এর সুসমাচার, 1:5–79
- ↑ "The Great Mosque of Aleppo | Muslim Heritage"। www.muslimheritage.com। ২৪ মার্চ ২০০৫। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০১৬।
- ↑ কুরআন ১৯:২–১৫
- 1 2 আব্দুল্লাহ ইউসুফ আলী, দ্য হলি কুরআন: টেক্সট, অনুবাদ এবং ব্যাখ্যা, নোট. ৯০৫: "তৃতীয় গোষ্ঠীটি ক্রিয়াশীল পুরুষ নয়, বরং সত্য প্রচারক, যারা নিঃসঙ্গ জীবনযাপন করেছেন। তাদের উপাধি 'ধার্মিক।' তারা যীশুর চারপাশে একটি সংযুক্ত গোষ্ঠী গঠন করেছিল। যাকারিয়া ছিলেন জন দ্য ব্যাপ্টিস্টের পিতা, যাকে "এলিয়াস, যিনি আসতে চেয়েছিলেন" (ম্যাথিউ ১১:১৪) বলে উল্লেখ করা হয়েছে; এবং জন দ্য ব্যাপ্টিস্ট যীশুর সাথে ট্রান্সফিগারেশনে উপস্থিত ছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে (ম্যাথিউ ১৭:৩)।"
- ↑ Strickert, Frederick M. (২০০৭)। Rachel weeping: Jews, Christians, and Muslims at the Fortress Tomb। Liturgical Press। পৃ. ৬৪–৮৪। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮১৪৬-৫৯৮৭-৮। ৩ মার্চ ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ মার্চ ২০২০।
{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক) - ↑ Guidetti, Mattia (২০১৬)। In the Shadow of the Church: The Building of Mosques in Early Medieval Syria। Arts and Archaeology of the Islamic World (Book 8)। Brill; Lam edition। পৃ. ৩০–৩১। আইএসবিএন ৯৭৮-৯-০০৪৩-২৫৭০-৮। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০১৮।
- ↑ Abu-Lughod, Janet L. (২০০৭)। "Damascus"। Dumper, Michael R. T.; Stanley, Bruce E. (সম্পাদকগণ)। Cities of the Middle East and North Africa: A Historical Encyclopedia। ABC-CLIO। পৃ. ১১৯–১২৬। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৫৭৬০-৭৯১৯-৫।
- ↑ Birke, Sarah (২ আগস্ট ২০১৩), Damascus: What's Left, New York Review of Books
- ↑ Totah, Faedah M. (২০০৯)। "Return to the origin: negotiating the modern and unmodern in the old city of Damascus"। City & Society। ২১ (1): ৫৮–৮১। ডিওআই:10.1111/j.1548-744X.2009.01015.x।
- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি:
<ref>ট্যাগ বৈধ নয়;LeStrange1890নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি - ↑ Burns, 2005, p.88.
- ↑ Sabrina MERVIN, « Sayyida Zaynab, Banlieue de Damas ou nouvelle ville sainte chiite ? », Cahiers d'Etudes sur la Méditerranée Orientale et le monde Turco-Iranien [Online], 22 | 1996, Online since 01 March 2005, connection on 19 October 2014. URL : http://cemoti.revues.org/138
- ↑ "Beauty of restored Shrine set to dazzle visitors and pilgrims"। Baháʼí World News Service। ১২ এপ্রিল ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ১২ এপ্রিল ২০১১।
- ↑ Breger, M. J.; Hammer, L.; Reiter, Y. (১৬ ডিসেম্বর ২০০৯)। Holy Places in the Israeli-Palestinian Conflict: Confrontation and Co-existence। Routledge। পৃ. ২৩১–২৪৬। আইএসবিএন ৯৭৮-১-১৩৫২-৬৮১২-১।
- ↑ Emmett, Chad F. (২০০০)। "Sharing Sacred Space in the Holy Land"। Murphy, Alexander B.; Johnson, Douglas L.; Haarmann, Viola (সম্পাদকগণ)। Cultural encounters with the environment: enduring and evolving geographic themes। Rowman & Littlefield। পৃ. ২৭১–২৯১। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭৪২৫-০১০৬-৫।
- ↑ Gish, Arthur G. (২০ ডিসেম্বর ২০১৮)। Hebron Journal: Stories of Nonviolent Peacemaking। Wipf and Stock Publishers। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৫৩২৬-৬২১৩-৩।
- ↑ Firro, K. M. (১৯৯৯)। The Druzes in the Jewish State: A Brief History। Leiden, The Netherlands: Brill Publishers। পৃ. ২২–২৪০। আইএসবিএন ৯০-০৪-১১২৫১-০।
- ↑ Dana, N. (২০০৩)। The Druze in the Middle East: Their Faith, Leadership, Identity and Status। Sussex Academic Press। পৃ. ২৮–৩০। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৯০৩৯-০০৩৬-৯।
- ↑ Canaan, Tawfiq (১৯২৭)। Mohammedan Saints and Sanctuaries in Palestine। London: Luzac & Co.।
- ↑ Kupferschmidt, Uri M. (১৯৮৭)। The Supreme Muslim Council: Islam Under the British Mandate for Palestine। Brill। পৃ. ২৩১। আইএসবিএন ৯৭৮-৯-০০৪০-৭৯২৯-৮।
- ↑ Rivka, Gonen (২০০৩)। Contested Holiness: Jewish, Muslim, and Christian Perspectives on the Temple Mount in Jerusalem। Jersey City, NJ: KTAV Publishing House, Inc.। পৃ. ৪। আইএসবিএন ০-৮৮১২৫-৭৯৮-২। ওসিএলসি 1148595286।
ইহুদিদের কাছে হারাম আল-শরিফ পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র স্থান, যেখানে সৃষ্টিকর্তা রাজা দাউদের কাছে প্রকাশিত হয়েছিলেন এবং যেখানে সলোমনের মন্দির ও দ্বিতীয় মন্দির নির্মিত হয়েছিল।
- ↑ Marshall J., Breger; Ahimeir, Ora (২০০২)। Jerusalem: A City and Its Future। Syracuse University Press। পৃ. ২৯৬। আইএসবিএন ০-৮১৫৬-২৯১২-৫। ওসিএলসি 48940385।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ Strickert, Frederick M. (২০০৭)। Rachel weeping: Jews, Christians, and Muslims at the Fortress Tomb। Liturgical Press। পৃ. ৬৪–৮৪। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮১৪৬-৫৯৮৭-৮। ৩ মার্চ ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ মার্চ ২০২০।
{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক) - ↑ "Church of the Holy Sepulchre, Jerusalem"। Jerusalem: Sacred-destinations.com। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুলাই ২০১২।
- ↑ Frishman, Avraham (২০০৪), Kum Hisalech Be'aretz, Jerusalem
{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অবস্থানে প্রকাশক অনুপস্থিত (লিঙ্ক) - ↑ খ্রিস্টপূর্ব ১০ম শতাব্দী থেকে:
- "ইসরায়েল প্রায় ৩,০০০ বছর আগে জেরুজালেম থেকে একটি একীভূত জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল, যখন রাজা দাউদ সিংহাসনে বসেন এবং এই শহর থেকে বারো গোত্রকে ঐক্যবদ্ধ করেন...।" Roger Friedland, Richard D. Hecht. To Rule Jerusalem, University of California Press, 2000, পৃ. ৮. আইএসবিএন ০-৫২০-২২০৯২-৭
- "জেরুজালেমের গুরুত্ব ইহুদিদের কাছে এত গভীর যে এমনকি ধর্মনিরপেক্ষ ইহুদিরাও শহরের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও সংযোগ অনুভব করেন।" Leslie J. Hoppe. The Holy City: Jerusalem in the theology of the Old Testament, Liturgical Press, 2000, পৃ. ৬. আইএসবিএন ০-৮১৪৬-৫০৮১-৩
- "৩০০০ বছর আগে রাজা দাউদ জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন।" Mitchell Geoffrey Bard, The Complete Idiot's Guide to the Middle East Conflict, Alpha Books, 2002, পৃ. ৩৩০. আইএসবিএন ০-০২-৮৬৪৪১০-৭
- ↑ ইসলামে তৃতীয় পবিত্র শহর:
- Esposito, John L. (২০০২)। What Everyone Needs to Know about Islam। Oxford University Press। পৃ. ১৫৭। আইএসবিএন ০-১৯-৫১৫৭১৩-৩।
The Night Journey made Jerusalem the third holiest city in Islam
- Brown, Leon Carl (২০০০)। "Setting the Stage: Islam and Muslims"। Religion and State: The Muslim Approach to Politics। Columbia University Press। পৃ. ১১। আইএসবিএন ০-২৩১-১২০৩৮-৯।
The third holiest city of Islam—Jerusalem—is also very much in the center...
- Hoppe, Leslie J. (২০০০)। The Holy City: Jerusalem in the Theology of the Old Testament। Michael Glazier Books। পৃ. ১৪। আইএসবিএন ০-৮১৪৬-৫০৮১-৩।
Jerusalem has always enjoyed a prominent place in Islam. Jerusalem is often referred to as the third holiest city in Islam...
- Esposito, John L. (২০০২)। What Everyone Needs to Know about Islam। Oxford University Press। পৃ. ১৫৭। আইএসবিএন ০-১৯-৫১৫৭১৩-৩।
- ↑ Anderson, Robert T., "Mount Gerizim: Navel of the World", Biblical Archaeologist Vol. 43, No. 4 (Autumn 1980), pp 217–218
- ↑ UNESCO World Heritage Centre (১১ অক্টোবর ২০১৭)। "Mount Gerizim and the Samaritans"। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ডিসেম্বর ২০২০।
- Dictionary of Modern Written Arabic by Hans Wehr (4th edition, 1994).
- Michael Provence, "The Great Syrian Revolt and the Rise of Arab Nationalism", University of Texas Press, 2005.
আরও পড়ুন
[সম্পাদনা]- Pipes, Daniel (১৯৯০)। Greater Syria: the History of an Ambition। New York: Oxford University Press। পৃ. ২৪০। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-৫০৬০২২-৫। pbk.; illustrated with b&w photos and maps; alternative ISBN on back cover: 0-19-506002-4
টেমপ্লেট:Syria topics টেমপ্লেট:Lebanon topics
টেমপ্লেট:Palestine (historic region) topics টেমপ্লেট:Israel topics টেমপ্লেট:Palestine topics টেমপ্লেট:Regions of Turkey
উদ্ধৃতি ত্রুটি: "lower-alpha" নামক গ্রুপের জন্য<ref> ট্যাগ রয়েছে, কিন্তু এর জন্য কোন সঙ্গতিপূর্ণ <references group="lower-alpha"/> ট্যাগ পাওয়া যায়নি- সিরিয়া (অঞ্চল)
- লেভান্ট
- নিকট প্রাচ্য
- সাইপ্রাসের ইতিহাস
- পূর্ব-ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল
- প্রাচীন মধ্যপ্রাচ্য
- সিরিয়ার ভূগোল
- জর্ডানের ভূগোল
- মধ্যপ্রাচ্যের ভূগোল
- পশ্চিম এশিয়ার ভূগোল
- ইসরায়েলের ইতিহাস
- ফিলিস্তিন (অঞ্চল) এর ইতিহাস
- লেবাননের ইতিহাস
- জর্ডানের ইতিহাস
- তুরস্কের ইতিহাস
- পূর্ব-ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের ইতিহাস
- ঐতিহাসিক অঞ্চল
- পুনঃসংযোজনবাদ
- এশিয়ার জাতীয়তাবাদী আন্দোলন
- সিরিয়ার রাজনীতি
- রাজনৈতিক আন্দোলন
- ইউরেশিয়ার অঞ্চল
- এশিয়ার অঞ্চল







