ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট
EBR monogram.jpg
রেজিমেন্টাল মনোগ্রাম
সক্রিয় ১৫ই ফেব্রুয়ারী ১৯৪৮-বর্তমান
দেশ বাংলাদেশ
শাখা সেনাবাহিনী
ধরন পদাতিক
ভূমিকা আমরা নিকটে গিয়ে শত্রুকে ধ্বংস করি
আকার ৫০ ব্যাটালিয়ন
গ্যারিসন/সদরদপ্তর চট্টগ্রাম
ডাকনাম দি টাইগার্স
নীতিবাক্য Grace, Strength, Speed
Colours জমাটবাধা রক্তের রং (বিসিসি ৩৭)
মার্চ চল চল চল
মাস্কট  ?
বার্ষিকীসমূহ ১৫ই ফেব্রুয়ারি
যুদ্ধসমূহ Battle of Chawinda, ১৯৬৫ সালের যুদ্ধে লাহোর প্রতিরক্ষা, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ
কমান্ডার
বর্তমান
কমান্ডার
জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া
কর্ণেল ইন চিফ আব্দুল হামিদ, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি
রেজিমেন্টের কর্নেল মেজর জেনারেল মুজাফ্ফর আহমেদ, বিবি, এনডিসি, পিএসসি
উল্লেখযোগ্য
কমান্ডার
জেনারেল এম. এ. জি. ওসমানী, মেজর জেনারেল খালেদ মোশাররফ, লেফটেনেন্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান

ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি পদাতিক রেজিমেন্ট

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ব্রিটেন-এর নিকট থেকে ভারতের স্বাধীন হওয়ার ফলশ্রুতিতে ১৯৪৮ সালের ১৫ই ফেব্রুযারী এই বাহিনী গঠিত হয়। স্বাধীনতার চুক্তি মোতাবেক, মুসলিম জনগণকে আলাদা রাষ্ট্র পাকিস্তান দেওয়া হয়, যা পূর্ব পাকিস্তানপশ্চিম পাকিস্তান নিয়ে গঠিত হয়। নতুন পাকিস্তান সেনাবাহিনী গঠিত হয়েছিল প্রধানত দেশের পশ্চিমাংশের মানুষের সমন্বয়ে। পরবর্তীতে পূর্বাংশেও একটি রেজিমেন্ট গঠন করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে, বিহার রেজিমেন্ট-এর বাঙালি সৈনিকদের দুটি কোম্পানির সমন্বয়ে ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট-এর ১ম ব্যাটেলিয়ন গঠন করা হয়। এর কিছুকাল পরেই ২য় ব্যাটেলিয়ন গঠন করা হয়। ১৯৪৮ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত মোট ৮টি ব্যাটেলিয়ন গঠন করা হয়, যার মধ্যে ৫ম, ৬ষ্ঠ ও ৭ম ব্যাটেলিয়ন পশ্চিম পাকিস্তানে গঠন করা হয়।

১৯৭১ সালের মার্চ মাসে, পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের উপর সামরিক হামলার প্রতিক্রিয়া সরূপ ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের পাঁচটি ব্যাটেলিয়ন বিদ্রোহ করে এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা করে। প্রথমে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টকে নিয়েই স্বাধীনতা যোদ্ধাদের বাহিনী গঠিত হয়, যা মুক্তিবাহিনী নামে পরিচিত হয়। পরবর্তীতে পশ্চিম পাকিস্তানে রয়ে যাওয়া অংশকে প্রতিস্থাপন করতে অন্যান্য ইউনিট গড়ে তোলা হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর এদের নিয়েই নতুন সেনা বাহিনী গঠন করা হয়। অবশ্য ৭ম ব্যাটেলিয়ন ৪৪তম ব্যাটেলিয়ন হিসাবে পাকিস্তান সেনা বাহিনীর ফ্রন্টিয়ার্স ফোর্স রেজিমেন্টে একত্রীভূত হয়, যারা ১৯৭১ সালে ১০ম ব্যাটেলিয়ন গঠনে নেতৃত্ব দিয়েছিল।

ভূমিকা[সম্পাদনা]

ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট সেনাবাহিনীর সবচেয়ে বড় সৈন্য বিন্যাস । ১৫টি পদাতিক ব্রিগেডেই এই রেজিমেন্টের ব্যাটেলিয়ন আছে। এই রেজিমেন্ট বিদেশে শান্তি-রক্ষায় বাংলাদেশের অঙ্গীকারও বাস্তবায়ন করছে, যা বাংলাদেশকে জাতিসঙ্ঘ[১] শান্তি মিশনের সবচেয়ে বড় অবদানকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

  • UNOCI
    • ৩৬ ব্যাটেলিয়ন, ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট
    • ৩৮ ব্যাটেলিয়ন, ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট
  • UNMIL
    • ৪০ ব্যাটেলিয়ন, ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. As of Dec 2008, Bangladesh was ranked second behind Pakistan and ahead of India in terms of numbers of troops deployed on UNPKOs. See official UN figures, available at: http://www.un.org/Depts/dpko/dpko/contributors/2008/dec08_2.pdf

উৎস[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বাংলাদেশ ইনফেন্ট্রি রেজিমেন্ট

বাইরের উৎস[সম্পাদনা]