বিষয়বস্তুতে চলুন

প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(Presidency University, Kolkata থেকে পুনর্নির্দেশিত)
প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়
প্রাক্তন নাম
হিন্দু কলেজ (১৮১৭-১৮৫৫)
প্রেসিডেন্সী কলেজ (১৮৫৫-২০০৮)
ধরনসরকারি রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়
স্থাপিত২০ জানুয়ারি ১৮১৭; ২০৮ বছর আগে (1817-01-20)
অধিভুক্তি
বাজেট₹৬৫.৬৯ কোটি (FY২০২৩–২৪ est.)
আচার্যপশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল
উপাচার্যনির্মাল্য নারায়ণ চক্রবর্তী
শিক্ষায়তনিক ব্যক্তিবর্গ
২১২
শিক্ষার্থী৩০৬১
স্নাতক১,৫৫৪
স্নাতকোত্তর১,০৩২
৪৭৫
ঠিকানা, , ,
শিক্ষাঙ্গনশহুরে
ভাষাবাংলা, ইংরেজি
অন্যান্য ক্যাম্পাসনিউ টাউন
কার্শিয়াং
ওয়েবসাইটpresiuniv.ac.in
মানচিত্র

প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়, পূর্বে প্রেসিডেন্সি কলেজ নামে পরিচিত,[] কলকাতার কলেজ স্ট্রিটে অবস্থিত একটি সরকারি রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়। ১৮১৭ সালে ‘হিন্দু কলেজ’ নামে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানটি ১৮৫৫ সালে ‘প্রেসিডেন্সি কলেজ’ নামে পুনঃনামকরণ করা হয় এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন একটি শীর্ষস্থানীয় সংযুক্ত কলেজ হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করে। এটি ভারতে উচ্চশিক্ষার অন্যতম প্রাচীন ও মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্যাপকভাবে স্বীকৃত। প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছেন দুইজন নোবেলজয়ী, ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ, রাষ্ট্রপ্রধান, একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী এবং বাংলা শিল্প ও সাহিত্যের পথিকৃৎ ব্যক্তিত্বরা, যারা আধুনিক ভারত ও বাংলার শিক্ষা ও বুদ্ধিবৃত্তিক পরিসর গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রথম মূল্যায়ন পর্বে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন পরিষদ কর্তৃক ৪.০০-এর মধ্যে ৩.০৪ নম্বর পেয়ে “এ” গ্রেড অর্জন করে।[] বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন এটিকে ‘জাতীয় গুরুত্বের বিশ্ববিদ্যালয়’ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করেছে।[] ২০২৪ সালের জুন মাসে এটি পুনরায় এনএএসি কর্তৃক “এ” গ্রেডে স্বীকৃত হয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়টি ৪-এর মধ্যে ৩.১৩ সামগ্রিক গ্রেড পয়েন্ট গড় অর্জন করে, যা পাঁচ বছরের জন্য বৈধ।[]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]
ফ্রান্সিস ফ্রিথের আঁকা কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ ।
কলেজ স্ট্রিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রবেশপথ

১৭৭৩ সালে সুপ্রিম কোর্ট অব ক্যালকাটা প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বাংলার বহু হিন্দু ইংরেজি ভাষা শিক্ষায় গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন। ডেভিড হেয়ার রাজা রাধাকান্ত দেবের সহযোগিতায় ইতিমধ্যেই বাংলায় ইংরেজি ভাষা শিক্ষা প্রচলনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। বাবু বুদ্ধিনাথ মুখার্জি এই উদ্যোগকে আরও এগিয়ে নিয়ে যান, যখন তিনি ফোর্ট উইলিয়ামের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি স্যার এডওয়ার্ড হাইড ইস্ট-এর সমর্থন লাভ করেন। স্যার ইস্ট ১৮১৬ সালের মে মাসে তাঁর বাড়িতে ‘ইউরোপীয় ও হিন্দু ভদ্রলোকদের’ একটি সভা আহ্বান করেন।[] সভার উদ্দেশ্য ছিল— “হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদের সন্তানদের জন্য উদার শিক্ষাদানকারী একটি প্রতিষ্ঠান স্থাপনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করা।” এই প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয় এবং নতুন কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য এক লক্ষ টাকারও বেশি অনুদান দেওয়ার অঙ্গীকার করা হয়।

কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বাধিক অনুদান প্রদানকারী পাঁচজন বাবু ছিলেন— শোভাবাজার রাজ্যের রাজা গোপীমোহন দেব, বর্ধমান রাজের মহারাজা তেজচন্দ্র, পাথুরিয়াঘাটার রাজা গোপীমোহন ঠাকুর, জোড়াসাঁকোর বাবু জয়কৃষ্ণ সিংহ এবং বাবু গঙ্গানারায়ণ দাস। রাজা রামমোহন রায় এই পরিকল্পনাকে সম্পূর্ণ সমর্থন করলেও, “নিজের রক্ষণশীল স্বদেশবাসীদের কুসংস্কারে আতঙ্ক সৃষ্টি করে গোটা উদ্যোগটি ব্যর্থ হয়ে যেতে পারে”— এই আশঙ্কায় তিনি প্রকাশ্যে এই প্রস্তাবের পক্ষে অবস্থান নেননি। তৎকালীন কলকাতার অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, যেমন রানি রাসমণি, প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর, বাবু রাজচন্দ্র দাস এবং মুত্তি লাল সিলও কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ অনুদান প্রদান করেন।[]

প্রথমদিকে কলেজের ক্লাসগুলি গোরাচাঁদ ব্যাসাকের বাড়িতে অনুষ্ঠিত হতো, যা ‘গরানহাটা’ নামে পরিচিত ছিল (পরবর্তীতে যার ঠিকানা হয় ৩০৪, চিৎপুর রোড)। এই বাড়িটি কলেজ কর্তৃপক্ষ ভাড়ায় নিয়েছিল। ১৮১৮ সালের জানুয়ারি মাসে কলেজটি চিৎপুরে অবস্থিত ‘ফিরিঙ্গি’ কমল বসুর বাড়িতে স্থানান্তরিত হয়।[] চিৎপুর থেকে পরে কলেজটি বৌবাজারে স্থানান্তরিত হয় এবং তারও পরে কলেজ স্ট্রিটে অবস্থিত বর্তমান সংস্কৃত কলেজ ভবনে স্থান নেয়।[]

বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর

[সম্পাদনা]

১৯ মার্চ ২০১০ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্য বিধানসভায় প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় বিল, ২০০৯ পাস করে।[] ৭ জুলাই ২০১০ তারিখে তৎকালীন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল এম. কে. নারায়ণন এই বিলে সম্মতি প্রদান করেন।[১০] ২৩ জুলাই ২০১০ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রেসিডেন্সিকে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের জন্য সকল আইনি আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে।[১১] বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য নির্বাচনের জন্য একটি কমিটির সভাপতি হিসেবে অমিয় বাগচীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ২০১০ সালের ৫ অক্টোবর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপিকা অমিতা চট্টোপাধ্যায়কে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ করা হয়।[১২]

২০১১ সালে উচ্চশিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু প্রস্তাব দেন যে নালন্দা মেন্টর গ্রুপের আদলে একটি মেন্টর গ্রুপ গঠন করা হবে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম তদারক করবে। ২০১১ সালের জুন মাসের শুরুতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন যে অমর্ত্য সেনকে প্রধান মেন্টর এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক সুগত বসুকে চেয়ারম্যান করে একটি কমিটি গঠিত হবে, যা কলেজের সার্বিক পরিচালনা ও সকল আধিকারিক এবং শিক্ষক নিয়োগের দায়িত্ব পালন করবে। প্রেসিডেন্সি মেন্টর গ্রুপের সদস্যদের মধ্যে আরও ছিলেন[১৩] ২০১৯ সালের অর্থনীতিতে নোবেলজয়ী অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, অশোক সেন, সব্যসাচী ভট্টাচার্য, নয়নজ্যোত লাহিড়ী, হিমাদ্রি পাকড়াশী, রাহুল মুখার্জি, ইশের জাজ আহলুওয়ালিয়া এবং স্বপন কুমার চক্রবর্তী। ২০১২ সালে সুকান্ত চৌধুরি এই কমিটি থেকে পদত্যাগ করেন।[১৪]

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের প্রবেশপথের বাম পাশে একটি ছোট গার্ডরুম রয়েছে। গার্ডরুমের দেওয়ালে একটি ফলক স্থাপিত আছে, যা দাঙ্গাকারীদের হাত থেকে প্রতিষ্ঠানকে রক্ষা করতে গিয়ে নিহত দরোয়ান রাম ইকবাল সিংহের স্মৃতিতে উৎসর্গিত।[১৫] ২০১৭ সালে বিশ্ববিদ্যালয় তার দ্বিশতবর্ষ (২০০ বছর পূর্তি) উদ্‌যাপন করে।[১৬][১৭][১৮]

ক্যাম্পাস

[সম্পাদনা]

নিউ টাউন ক্যাম্পাস

[সম্পাদনা]

প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউ টাউন ক্যাম্পাস কলকাতায় বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারের নিকটে অবস্থিত। এই ক্যাম্পাসটি ১০ একর জমির উপর গড়ে উঠেছে এবং এতে দুটি ১৪ তলা টাওয়ার রয়েছে। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ক্যাম্পাসের উদ্বোধন করেন এবং সম্ভাব্যভাবে ২০১৯ সালের জুলাই মাস থেকে এখানে ক্লাস শুরু হয়। দুই বছরের মধ্যে ১৮৩ কোটি টাকা ব্যয়ে এই ক্যাম্পাসটি নির্মিত হয়েছে, যা শিক্ষাগত পরিকাঠামোতে একটি উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগের প্রতিফলন।

এই ক্যাম্পাসে পাঁচটি আধুনিক উচ্চতর গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও একাডেমিক কার্যক্রমকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। এগুলি হলো— স্কুল অব বায়োটেকনোলজি (স্কুল অব ক্রপ টেকনোলজির সঙ্গে সমন্বিত), স্কুল অব অ্যাস্ট্রোফিজিক্স, স্কুল অব আর্থ সায়েন্সেস, স্কুল অব পাবলিক পলিসি এবং স্কুল অব ডেটা ইনফরমেটিক্স, সাইবার সিকিউরিটি ও বিগ ডাটা।[১৯]

সাংগঠনিক কাঠামো

[সম্পাদনা]

শাসনব্যবস্থা

[সম্পাদনা]

পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য সকল রাজ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়েরও আচার্য হলেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল।[২০] বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক প্রধান হলেন উপাচার্য। প্রেসিডেন্সি কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা লাভ করার পর অধ্যক্ষের পদটির পরিবর্তে উপাচার্যের পদ চালু হয়। অধ্যাপিকা অনুরাধা লোহিয়া ছিলেন এই প্রতিষ্ঠানের প্রথম স্থায়ী উপাচার্য।[২১] বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার হলেন ড. দেবজ্যোতি কোনার।[২২]

বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা হচ্ছেন— পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, প্রধান গ্রন্থাগারিক, অর্থ আধিকারিক, ছাত্র ডিন (ডিন অব স্টুডেন্টস), কলা বিভাগের ডিন (ডিন অব আর্টস) এবং বিজ্ঞান বিভাগের ডিন (ডিন অব সায়েন্সেস)।[২৩] বিশ্ববিদ্যালয়টি একটি মেন্টর গ্রুপের দিকনির্দেশনায় পরিচালিত হয়। এই মেন্টর গ্রুপের চেয়ারম্যান হলেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ওশানিক ইতিহাস ও বিষয়ক গার্ডিনার অধ্যাপক সুগত বসু। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন এই মেন্টর গ্রুপের চেয়ারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।[২৪][২৫]

অধ্যক্ষ এবং উপাচার্যদের তালিকা

প্রেসিডেন্সি কলেজের অধ্যক্ষ

প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য

বিভাগসমূহ

[সম্পাদনা]

একাডেমিক কাঠামোর দিক থেকে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুটি অনুষদ রয়েছে— প্রাকৃতিক ও গাণিতিক বিজ্ঞান অনুষদ এবং মানববিদ্যা ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদ। উভয় অনুষদেরই প্রধান হিসেবে ডিন দায়িত্ব পালন করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে মোট ১৬টি বিভাগ কার্যকর রয়েছে। সেগুলি হলো— বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি, ইতিহাস, পারফর্মিং আর্টস (মঞ্চকলা), দর্শন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, প্রাণিবিজ্ঞান (লাইফ সায়েন্সেস), রসায়ন, অর্থনীতি, ভূগোল, ভূতত্ত্ব, গণিত, পদার্থবিজ্ঞান এবং পরিসংখ্যান।[২৬][২৭]

প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগসমূহ
  • বাংলা
  • জীবন বিজ্ঞান
  • রসায়ন
  • অর্থনীতি
  • ইংরেজী
  • ভূগোল
  • ভূতত্ত্ব
  • হিন্দি
  • ইতিহাস
  • গণিত
  • শিল্পকলা প্রদর্শন
  • পদার্থবিদ্যা
  • দর্শন
  • রাষ্ট্রবিজ্ঞান
  • সমাজবিজ্ঞান
  • পরিসংখ্যান
  • স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট
  • জ্যোতির্পদার্থবিদ্যা স্কুল
উপাচার্যদের তালিকা
অমিতা চট্টোপাধ্যায় ২০১০-২০১১
মালবিকা সরকার ২০১১–২০১৪
অনুরাধা লোহিয়া ২০১৪–২০২৩
শুভ্র কমল মুখার্জি (ভারপ্রাপ্ত) ২০২৩–২০২৪
নির্মাল্য নারায়ণ চক্রবর্তী ২০২৪– বর্তমান

র‍্যাঙ্কিং

[সম্পাদনা]

কলেজ হিসেবে কার্যকালীন সময়ে জাতীয় প্রাতিষ্ঠানিক র‍্যাঙ্কিং কাঠামো-এর মতো আনুষ্ঠানিক জাতীয় র‍্যাঙ্কিং ব্যবস্থা চালু ছিল না। তবে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম প্রেসিডেন্সি কলেজকে মানববিদ্যা ও প্রাকৃতিক বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে মূল্যায়ন করেছিল।

র‍্যাঙ্কিং বছর ১৯৯৮ ১৯৯৯ ২০০০ ২০০১ ২০০২ ২০০৩ ২০০৪ ২০০৫ ২০০৬ ২০০৭ ২০০৮ ২০০৯ ২০১০
বিজ্ঞান ২য় ২য় - - ৩য় ২য় - ৩য় ৪র্থ ৮ম ৩য় ৫ম ৩য়
মানবিক দ্বিতীয় ২য় - ১ম - - - - দ্বিতীয় ৬ষ্ঠ ৪র্থ ৭ম ৬ষ্ঠ

২০১৬ সালে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউশনাল র‍্যাঙ্কিং ফ্রেমওয়ার্ক-এর প্রাথমিক তালিকায় দেশসেরা শীর্ষ ৫০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা স্থান পায়।[২৮] ২০২৫ সালে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিংস – সাউদার্ন এশিয়া তালিকায় বিশ্ববিদ্যালয়টি ১২৪তম স্থানে অবস্থান করে।[২৯] এছাড়া ২০২৪ সালে এনআইআরএফ-এর সামগ্রিক ভারতীয় র‍্যাঙ্কিংয়ে প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় ১৫১–২০০ ব্যান্ডের মধ্যে স্থান লাভ করে।[৩০]

বিশ্ববিদ্যালয় র‍্যাংকিং

প্রাক্তন শিক্ষার্থী

[সম্পাদনা]

প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রদের মধ্যে রয়েছেন অর্থনীতিতে দুজন নোবেল বিজয়ী, ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা, রাষ্ট্রপ্রধান, একাডেমি পুরস্কার বিজয়ী, শিক্ষাবিদ এবং বাংলা নবজাগরণের পথিকৃৎ ।

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. Chakraborty, Rachana (২০১২)। "Presidency College"Islam, Sirajul; Jamal, Ahmed A. (সম্পাদকগণ)। Banglapedia: National Encyclopedia of Bangladesh (Second সংস্করণ)। Asiatic Society of Bangladesh। ১ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জানুয়ারি ২০১৬
  2. "Presidency university gets top NAAC rating"The Times of India (ইংরেজি ভাষায়)। ৯ মে ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুন ২০১৮
  3. "Legacy of Presidency University"www.presiuniv.ac.in (ইংরেজি ভাষায়)। ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুন ২০১৮
  4. "Presi awarded 'A' grade by NAAC"The Times of India। ১৯ জুন ২০২৪। আইএসএসএন 0971-8257। সংগ্রহের তারিখ ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
  5. "Presidency University"www.presiuniv.ac.in (ইংরেজি ভাষায়)। ১৫ মে ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুন ২০১৮
  6. "Presidency University"www.presiuniv.ac.in (ইংরেজি ভাষায়)। ১৬ মে ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুন ২০১৮
  7. This building is a historic one because Raja Ram Mohan Roy inaugurated his Brahma Sabha there and Alexander Duff of the Scottish Missionary Board started his educational establishment, the General Assembly's Institution there as well a few years later in 1830.
  8. "Ad Age Homepage - Ad Age"www.adageindia.in (ইংরেজি ভাষায়)। ২৬ জুন ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জুন ২০১৮
  9. Our Bureau (২০ মার্চ ২০১০)। "The Telegraph – Calcutta (Kolkata) | Frontpage | CM beats Mamata to Presidency"। Telegraphindia.com। ১২ জুন ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ আগস্ট ২০১২
  10. "Presidency varsity bill gets governor's assent"The Times Of India (ইংরেজি ভাষায়)। ১১ আগস্ট ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  11. Express News Service (২৪ জুলাই ২০১০)। "Presidency University legal steps complete"। Express India। ৯ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ আগস্ট ২০১২
  12. "The Telegraph - Calcutta (Kolkata) | Frontpage | Comfort factor confines Presidency to home pool"। Telegraphindia.com। ৬ অক্টোবর ২০১০। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ আগস্ট ২০১২
  13. "Presidency Mentor Group"। ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ নভেম্বর ২০১৩
  14. "Sukanta Chaudhuri quits"The Times of India। ২ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ নভেম্বর ২০১৩
  15. "Presi guardian angel"The Telegraph, Calcutta। ১৪ এপ্রিল ২০১৩। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ মে ২০১৪
  16. "200 Years of a Legacy"Tribune India। ১৮ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুন ২০১৮
  17. "Archives with over 200-yr-old records on Presidency College inaugurated"। ১৩ ডিসেম্বর ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ১২ নভেম্বর ২০২৩
  18. "Presidency University, Kolkata's eminent educational institution"। সংগ্রহের তারিখ ১২ নভেম্বর ২০২৩
  19. "Presidency second chapter opens in New Town"The Telegraph (India) 19.02.19, 07:09 AM। ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯। ২২ জুন ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯
  20. "Our Governor: Raj Bhavan, Kolkata"The Raj Bhavan, Kolkata। সংগ্রহের তারিখ ২২ আগস্ট ২০২২
  21. "Decks cleared for re-appointing Anuradha Lohia as the VC of Presidency University"The Times of India। ২১ জুলাই ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুন ২০১৮
  22. "Presi Registrar invites nominees for VC"The Telegraph। ২৮ জুন ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুন ২০১৮
  23. "Presidency - Organisation Structure"। ৩০ জুন ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুন ২০১৮
  24. "Quality faculty top priority: Presidency mentor group"The Hindu (ভারতীয় ইংরেজি ভাষায়)। ২৬ আগস্ট ২০১১। আইএসএসএন 0971-751X। ২৮ জুন ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুন ২০১৮
  25. "Presidency Mentor Group to reach out to brilliant students in"Business Standard India। Press Trust of India। ২৪ ডিসেম্বর ২০১৭। ২৮ জুন ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুন ২০১৮
  26. "Presidency - Organisation Structure"। ৩০ জুন ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জুন ২০১৮
  27. "Departments of Presidency University, Kolkata"। সংগ্রহের তারিখ ১২ নভেম্বর ২০২৩
  28. "Presidency University, Kolkata: Courses, Fees, Admission 2024, Placements, Cutoff"www.shiksha.com (ইংরেজি ভাষায়)। ১৮ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
  29. "Presidency University, Kolkata"Top Universities (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
  30. "NIRF 2024 Overall ranking"

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]