অমিত মিত্র

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
অমিত মিত্র
Amit Mitra - Kolkata 2011-08-02 4269.JPG
ক্যাবিনেট মন্ত্রী, পশ্চিমবঙ্গ সরকার
কাজের মেয়াদ
২০ই মে, ২০১১ - ২০২১
দপ্তরঅর্থ মন্ত্রক
রাজ্যপালএম. কে. নারায়নন
ডি. ওয়াই. পাতিল
কেশরী নাথ ত্রিপাঠী
জগদীপ ধনখড়
মুখ্যমন্ত্রীমমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
পূর্বসূরীঅসীম দাসগুপ্ত
ক্যাবিনেট মন্ত্রী, পশ্চিমবঙ্গ সরকার
কাজের মেয়াদ
১০ই মে, ২০২১ - বর্তমান
দপ্তরপরিকল্পনা ও পরিসংখ্যান
পূর্বসূরীতাপস রায়
কাজের মেয়াদ
২০১৩ - ২০২১
দপ্তরতথ্য প্রযুক্তি(২০১৮-২০২১)
শিল্প পুনর্গঠন (২০১৪-২০২১)
জন উদ্যোগ মন্ত্রক (২০১৪-২০২১)
বাণিজ্য ও শিল্প (২০১৪-২০২১)
ছোট, কুটির ও মাঝারি শিল্প এবং বস্ত্র মন্ত্রক(২০১৩-২০২১)
রাজ্যপালএম. কে. নারায়নন
ডি. ওয়াই. পাতিল
কেশরী নাথ ত্রিপাঠী
জগদীপ ধনখড়
মুখ্যমন্ত্রীমমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
পূর্বসূরীপার্থ চট্টোপাধ্যায় (তথ্য প্রযুক্তি)
ব্রাত্য বসু (তথ্য প্রযুক্তি)
শ্যাম মুখার্জি (ছোট, কুটির ও মাঝারি শিল্প এবং বস্ত্র মন্ত্রক)
উত্তরসূরীপার্থ চট্টোপাধ্যায় (শিল্প ও বাণিজ্য ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রক)
সুব্রত মুখোপাধ্যায় (জন উদ্যোগ ও শিল্প পুনর্গঠন)
চন্দ্রনাথ সিনহা (ছোট, কুটির ও মাঝারি শিল্প এবং বস্ত্র মন্ত্রক)
বিধায়ক, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা
কাজের মেয়াদ
২০১১ - ২০২১
পূর্বসূরীঅসীম দাসগুপ্ত
উত্তরসূরীকাজল সিনহা
সংসদীয় এলাকাখড়দহ বিধানসভা কেন্দ্র
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম২০শে ডিসেম্বের, ১৯৪৭
কলকাতা
জাতীয়তাভারতীয়
রাজনৈতিক দলসর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস
সন্তানএক কন্যা
প্রাক্তন শিক্ষার্থীপ্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়
দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়
ডিউক বিশ্ববিদ্যালয়

ডঃ অমিত মিত্র একজন ভারতীয় অর্থনীতিবিদ এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি বর্তমানে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস দলের সাথে যুক্ত এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থমন্ত্রী।

পরিবার[সম্পাদনা]

অমিত মিত্রের বাবা শ্রী হরিদাস মিত্র ছিলেন একজন স্বাধীনতা সংগ্রামী এবং পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার। তার মায়ের বাবা শ্রী সুরেশ চন্দ্র বসু ছিলেন প্রখ্যাত স্বাধীনতা সংগ্রামী সুভাষচন্দ্র বসুর বড় দাদা। হরিদাস মিত্র এবং সুরেশ চন্দ্র বসু উভয়েই আজাদ হিন্দ ফৌজের গুপ্তচর বাহিনীতে কাজ করতেন। পরবর্তীকালে সুরেশ বসুর পরিবর্তে অমিত মিত্রের মা বেলা বেলা মিত্র সেই পদে যোগ দেন। হাওড়া জেলার বেলানগর রেলওয়ে স্টেশন তার নামানুসারে করা হয়।

পড়াশোনা[সম্পাদনা]

অমিত মিত্র কলকাতা বয়েজ স্কুল থেকে পড়াশোনা শুরু করেন। তারপর তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে অর্থনীতি বিভাগে স্নাতক হন। এখানকার পড়াশোনা সেশ করার পর অমিত মিত্র দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এম.এ ডিগ্রী লাভ করেন এবং ডিউক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেন।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

ভারতে ফেরার আগে অমিত মিত্র আমেরিকার ডিউক বিশ্ববিদ্যালয় এবং ফ্রাঙ্কলিন এন্ড মার্শাল কলেজে সম্মানের সাথে শিক্ষকতা করেন। শিক্ষকতায় অসামান্য অবদানের জন্য তিনি সেখানে বিশেষ অ্যাওয়ার্ডও জেতেন।[১]

অমিত মিত্র ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান চেম্বারস অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রির সেক্রেটারি জেনারেল হন। তারপর বিধায়ক নির্বাচিত হবার পর ২০১১ সালের ১৮ই মে অমিত মিত্র এই পদ থেকে ইস্তফা দেন। তার সময়কালেই অমিত মিত্র উদারীকৃত অর্থনীতিতে ভারতের অর্থনীতির কী কী পথ অবলম্বন করা উচিত সে বিষয়ে গবেষণার জন্য এই প্রতিষ্ঠানটিকে একটি পেশাদার প্রতিষ্ঠানে রুপান্তরিত করেন।

২৫শে মার্চ ২০০৩ থেকে ২৪শে মার্চ ২০০৬ পর্যন্ত অমিত মিত্র স্টিল অথরিটি অব ইন্ডিয়ার অ্যডিশনাল ডিরেক্টর ছিলেন। তিনি বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় ভারত সরকারের পরামর্শদাতার ভুমিকাও পালন করেছেন। বিশেষজ্ঞ দলের সদস্য হিসাবে অমিত মিত্র ভারত সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের সাথেও যুক্ত ছিলেন। দিল্লি-মুম্বই শিল্প করিডোর উন্নয়ন নিগম বোর্ডের একজন অন্যতম সদস্য ছিলেন শ্রী অমিত মিত্র।

বিভিন্ন নামী দামী বহুজাতিক সংস্থার বিশেষজ্ঞ কমিটিতেও অমিত মিত্র দায়িত্ব পালন করেছেন যার মধ্যে অন্যতম হল মাইক্রোসফট কর্পোরেশন (ভারত)। সেবি প্রতিষ্ঠিত সেন্ট্রাল লিস্টিং অথোরিটিরও সদস্য ছিলেন তিনি।

রাজনৈতিক জীবন[সম্পাদনা]

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে অমিত মিত্র সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস দলে যোগদান করেন এবং ২০১১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে খড়দহ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ভোটে লড়েন। এই কেন্দ্র থেকেই তিনি পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন অর্থমন্ত্রী অসীম দাসগুপ্ত কে ভোটে হারান। এবং তিনি প্রথম তৃনমূল সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন।

পুরস্কার ও সম্মান[সম্পাদনা]

২০০৮ সালে ভারত সরকার শ্রী অমিত মিত্র কে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করেন।[২] ২০০৫ সালে জাপান অমিত মিত্রকে 'অর্ডার অফ দ্য রাইজিং সান' সম্মান প্রদান করেন।[৩] তাছাড়াও ২০০৭ সালে ইতালি সরকার অমিত মিত্র কে সে দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে ভূষিত করে.

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]