সুফিয়া নূরিয়া ফাজিল মাদ্রাসা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সুফিয়া নূরিয়া ফাজিল মাদ্রাসা
ধরনফাজিল মাদ্রাসা
স্থাপিত১৯০৪
অধ্যক্ষমোহাম্মদ রেজাউল হক নিজামী
অবস্থান,
শিক্ষাঙ্গনমিঠানালা, মীরসরাই, চট্টগ্রাম

সুফিয়া নূরিয়া ফাজিল মাদ্রাসা বাংলাদেশের ইলমে শরীয়ত ও তরীকতের প্রাচীন মার্কায।হাজার হাজার মুফতী,মুহাদ্দিস,মুুফাচ্ছির,পীর মাশায়েখ তৈরী হয়েছে এই মাদ্রাসায়।

অবস্থান[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত মীরসরাই উপজেলার মিঠানালা ইউনিয়নের পশ্চিম মিঠানালা গ্রামে এ মাদ্রাসাটি অবস্থিত।[১]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

এলাকাবাসীর মধ্যে ইসলামের মর্মবাণী পৌঁছাতে এবং নিরক্ষরতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করতে ১৯০৪ সালে ভারতের ফুরফুরা শরীফের মুজাদ্দিদে যামানের বিশিষ্ট খলীফা হাদীয়ে যামান পীরে কামেল মুফতি মাওলানা শাহসূফী আবদুল গণি পীর সাহেব (রহ.) এ মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠানটি বালাকোটের গাজী শাহসূফী নূর মোহাম্মদ নিজামপুরী (রহ.) এর নামানুসারে নামকরণ করা হয়। মাদ্রাসাটি ১৯৫০ সালে আলিম এবং ১৯৫২ সালে ফাজিল মঞ্জুরী লাভ করে। এ মাদ্রাসা থেকে ১৯৫৩ সালে প্রথম আলিম ও ফাজিল বোর্ড পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।[১]

পরিচালনা ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

মাদ্রাসা পরিচালনার জন্য জনাব ডঃ মুহাম্মদ ইনাউল হককে সভাপতি করে ১৪ সদস্যের একটি পরিচালনা পরিষদ রয়েছে।[১]

শিক্ষক-শিক্ষার্থী[সম্পাদনা]

মাদ্রাসার অধ্যক্ষ জনাব মোহাম্মদ রেজাউল হক নিজামী। বর্তমানে সাড়ে ছয় শতাধিক শিক্ষার্থী এ মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত আছে।[১]

অবকাঠামো[সম্পাদনা]

এ প্রতিষ্ঠানে ৩টি দ্বিতল একাডেমিক ভবন ও ১টি একতলা ভবন ও ১টি আধাপাকা ভবন রয়েছে।[১]

পর্যায়[সম্পাদনা]

এ মাদ্রাসায় ফাজিল (ডিগ্রী) পর্যায় পর্যন্ত পাঠদান করা হয়। ১৯৮৫ সালে মাধ্যমিক বিজ্ঞান শিক্ষা প্রকল্পের অধীনে বিজ্ঞান শাখা চালু হয়।[১]

এছাড়াও মাদ্রাসায় শাইখুল মাশায়েখ আল্লামা মুফতী আবদুল হক সিরাজীর পরিচালনায় দারুল ইফতা রয়েছে।

কৃতিত্ব ও ফলাফল[সম্পাদনা]

প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড কর্তৃক অনুষ্ঠিত দাখিল, আলিম, ফাজিল পরীক্ষায় এবং বর্তমানে পঞ্চম শ্রেণীর সমাপনী ও অষ্টম শ্রেণী (জেডিসি) পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জন করে আসছে। ২০১১ সালে অষ্টম শ্রেণীতে ২ জন এবং দাখিল পরীক্ষায় ২ জন শিক্ষার্থী মেধাবৃত্তি লাভ করে। ২০১২ সালে দাখিল ও আলিম পরীক্ষায় শতভাগ ফলাফল অর্জন করে মাদ্রাসার গৌরবময় ঐতিহ্যের ধারা অব্যাহত রাখে। বিগত বছরের পাশের হার ১০০%।[১]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]