পরশুরাম ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরশুরাম ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা, ফেনী
ধরনএমপিও ভুক্ত
স্থাপিত১ জানুয়ারি ১৯৫৬; ৬৬ বছর আগে (1956-01-01)
প্রাতিষ্ঠানিক অধিভুক্তি
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ (২০০৬- ২০১৬)
ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় (২০১৬- বর্তমান)
অধ্যক্ষপ্রথম প্রেন্সিপ্যাল মরহুম, মৌলভী বেলায়েত হোসাইন রহ

২য় প্রেন্সিপ্যাল মহরুম আল্লামা কাজী আলহাজ্ব মাওলানা রুহুল আমিন (রহ:)

বর্তমান প্রেন্সিপ্যাল মাওলানা নুরুল ইসলাম মজুমদার
মাধ্যমিক অন্তর্ভুক্তিবাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড
শিক্ষার্থীআনু. ১০০০
অবস্থান, ,
ভাষাবাংলা, আরবিইংরেজি
EIIN সংখ্যা১০৬৬৯৮
ক্রীড়াফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল
ওয়েবসাইটhttp://106698.ebmeb.gov.bd/

পরশুরাম ইসলামিয় ফাজিল মাদ্রাসা ফেনী জেলার বৃহৎ ও প্রাচীন একটি ডিগ্রী সমমান আলিয়া মাদ্রাসা। মাদ্রাসাটি ভালো ফলাফলের জন্য বরাবরই সুপরিচিত।[১][২] এই মাদ্রাসাটি ফেনী জেলায় ইসলামী শিক্ষা প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। মাদ্রাসাটি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনস্থ।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

মৌলভি বেলায়াত এই মাদ্রাসাটির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম প্রিন্সিপাল। তার পরবর্তীতে দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছর পর্যন্ত প্রিন্সিপাল হিসেবে ছিলেন, আল্লামা কাজী আলহাজ্ব মাওলানা রুহুল আমিন (রহ) ওনার প্রচেষ্টায় মাদ্রাসাটি পুনরায় প্রথম শ্রেণি থেকে ফাজিল তথা ডিগ্রী ক্লাস পর্যন্ত চালু হয়েছে এবং সকল সেন্টার পরীক্ষার কেন্দ্র আনা হয়েছে অত্র মাদ্রাসায়। ২০০৩ সালে তিনি অবসরে চলে যান এবং ২০১৫ সালের ১৮ই সেপ্টেম্বর ইন্তিকাল করেন। বর্তমানে প্রিন্সিপাল হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন মাওলানা নুরুল ইসলাম মজুমদার।[৩] মাদ্রাসাটি ভালো ফলাফলের জন্য দ্রুতই ফাজিল অনুমোদন লাভ করে, এবং অধ্যাদেশ অনুসারে ২০০৬ সালে মাদ্রাসাটি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত হয়[৪], এবং ২০১৬ সালের পর থেকে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত মাদ্রাসা।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "ফেনী পরশুরামের সকল স্কুল ও মাদ্রাসার ফলাফল"www.hazarikapratidin.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৪-০৭ 
  2. "ফেনীতে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার ৫ কেন্দ্রে ১৪৪ ধারা"banglanews24.com। ২০১৭-১১-০১। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৮-১৯ 
  3. "পরশুরাম ফাজিল মাদ্রাসা"nayapaigam.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৪-০৭ 
  4. "ই.বি অফিস কার্যালয়" (PDF)ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ। ১৪ জুলাই ২০২১ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৯ অগাস্ট ২০২১