রিডলি জ্যাকবস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
রিডলি জ্যাকবস
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামরিডলি ডেটামোর জ্যাকবস
জন্ম (1967-11-26) ২৬ নভেম্বর ১৯৬৭ (বয়স ৫১)
সুইটস ভিলেজ, অ্যান্টিগুয়া ও বার্বুডা
ব্যাটিংয়ের ধরনবামহাতি
ভূমিকাউইকেট-রক্ষক, অধিনায়ক
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক২৬ নভেম্বর ১৯৯৮ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা
শেষ টেস্ট২৯ জুলাই ২০০৪ বনাম ইংল্যান্ড
ওডিআই অভিষেক২৬ মার্চ ১৯৯৬ বনাম নিউজিল্যান্ড
শেষ ওডিআই১০ জুলাই ২০০৪ বনাম নিউজিল্যান্ড
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৯১-২০০৫লিওয়ার্ড আইল্যান্ডস
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ৬৫ ১৪৭ ১৫৭ ২২২
রানের সংখ্যা ২,৫৭৭ ১,৮৬৫ ৭,৫১৮ ৩,১৮০
ব্যাটিং গড় ২৮.৩১ ২৩.৩১ ৩৮.৭৫ ২৫.৬৪
১০০/৫০ ৩/১৪ ০/৯ ১৭/৪০ ০/১৬
সর্বোচ্চ রান ১১৮ ৮০* ১৪৯ ৮৫
বল করেছে
উইকেট
বোলিং গড়
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ০/০
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ২০৭/১২ ১৬০/২৯ ৪৪৩/৩৩ ২৫৪/৪৩
উৎস: ক্রিকইনফো, ২০ জুন ২০১৫

রিডলি ডেটামোর জ্যাকবস (ইংরেজি: Ridley Detamore Jacobs; জন্ম: ২৬ নভেম্বর, ১৯৬৭) এন্টিগুয়ার সুইটস এলাকায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা। ১৯৯০-এর দশক থেকে ২০০০-এর দশক পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের নিয়মিত সদস্য ছিলেন ও দলের অধিনায়কত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ উইকেট-রক্ষক ছিলেন। পাশাপাশি বামহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে সুনাম কুড়িয়েছেন রিডলি জ্যাকবস। ঘরোয়া ক্রিকেটে লিওয়ার্ড আইল্যান্ডসের প্রতিনিধিত্ব করেন তিনি।

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

ছয় বছরের খেলোয়াড়ী জীবনে তিনি সর্বমোট ৬৫ টেস্টে অংশ নেন। এ সময়ে স্ট্যাম্পের পিছনে অবস্থান নিয়ে দুই শতাধিক ক্যাচ নেন। এরফলে বিখ্যাত উইকেট-রক্ষক জেফ ডুজনের পর দ্বিতীয় ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান হিসেবে তিনি এ কীর্তি গড়েন।[১] ২০১৫ সাল পর্যন্ত টেস্ট ডিসমিসালে তার অবস্থান দ্বাদশ।

নিজস্ব ৩১তম জন্মদিনে ২৬ নভেম্বর, ১৯৯৮ তারিখে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তার টেস্ট অভিষেক ঘটে। ২০০০ সালে মেলবোর্নে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্টে এক ইনিংসে সর্বাধিক ক্যাচ নিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েন যা অদ্যাবধি অক্ষত রয়েছে।[২] তিনি ঐ টেস্টে ৭ ক্যাচ নেন। তার এ অর্জনের সাথে যৌথভাবে ওয়াসিম বারি, বব টেলরইয়ান স্মিথ জড়িয়ে রয়েছেন। এছাড়াও, ব্রায়ান লারা’র অপরাজিত ৪০০* রান সংগ্রহের সাথে জ্যাকবসও স্মরণীয় জুটি গড়েন। ঐ খেলায় তিনি সেঞ্চুরি করেছিলেন। ২৯ জুলাই, ২০০৪ তারিখে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন।

২৬ মার্চ, ২০০৪ তারিখে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিকে অভিষিক্ত হন। সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে ১৪৭টি ওডিআইয়ে অংশ নিয়েছেন। ২০০৪ ও ২০০৫ সালে যথাক্রমে কোর্টনি ব্রাউনকার্লটন বাউয়ের উইকেট-রক্ষণে শক্ত ভূমিকার ফলে তাকে এ স্থান থেকে দূরে সরে আসতে হয়।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]


পূর্বসূরী
কার্ল হুপার
ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট ক্রিকেট অধিনায়ক
২০০২-০৩
উত্তরসূরী
ব্রায়ান লারা