স্টুয়ার্ট উইলিয়ামস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
স্টুয়ার্ট উইলিয়ামস
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামস্টুয়ার্ট ক্লেটন উইলিয়ামস
জন্ম (1969-08-12) ১২ আগস্ট ১৯৬৯ (বয়স ৫০)
চার্লসটাউন, নেভিস
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম পেস
ভূমিকাব্যাটসম্যান
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ২০৫)
১৬ এপ্রিল ১৯৯৪ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ টেস্ট২ মে ২০০২ বনাম ভারত
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ৬৮)
১৭ অক্টোবর ১৯৯৪ বনাম ভারত
শেষ ওডিআই৩০ মে ১৯৯৯ বনাম অস্ট্রেলিয়া
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
১৯৮৯–২০০৫লিওয়ার্ড আইল্যান্ডস
১৯৮৬–২০০৮নেভিস
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ৩১ ৫৭ ১৫১ ১৩১
রানের সংখ্যা ১১৮৩ ১,৫৮৬ ৯,৫১৭ ৩,৬৩৯
ব্যাটিং গড় ২৪.১৪ ৩২.৩৬ ৪০.৬৭ ৩১.১০
১০০/৫০ ১/৩ ২/১০ ২৬/৩৬ ২/২৭
সর্বোচ্চ রান ১২৮ ১০৫* ২৫২* ১০৫*
বল করেছে ১৮ ২৪ ২৫২ ৮৪
উইকেট
বোলিং গড় ৩০ ৬৬.০০ ৩০.৬৬
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট -
সেরা বোলিং ০/১৯ ১/৩০ ১/১৯ ২/৬২
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ২৭/– ১৮/– ১২৫/– ৫৩/–
উৎস: ক্রিকইনফো, ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭

স্টুয়ার্ট ক্লেটন উইলিয়ামস (ইংরেজি: Stuart Williams; জন্ম: ১২ আগস্ট, ১৯৬৯) নেভিসের চার্লসটাউনে জন্মগ্রহণকারী সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা। ১৯৯৪ থেকে ২০০২ সময়কালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলে মূলতঃ উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলেছেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতি মিডিয়াম পেস বোলিং করতেন স্টুয়ার্ট উইলিয়ামস। ঘরোয়া ক্রিকেটে লিওয়ার্ড আইল্যান্ডস ও নেভিস দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। বর্তমানে তিনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে সহকারী কোচের দায়িত্ব পালন করছেন।[১]

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

ওয়েস্ট ইন্ডিজের ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় বেশ সাবলীল ভঙ্গীমায় নিজেকে উপস্থাপন করেছেন। টেস্ট ক্রিকেট থেকে বিদায় নেয়ার পর ২০০৫ সালে পুণরায় প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে ফিরে আসেন। ঐ মৌসুমেই তিনি দলের ব্যাটিং গড়ে শীর্ষস্থান লাভ করেন। ৫৪.৮৩ গড়ে ৩৩৯ রান তুলে তিনি তার চূড়ান্ত মৌসুম শেষ করে খেলোয়াড়ী জীবনকে বিদায় জানান।

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

১৬ এপ্রিল, ১৯৯৪ তারিখে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টে অভিষেক ঘটে তার। গর্ডন গ্রীনিজডেসমন্ড হেইন্সের অবসর গ্রহণের পর অন্যতম উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবার প্রয়াস চালান। প্রতিশ্রুতিশীল ব্যাটসম্যান হওয়া স্বত্ত্বেও তিনি টেস্ট ক্রিকেটের ন্যায় উঁচু পর্যায়ের ক্রিকেটে তেমন রান সংগ্রহ করতে পারেননি। আট বছরব্যাপী খেলোয়াড়ী জীবনে ভারতের বিপক্ষে তিনি তার একমাত্র সেঞ্চুরি করেন।[২] পাশাপাশি ৫২ ইনিংসে মাত্র চারটি অর্ধ-শতকের সন্ধান পেয়েছেন তিনি। প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে সাফল্য পেলেও টেস্টের ইনিংসগুলোয় বেশকিছু চমকপ্রদ স্ট্রোকপ্লে দেখিয়ে স্বল্পসময়েই বিদায় নিতে হয়। ক্রিজে তিনি দীর্ঘসময় ব্যাট নিয়ে অবস্থান করতে সক্ষমতা দেখাননি। ফলে, ২০০২ সালে তাকে টেস্ট জীবন থেকে বিদায় নিতে হয়েছে। ২ মে, ২০০২ তারিখে ভারতের বিপক্ষে তিনি তার সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন। ২০০১-০২ মৌসুমে সফরকারী ভারতের বিপক্ষে তিনি অপ্রত্যাশিতভাবে দ্বিতীয়বারের মতো খেলার সুযোগ পান। কিন্তু ৫ ইনিংসে মাত্র ৯১ রান তুলেছিলেন যার অধিকাংশই এসেছিল বাউন্ডারি থেকে।

একদিনের আন্তর্জাতিক[সম্পাদনা]

১৭ অক্টোবর, ১৯৯৪ তারিখে ভারতের বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিকে অভিষিক্ত হন তিনি। ৩০ মে, ১৯৯৯ তারিখে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সর্বশেষ ওডিআইয়ে অংশ নেন। ১৯৯৯ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে দলের অন্যতম সদস্য মনোনীত হন। শিবনারায়ণ চন্দরপলের সাথে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে অপরাজিত ২০০ রানের সর্বোচ্চ জুটি গড়েন।[৩]

২০০৪ সালে ক্যারিব বিয়ার সিরিজের খেলায় ফিল্ডিংয়ের সময় আঙ্গুলে ব্যথা পান। গালি অঞ্চলে তিনি তুখোড় ফিল্ডাররূপে পরিচিত ছিলেন। জুলাই, ২০০৮ সালে ক্লাইড বাটসের সভাপতিত্বে জাতীয় দল নির্বাচক প্যানেলের অন্যতম সদস্য মনোনীত হন তিনি।

পরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

টেস্ট সেঞ্চুরি[সম্পাদনা]

স্টুয়ার্ট উইলিয়ামসের টেস্ট সেঞ্চুরিসমূহ
নং রান খেলা প্রতিপক্ষ শহর/দেশ মাঠ তারিখ ফলাফল
[১] ১২৮ ১৪  ভারত ত্রিনিদাদ ও টোবাগো পোর্ট অব স্পেন, ত্রিনিদাদ কুইন্স পার্ক ওভাল ১৪ মার্চ, ১৯৯৫ ড্র

ওডিআই সেঞ্চুরি[সম্পাদনা]

স্টুয়ার্ট উইলিয়ামসের ওডিআই সেঞ্চুরিসমূহ
নং রান খেলা প্রতিপক্ষ শহর/দেশ মাঠ তারিখ ফলাফল
[১] ১০৫* ৩৯  ভারত সংযুক্ত আরব আমিরাত শারজাহ, সংযুক্ত আরব আমিরাত শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৬ জয়

ওডিআই ম্যান অব দ্য ম্যাচ[সম্পাদনা]

ক্রমিক প্রতিপক্ষ মাঠ তারিখ অবদান ফলাফ
পাকিস্তান শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম, শারজাহ ১৫ অক্টোবর, ১৯৯৫ ৫৭ (৬৩ বল, ৭x৪, ১x৬)  ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪ উইকেটে বিজয়ী[৪]
ভারত আর্নস ভেল গ্রাউন্ড, কিংস্টন ৩০ এপ্রিল, ১৯৯৭ ৭৬ (১১০ বল, ৬x৪, ১x৬); ৪-০-২২-০  ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১৮ রানে বিজয়ী[৫]
শ্রীলঙ্কা কুইন্স পার্ক ওভাল, পোর্ট অব স্পেন ৬ জুন, ১৯৯৭ ৯০ (১০৭ বল); ডিএনবি, ১ কট  ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৩৫ রানে বিজয়ী[৬]
ভারত শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়াম, শারজাহ ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ ১০৫* (১৪৯ বল, ১০x৪)  ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৪১ রানে বিজয়ী[৭]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Karhadkar, Amol (2014-10-1)। "WI coach expects Narine to bounce back" (ইংরেজি ভাষায়)। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ 2015-6-21  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ=, |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)
  2. "Stuart William's Cricinfo Profile" (ইংরেজি ভাষায়)। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ 2015-6-21  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |সংগ্রহের-তারিখ= (সাহায্য)
  3. "Cricket Records | Records | / | West Indies | One-Day Internationals | Highest partnerships by wicket | ESPN Cricinfo"Cricinfo (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০৮-৩০ 
  4. "1995-1996 Singer Champions Trophy - 4th Match - Pakistan v West Indies - Sharjah"HowStat। সংগ্রহের তারিখ ১৯ নভেম্বর ২০১৬ 
  5. "1997-1998 West Indies v India - 3rd Match - Kingstown, St. Vincent"HowStat। সংগ্রহের তারিখ ১৯ নভেম্বর ২০১৬ 
  6. "1996-1997 West Indies v Sri Lanka - 1st Match - Port-Of-Spain, Trinidad"HowStat। সংগ্রহের তারিখ ১৯ নভেম্বর ২০১৬ 
  7. "1997-1998 Akai-Singer Champions Trophy - 6th Match - India v West Indies - Sharjah"HowStat। সংগ্রহের তারিখ ১৯ নভেম্বর ২০১৬ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]