ফ্লয়েড রেইফার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ফ্লয়েড রেইফার
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামফ্লয়েড ল্যামন্ত রেইফার
জন্ম (1972-07-23) ২৩ জুলাই ১৯৭২ (বয়স ৪৭)
ক্রাইস্ট চার্চ, বার্বাডোস
ব্যাটিংয়ের ধরনবামহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম
ভূমিকাব্যাটসম্যান
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ২১৭)
১৩ জুন ১৯৯৭ বনাম শ্রীলঙ্কা
শেষ টেস্ট১৭ জুলাই ২০০৯ বনাম বাংলাদেশ
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ৮৪)
৬ জুন ১৯৯৭ বনাম শ্রীলঙ্কা
শেষ ওডিআই৩০ সেপ্টেম্বর ২০০৯ বনাম ভারত
ওডিআই শার্ট নং৬০
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
২০০৭/০৮-বর্তমানকম্বাইন্ড ক্যাম্পাসেস এন্ড কলেজেস
১৯৯১/৯২-২০০৬/০৭বার্বাডোস
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ১৫১ ১৩০
রানের সংখ্যা ১১১ ১১৭ ৭,৬০৮ ৩,২৮৭
ব্যাটিং গড় ৯.২৫ ১৪.৬২ ৩১.১৮ ৩১.০০
১০০/৫০ ০/০ ০/০ ১৩/৪১ ৩/১৭
সর্বোচ্চ রান ২৯ ৪০ ২০০ ১৩০
বল করেছে ২৫২ ২৫১
উইকেট
বোলিং গড় ১৫৬.০০ ৭২.৩৩
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট -
সেরা বোলিং ১/১৯ ১/৬
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৬/– ৩/– ১৫৬/– ৩৯/–
উৎস: ক্রিকেটআর্কাইভ, ৮ নভেম্বর ২০১৬

ফ্লয়েড ল্যামন্ট রেইফার (ইংরেজি: Floyd Reifer; জন্ম: ২৩ জুলাই, ১৯৭২) বার্বাডোসে জন্মগ্রহণকারী বিশিষ্ট বার্বাডিয়ান ক্রিকেটার। তিনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে টেস্টএকদিনের আন্তর্জাতিকে খেলেছেন। এছাড়াও তিনি সংক্ষিপ্তকালের জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের অধিনায়ক ছিলেন। ফ্লয়েড রেইফার মাঝারি সারির বামহাতি ব্যাটসম্যান ও ডানহাতি মিডিয়াম পেস বোলিংয়ে দক্ষ ছিলেন।

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

১৯৯৭ সালে সফরকারী শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যাত্রা শুরু করেন। নিজস্ব চতুর্থ টেস্ট খেলার দীর্ঘ ১০ বছর পর ৯ জুলাই, ২০০৯ তারিখে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলে খেলার ডাক পান। সফরকারী বাংলাদেশ দলের বিপক্ষে খেলার জন্য দূর্বল ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের অধিনায়ক মনোনীত হন মাত্র ৪ টেস্ট অভিজ্ঞ রেইফার।[১] ১৫-সদস্যের দলের ৯জনই ক্যাপবিহীন ছিল। তন্মধ্যে ৯-১৩ জুলাই, ২০০৯ তারিখে অনুষ্ঠিত সেন্ট ভিনসেন্টের কিংসটাউনে অনুষ্ঠিত ১ম টেস্টে ৭জন ক্রিকেটারের টেস্ট অভিষেক ঘটে। মূল একাদশের খেলোয়াড়দের সাথে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের আর্থিক বিষয়াদি নিয়ে মনোমালিন্যই এর প্রধান কারণ ছিল।[২] দুই টেস্ট সিরিজের উভয় টেস্টেই ২-০ ব্যবধানে পরাজিত হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।[৩] এছাড়াও, তিনটি একদিনের আন্তর্জাতিকেও ৩-০ ব্যবধানে বাংলাদেশ দলের কাছে পরাভূত হয়।[৪]

২০০৯ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের সদস্য ছিলেন।

পেশাদার ক্রিকেট[সম্পাদনা]

২০০২ সালে পেশাদার স্কটিশ ক্লাব ফার্গুসলাই দলের পক্ষে বিদেশী খেলোয়াড় হিসেবে যোগ দেন। এছাড়াও, বিদেশী খেলোয়াড় হিসেবে স্কটিশ সলটায়ার্স দলে তিনটি খেলায় অংশগ্রহণ করেন। সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে ১৪৫টি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নেন। তন্মধ্যে বার্বাডোসের পক্ষে ৮৫ খেলায় অংশ নিয়ে দলকে ছয়বার ক্যারিব বিয়ার কাপের শিরোপা জয়ে সহায়তা করেন।[৫]

কোচিং[সম্পাদনা]

২০০৯ সালে নবপ্রতিষ্ঠিত কম্বাইন্ড ক্যাম্পাসেস এন্ড কলেজেস দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব পান। দলে তিনি খেলোয়াড়-কোচ উভয় বিভাগেই ছিলেন। সেখানে তিনি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়ে দলের শীর্ষ রান সংগ্রাহক হন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ওয়েস্ট-ইন্ডিজ দলের নাম ঘোষনা; অধিনায়ক ফ্লয়েড রেইফার
  2. Cricinfo staff (৮ জুলাই ২০০৯)। "West Indies name replacement squad"। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৭-১০ 
  3. স্কোরকার্ড: ওয়েস্ট-ইন্ডিজ বনাম বাংলাদেশ, দ্বিতীয় টেস্ট
  4. "Bangladesh Tour of the West Indies 2009 — Results"। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৮-০১ 
  5. "First-class batting and fielding for each team by Floyd Reifer"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-০৫-২২