ভ্রামরী দেবী মন্দির

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

ভ্রামরী দেবী মন্দির জলপাইগুড়িতে ত্রিস্রোতায়। এই শক্তিপীঠ খুবই জাগ্রত। মন্দিরটি নদীর তিন স্রোতের মাঝে অবস্থান করছে বলে একে ত্রিস্রোতা বলা হয়।

তবে মন্দিরটির অবস্থান সম্পর্কে অনেক গল্প প্রচলিত আছে। অনেকের মতে এই মন্দির টি জলপাইগুড়ি জেলার বোদাগঞ্জ অথবা সাতকুড়া অঞ্চলে অবস্থিত।

ইতিকথা[সম্পাদনা]

Dakshayani.jpg

সত্য যুগে দক্ষ যজ্ঞে সতী শিব নিন্দা সহ্য করতে না পেরে আত্মাহুতি দেন।এর পর মহাদেব কালভৈরবকে পাঠান দক্ষকে বধ করতে।সতীর দেহ নিয়ে তিনি শুরু করেন তাণ্ডবনৃত্য ।ফলে বিষ্ণু সুদর্শন চক্র দিয়ে সতীর দেহ বিভিন্ন ভাগে খণ্ডিত করেন।এই অংশ গুলো যেখানে পরেছে সেখানে মন্দির তৈরি হ্যেছে।এগুলোকে সতীপীঠ বা শক্তিপীঠ বলে।এগুলি তীর্থে পরিণত হয়েছে।[১]

দেবী ও ভৈরব[সম্পাদনা]

পীঠনির্ণয়তন্ত্র মতে দেবী সতীর বাম চরণ ত্রিস্রোতায় পতিত হয়েছিল [২]। দেবীর নাম ভ্রামরী, ভৈরবের নাম ঈশ্বর । দেবী ভ্রামরীও অন্যতম আদি শক্তি ।

মন্দির[সম্পাদনা]

মন্দিরটি তৈরির সঠিক তারিখ এখনও অজানা । কারণ এটি এমন এক শক্তিপীঠ যা বহু শতাব্দী পূর্বে তৈরি হয়েছিল।[৩] মন্দির চত্বরে জোরা বট গাছ খুব আকর্ষণীয়। মন্দিরে দূর্গা পূজা ও মাঘি পূর্নিমায় বিশেষ পূজা ও মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "ভ্রামরীদেবী দর্শন ~ শক্তিপীঠ ত্রিস্রোতা | Blog Post by Mou Chakraborty | মমস্প্রেস্সো"Momspresso। ২০১৯-০৯-১৬। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১১-১০ 
  2. "বৈষ্ণব-শাক্ত-শৈবপীঠের ত্রিধারায় পর্যটন সার্কিট"Eisamay। ২০১৮-১০-২২। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১১-১০ 
  3. "maa bhramari devi temple"pilgrimaide। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১১-১০ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]