রাজবলহাট

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
রাজবলহাট
সেন্সাস টাউন
স্থানাঙ্ক: ২২°৪৬′ উত্তর ৮৮°০২′ পূর্ব / ২২.৭৬° উত্তর ৮৮.০৪° পূর্ব / 22.76; 88.04স্থানাঙ্ক: ২২°৪৬′ উত্তর ৮৮°০২′ পূর্ব / ২২.৭৬° উত্তর ৮৮.০৪° পূর্ব / 22.76; 88.04
Country  India
State পশ্চিমবঙ্গ
District হুগলী জেলা
উচ্চতা ১৪ মিটার (৪৬ ফুট)
জনসংখ্যা (২০১১)
 • মোট ১৬,৪৭৯
Languages
 • Official Bengali, English
সময় অঞ্চল IST (ইউটিসি+5:30)
PIN ৭১২৪০৮
Telephone code ০৩২১২
যানবাহন নিবন্ধন WB
ওয়েবসাইট wb.gov.in

রাজবলহাট (ইংরেজি: Rajbalhat) পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের হুগলী জেলার অন্তর্গত একটি সেন্সাস টাউন। এই জায়গাটি জাঙ্গীপাড়া কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট ব্লক ও শ্রীরামপুর মহকুমার অধীন।[১]

অবস্থান[সম্পাদনা]

রাজবলহাটের অবস্থান ২২.৭৬ উত্তর এবং ৮৮.০৪ পশ্চিম।[১] রাজবলহাট পঞ্চায়েতের অধীন গ্রামগুলি হল শিবচক, মোরহাল, মুকুন্দপুর, কুলিয়ারা, ঝান্দা, বিনোদবাটি, চৈমন চক, নস্করডাঙা, গুলটিয়া, দক্ষিন গুলটিয়া, ত্রিপন, নবগ্রাম, জাবনী, রহিমপুর।

জনসংখ্যা[সম্পাদনা]

২০১১ সালে জনগণনা অনুযায়ী রাজবলহাট একটি সেন্সাস টাউন। এখানকার মোট জনসংখ্যা ১৬৪৯৭। এর মধ্যে ৫১% পুরুষ এবং ৪৯% মহিলা।

শিক্ষা[সম্পাদনা]

রাজবলহাটে দুটি উচ্চতর বিদ্যালয় আছে যথা রাজবলহাট হাই স্কুল ও রাজবলহাট গার্লস হাই স্কুল।[২]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

১৭৮৯ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী রাজবলহাটে তাদের বাণিজ্যিক রাজধানী প্রতিষ্ঠা করেছিল। সেই সময় হতে রাজবলহাট একটি বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এখানকার রেশম তন্তু শাড়ি ও স্বর্ন গহনা প্রধান উৎপন্ন দ্রব্য।

ইতিহাস ও সংস্কৃতি[সম্পাদনা]

রাজবল্লভী দেবী প্রতিমা, রাজবলহাট

অতীতের ভুরশুট রাজ্যের রাজধানী ছিল রাজবলহাট। শনিভানগড়ের মৎসজীবি রাজা, চতুরানন্দ নামক এক ব্যক্তির কাছে পরাজিত হন। চতুরানন্দের নাতি কৃষ্ণ রায় ভুরশুট রাজ্য স্থাপন করেন ১৫৮৩-৮৪ খৃষ্টাব্দে। তার বংশধর প্রতাপ নারায়ণ ছিলেন প্রজাপালক ও দাতা প্রকৃতির রাজা। তার পুত্র শিবনারায়ন, তস্য পুত্র নরনারায়ণ রায় ভুরশুটে রাজত্ব করেন। নরনারায়নের রাজত্বকালের শেষে বা তার মৃত্যুর অব্যবহিত পরে বর্ধমান রাজ কীর্তিচন্দ্র ভুরশুট রাজ্য দখল করে নেন। ভুরশুট রাজ্যের রাজধানী রাজবলহাটে তিনটি গড় বা দুর্গ ছিল যদিও বর্তমানে তার অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়না। ৫০০ বিঘা জমিকে দেবোত্তর সম্পত্তি হিসেবে দান করেছিলেন ভূরশুট রাজারা দেবী রাজবল্লভীর মন্দিরের সেবায়। এই দেবীর মন্দির বর্তমানে সংস্কার করা হয়েছে।

রাজবল্লভী মন্দির চত্বর

রাজবলহাট জায়গার নাম দেবী রাজবল্লভীর নামানুসারেই চিহ্নিত। এখানকার রাজবল্লভী কালীমন্দির একটি ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থান। এতদঞ্চলে দেবী দুর্গা, রাজবল্লভী নামে পূজিতা হন।[৩]

রাধাকান্ত মন্দির, ঘটকতলা, রাজবলহাট, হুগলী

রাজবলহাটে একাধিক প্রাচীন টেরাকোটা মন্দির আছে যার মধ্যে আঠেরোশো শতকে তৈরী রাধাকান্ত, মতান্তরে রাধাগোবিন্দ মন্দির ও শ্রীধর দামোদর মন্দির অন্যতম। এখানে অমূল্য প্রত্নশালা নামে একটি সংগ্রহালয় আছে। কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়,[৪] বাঙলার তালমিছরি শিল্পের জনক দুলাল চন্দ্র ভড়ের বাড়িও রাজবলহাট।[৫]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Rajbalhat"indiamapia.com 
  2. "RAJBALHAT GIRLS HIGH"allindiafacts.com। সংগ্রহের তারিখ ২২ মে ২০১৭ 
  3. "দি টেম্পলস ইন হুগলী"hindubooks.org। সংগ্রহের তারিখ ২২ মে ২০১৭ 
  4. "আবক্ষ মূর্তি ঘিরে এখন আগাছার ভিড়"। ১৫ এপ্রিল ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জানুয়ারী ২০১৮ 
  5. "Amulya Pratnashala"craftrevival.org। Asia in CH encyclopedia। সংগ্রহের তারিখ ২২ মে ২০১৭