ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী)
Communist Party of India (Marxist)
মহাসচিব সীতারাম ইয়েচুরি[১]
লোকসভার নেতা পি. করুণাকরণ[২]
রাজ্যসভার নেতা সীতারাম ইয়েচুরি[৩]
প্রতিষ্ঠা ৭ নভেম্বর, ১৯৬৪
সদর দপ্তর গোল মার্কেট, নতুন দিল্লি, ভারত
সংবাদপত্র পিলল’স ডেমোক্রেসি (ইংরাজি),
लोक लेहार (হিন্দি),
গণশক্তি (বাংলা)
ছাত্র শাখা ভারতের ছাত্র ফেডারেশন
যুব শাখা ভারতের গণতান্ত্রিক যুব ফেডারেশন
মহিলা শাখা অল ইন্ডিয়া ডেমোক্রেটিক উইমেন’স অ্যাসোসিয়েশন
শ্রমিক শাখা সেন্টার ফর ইন্ডিয়ান ট্রেড ইউনিয়নস
কৃষক শাখা সারা ভারত কৃষক সভা
মতাদর্শ সাম্যবাদ
মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদ
রাজনৈতিক অবস্থান বামপন্থী
আন্তর্জাতিক অধিভুক্তি ইন্টারন্যাশনাল মিটিং অফ কমিউনিস্ট অ্যান্ড ওয়ার্কার্স’ পার্টিজ
নির্বাচন কমিশন প্রদত্ত মর্যাদা জাতীয় দল[৪]
জোট বামফ্রন্ট
লোকসভা আসন
৯ / ৫৪৫
রাজ্যসভা আসন
৯ / ২৪৫
নির্বাচনী প্রতীক
Hammer and sickle election symbol of CPI(M).jpg
ওয়েবসাইট
www.cpim.org

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী) সংক্ষেপে সিপিআই(এম) হল ভারতের একটি কমিউনিস্ট পার্টি। ১৯৬৪ সালের ৩১ অক্টোবর থেকে ৭ নভেম্বর কলকাতায় ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিআই) সপ্তম কংগ্রেসে সিপিআই ভেঙে এই দল গঠিত হয়। প্রধানত কেরল, পশ্চিমবঙ্গত্রিপুরা রাজ্যে এই দল শক্তিশালী। ২০১৫ সালের পরিস্থিতি অনুসারে, সিপিআই(এম) ত্রিপুরা রাজ্যে শাসকদল। দলের দাবি অনুসারে, ২০১৩ সালে এই দলের সদস্য সংখ্যা ছিল ১,০৬৫,৪০৬।[৫]

সিপিআই(এম)-এর সাংগাঠনিক ভিত্তি হল ভ্লাদিমির লেনিন প্রবর্তিত গণতান্ত্রিক কেন্দ্রিকতাবাদ। এই মতবাদ অনুসারে, দলের নীতিনির্ধারণের ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক ও মুক্ত আলোচনার পদ্ধতি স্বীকৃত। দলের সর্বোচ্চ কর্তৃত্ব পলিটব্যুরো

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি বিভাজন ও ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি(মার্ক্সবাদী)-এর উদ্ভব[সম্পাদনা]

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিআই) বিভাজনের পর "ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী)"-র উদ্ভব হয়েছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বছরগুলিতে অবিভক্ত সিপিআই ছিল একাধিক গণঅভ্যুত্থানের সাক্ষী। তেলেঙ্গানা, ত্রিপুরাকেরলে এই দল সশস্ত্র বিপ্লবে নেতৃত্বদান করে। যদিও পরবর্তীকালে সংসদীয় গণতন্ত্রে যোগ দিয়ে পার্টি পরিত্যাগ করে সশস্ত্র বিপ্লবের পন্থা। ১৯৫০ সালে পার্টির সাধারণ সম্পাদক তথা দলের চরমপন্থী গোষ্ঠীর এক বিশিষ্ট প্রতিনিধি বি. টি. রণদিভে বাম-অ্যাডভেঞ্চারবাদের অভিযোগে পদচ্যুত হন।

এ. কে. গোপালন ভবন, নতুন দিল্লি; সিপিআই(এম)-এর কেন্দ্রীয় কার্যালয়
এর্নাকুলামে সিপিআই(এম)-এর প্রচারযান

ভারতের স্বাধীনতার পর জওহরলাল নেহরুর নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস সরকার কৌশলগত কারণে সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলে। সোভিয়েত সরকারও চায় ভারতীয় কমিউনিস্টরা ভারত রাষ্ট্রের সমালোচনার ব্যাপারে মধ্যপন্থা অবলম্বন করুক এবং কংগ্রেস সরকারের সহায়ক মনোভাবাপন্ন হোক। যদিও সিপিআই-এর একটি বিরাট অংশ দাবি করে যে ভারত একটি অর্ধ-সামন্ততান্ত্রিক দেশই রয়ে গিয়েছে। আর তাই সোভিয়েত বাণিজ্য ও বিদেশনীতির খাতিরে শ্রেণি সংগ্রামের গুরুত্ব হ্রাস করা অনুচিত হবে। অধিকন্তু ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার ব্যাপারে তখনও প্রতিকূল মনোভাবাপন্নই রয়ে গিয়েছিল। ১৯৫৯ সালে কেন্দ্রীয় সরকার দেশের একমাত্র অ-কংগ্রেসি রাজ্য সরকার ই. এম. এস. নাম্বুদিরিপাদ ক্যাবিনেটকে বরখাস্ত করে কেরলে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে।

একই সঙ্গে সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিএসইউ) ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) পারস্পরিক সম্পর্কের অবনতি হয়। ১৯৬০-এর দশকের গোড়ার দিক থেকে সিপিসি অভিযোগ করতে থাকে যে সিপিএসইউ ক্রমশ সংশোধনবাদী হয়ে পড়ছে এবং মার্কসবাদ-লেনিনবাদের আদর্শ থেকে সরে আসছে। ইতোমধ্যে চীন-ভারত বৈদেশিক সম্পর্কেরও অবনতি ঘটে। দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত সংঘর্ষের ফলে ১৯৬২ সালের ভারত-চীন যুদ্ধের সূচনা হয়।

সিপিআই(এম) পন্থী সাহিত্য ও সাহিত্যিকগণ[সম্পাদনা]

এই রাজনৈতিক দলের পক্ষে অনেক সাহিত্যিক লেখক নাট্যকার কাজ করেছেন। তাদের মধ্যে সফদর হাশমি, উৎপল দত্ত অন্যতম।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

পাদটীকা[সম্পাদনা]

  1. "Yechury set to become next CPI(M) general secretary". The Hindu. 19 April 2015. Retrieved 20 April 2015.
  2. "CPI(M) Office Bearers in Lok Sabha & Rajya Sabha"। ৯ জুন ২০১৪। সংগৃহীত ১৬ ডিসেম্বর ২০১৪ 
  3. "On P.R. Dasmunshi's Statement | Communist Party of India (Marxist)"। Cpim.org। ১৩ নভেম্বর ২০০৭। সংগৃহীত ২০ ডিসেম্বর ২০১২ 
  4. "List of Political Parties and Election Symbols main Notification Dated 18.01.2013"। India: Election Commission of India। ২০১৩। সংগৃহীত ৯ মে ২০১৩ 
  5. "About Communist Party of India (Marxist)" 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

পার্টি-সংক্রান্ত ওয়েবসাইট[সম্পাদনা]

পার্টি সংবাদপত্র[সম্পাদনা]

নিবন্ধ[সম্পাদনা]