লিওন ত্রোত্স্কি
| লিওন ত্রোৎস্কি | |
|---|---|
| Лев Давидович Троцкий Лев Давидович Троцький | |
| সামরিক জনআধিকারিক | |
| কাজের মেয়াদ 13 March 1918 – 15 January 1925 | |
| ডেপুটি | Ephraim Sklyansky |
| পূর্বসূরী | Nikolai Podvoisky |
| উত্তরসূরী | Mikhail Frunze |
| বৈদেশিক জনাধিকারিক | |
| কাজের মেয়াদ 8 November 1917 – 13 March 1918 | |
| ডেপুটি | Georgy Chicherin |
| পূর্বসূরী | Mikhail Tereshchenko |
| উত্তরসূরী | Georgy Chicherin |
| President of the Petrograd Soviet | |
| কাজের মেয়াদ 8 October 1917 – 8 November 1917 | |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জন্ম | লেভ দাভিদোভিচ ত্রোৎস্কি ৭ নভেম্বর ১৮৭৯ Kherson, রুশ সাম্রাজ্য |
| মৃত্যু | ২১ আগস্ট ১৯৪০ (৬০ বছর) Coyoacán, DF, México |
| নাগরিকত্ব | সোভিয়েত ইউনিয়ন |
| রাজনৈতিক দল | RSDLP, SDPS, Communist Party of the Soviet Union, Left Opposition, IV International |
| দাম্পত্য সঙ্গী | Aleksandra Sokolovskaya, Natalia Sedova |
| জীবিকা | Statesman, editor |
| ধর্ম | নেই |
| স্বাক্ষর | |
লিওন ত্রোৎস্কি (রুশ: Лев Давидович Троцкий, ইউক্রেনীয় ভাষায়: Лев Давидович Троцький; ৭ই নভেম্বর ১৮৭৯ – ২১শে আগস্ট ১৯৪০) ছিলেন একজন মার্কসবাদী বিপ্লবী, তাত্ত্বিক, রাজনীতিবিদ এবং রুশ বিপ্লবের অন্যতম উদ্যোক্তা। তিনি লেনিনের ভাবশিষ্য ছিলেন। লাল ফৌজ গঠনে তাঁর উদ্যোগ ছিল স্মরণীয়। যোসেফ স্তালিনের সাথে মতবিরোধের কারণে তিনি সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে পালিয়ে লাতিন আমেরিকায় অভিবাসন গ্রহণ করেন এবং সেখানেই ৬০ বৎসর বয়সে তাঁর মৃত্যু হয়।
পরিচ্ছেদসমূহ
জীবনী[সম্পাদনা]
ত্রোত্স্কির জন্ম ১৮৭৯ সালের ৭ নভেম্বর, (মতান্তরে ২৬ অক্টোবর)। জন্মের সময় নাম ছিল লিয়েভ দাভিদেভিচ ব্রোনষ্টেইন। বাবার নাম দাভিদ ব্রোনষ্টাইন; মায়ের নাম আন্না ব্রোনষ্টাইন। ১৮৮৭ সালে ওডেসা হাই স্কুলে পড়েন। ১৮৯৬ সালে নিকোলায়েভের স্কুলে যান। এইসময় ১৮৯৭ সালে গ্রেফতার ও কারারুদ্ধ হন। সাইবেরিয়ায় নির্বাসনে যাওয়ার পথে আলেক্সান্দ্রা সেকোল্ভস্কায়া নামে এক সহযাত্রী যুবতীকে। এই দম্পতির দুই কন্যাসন্তান হয়। দু বছর নির্বাসনে থাকার পর তিনি পালাতে সক্ষম হন এবং ১৯০২ সালে লন্ডন গমন করেন। এইসময় ত্রোত্স্কি নাম ধারণ করেন। রুশ মজুর গণতন্ত্রী দলের সদস্য হন। এই সময় লেনিনের সাথে পরিচিত হন। ইস্ক্রা পত্রিকা সম্পাদনা করেন। ১৯০৩ সালে নাতালিয়া সেডোভা নামে এক মহিলাকে বিয়ে করেন। এই দাম্পত্য জীবনে লেভ ও সেরগেই নামে দুই পুত্রসন্তানের জন্ম হয়। ১৯০৫ সালে আবার রাশিয়ায় ফিরে আসেন। ১৯০৫ সালের সশস্ত্র অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণের অপরাধে পুনরায় গ্রেফতার ও কারাবাস। ১৯০৭ সালের বিচারে সাইবেরিয়ায় নির্বাসন দণ্ড। নির্বাসন থেকে পালিয়ে তিনি ভিয়েনায় গমন করেন। ১৯১২-১৩ সাল অবধি বল্কান যুদ্ধে সাংবাদিকতা করেন। ১৯১৭ সালে সাফল্য আসে রুশ বিপ্লবের মধ্য দিয়ে। কিন্তু গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। জারমানীর সাথে বিশ্বযুদ্ধকালীন সন্ধি করেন। ১৯১৯ সালে পলিটব্যুরোর সদস্য হন। ১৯২০ সালে গৃহযুদ্ধ শেষ হলেও স্ট্যালিনের সাথে বিরোধ শুরু হয়। ১৯২১ সালে বিবাদ বেড়ে যায়। ১৯২২ সালে লেনিন অসুস্থ হলে ত্রোত্স্কি বিপাকে পড়েন। জিনোভিয়েভ ও লেভ কামিনেভ অন্যদিকে বিরোধিতা করেন। ১৯২৩ সালে লেনিন মারা যান। স্ট্যালিন বিদ্রোহের অভিযোগ আনেন। ১৯২৮ সালে সমস্ত ত্রোত্স্কিপন্থীরা বহিস্কৃত হন। ত্রোত্স্কিও তুরস্কে আশ্রয় নেন। ১৯৩৩ সালে ফ্রান্সে যান। ১৯৩৫ সালে নরওয়েতে যান কিন্তু প্রত্যাখ্যাত হন। এরপর মেক্সিকোতে আশ্রয় নেন। ত্রোত্স্কি ১৯৪০ সালের ২০ আগস্ট রামো্ন মারকাডার নামে এক আততায়ীর হাতে নিহত হন।[১]
অবদান[সম্পাদনা]
স্মরণ[সম্পাদনা]
সমালোচনা[সম্পাদনা]
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]
- ↑ শত মনীষীর কথা, ভবেশ দাস