চেরুকুরি রাজকুমার আজাদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
চেরুকুরি রাজকুমার আজাদ
Cheruri Rajkumar
জন্ম কৃষ্ণা জেলা, অন্ধ্র প্রদেশ, ভারত
জাতীয়তা ভারতীয়
অন্য নাম আজাদ
পেশা মুখপত্র
প্রতিষ্ঠান ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মাওবাদী)

চেরুকুরি রাজকুমার আজাদ (ইংরেজি: Azad; ১৯৫২ – ১ জুলাই ২০১০) ছিলেন নিষিদ্ধঘোষিত ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মাওবাদী)র জ্যৈষ্ঠ সদস্য, পার্টির কেন্দ্রীয় পলিটব্যুরো সদস্য এবং পার্টির মুখপত্র।[১][২][৩][৪] ২০১০ সালের ১ জুলাই মহারাষ্ট্রের সীমান্তের নিকটে অন্ধ্র প্রদেশের পুলিশ তাকে আদিলাবাদ জেলার সরকাপল্লীতে হত্যা করে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] তিনি মাঠ-কৌশলে বিশেষজ্ঞ এবং ভাবাদর্শের জন্য আদর্শ ছিলেন। আজাদ ১৯৭৯ সালে গোপন জীবনে চলে যান। তিনি ১৯৭৫ এবং ১৯৭৮ সালে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এবং জামিনে বেরিয়ে আসেন। মৃত্যুর পূর্বে তার মাথার উপর ১২ লাখ রুপির পুরস্কারের ঘোষণা ছিলো।[৫][৬] তিনি কোরুকন্ড সৈনিক স্কুল[৭] এবং জাতীয় ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি, ওয়ারাংগালের ছাত্র ছিলেন,; যোগ দিয়েছিলেন বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নে যেটি ছিল অনেক নকশালবাদীদের জন্মভূমি।[৮]

মাওবাদী কার্যক্রম[সম্পাদনা]

রাজকুমার তারপর পিপলস ওয়ার গ্রুপ যার পক্ষ থেকে তিনি অস্ত্র চুক্তি এবং অস্ত্র ও বিস্ফোরক হ্যান্ডলিং প্রশিক্ষণ দরাদরি ব্যবহৃত হন এবং তিনিএরপর আত্মগোপনে যোগ দেন। কিন্তু হুমকি ও ভীতি প্রদর্শনের ক্ষেত্রে, অন্ধ্রপ্রদেশের একটি পুলিশ রেকর্ডে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ ছিলো না। পরে মাওবাদী দল সিপিআই (মাওবাদী) গঠিত হলে, তিনি দলের বেশিরভাগ রাজনীতি বিষয়ক ব্যাপারগুলো হ্যান্ডলিং করেন। রাজকুমার ৩০ বছর ধরে আত্মগোপনে ছিলেন এবং মাধব, গঙ্গাধর, মধু এবং উদয়সহ বিভিন্ন উপনাম গ্রহণ করেছিলেন।[৯] তিনি একটি মতাদর্শী ছিলেন যিনি ​​মাঠের নৈপুণ্য বিশেষজ্ঞ ছিলেন। আজাদ ১৯৭৯ সালে আত্মগোপনে যান। তিনি ১৯৭৫ সালে গ্রেপ্তার হন এবং ১৯৭৮ সালে জামিনে মুক্তি পান। তিনি মৃত্যুর পূর্বে তাঁর মাথার মূল্য ১.২ মিলিয়ন ভারতীয় রুপির এক পরোয়ানা বহন করছিলেন।[১০][১১] তিনি ১৫ আগস্ট ২০০৫ তারিখে মাহবুবনগর জেলার কংগ্রেসের আইনপ্রণেতা সি নর্সি রেড্ডিকে ১০ জন সঙ্গীসহ হত্যার জন্য অভিযুক্ত ছিলেন। এছাড়া তিনি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, পলিটব্যুরোর সদস্য হওয়া থেকে, তিনি সংগঠনের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী বিভাগের সদস্য ছিলেন।[১২]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিসংযোগ[সম্পাদনা]