মুন্ডেশ্বরী মন্দির

স্থানাঙ্ক: ২৪°৫৯′০০″ উত্তর ৮৩°৩৩′৫৩″ পূর্ব / ২৪.৯৮৩৩৯৫৮° উত্তর ৮৩.৫৬৪৬৯৩৯° পূর্ব / 24.9833958; 83.5646939
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মুন্ডেশ্বরী মন্দির
मुंडेश्वरी मंदिर
Maa Mundeshwari Devi.jpg
মন্দিরটির নাগর স্থাপত্যশৈলী
ধর্ম
অন্তর্ভুক্তিহিন্দুধর্ম
জেলাকাইমুর জেলা
ঈশ্বরশিবশক্তি
উৎসবসমূহরাম নবমী, শিবরাত্রি, নবরাত্রি
অবস্থান
অবস্থানপাঁউড়া পাহাড়, রামগড় গ্রাম
রাজ্যবিহার
দেশভারত
মুন্ডেশ্বরী মন্দির ভারত-এ অবস্থিত
মুন্ডেশ্বরী মন্দির
বিহার রাজ্যে মন্দিরটির অবস্থান
মুন্ডেশ্বরী মন্দির বিহার-এ অবস্থিত
মুন্ডেশ্বরী মন্দির
বিহার রাজ্যে মন্দিরটির অবস্থান
স্থানাঙ্ক২৪°৫৯′০০″ উত্তর ৮৩°৩৩′৫৩″ পূর্ব / ২৪.৯৮৩৩৯৫৮° উত্তর ৮৩.৫৬৪৬৯৩৯° পূর্ব / 24.9833958; 83.5646939
স্থাপত্য
সম্পূর্ণ হয়৬৩৫ খ্রিস্টাব্দ[১] চতুর্থ শতাব্দীর হিন্দু ফলক মন্দিরে পাওয়া গেছে[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
নির্দিষ্টকরণ
মন্দিরএকটি
উচ্চতা৬০৮ মি (১,৯৯৫ ফু)
ওয়েবসাইট
http://maamundeshwari.org

মুন্ডেশ্বরী দেবী মন্দির (মুন্দেশভারি নামেও উচ্চারিত হয়ে থাকে) হলো ভারতের বিহার রাজ্যের সোন খালের নিকটবর্তী কাইমুর পর্বতমালার ৬০৮ ফুট (১৮৫ মি)[২] উচ্চতা বিশিষ্ট মুন্ডেশ্বরী পাহাড়ের উপরে অবস্থিত একটি হিন্দু মন্দির। এটি ১৯১৫ সাল থেকে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ কর্তৃক সংরক্ষিত একটি ঐতিহাসিক মন্দির।[৩] এএসআই কর্তৃক সম্প্রতি এই মন্দির ভবনটির তারিখ হিসেবে ১০৮ খ্রিস্টাব্দ নির্ধারিত হওয়ার ফলে এটি এখন পৃথিবীর প্রাচীনতম সক্রিয় হিন্দু মন্দির।[৪][৫][৬] মন্দির এলাকায় অবস্থিত একটি তথ্য ফলক নির্দেশ করে যে এই মন্দিরের অস্তিত্বের শুরু অন্তত ৬২৫ খ্রিস্টাব্দের দিকে এবং ৬৩৫ খ্রিস্টাব্দের হিন্দু ফলক এই মন্দিরে পাওয়া গিয়েছে।[৭] এই মন্দিরটি শিবমহাশক্তিকে উৎসর্গ করা ভারতের প্রাচীনতম সক্রিয় হিন্দু মন্দির।[৮][৯][১০] গবেষণা অনুসারে এখানে পূর্বে একটি শিক্ষাকেন্দ্র ছিলো এবং মন্ডলেশ্বর (শিব) মন্দিরটি ছিলো সেই শিক্ষাকেন্দ্রের প্রধান মন্দির। মন্ডেলশ্বরী (পার্বতী) ছিলো দক্ষিণ দিকটায়। মন্দিরটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলো ও মন্ডেলশ্বরী মূর্তিটি (নিম্নগতিপ্রাপ্ত মুন্ডেশ্বরী যা রাক্ষস মুন্ডের সাথে সম্পৃক্ত) মূল মন্দিরের পূর্ব কক্ষে রাখা হয়।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

২০০৩ সালে মন্দির এলাকা হতে শ্রীলংকার রাজা দুটুগমুনুর (১০১-৭৭ খ্রিস্টপূর্ব) সীলমোহর আবিষ্কার ইতিহাস বদলে দেয়। এই তত্ত্ব প্রতিষ্ঠিত হয় যে ১০১ থেকে ৭৭ খ্রিস্টপূর্ব সময়কালের মধ্যে শ্রীলংকা থেকে আগত রাজকীয় তীর্থযাত্রীর দল বুদ্ধ গয়া থেকে বিখ্যাত দক্ষিণপথ মহাসড়ক হয়ে সারনাথে ভ্রমণকালে মন্দিরের স্থলে তাদের সীলমোহরটি হারিয়েছিলো। ১৮৯১ ও ১৯০৩ সালে প্রাপ্ত ব্রাহ্মী লিপিতে লিখিত ফলকের দুটি খণ্ড (যা এখন কলকাতার জাতীয় যাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে) গবেষণার পর ডক্টর এনজি মজুমদার এবং ডক্টর কেসি পানিগ্রাহি বলেন যে মন্দিরটি চতুর্থ শতাব্দীর চেয়েও পুরনো।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] চারমুখী শিবলিঙ্গের মাথায় নাগের অস্তিত্ব, গণেশের উপর নাগ জনু (পবিত্র সুতো) বিশিষ্ট মূর্তি ভারতের কোথাও নেই তাছাড়া পাহাড়ের আশেপাশের ভাঙ্গা অংশ নির্দেশ করে এই মন্দিরটি নাগ সাম্রাজ্য (১১০ খ্রিস্টপূর্ব থেকে ৩১৫ খ্রিস্টাব্দ) কর্তৃক নির্মিত যারা নাগকে নিজেকে রাজকীয় চিহ্ন হিসেবে ব্যবহার করতো। পরবর্তী গুপ্ত সাম্রাজ্যের নিয়ন্ত্রণ, ও নাগড়া শৈলীর উপর তাদের প্রভাব এবং পাহাড়ের পাশে রামগড় দূর্গ ও রামগড় গ্রাম এর প্রমাণ। বিহার রাজ্য ধর্মীয় ট্রাস্ট বোর্ড ২০০৮ সালে পাটনায় গবেষকদের নিয়ে এক জাতীয় সেমিনারের আয়োজন করে যেখানে মুন্ডেশ্বরী মন্দিরের নির্মাণকাল ১০৮ সাল নির্ধারণ করে এটিকে রাষ্ট্রের প্রাচীনতম মন্দির ঘোষণা করা হয়।

সময়কাল[সম্পাদনা]

  • ৬৩৬-৩৮ খ্রিস্টাব্দ - চৈনিক ভ্রমণকারী হিউয়েন সাঙ পাটনা থেকে ২০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে পাহাড়ের উপরে একটি মন্দিরের কথা তার লেখায় উল্লেখ করেন যা মুন্ডেশ্বরীর অবস্থানের সাথে মিলে যায়।
  • ১৭৯০ খ্রিস্টাব্দ - ড্যানিয়েল ভ্রাতাদ্বয় থমাস ও উইলিয়াম মুন্ডেশ্বরী মন্দিরে দেখতে যান এবং এর প্রথম চিত্র অঙ্কন করেন।
  • ১৮১৩ খ্রিস্টাব্দ – বিউকানান ১৮১৩ সালে এই অঞ্চলে ভ্রমণ করেন।
  • ১৮৯১-৯২ খ্রিস্টাব্দ – ভাঙ্গা মুন্ডেশ্বরী ফলকের প্রথম অংশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির জরিপের সময় ব্লচ দ্বারা আবিষ্কৃত হয়।
  • ১৯০৩ খ্রিস্টাব্দ – ফলকের দ্বিতীয় অংশ মন্দিরের পাশের ধ্বংসাবশেষ থেকে আবিষ্কৃত হয়।
  • ২০০৩ খ্রিস্টাব্দ – শ্রীলংকার রাজা দুটুগমুনুর ব্রাহ্মী লিপির রাজকীয় সীলমোহর বারাণসীর ইতিহাসবিদ জাহ্নি শেখর রায় দ্বারা আবিষ্কৃত হয় যা মন্দির সম্পর্কিত অতীতের গবেষণালব্ধ ইতিহাস বদলে দেয়।
  • ২০০৮ খ্রিস্টাব্দ - বিহার রাজ্য ধর্মীয় ট্রাস্টের কল্যাণে পাটনায় আয়োজিত জাতীয় সেমিনারে গবেষকগণ মন্দিরটির ফলকের তারিখ হিসেবে শাক্য যুগের ত্রিশতম বছর (১০৮ খ্রিস্টাব্দ) নির্ধারণ করেন।[৪][৫][৬]

মন্দিরের ঈশ্বর[সম্পাদনা]

দেবী মুন্ডেশ্বরীর রূপে শক্তির উপাসনা এই মন্দিরে হয়ে থাকে যা পূর্ব ভারতীয় তান্ত্রিক সংস্কৃতিকে নির্দেশ করে।[৮]

ধর্মীয় গুরুত্ব[সম্পাদনা]

ধর্মীয় কাহিনী অনুসারে মহিষাসুরের দুই ভাই ও গোষ্ঠীপতি চন্ডা ও মুন্ডা এই এলাকার শাসক ছিলো। দুর্গা সপ্তসতিতে দূর্গা ও মহিষাসুরের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধের উল্লেখ রয়েছে। মুন্ডা দেবী মুন্ডেশ্বরী ভবানী মন্দির বানিয়েছিলো এবং তার ভাই চন্ডা চাইনপুরের মাদুরানা পাহাড়ের উপরে চন্ডেশ্বরী মন্দির প্রতিষ্ঠা করে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

মহাভারত অনুযায়ী কৌরবপাণ্ডবদের শিক্ষাদানের মূল্য হিসেবে গুরু দ্রোণাচার্যকে অহিক্ষেত্রের (সর্পাঞ্চল) শাসক বানানো হয় যা বর্তমান আহিনুড়া, মির্জাপুর, সোনভদ্র এবং কাইমুর অঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত ছিলো বলে মনে করা হয়। ফলকে উল্লেখিত শাসক উদয়সেনের সাথে নাগ সাম্রাজ্যের নাগসেন, বীরসেন ইত্যাদি শাসকের সাদৃশ্য লক্ষ্য করা যায়। নাগবংশীদের ৫২ পুর (গ্রাম) এর অস্তিত্ব নির্দেশ করে যে নাগদের এই অঞ্চলের উপর দীর্ঘস্থায়ী নিয়ন্ত্রণ ছিলো।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

বিভিন্ন ধর্মানুষ্ঠান ও পূজা এই মন্দিরে বিরতিহীনভাবে আয়োজিত হতো এবং মুন্ডেশ্বরীকে ভারতের প্রাচীনতম মন্দির হিসেবে বিবেচনা করা হতো। প্রতি বছর বিভিন্ন হিন্দু উৎসবে বিরাট সংখ্যক তীর্থযাত্রী এই মন্দিরে আসে বিশেষত রাম নবমীশিবরাত্রি উৎসবে।[৮] একটি বড় বার্ষিক মেলা নবরাত্রির সময়ে আয়োজিত হয় যেখানে হাজার হাজার মানুষের দেখা মিলে।[১১]

স্থাপত্যশৈলী[সম্পাদনা]

পাথরের তৈরি এই মন্দিরটি অষ্টভুজাকৃতি নকশায় নির্মিত যা হিন্দু মন্দিরগুলির মধ্যে বিরল। এটি বিহারের মন্দির নির্মাণশৈলীর মধ্যে নাগর শৈলীর প্রাথমিক একটি নমুনা। মন্দিরের চার দেওয়ালে একটি করে দরজা বা জানালা এবং মূর্তি স্থাপনের জন্য কুলুঙ্গি বিদ্যমান।[১২] মন্দিরটির শিখর বা মিনারটি এখন আর নেই। সংস্কার কাজের অংশ হিসেবে মন্দিরের ছাদটি নতুন করে নির্মাণ করা হয়েছে। মন্দিরের ভেতরকার দেওয়ালগুলোতে কুলুঙ্গি ও ছাঁচ বিদ্যমান যেগুলো ফুলদানি এবং পাতার নকশাসমেত পাথরে খোদাই করা হয়েছে। মন্দিরের প্রবেশপথে দরজার চৌকাঠের বাজুতে দ্বারপালার গঙ্গা, যমুনা সহ আরো অনেক মূর্তির খোদাই করা চিত্র দেখতে পাওয়া যায়। মন্দিরের গর্ভগৃহের মূল দেব-দেবী হলো দেবী মুন্ডেশ্বরী এবং চতুর্মুখী শিবলিঙ্গ।[১৩] যদিও শিবলিঙ্গটি গর্ভগৃহের কেন্দ্রে অবস্থিত, মন্দিরের মূল অধিস্থিত ঈশ্বর হচ্ছে দেবী মুন্ডেশ্বরী যার দশ হাত বিশিষ্ট ষাঁড়ের উপর চড়া প্রতীকী মূর্তি কুলুঙ্গিতে রাখা আছে যা মহিষাসুরকে নির্দেশ করে।[১৪] এই মন্দির অন্য দেবতাদের মূর্তিও বিদ্যমান যেমন গণেশ, সূর্য এবং বিষ্ণু। পাথরের তৈরি এই মন্দির ভবনের অনেক অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এর আশেপাশে মন্দির ভবনের টুকরো ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখা গেছে। যাই হোক, বেশ কিছু কাল ধরে এই এলাকাটি ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের গবেষণার বিষয়বস্তু হিসেবে ছিলো।[৩][৮][১৫][১৬]

সংস্কার ও পুনঃপ্রতিষ্ঠা[সম্পাদনা]

মন্দিরের স্থানে অবস্থিত প্লেটে মন্দিরের নির্মাণকাল ৬২৫ খ্রিস্টাব্দ দেখানো হয়েছে। এছাড়া ৬৩৫ খ্রিস্টাব্দের হিন্দু ফলক মন্দিরে বিদ্যমান।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ মন্দিরটি সংস্কার করে। সংস্কার কাজ হিসেবে রাসায়নিক পদার্থ দ্বারা মন্দিরের অভ্যন্তরের ময়লা পরিষ্কারকরণ, ধর্মীয় মূর্তিটির মেরামত এবং ভবিষ্যত প্রয়োজনে মন্দিরের বিক্ষিপ্ত অংশগুলো সংরক্ষণ করা হয়। এর বাইরের কাজ হিসেবে সোলার প্যানেল চালিত আলোর ব্যবস্থা ও দর্শনার্থীদের সুবিধার জন্য পুরাকীর্তি সংক্রান্ত বোর্ড বসানো হয়। বিহার সরকার মন্দিরে যাতায়াতের সুবিধার্থে দুই কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে।[১৭][১৬]

যেভাবে পৌঁছাতে হয়[সম্পাদনা]

মন্দিরটিতে বিহারের পাটনা, গয়া বা উত্তরপ্রদেশের বারাণসী থেকে যাওয়া যেতে পারে। এই মন্দিরে যাওয়ার নিকটবর্তী রেলওয়ে স্টেশন হলো মোহানিয়া - ভাবুয়া রোড রেলওয়ে স্টেশন যেখান থেকে সড়ক পথে মন্দিরটির দূরত্ব ২২ কিলোমিটার।[১৫]

লাল বাহাদুর শাস্ত্রী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, বারাণসী হচ্ছে এর নিকটবর্তী বিমানমন্দর যেখান থেকে মন্দিরটির দূরত্ব ১০২ কিলোমিটার। বিভিন্ন ভারতীয় বিমান পরিবহন সংস্থা যেমন এয়ার ইন্ডিয়া, স্পাইসজেট এবং থাই এয়ারওয়েজ, কোরিয়ান এয়ার, নাজ এয়ারলাইন্সের মতো আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থাগুলো এখানে বিমান পরিচালনা করে। দিল্লি, মুম্বাই, ও কলকাতা থেকে বিভিন্ন ফ্লাইট এই বিমানবন্দরে পৌঁছানোর জন্য পাওয়া যাবে।

চিত্রশালা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. The information plaque erected by the Archaeological Survey of India (ASI) at the site indicates the dating of the temple to 635 CE but the Bihar State Religious Trust Board fixed its date in 108 AD. Information board at Mundeshwari devi temple.jpg
  2. "Alphabetical List of Monuments – Bihar"Serial number 62। Archaeological Survey of India। ২০১১-১১-০৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০৬-০৩ 
  3. "BSBRT to renovate Mundeshwari temple"The Times of India। ১ জানুয়ারি ২০১১। ১৪ জুন ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০১১ 
  4. "Mundeshwari Temple: Department of Tourism, Bihar Government." 
  5. "Bihar: India's 'oldest serving deity' invoked for quake protection"Hindustan Times (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৫-০৪-২৭। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৯-১৮ 
  6. "Bihar govt to develop country's oldest temple"The Economic Times। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৯-১৮ 
  7. L.S.S. O`malley (২০০৫)। Bihar And Orissa Gazetteers Shahabad। Concept Publishing Company। পৃষ্ঠা 36, 157। আইএসবিএন 978-81-7268-122-7। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুন ২০১১ 
  8. "Ma Mundeshwari Temple in Kaimur, Bihar"। Hindu Temples। ৯ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০১১ 
  9. "Film on 'oldest' surviving temple of Gupta Age"The Times of India। ১২ জুন ২০১১। ৫ নভেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  10. "Bihar to develop 'oldest' temple"The Times of India। ১৮ জানুয়ারি ২০০৮। ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  11. "Temples and Legends of Bihar, Mundeshwari"। Hindubooks.org। পৃষ্ঠা 11। ২২ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুন ২০১১ 
  12. "Mundesvari"। Hindu Books.org। ৩ এপ্রিল ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুন ২০১১ 
  13. "Mundeshwari temple"। Plaque by Archaeological Survey of India। ২৫ জানুয়ারি ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০১১ 
  14. "Mundesvari"। Hindu Books.org। ৩ এপ্রিল ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুন ২০১১ 
  15. "Maa Mundeshwari Mandir"। Google.com। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুন ২০১১ 
  16. "Facelift to the Mundeshwari temple"। Hindustan Times। ৩ জানুয়ারি ২০১১। জানুয়ারি ২৫, ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুন ২০১১ 
  17. "Govt to develop Ma Mundeshwari Temple"। Bihar Times। ১৯ জানুয়ারি ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ২ জুন ২০১১ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]