বিষয়বস্তুতে চলুন

বাংলাদেশ–মিয়ানমার সম্পর্ক

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বাংলাদেশ-মিয়ানমার সম্পর্ক
মানচিত্র Bangladesh এবং Myanmar অবস্থান নির্দেশ করছে

বাংলাদেশ

মিয়ানমার

বর্মী সামরিক জান্তার অধীনে বাংলাদেশ ও প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার-এর মধ্যে একটি স্বাভাবিক সম্পর্ক ছিল, যদিও বাংলাদেশে ১২০০০০০ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুদের উপস্থিতি প্রধান সমস্যা হিসেবে কাজ করছে। মিয়ানমারের গণতন্ত্রের সংগ্রামের জন্য বাংলাদেশের সুশীল সমাজ ও রাজনৈতিক শ্রেণী প্রায় সময়ই সংহতি প্রকাশ করে এসেছে। তবে উভয় দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে বাংলাদেশ মিয়ানমারের সাথে বাণিজ্য, সড়ক ও রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার আরও উন্নতি করতে চায়।[১]

২০১৬ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বরাতে জানানো হয় যে বঙ্গোপসাগরে চারজন বাংলাদেশি জেলেকে মিয়ানমারের নৌবাহিনী গুলি করে হত্যা করে।[২]

বাণিজ্যিক সম্পর্ক[সম্পাদনা]

১৯৯৫ সালের ৫ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সরকার কক্সবাজারের টেকনাফ ও মিয়ানমারের মংডুর সঙ্গে সীমান্ত বাণিজ্য চালু করে। মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে রপ্তানিকৃত পণ্যগুলো হচ্ছে মূলত কাঠ, হিমায়িত মাছ, আচার, নারকেল, সুপারি, আদা। বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার রপ্তানিকৃত পণ্যগুলো হচ্ছে আলু, গার্মেন্টস পণ্য, মানুষের মাথার চুল ও চিপস।

সীমান্ত বাণিজ্যের ব্যবসায়ীদের যাতায়াতের জন্য তিন দিনের বর্ডার পাস (সীমান্ত অতিক্রমের অনুমতি) এবং দুই পাড়ের (টেকনাফ ও মংডু) লোকজনের যাতায়াতের এক দিনের ট্রানজিট পাস চালু ছিল। তবে রাখাইন রাজ্যের তিনটি সীমান্ত ছাউনিতে ২০১৬ সালের ৯ অক্টোবর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পর মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) দুই ধরনের পাসই বন্ধ করে দেয়।[৩]

কূটনৈতিক সম্পর্ক[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Background Note: Bangladesh"Background notes। U.S. Department of State। ২২ জুন ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুন ২০১০ 
  2. Lee, Yimou (ডিসেম্বর ২৮, ২০১৬)। Pitchford, Ruth, সম্পাদক। "Bangladesh border guard protests after Myanmar navy fires at its fishing boat"Reuters। ডিসেম্বর ২৯, ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  3. প্রতিবেদক,প্রতিনিধি, নিজস্ব। "মংডু-টেকনাফ সীমান্ত বাণিজ্য বন্ধ"। সংগ্রহের তারিখ ২০২২-১০-০২