বাংলাদেশ–লাইবেরিয়া সম্পর্ক

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
বাংলাদেশ–লাইবেরিয়া সম্পর্ক
মানচিত্র Bangladesh এবং Liberia অবস্থান নির্দেশ করছে

বাংলাদেশ

লাইবেরিয়া

বাংলাদেশ–লাইবেরিয়া সম্পর্ক হল বাংলাদেশ এবং লাইবেরিয়া রাষ্ট্রদ্বয়ের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক। কোনো দেশেরই পরস্পরের দেশে কর্মরত স্থায়ী রাষ্ট্রদূত নেই।

শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অবদান[সম্পাদনা]

২০০৩ সাল থেকে জাতিসংঘ মিশনের জন্য বাংলাদেশি শান্তিরক্ষা বাহিনী লাইবেরিয়ায় কাজ করে চলেছে। লাইবেরীয়দেরকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যগত সহযোগিতাও দিয়ে আসছে শান্তিরক্ষীরা। কম্পিউটার/আইটি, পোশাক নির্মাণ, জেনারেটন মেরামত এবং পরিচালনা প্রভৃতি খাতের উন্নয়নের জন্য দক্ষ লাইবেরীয় জনগোষ্ঠী তৈরির উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা লাইবেরীয়দের প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। বাংলাদেশের প্রকৌশলীরা লাইবেরিয়ায় নির্মাণ, মেরামত এবং অবকাঠামোগত স্থাপনার ক্ষেত্রেও কাজ করে চলেছে।[১] ২০০৮ সালে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা "বাংলাদেশ স্কয়ার" নামে একটি অবসর কাটানোর জন্য শিক্ষামূলক স্থাপনা নির্মাণ করেন। জিবার্ঙ্গার এ শহরে ভোকেশনাল প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বাচ্চাদের খেলাধুলারও ব্যবস্থা রয়েছে।[২] শান্তিরক্ষীরা ৫০০০-এরও বেশি লাইবেরীয়কে স্বাস্থ্যগত সহযোগিতা করে আসছে।[৩]

অভিযোগ[সম্পাদনা]

লাইবেরীয় সিকিউরিটি কর্মকর্তারা অভিযোগ করেছিল যে লোগাতুও সীমান্তে কর্মরত বাংলাদেশি ইউএনএমআইএল তাদের কাছ থেকে ২০১৩ সালের মে মাসে দুটি জেনারেটর এবং একটি পানি পরিশোধন কেন্দ্র নিয়ে নেয়। তারা এও অভিযোগ করে যে শান্তিরক্ষীরা ২০ জন ইউএনএমআইএল থাকা একটি অবকাঠামো ভেঙে ফেলে এর ভবনটির সবকিছু নিকটস্থ সীমান্তের মুসলিমদেরকে দিয়ে দেয়। তারা মূলয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের বিরুদ্ধে এর সহকর্মী মুসলিমদের প্রতি একচোখা আচরণের অভিযোগ করে।[৪]

লাইবেরিয়ার সামাজিক উন্নয়ন[সম্পাদনা]

ব্র্যাকসহ বাংলাদেশের বেশকিছু এনজিও লাইবেরিয়ায় কাজ করে চলেছে। এগুলো মূলত ক্ষুদ্র ঋণ, পোলট্রি খামার, গবাদিপশুচাষ, গ্রামীণ উন্নয়নে কাজ করে চলছে।[৫]

বাণিজ্য ও বিনিয়োগ[সম্পাদনা]

২০১১ সালে বাংলাদেশের একটি দল বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের নতুন ক্ষেত্রের ব্যাপারে আলোচনার জন্য লাইবেরিয়ায় সফর করে। বাংলাদেশের রপ্তানী উন্নয়ন ব্যুরো জানায় যে তারা লাইবেরিয়ার সরকারি ও বেসরকারি খাতে প্রায় ৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে। বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীরা লাইবেরিয়ায় ঔষধ কোম্পানি খোলার ব্যাপারেও আগ্রহ প্রকাশ করেছে যা লাইবেরিয়ায় কর্মক্ষেত্র সৃষ্টি করবে।[৬]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Bangladeshi peacekeepers role in Liberia"ডেইলি সান 
  2. "New un envoy pledges"। ১৬ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০১৬ 
  3. "ACTING SRSG APPLAUDS BANGLADESH'S CONTRIBUTION TO UNMIL AND LIBERIA"। ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৩। 
  4. "Border report Liberia" (PDF)। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০১৬ 
  5. "CHEVRON, BRAC SIGN AGREEMENT"দ্য ইনকোয়্যারার। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০১৬ 
  6. "BANGLADESH TO INVEST US$3M IN LIBERIA"দ্য ইনকোয়্যারার। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ডিসেম্বর ২০১৬ 

টেমপ্লেট:লাইবেরিয়ার বৈদেশিক সম্পর্ক