গাড়ীদহ ইউনিয়ন

স্থানাঙ্ক: ২৪°৪০′২৬″ উত্তর ৮৯°২৫′২৫″ পূর্ব / ২৪.৬৭৩৮৯° উত্তর ৮৯.৪২৩৬১° পূর্ব / 24.67389; 89.42361
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
গাড়ীদহ
ইউনিয়ন
২নং গাড়িদহ মডেল ইউনিয়ন
ডাকনাম: গাড়িদও (স্থানীয় ডাকনাম)
গাড়ীদহ রাজশাহী বিভাগ-এ অবস্থিত
গাড়ীদহ
গাড়ীদহ
গাড়ীদহ বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
গাড়ীদহ
গাড়ীদহ
বাংলাদেশে গাড়ীদহ ইউনিয়নের অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৪°৪০′২৬″ উত্তর ৮৯°২৫′২৫″ পূর্ব / ২৪.৬৭৩৮৯° উত্তর ৮৯.৪২৩৬১° পূর্ব / 24.67389; 89.42361 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুনএর পশ্চিমে কুসুম্বি ইউনিয়ন পূর্বে খামারকান্দি ইউনিয়ন, উত্তরে শাজাহানপুরের আমরুল ইউনিয়ন এবং দক্ষিণে শেরপুর পৌরসভা অবস্থিত।
দেশবাংলাদেশ
বিভাগরাজশাহী বিভাগ
জেলাবগুড়া জেলা
উপজেলাশেরপুর উপজেলা উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
একটি চেয়ারম্যান ও ১২ জন সদস্য পদ। এর মধ্যে ৩টি মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত।৯ টি ওয়ার্ড
সরকার
 • চেয়ারম্যানদবির উদ্দিন
আয়তন
 • মোট২৪.৮৯ বর্গকিমি (৯.৬১ বর্গমাইল)
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
পোস্ট কোড৫৮৪৩ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
মানচিত্র

গাড়ীদহ ইউনিয়ন বাংলাদেশের বগুড়া জেলার একটি প্রশাসনিক এলাকা। ইউনিয়নটিকে প্রশাসনিকভাবে ২নং গাড়ীদহ ইউনিয়ন ডাকা হয়। বিগত বিএনপি সরকারের শেষ সময়ে এটিকে মডেল ইউনিয়নে পরিণত করা হয়। গাড়িদহ নামে ইউনিয়ন হলেও এর পরিষদ ভবন মূলত চন্ডিজান ও বাংড়া গ্রামের মাঝ বরাবর অবস্থিত।এটি করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত। নদীটি কানুপুর হতে রামনগন, কালশীমাটি, বাংড়া, গাড়ীদহ, জুয়ানপুর, চন্ডিজান, মহিপুর, চকপাথালিয়া, ফুৃলবাড়ী, কাফুরা হয়ে রণবীরবালা পর্যন্ত বিস্তৃত।

শিল্প সমৃদ্ধ ইউনিয়ন এটি। এখানে রয়েছে "পল্লী উন্নয়ন একাডেমী" নামক প্রতিষ্ঠান যা বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়নমূলক প্রতিষ্ঠান। রয়েছে সরকারি ডেইরি ফার্ম,, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন, খেলার মাঠ সহ অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। রয়েছে শিল্পকারখানা সহ উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠান।

অবস্থান ও আয়তন[সম্পাদনা]

২নং গাড়ীদহ ইউনিয়ন, রাজশাহী বিভাগের বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার অন্তর্গত একটি ইউনিয়ন। এর আয়তন ২৪.৮৯ বর্গকিমি।[১]

ভৌগোলিক উপাত্ত[সম্পাদনা]

৯টি ওয়ার্ড, ২৩টি মোজা, ২৯টি গ্রাম এবং ৯২টি পাড়া নিয়ে গাড়ীদহ ইউনিয়ন গঠিত।[১]
গাড়ীদহ ইউনিয়নের গ্রামসমূহ হচ্ছে-

গ্রামের নাম গ্রামের নাম গ্রামের নাম গ্রামের নাম গ্রামের নাম গ্রামের নাম
মাগুরগাড়ী হাটগাড়ী কলতাপাড়া দড়ীপাড়া রামনগর হাপুনিয়া
হাপুনিয়া কলোনী বনমরিচা মমিনপুর হাজীপুর মহিপুর কলোনী
জুয়ানপুর কানপুর বোংগা কালশীমাটি বাংড়া দড়িবাংড়া
শিবপুর রাশ্বেরপুর চন্ডিজান দামুয়া রাণীনগর চকপাথালিয়া
ফুলবাড়ী জয়নগর রনবীরবালা কাফুরা

প্রশাসন[সম্পাদনা]

১জন চেয়ারম্যান, ১জন সচিব এবং ১৩জন সদস্য (৯জন পুরুষ এবং ৩জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য) নিয়ে গাড়ীদহ ইউনিয়ন প্রশাসন গঠিত। এছাড়াও ইউনিয়নের ৯জন নিজস্ব গ্রাম পুলিশ রয়েছে।[২] ইউনিয়ন সচিব স্থায়ীভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত, অন্যদিকে প্রতি ৫ বছর অন্তর স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মাধ্যমে চেয়ারম্যান এবং সদস্যবৃন্দ নির্বাচিত হয়।[৩]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

গাড়ীদহ ইউনিয়নে ৫টি কলেজ[৪], ৪টি উচ্চ বিদ্যালয়, ৯টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৪টি রেজিষ্ট্রি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ ১৪টি মাদ্রাসা রয়েছে।[১]

উল্লেখযোগ্য স্থাপনা[সম্পাদনা]

যোগাযোগ ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

শেরপুর উপজেলা পরিষদ হতে দিকে ৪ কি: মি: পূর্ব-উত্তরে অবস্থিত গাড়ীদহ ইউনিয়ন পরিষদ। শেরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে বেবি ট্যাক্সি, অটোরিক্সা, ভ্যান, সিএনজি ইত্যাদি যানবাহন দিয়ে সরাসরি ইউনিয়ন পরিষদে যাতায়াত করা যায়।[৫]

বিবিধ[সম্পাদনা]

গাড়ীদহ ইউনিয়নে ১২টি ঈদগাহ মাঠ, ৮১টি মসজিদ, ২টি মন্দির রয়েছে। এছাড়াও ১৩টি কবরস্থান, ১৪৬টি পুকুর এবং করতোয়া নদী রয়েছে। ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে নানা ধরনের আধুনিক সেবা সহ জন্ম নিবন্ধন, মৃত্যু নিবন্ধন রেজিস্ট্রি করা হয়। [৬]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন ২০১৪)। "এক-নজরে-গাড়ীদহ ইউনিয়ন"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ২৫ মার্চ ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জানুয়ারী ২০১৬ 
  2. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ২৫ মার্চ ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ 
  3. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ১ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জানুয়ারি ২০১৬ 
  4. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ২৯ মার্চ ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ 
  5. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ২৫ মার্চ ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ 
  6. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন ২০১৪)। "এক-নজরে- ইউনিয়ন"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ২৫ মার্চ ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জানুয়ারী ২০১৬