খরনা ইউনিয়ন, শাজাহানপুর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
খরনা ইউনিয়ন
ইউনিয়ন
৫ নং খরনা ইউনিয়ন পরিষদ
দেশবাংলাদেশ
বিভাগরাজশাহী বিভাগ
জেলাবগুড়া জেলা
উপজেলাশাজাহানপুর উপজেলা উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
সরকার
 • চেয়ারম্যানসাজেদুর রহমান সাহীন[১]
আয়তন
 • মোট৩৬.৫৭ বর্গকিমি (১৪.১২ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (১৯৯১)
 • মোট২৩,২১২
 • জনঘনত্ব৬৩০/বর্গকিমি (১,৬০০/বর্গমাইল)
সাক্ষরতার হার
 • মোট২৪.২%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

খরনা ইউনিয়ন বাংলাদেশের বগুড়া জেলার শাজাহানপুর উপজেলার একটি ইউনিয়ন।[২]

অবস্থান[সম্পাদনা]

শাজাহানপুর উপজেলার দক্ষিণ - পশ্চিমে বগুড়া - নাটোর মহাসড়কের টেংগামাগুড় বন্দরের পূর্ব পাশে খরনা ইউনিয়ন পরিষদ ভবনটি অবস্থিত।

যোগাযোগ[সম্পাদনা]

আয়তন[সম্পাদনা]

এই ইউনিয়নের মোট আয়তন ৩৬.৫৭ বর্গকিলোমিটার।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

খরনা ইউনিয়নে বাবুর পুকুর অবস্থিত। বাবুর পুকুরে ১৯৭১ সালে ১৪ জন মুক্তিযুদ্ধাকে হত্যা করা হয়, যার মধ্যে ০১ জন মহিলা ও ১৩ জন পুরুষ মুক্তিযুদ্ধা ছিল। তাদেরকে সেখানেই সারিবদ্ধভাবে কবর দেওয়া হয়।[৩]

জনসংখ্যা[সম্পাদনা]

১৯৯১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী এই ইউনিয়নের মোট জনসংখ্যা ২৩,২১২ জন।

প্রশাসনিক কাঠামো[সম্পাদনা]

এই ইউনিয়ন ৯টি গ্রাম ও ৯টি মৌজা নিয়ে গঠিত।

শিক্ষা ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

এখানে সাক্ষরতার হার ২৪.২%।

হাট-বাজার[সম্পাদনা]

  1. টেংগামাগুর হাট
  2. খরনা বাজার
  3. বীরগ্রাম বাজার
  4. দাড়িগাছা বাজার
  5. উমরদীঘি বাজার

জনপ্রতিনিধি[সম্পাদনা]

ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান সাজেদুর রহমান সাহীন।[১]

পূর্বতন চেয়ারম্যানবৃন্দ
  1. কফিল উদ্দিন
  2. মাজেদুল ইসলাম সরকার
  3. তৈয়ব আলী
  4. শাহ আলম

ধর্মীয় উপাসনালয়[সম্পাদনা]

এই ইউনিয়নে ৭৪টি মসজিদ, ৭টি মন্দির ও ৮টি ঈদগাহ রয়েছে।

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

  1. বাবুর পুকুর - যেখানে ১৯৭১ সালে ১৪ জন মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করে কবর দেওয়া হয়।[৩]

উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "ইউনিয়নের চেয়ারম্যান"। বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
  2. "খরনা ইউনিয়ন"। বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
  3. "খরনা ইউনিয়নের দর্শনীয় স্থান"। বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।