খাতড়া মহকুমা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
খাতড়া মহকুমা
খাতড়া মহকুমা
স্থানাঙ্ক: ২২°৫৯′ উত্তর ৮৬°৫১′ পূর্ব / ২২.৯৮° উত্তর ৮৬.৮৫° পূর্ব / 22.98; 86.85

খাতড়া মহকুমা পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার একটি মহকুমা। এই মহকুমা ইঁদপুর, খাতড়া, হীড়বাঁধ, রাইপুর, সারেঙ্গা, রানিবাঁধ, সিমলাপাল ও তালডাংরা নামে আটটি সমষ্টি উন্নয়ন ব্লক নিয়ে গঠিত। এই আটটি ব্লকের অধীনে মোট ৫৯টি গ্রাম পঞ্চায়েত রয়েছে। মহকুমার সদর খাতড়া

এলাকা[সম্পাদনা]

খাতড়া মহকুমার অধীনস্থ আটটি সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকের নাম ইঁদপুর, খাতড়া, হীড়বাঁধ, রাইপুর, সারেঙ্গা, রানিবাঁধ, সিমলাপাল ও তালডাংরা। এই আটটি ব্লকের অধীনে মোট ৫৯টি গ্রাম পঞ্চায়েত রয়েছে।[১]

ব্লক[সম্পাদনা]

ইন্দপুর ব্লক[সম্পাদনা]

ইন্দপুর ব্লকের গ্রামীণ এলাকা সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত। এগুলি হল ব্রাহ্মণদিহা, গৌরবাজার, ইন্দপুর, ভেদুয়াসোল, ব্রজরাজপুর, হাটগ্রাম ও রঘুনাথপুর।[১] ব্লকটি ইন্দপুর থানার অধীনস্থ।[২] ব্লকের সদর ইঁদপুর[৩]

খাতড়া ব্লক[সম্পাদনা]

খাতড়া ব্লকের গ্রামীণ এলাকা সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত। এগুলি হল বৈদ্যনাথপুর, ধনাড়া, খাতড়া গ্রাম-১, সুপুর, দহলা, গোড়াবাড়ি ও খাতড়া গ্রাম-২।[১] ব্লকটি খাতড়া থানার অধীনস্থ।[২] ব্লকের সদর খাতড়া। এখানে একটি অতিরিক্ত সমষ্টি প্রাণী স্বাস্থ্য কেন্দ্র আছে বরমেটিয়ালা গ্রামে। [৩]

হীড়বাঁধ ব্লক[সম্পাদনা]

হীড়বাঁধ ব্লকের গ্রামীণ এলাকা পাঁচটি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত। এগুলি হল বহড়ামুড়ি, হীড়বাঁধ, মশিয়াড়া, গোপালপুর ও মলিয়ান।[১] ব্লকটি খাতড়া থানার অধীনস্থ।[২] ব্লকের সদর হীড়বাঁধ[৩]

রাইপুর ব্লক[সম্পাদনা]

রাইপুর ব্লকের গ্রামীণ এলাকা দশটি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত। এগুলি হল ধানাড়া, ফুলকুসুমা, মোটগোদা, সোনাগাড়া, ধেকো, মেলেরা, রাইপুর, দুন্দার, মণ্ডলকুলি ও শ্যামসুন্দরপুর।[১] ব্লকটি রাইপুর থানার অধীনস্থ।[২] ব্লকের সদর রাইপুর[৩]

সারেঙ্গা ব্লক[সম্পাদনা]

সারেঙ্গা ব্লকের গ্রামীণ এলাকা ছয়টি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত। এগুলি হল বিক্রমপুর, গড়গরলা, নেতুরপুর, চিলতোড়, গোয়ালবাড়ি ও সারেঙ্গা।[১] ব্লকটি সারেঙ্গা থানার অধীনস্থ।[২] ব্লকের সদর সারেঙ্গা[৩]

রানিবাঁধ ব্লক[সম্পাদনা]

রানিবাঁধ ব্লকের গ্রামীণ এলাকা আটটি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত। এগুলি হল অম্বিকানগর, হলুদকানালি, রাজাকাটা, রাউতোড়া, বারিকুল, পুদ্দি, রানিবাঁধ ও রুদ্র।[১] ব্লকটি রানিবাঁধ থানার অধীনস্থ।[২] ব্লকের সদর রানিবাঁধ[৩]

সিমলাপাল ব্লক[সম্পাদনা]

সিমলাপাল ব্লকের গ্রামীণ এলাকা সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত। এগুলি হল বিক্রমপুর, লক্ষীসাগর, মণ্ডলগ্রাম, সিমলাপাল, দুবরাজপুর, মাচাতোড়া ও পার্শ্বলা।[১] ব্লকটি সিমলাপাল থানার অধীনস্থ।[২] ব্লকের সদর সিমলাপাল[৩]

তালডাংরা ব্লক[সম্পাদনা]

তালডাংরা ব্লকের গ্রামীণ এলাকা নয়টি গ্রাম পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত। এগুলি হল আমডাঙা, হাড়মাসড়া, শালতোড়া, বিবড়দা, খালগ্রাম, সাতমৌলী, ফুলমতী, পাঁচমুড়া ও তালডাংরা।[১] ব্লকটি তালডাংরা থানার অধীনস্থ।উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; অবৈধ নাম (যেমন- সংখ্যাতিরিক্ত) ব্লকের সদর তালডাংরা[৩]

বিধানসভা কেন্দ্র[সম্পাদনা]

সীমানা নির্ধারণ কমিশনের সুপারিশ ক্রমে পশ্চিমবঙ্গের পরিবর্তিত বিধানসভা কেন্দ্র বিন্যাসে:[৪] *রানিবাঁধ, হীরবাঁধ ও খাতড়া ব্লকগুলি নিয়ে রানিবাঁধ বিধানসভা কেন্দ্র গঠিত।

  • রায়পুর ও সারেঙ্গা ব্লকদুটি নিয়ে রায়পুর বিধানসভা কেন্দ্র গঠিত।
  • ইঁদপুর ব্লকের ভেদুয়াসোল, ব্রাহ্মণদিহা, হাটগ্রাম, ইঁদপুর ও রঘুনাথপুর ছাতনা বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত।
  • ইঁদপুর ব্লকের অপর দুটি গ্রাম পঞ্চায়েত, সিমলাপাল ব্লক ও তালডাংরা ব্লকের বিবড়দা, ফুলমতী, হাড়মাসড়া, খালগ্রাম, পাঁচমুড়া ও তালডাংরা গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি নিয়ে তালডাংরা বিধানসভা কেন্দ্র গঠিত।
  • তালডাংরা ব্লকের অবশিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি বাঁকুড়া বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Directory of District, Sub division, Panchayat Samiti/ Block and Gram Panchayats in West Bengal, March 2008"West Bengal। National Informatics Centre, India। ২০০৮-০৩-১৯। ২০০৯-০২-২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-১২-১৬ 
  2. "List of Districts/C.D.Blocks/ Police Stations with Code No., Number of G.Ps and Number of Mouzas"। Census of India, Directorate of Census Operations, West Bengal। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-১২-১৬ 
  3. "Contact details of Block Development Officers"Bankura district। Panchayats and Rural Development Department, Government of West Bengal। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-১২-২৫ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  4. "Press Note, Delimitation Commission" (PDF)Assembly Constituencies in West Bengal। Delimitation Commission। পৃষ্ঠা 20,25। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০১-২২